My page

My page Effort Never Dies

19/08/2022

যে মা কান্না করে, বাচ্চাও তেমন হতে পারে।
যে মা অশান্তির সংসারে থাকে, সেই বাচ্চাও ভাল থাকবে না।
যে মা হাসিখুশি থাকে, তার বাচ্চা ও হাসি খুশি থাকবে।
চিন্তা কম করবে, রাগ নিয়ন্ত্রন করবে।
মা শুধু মা নয়, বাচ্চার জীবন তার মা'কে দিয়েই শুরু।
এই জন্য মা কে হতে হবে হাসি খুশি একটা মানুষ।
বাচ্চা বড় হয়ে, ঠিক মা'কে মনে করবে। এমনকি মা না থাকলেও মায়ের কথা মনে করে জীবনের কঠিন দিন গুলোতে সাহস পাবে।

31/07/2022
16/07/2022

বহুদিন আগে আমার বাবা তার খালি জমিতে একটা গরিব পরিবারকে থাকতে দিয়েছিলেন।
বেশ কয়েক বছর পর বাবা বাড়ি করার জন্য জমিটা ছাড়তে বললে তারা ছাড়তে রাজি হলো না। পরে অনেক কসরত করে, টাকা পয়সা দিয়ে তাদেরকে সরানো হয়েছিল।
শুনে যা বুঝলাম, তাহলো একটা জমিতে অনেকদিন থাকলে নাকি তাতে তার অধিকার জন্মে যায়।
আমিতো অবাক। দয়া করে থাকতে দিয়েছে। কোথায় কৃতজ্ঞ হবে, তানা উল্টো দখল করে বসে আছে। ভাবলাম জমির ব্যাপারতো
তাই লোভ সামলাতে পারেনি।

আমি যেখানে থাকি সেখানে এক রিক্সাওয়ালা আছে আমার দেশি। বাজারে সে থাকলে আমি তার রিক্সাতেই আসি। বাজার থেকে আমার বাসা পর্যন্ত ভাড়া ৪০ টাকা ফিক্সড। তবে আমি নিয়মিত ৫০ টাকা দিতাম।
একদিন আমার কাছে খুচরা ৪৫ টাকা ছিলো। ঐ টাকাই দিলাম। টাকাটা দেয়ার সাথে সাথে একরকম চিৎকার করে উঠলো, “ আর ৫ টাকা ? " আমি কিছুক্ষন চুপ থেকে বললাম, " ভাড়াতো ৪০ টাকা, বাকি ৫ টাকা ফেরত দেন। "লোকটা হেসে বলল না সবসময়তো ৫০ টাকা দেন তাই কইলাম। ভাবলাম থাক গরিব মানুষতো, তাই এমন করলো।

আমার এক প্রতিবেশী।
রোজ বাচ্চাকে স্কুলে দিতে যায়। তার গোয়ালাটা সে ফেরার আগে দুধ নিয়ে আসে। আমি বাড়িতে না থাকায় সেই দুধ নেয়ার দায়িত্বটা আমার কাজের লোকের উপর পড়ে।
প্রতিবেশি হিসেবে এটুকু উপকারতো করতেই হয়। একদিন আমার কাজের লোকটি কোথাও একটা কাজে বেড়াতে গেছে, দুধটা আর নেয়া হয়নি।
আমি বাসায় ফেরার পর উনি এসে বলল,
" আপনার কাজের লোক কোথায়? "
-- একটু বেড়াতে গেছে।
--আমাকে আগে বলল না। এখন দেখেনতো আমার ছোট ছেলেটা কি খাবে ?
আগে বললে আমি অন্য কাউকে দায়িত্ব দিতাম।
--ভাবি ও হয়তো ভুলে গেছে।
--না যাই বলেন কোনো দায়িত্ব নিলে ঠিক ভাবে পালন করতে হয়।
--ভাবি ও হয়তো আপনার এই দায়িত্বের জন্য উপযুক্ত পারিশ্রমিক পায়না তাই অবহেলা করেছে। আপনি বরং দায়িত্বটা অন্য কাউকে দিয়েন।
সে কিছুক্ষন আমার দিকে তাকিয়ে থেকে গটগট করে চলে গেলো।
ভাবলাম, অল্প শিক্ষিত মহিলাতো তাই এমন আরকি।

আমার এক কলিগ। গর্ভবতী হয়ে অফিসে কাজ করেন, আমি তার কষ্ট দেখে তার একটা কাজের দায়িত্ব নিজে থেকেই নিলাম।
সে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে গেলো। সে ফিরেও এলো। তাকে কাজটা ফিরিয়ে দিতে চাইলে সে গরিমসি শুরু করলো। ভাবটা এমন যে কাজটা আমারই ছিলো। এবার ভাবনাটা বদলালাম।

