koster jibon

koster jibon Eta Amr Jiboner History

😊😊
11/09/2026

😊😊

🥰🥰
11/09/2026

🥰🥰

11/09/2026

19/12/2025

মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে পড়িনি একটু পড়েই দেখুন না। জাযাকাল্লাহ।

পরলোক'গত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি-

"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"

তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,

আমাকে গোসল করাবে,

(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,

আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,

আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,

আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,

অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,

আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,

আমার চাবির গোছাগুলো,

আমার বইপত্র,

আমার ব্যাগ,

আমার জুতোগুলো,

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,

এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দুঃখিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,

এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,

আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,

আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,

অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,

ছোট এবং বড়..... অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!

কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় "লাশ"?

কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,

যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, "জানাযাহ" নিয়ে আসো,

তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না....!

আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না...!

এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,

এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়।

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো..... জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দুঃখ করা হবে,

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দুঃখ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দুঃখিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দুঃখ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,

তোমার নিকট থেকে নিঃশেষ হবে (তোমার):
১. সৌন্দর্য্য

২. ধনসম্পদ

৩. সুস্বাস্থ্য

৪. সন্তান-সন্তদি

৫. বসতবাড়ি

৬. প্রাসাদসমূহ

৭. জীবনসঙ্গী

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,

শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,

আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

*বস্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,

এজন্য তুমি যত্নবান হও,

১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি

২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি

৩. গোপন সাদাকাহ'র প্রতি

৪. ভালো কাজের প্রতি

৫. রাতের নামাজের প্রতি

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো.....

এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ'র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম....))

তারা বলবে না,

উমরাহ পালন করতাম,
অথবা, রোজা রাখতাম,

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ'র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,.

আর, গুরুত্ববহ এই সাদাকাহ'র কাজটি তুমি এই কথাগুলো ছড়িয়ে দিয়ে মাত্র ১০ সেকেন্ড সময় ব্যয় করে করতে পারো, যদি তোমার উদ্দেশ্য হয় এর মাধ্যমে মানুষকে উপদেশ প্রদান করা। কারণ, উত্তম কথা হল এক ধরণের সাদাকাহ।।।

-সংগৃহীত

যখন দেখবে তার কথা আর কাজে মিল নেই—বুঝে নেবে সে আবেগহীন।তোমার কান্না, কষ্ট, ব্যাখ্যা—তার কাছে কোনো মূল্যই পায় না।না'র্সিস...
07/12/2025

যখন দেখবে তার কথা আর কাজে মিল নেই—
বুঝে নেবে সে আবেগহীন।
তোমার কান্না, কষ্ট, ব্যাখ্যা—
তার কাছে কোনো মূল্যই পায় না।

না'র্সিসিস্টদের থাকে দুই মুখ—
বাইরে দয়ালু নায়ক,
ভেতরে ঠান্ডা, নিষ্ঠুর স্বার্থপর।

তাদের ভালোবাসা প্রেম নয়—
এটা মানসিক দাসত্ব।
তুমি যতই ভালো হও,
তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ থাকে
শুধু তাদের ইচ্ছে, স্বার্থ ও ইমেজ।

মনোবেদরা বলেন—
না'র্সিসিস্ট পরিবর্তন হয় না।
কারণ তারা ভালোবাসে শুধু—
নিজেকেই।

#বন্ধু

দৌড়াবেন না, আশ্রয় নিন! (৫ম তলা বা তার উপরে)উঁচু ভবনে (৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম তলা বা তার উপরে) থাকলে, বের হওয়ার চেষ্টা করা সবচেয...
30/11/2025

দৌড়াবেন না, আশ্রয় নিন! (৫ম তলা বা তার উপরে)

উঁচু ভবনে (৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম তলা বা তার উপরে) থাকলে, বের হওয়ার চেষ্টা করা সবচেয়ে বড় ভুল। বাস্তবতা হলো, নিচের তলা ভেঙে পড়ার আগেই আপনি সিঁড়িতে বিশৃঙ্খলা, ধাক্কাধাক্কি এবং অন্ধকারে আটকা পড়বেন।

ভয়ঙ্কর সত্য: ৯০% মানুষ সিঁড়িতেই মারা যায় বা গুরুতর আহত হয়। ভূমিকম্প শুরু হলে সিঁড়ি বা বারান্দা অত্যন্ত বিপজ্জনক!