আসলে মানুষ একটা সুবিধা বেশিদিন ভোগ করলে সেটাকে তার অধিকার ভেবে নেয়।
ভুলে যায় --"It's facility, not right."
তাই শুধু সুবিধা দেয়া নয়, নেয়ার ক্ষেত্রেও সাবধান থাকা দরকার।
হিউম্যান বিহেভিয়ার খুব অদ্ভুত। এটা প্রায় সবার ক্ষেত্রেই কাজ করে।

টিউশনি করানোর সময় আন্টি প্রতিদিন নাস্তা দিতেন। হঠাৎ টানা ২-৩ দিন নাস্তা না দেয়ায় আমার খুব খারাপ লেগেছিল, আরে নাস্তাই দিল না।
পরে অবশ্য আমার নিজের আচরণে আমি নিজেই অবাক হই। আমার সাথে তো কখনো অভিভাবক এর নাস্তা নিয়ে চুক্তি হয়নি,
তারা তো আমাকে নাস্তা দিতে বাধ্য নন।
বরং নাস্তা দেয়ার জন্য আমার তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিৎ ছিল।
কোনটা অধিকার আর কোনটা অতিরিক্ত পাচ্ছি, সেটা বোঝা জরুরি।।
ভালো লাগলে আমার YouTube channel টি Subscribe করে নিও
https://youtube.com/

02/06/2022

আমাদের জীবনে বন্ধুর ভূমিকা অপরিসীম; কিন্তু সেটা যদি ফেইক বন্ধু হয়, তবে ক্ষতির পরিমাণও অসীম হয়।

তাই ফেইক বন্ধু চেনার কিছু উপায় জানালাম -

*নির্দিষ্ট কোনো স্বার্থের উদ্দেশ্যে আপনার সাথে বন্ধুত্ব করবে; হয়তো আপনি ভাল ছাত্র, হয়তো আপনি বন্ধু মহলে অনেক জনপ্রিয় কিংবা আপনি অবস্থা সম্পন্ন - এইসবের কারণে।

*আপনার সফলতায় খুশী না হয়ে হিংসা অনুভব করবে।

*আপনাকে বিভিন্ন খারাপ কাজে প্রলুব্ধ করে এই যুক্তি দিয়ে যে এটা করাই যায়, ব্যাপার না।

*আপনার সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে আপনার গোপন কথা জানার মাধ্যমে পরবর্তীতে সেটা দিয়েই আপনার ক্ষতি করার চেষ্টা করবে।

*আপনার ভুল ধরিয়ে দিয়ে সংশোধন না করে বরং এই কথা বলে সাপোর্ট দেবে যে, যা করেছেন ঠিকই করেছেন।

* বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক (নেশা বা মাদক, অবৈধ সম্পর্ক, অপরাধ মূলক কাজ) কাজে উৎসাহিত করবে এবং অনেক ক্ষেত্রে এইসবকে "আধুনিকতা"র নাম দিয়ে আপনাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করবে।

*অন্যদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে কথা বলবে এবং হেয় প্রতিপন্ন করবে।

*আপনার ভাল কাজে বাঁধা দেবে এই বলে যে আপনি বোকামী করছেন; কারণ তারা চায় না আপনি ভাল থাকুন।

*আপনার অনুপস্থিতিতে আপনাকে নিয়ে অন্যদের কাছে নেগেটিভ কথা বলবে, আপনাকে ভুল ভাবে উপস্থাপন করবে।

*সুযোগ পেলেই হিংসার বশীভূত হয়ে এরা আপনার সর্বোচ্চ ক্ষতি করবে।

তাই আপনাদের জীবনে এমন কোনো ফেইক বন্ধু থেকে থাকলে আজই তাকে নির্দ্বিধায় ঝেড়ে ফেলুন; শুভকামনা। ❤

- Maksudul Haque

29/05/2022

দীর্ঘ ৭ বছর প্রবাসে কাটিয়ে দিলাম সংসারের ঘানি টানতে টানতে। এক কথায় সংসারের সুখের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিলাম নির্লজ্জ অসহায় হয়ে প্রবাসের মাটিতে। নিজেকে অমানুষ মনে করে যেকোন কাজ করতে দ্বিধাবোধ করি নাই কখনো। সংসারের সুখের পিছনে ছুটতে ছুটতে কখন যে ২৯ বসন্ত শেষ হলো বুঝতে পারিনি।

যৌবনে বাতাস এসে বার বার মনে করে দিত যৌবনের সুখে হারিয়ে যেতে। তাই দীর্ঘ ৭বছর পর যৌবনের ডাকে সারা দিতে দেশে গেলাম। বিয়ে সব কাজ ঠিকঠাক করে রাখলো বাবা মা। মেয়ে ও ঠিক করে রাখলো।

মেয়েকে আগে থেকে চিনি বলে আমার এ আপত্তি ছিল না। বিয়ে ৩দিন আগের রাতে পরিবারের সবাই আমাকে নিয়ে মিটিং এ বসল। প্রথমে বাবা বলল বিয়ের সব আয়োজন করতে ৬লক্ষ টাকা লাগবে। তখন বাবা বললো আমাকে টাকা দিতে।বাবার কথা শুনে আমি অবাক হয়ে গেলাম। মনে হলে আকাশটা ভেঙে মাথার উপর পড়ল। বাবাকে বললাম আমার কাছে টাকা নাই।

যা টাকা বেতন পেতাম সবাইতো আপনাকে দিয়েছি মাসে মাসে। বাবা সহ কেউ আমার কথা বিশ্বাস করলো না। বাবা রেগে সরাসরি বললো টাকা দিলে বিয়ে হবে নয়তো সে কালকে বাড়ি থেকে চলে যাবে। কি করবো বুঝতে পারছিলাম না । দুচোখে অন্দকার দেখতে লাগলাম। বাড়ি চেনা মানুষগুলো অচেনা হয়ে গেল। আমি সবাইকে বার বার বলে কেউকে বিশ্বাস করাতে পারলাম না আমার কাছে টাকা নাই। বিয়ে না হলে মান সম্মান বলতে কিছু থাকবে না,সেই চিন্তা সারা রাত অনিদ্রায় কাটিয়ে দিলাম।

সকালবেলায় না খেয়ে এক বন্দুর বাড়ি গিয়ে বন্দুকে সব খুলে বললাম। বলার পর ১লাখে বছরে ৩০হাজার টাকা সুদে ৪লাক্ষ টাকা ঋন নিলাম বাকি ২লক্ষ টাকা প্রবাসি বন্দুদের থেকে ধার নিয়ে বাবাকে দিলাম। তো বাবা টাকার কথা সব খুলে বললাম কিভাবে জোগার করলাম। বাবা আমার কথার কোন উত্তর দিল না। অবশেষে অনেক জামেলার পর বিয়ে সম্পন্ন হলো। বিয়ে প্রথম ক’মাসে আল্লাহ রহমতে বাবা হব খবরটা পেলাম,তাই ছুটির ৩মাস বাকি থাকতে আবার চলে এলাম সিঙ্গাপুরে । এসে শুরু করলাম দিনরাত কাজ।

নিজেকে বিলিয়ে দিলাম কাজের মধ্যে। ঋন যন্তনায় ঘুম আসতো না,কখন শেষ হবে ঋন। আর ক্ষনে ক্ষনে বুঝতে পারলাম ঋন থাকলে প্রবাস জীবনটা যে কত যন্তনার আর কষ্টের। মাসে মাসে যা বেতন পাই সবই ঋন দেই।

আগের মত টাকা বাড়িতে দিতে পারি না বলে বাড়ি সবাই আমাকে সন্দেহ করতে লাগলো। আর বলতে শুরু করল আমি বেতনের সব টাকা শ্বশুর বাড়িতে দেই। এই নিয়ে শুরু হলো শ্বশুর বাড়ি লোকদের সাথে আমাদের বাড়ির ঝগড়া। ঝগড়ার কারনে আমার মেয়েকে আর বউকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। অথচ আমি বাবাকে আগেই বলছি আমার ঋনের কথা কেউ আমাকে বিশ্বাস করেনি,কি ছিল আমার ভুল? কি ছিল আমার অপরাধ?

যে ভুলের কারনে আজ একা একা জ্বলছি দূরপ্রবাসে। আমি তো চেয়ে ছিলাম সবাইকে নিয়ে সুখে থাকতে। কি পেলাম নিজের আপনজনদের থেকে যন্তনা ছাড়া? যাদের জন্য জীবনের অনেকগুলো বছর যন্তনার প্রবাসে। যাদের সুখের জন্য জীবনে সকল চাওয়া পাওয়া গুলোকে কবর দিয়ে ছিলাম কুয়েতের মরুতে। আজ আমার মেয়েটি বলে আব্বো তুমি কবে আসবে বাড়ি? তোমার কি আমাকে দেখতে মন চায় না? যখন মেয়ের কথা গুলো শুনি তখন আর ধরে রাখতে পারি না চোখের পানি গুলোকে।