দ্রুত আশ্রয় নিন (Drop—Cover—Hold On):

বিছানায় থাকলে: শক্তভাবে খাটের নিচে ঢুকে পড়ুন।

অন্যান্য কক্ষে থাকলে: মজবুত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন।

আশ্রয় না পেলে: শক্তিশালী দেয়ালের কোণে শরীর গুটিয়ে বসে মাথা ও ঘাড় ঢেকে রাখুন।

মাথা সুরক্ষিত রাখুন: বাথরুমের বালতি উল্টো করে, হেলমেট, ঝুড়ি বা শক্ত ব্যাগ যা পাবেন, তা দিয়ে মাথা ঢেকে রাখুন।

বারান্দা এড়িয়ে চলুন: রেলিং বা স্লাব ভেঙে পড়তে পারে।

২. সৌভাগ্যবানদের জন্য কৌশল (১ম ও ২য় তলা) 🚪

আপনি যদি ১ম বা ২য় তলায় থাকেন, তবে আপনার হাতে বের হওয়ার সুযোগ আছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে দ্রুততার সাথে।

দরজা খোলা রাখুন: কম্পন শুরু হওয়ার সাথে সাথে দরজা খুলে দিন (জ্যাম হওয়া এড়াতে)।

তাৎক্ষণিক নির্গমন: ১৫-২০ সেকেন্ডের মধ্যে সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে রাস্তায় চলে আসুন।

দূরত্ব বজায় রাখুন: রাস্তায় এসে কখনো বিল্ডিং-এর গা ঘেঁষে দাঁড়াবেন না। ভেঙে পড়া রোধে ভবন থেকে কমপক্ষে ১০০ ফুট দূরে সরে যান এবং খোলা মাঠে চলে যান।

৩. ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে গেলে করণীয় (Think Fast!) 🗣️

আটকে পড়লে শান্ত থাকা এবং সঠিক সংকেত দেওয়া আপনার জীবন বাঁচাতে পারে।

চিৎকার করবেন না: চিৎকার করলে ধুলো ফুসফুসে ঢুকতে পারে এবং গলা দ্রুত শুকিয়ে যাবে।

সংকেত ব্যবহার করুন:

হুইসেল থাকলে একটানা বাজান।

না থাকলে, আন্তর্জাতিক রেসকিউ সিগন্যাল হিসেবে দেয়ালে বা শক্ত পাইপে তিনবার টোকা দিন।

সংরক্ষণ করুন: মোবাইল টর্চ অন করে রাখুন। কথা বলবেন না, ব্যাটারি বাঁচান।

নিরাপত্তা: মুখে কাপড় চেপে ধরুন যাতে ধুলো শ্বাসযন্ত্রে প্রবেশ না করে।

৪. দৈনন্দিন প্রস্তুতি (আজ থেকেই শুরু করুন) 🛠️

প্রস্তুতি ছাড়া ঢাকায় ভূমিকম্প হলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের উপর, কিন্তু প্রস্তুতি থাকলে বেঁচে থাকা ভাগ্যের হাতে!

ঘুমের প্রস্তুতি: বিছানার পাশে একজোড়া জুতা, একটি হেলমেট এবং একটি হুইসেল রাখুন।

ভারী আসবাব: ভারী আলমারি, ফ্রিজ, এবং টিভি এমন জায়গায় রাখুন যাতে পড়ে গিয়ে আঘাত না করতে পারে। পারলে দেওয়ালের সাথে বেঁধে রাখুন।

গ্যাস সিলিন্ডার: চেইন বা ফিতা দিয়ে মজবুতভাবে বেঁধে রাখুন।

নির্গমন: দরজা যেন কখনও অটো-লক না হয়। জরুরি চাবি সবসময় কাছাকাছি রাখুন।

৫. শেষ বার্তা ও মানসিক শক্তি 🙏

এই ঘনবসতিপূর্ণ শহরে, যেখানে ৫ থেকে ৭ তলার অ্যাপার্টমেন্টই প্রধান আবাসন, সেখানে সচেতনতা জীবনের সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ।

আমার সিদ্ধান্ত: "আমি ৪র্থ তলার উপরে—তাই আমি দৌড়াবো না, শুধু টেবিল বা বিছানার নিচে ঢুকবো। আমি যদি ১ম-২য় তলায় থাকি—প্রথম ২০ সেকেন্ডে বের হয়ে যাবো।"

প্রকৃতির কাছে আত্মসমর্পণ: জীবন কখনও কখনও কঠিনভাবে মনে করিয়ে দেয়—প্রকৃতি কত শক্তিশালী, আর মানুষ কত সহজেই ভেঙে যেতে পারে। দুর্যোগে মানুষের কিছু করার থাকে না, কিন্তু একটু সচেতনতা, একটু প্রস্তুতি—এটাই আমাদের শক্তি।

জীবন মানে শুধু শ্বাস নেওয়া না, জীবন মানে সচেতন থাকা, আর প্রতিটি মুহূর্তকে সম্মান করা, যেন এটা শেষ সুযোগ।

আপনার শেষ কথাটিই আমাদের প্রেরণা: জীবন অনিশ্চিত, কিন্তু কৃতজ্ঞতা নিশ্চিত। যা আছে, যতটুকু আছে—সেটাই আমাদের শক্তি।



M H Khan

নাম তার আরমান। সিলেট শহরে একটা ৮ তলা বিল্ডিংয়ে ৬ষ্ঠ তলায় একা থাকে। চাকরি করে একটা মোবাইল কোম্পানিতে। বাবা-মা গ্রামে। আ...
28/11/2025

নাম তার আরমান। সিলেট শহরে একটা ৮ তলা বিল্ডিংয়ে ৬ষ্ঠ তলায় একা থাকে। চাকরি করে একটা মোবাইল কোম্পানিতে। বাবা-মা গ্রামে। আরমান নামাজ-রোজা কিছুই পড়ে না। রাতে ফেসবুক, ইউটিউব, নেটফ্লিক্স… এইসব।
এক রাতে, ঘড়িতে ৩:১৭ মিনিট।
আরমান হেডফোন খুলে বিছানায় শুয়ে মোবাইল দেখছে। হঠাৎ তার মনে হলো কেউ তার নাম ধরে ডাকল।
“আরমা-ন…”
গলাটা খুব মিষ্টি, মেয়েলি।
সে ভাবল হয়তো পাশের ফ্ল্যাট থেকে আসছে। কিন্তু আবার শুনল, এবার কানের কাছে থেকে।
“আরমান… তুই কি আমাকে ভালোবাসিস?”
সে চমকে উঠে বসল। ঘরে কেউ নেই। দরজা বন্ধ। জানালাও বন্ধ।
ভয়ে তার গায়ের লোম খাড়া হয়ে গেল। কিন্তু সে সাহস করে বলল, “কে? কে আছিস?”
কোনো উত্তর নেই।
তারপর থেকে প্রতি রাতে একই সময়, ৩:১৭ মিনিটে একই প্রশ্ন।
“আরমান… তুই কি আমাকে ভালোবাসিস?”
দিন দশেক পর আরমান আর পারল না। চোখের নিচে কালি। সে একজন পীরের কাছে গেল। পীর সাহেব ফুঁ দিয়ে তাবিজ দিলেন। কিন্তু কাজ হলো না। আবার একই প্রশ্ন।
শেষে আরমান একজন বড় হুজুরের কাছে গেল। হুজুর তার কথা শুনে চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন,
“বাবা, ওটা জিন না। ওটা তোমার নিজের রুহ।
তোমার রুহ তোমাকে প্রশ্ন করছে।
তুমি যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ছেড়ে দিয়েছ, কুরআন ছুঁয়ে দেখো নাই বছরের পর বছর, মা-বাবার সাথে খারাপ ব্যবহার করো, হারাম খাও, গীবত করো… তখন তোমার রুহটা কষ্ট পায়। সে কাঁদে।
কিন্তু তুমি শুনতে পাও না।
তাই সে রাতে এসে তোমাকে জিজ্ঞেস করে –
‘তুই কি আমাকে ভালোবাসিস?’
অর্থাৎ, তুই কি নিজের রুহকে ভালোবাসিস? নাকি শুধু দুনিয়া আর শরীরকে ভালোবাসিস?”
হুজুর আরো বললেন,
“ওই মেয়েলি গলাটা আসলে তোমার রুহের আত্মচিৎকার। যে রুহ আল্লাহর থেকে এসেছে, সে আল্লাহর দিকে ফিরতে চায়। কিন্তু তুমি তাকে আটকে রেখেছ দুনিয়ার মায়ায়।”
আরমান কাঁদতে কাঁদতে বলল, “এখন কী করব হুজুর?”
হুজুর বললেন,
“আজ রাতে ৩:১৭ বাজলে তুমি ওজু করে দাঁড়াও। তারপর বলো –
‘হ্যাঁ, আমি তোকে ভালোবাসি। আমি তোর জন্য নামাজ পড়ব। তোর জন্য পবিত্র থাকব। আমি তোকে আল্লাহর কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যাব।’”
সেই রাতে আরমান ওজু করল। তাহাজ্জুদ পড়ল। কাঁদতে কাঁদতে তওবা করল।
ঘড়িতে ৩:১৭ বাজল।
আবার সেই গলা –
“আরমান… তুই কি আমাকে ভালোবাসিস?”
এবার আরমান হেসে বলল,
“হ্যাঁ, আমি তোকে খুব ভালোবাসি। চল, বাড়ি চল। আল্লাহর কাছে চল।”
তারপর আর কখনো সেই গলা শোনা যায় নাই।
কিন্তু এখনো যারা ওই ফ্ল্যাটে থাকে, তারা বলে –
রাতে তাহাজ্জুদের সময় মাঝে মাঝে খুব মিষ্টি একটা কান্নার আওয়াজ আসে।
যেন কেউ খুব শান্তিতে কাঁদছে।
ভাই, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভূতটা বাইরে থাকে না।
সে থাকে আমাদের ভেতরে।
নাম তার – ভুলে যাওয়া রুহ।
তাকে ফিরিয়ে আনো।
নাহলে একদিন সে চলে যাবে… আর তুমি তখন আর ফিরতে পারবে না।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দিন। আমিন

Collected #।

17/11/2025

জলপাই #আলহামদুলিল্লাহ #জলপাই

06/11/2025

আমি একদিন মরে যাব😔😔

06/11/2025

চুরি💝

Adress

Dhania, Nayarhat, Ashulia, Savar Dhaka
Sävar
1234

Aviseringar

Bli först med att veta: vi skickar ett mejl när koster jibon publicerar nyheter och kampanjer. Din e-postadress används inte till något annat, och du kan avsluta prenumerationen när som helst.

Genvägar

Dela