কি বলব আমার মেয়েটিকে? আমি জানি না তো কবে দেশে যাবো। এখনো যে ঋন শেষ করতে পারলাম না, একদিকে ঋন আবার সংসারের খরচ। মেয়েটিকে মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বলি আগামী মাসে আসবো, কিন্তু আমার তো আগামি মাস আসে না!! সিঙ্গাপুর টু বাংলাদেশ! !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!বাস্তব জীবন কাহিনি
লেখছেন,, রুবেল সিকদার

28/05/2022

এই মুভিতে প্রথম বৌটার দোষ গুলো কি কি এবং সে আসলে ভালো বউ না হতে পারার কারণ কী তা আমি খুঁজে পাইনি। তার স্বামী তাকে দিনের-পর-দিন ইগনোর করে, অপমান করে, প্রায়োরিটি দেয় না, সময় দেয় না,জন্মদিন ও ভুলে যায়...!
এমনকি ব্যবসা নিয়ে যদি তাকে কিছু বলা হয় যে তুমি এভাবে ব্যবসাটা করো কিংবা তুমি এই জব টা করো তখন সে রেগে যেতো ভাবতো ছোট করছে।
এমনকি তার জন্য সে ভালোবেসে উপহার নিয়ে আসলেও সে ভাবতো তাকে ছোট করছে...!
প্রথম বউ নিজের সন্তান টাও হারিয়েছিল...! কিন্তু তারপরও মূল্যায়ন করেনি তাকে।

যখন দ্বিতীয় বিয়ে করে ওই বউয়ের জন্য সে সবকিছুই করে, ট্রেনে এসে সারপ্রাইজ দেয় বার্থডেতে,সে যখন যেভাবে বলছে সেভাবে বিজনেস সেট করেছে, তার বউ কি পছন্দ করে, তার বউকে সময় দেওয়া, বাচ্চার সাথে সময় কাটানো সবই করেছে আর বলে তার এই বৌ অনেক আন্ডারস্ট্যান্ডিং এবং সাপোর্টিভ ছিল, তার জীবনটাই নাকি বদলে দিয়েছে।

আমি কোথাও দেখি নাই যে তাঁর প্রথম বউ কোন ভাবেই তাকে অপমান করে কিংবা সাপোর্ট করে নাই...!
তার থেকে বেশি এডুকেটেড এবং ফিনান্সিয়ালি ভালো পজিশনে ছিল এজন্য সে বিষয়টাকে নিতেই পারে নি। লেকিংস এবং ইনসিকিউরিটিস এর রাগ তার উপর দেখাতো সারাদিন।

যখন প্রথম বৌ চিরদিনের জন্য ছেড়ে চলে যায় তখন সে তার ভুল বুঝতে পারে , নিজেকে পরিবর্তন করে আর দ্বিতীয় বউ এর সাথে সব সুন্দরভাবে চালায়।বরঞ্চ প্রথম বৌ যে অবস্থায় পেয়েছিল দিনের পর দিন যেভাবে স্যাক্রিফাইস এবং এডজাস্ট করে গেছে তার দ্বিতীয় বৌকে এগুলো কিছুই করতে হয়নি। তার দ্বিতীয় বৌ তার জন্য কিছু করলে সেও তার দ্বিতীয় বৌয়ের জন্য করত, এক তারফা ছিল না কোন কিছুই।কিন্তু তারপরও সে বলে দ্বিতীয় বউ তাকে একেবারে বদলে দিয়েছে ,তার জীবন গুছিয়ে দিয়েছে।
দ্বিতীয় বৌ তার জীবন গুছিয়ে দেয় নি...!
সে গুছিয়ে নিয়েছে তার দ্বিতীয় বৌয়ের সাথে।

দ্বিতীয় বৌ একটি ডায়লগ বলে যে
"আমার কাছে এডজাস্টমেন্ট মানে হেরে যাওয়া নয় দিদি ভাই, আমার কাছে আর জাস্ট ওয়ান্ট মানে হল সুন্দর করে বাঁচা" আপনি তখনই সুন্দরভাবে বেঁচে থাকতে পারবেন যখন আপনি কোন ব্যক্তির জন্য আ্যডজাস্ট করলে সেই ব্যক্তিও আপনার জন্য কিছুটা অ্যাডজাস্টে এবং সেক্রিফাইস করবে

প্রথম বউ শুধু অ্যাডজাস্ট করে গেছে দ্বিতীয় বউ এর জন্য সে এডজাস্ট করেছে এবং সেক্রিফাইস ও করেছে।

দিনশেষে ভালোবাসা শেখায় একজন ভালোবাসা পায় আরেকজন।

~ডালিয়া সুলতানা বিথী
~পোষ্টেড বাইঃ~মাসুমা ইসলাম নদী
#নদী

Address

Central Region

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when My page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category