Voice of Migrants

Voice of Migrants একজন প্রবাসী মানে, তুমি কখনোই পুরোপুরি নিজ বাসায় ফিরতে পারবেনা।

ইহকাল আর পরকাল কখনোই একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। বরং তারা একই জীবনের দুটি অধ্যায়।ইহকালে আমরা যা বপন করি, পরকালে তারই ...
01/08/2026

ইহকাল আর পরকাল কখনোই একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। বরং তারা একই জীবনের দুটি অধ্যায়।

ইহকালে আমরা যা বপন করি, পরকালে তারই ফল ভোগ করি। তাই এমনভাবে বাঁচি, যেন দুনিয়ার সফলতা আমাদের আখিরাতকে ভুলিয়ে না দেয়, আর আখিরাতের প্রস্তুতি আমাদের দুনিয়ার দায়িত্ব থেকে দূরে সরিয়ে না রাখে।

একজন মানুষ যদি শুধু দুনিয়ার জন্য বাঁচে, তবে সে চিরস্থায়ী জীবনের প্রস্তুতি হারায়। আর যদি শুধু আখিরাতের কথা বলে দুনিয়ার দায়িত্ব এড়িয়ে চলে, তবে সে ইসলাম যে ভারসাম্যের শিক্ষা দিয়েছে, তা থেকে বিচ্যুত হয়।

দুনিয়া হলো পরীক্ষা।
আখিরাত হলো ফলাফল।

আজকের প্রতিটি সিদ্ধান্ত, প্রতিটি কথা, প্রতিটি কাজ আগামী দিনের সাক্ষী হয়ে থাকবে।

আসুন, এমন একটি জীবন গড়ি যেখানে ইহকাল হবে আমলের ক্ষেত্র, আর পরকাল হবে সেই আমলের শ্রেষ্ঠ প্রতিদান।

আল্লাহ আমাদের এমন জীবন দান করুন, যেখানে দুনিয়ার সফলতা আখিরাতের সফলতার পথকে আরও সহজ করে দেয়। আমীন।

আমাদের জীবন অনেকটাই নির্ভর করে আমরা পৃথিবীকে কীভাবে দেখি তার ওপর। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি শুধু মনকে সুন্দর করে না, আমাদের সি...
29/07/2026

আমাদের জীবন অনেকটাই নির্ভর করে আমরা পৃথিবীকে কীভাবে দেখি তার ওপর। ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি শুধু মনকে সুন্দর করে না, আমাদের সিদ্ধান্ত, স্বপ্ন এবং ভবিষ্যৎকেও গড়ে তোলে।

যে বন্ধু আপনার উন্নতিতে চুপ হয়ে যায়, সে বন্ধু নয়, প্রতিযোগী ছিল।সবাই আপনার সফলতা দেখে হাততালি দেবে, এমনটা ভাবা ভুল।কি...
23/07/2026

যে বন্ধু আপনার উন্নতিতে চুপ হয়ে যায়, সে বন্ধু নয়, প্রতিযোগী ছিল।

সবাই আপনার সফলতা দেখে হাততালি দেবে, এমনটা ভাবা ভুল।
কিছু মানুষ আপনার পাশে থাকে, যতক্ষণ না আপনি তাদের চেয়ে এগিয়ে যান।

আপনার অর্জনে যে মানুষ সত্যিকারের আনন্দ পায়, সে-ই আপনার প্রকৃত বন্ধু।
আর যে নীরব হয়ে যায়, দূরে সরে যায়, কিংবা আপনার সাফল্যকে ছোট করে দেখার চেষ্টা করে, সে কখনোই আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী ছিল না।

তাই মানুষের কথায় নয়, তাদের আচরণে বিশ্বাস করুন।
নিজের লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলুন। আপনার সাফল্যই একদিন সব প্রশ্নের উত্তর হয়ে দাঁড়াবে।

আপনার চারপাশে এমন কাউকে কি কখনও দেখেছেন?
মতামত জানাতে কমেন্ট করুন।

𝗩𝗢𝗜𝗖𝗘 𝗢𝗙 𝗠𝗜𝗚𝗥𝗔𝗡𝗧𝗦 🎙️

শত্রুর চেয়ে ভয়ংকর হলো সেই মানুষ, যে আপনার সামনে ভালো সেজে আপনাকে ধীরে ধীরে পচতে দিচ্ছে।সব সময় যে মানুষ আপনার প্রশংসা করে...
23/07/2026

শত্রুর চেয়ে ভয়ংকর হলো সেই মানুষ, যে আপনার সামনে ভালো সেজে আপনাকে ধীরে ধীরে পচতে দিচ্ছে।

সব সময় যে মানুষ আপনার প্রশংসা করে, সে-ই আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী নয়। অনেক সময় প্রকৃত বন্ধু সেই, যে আপনার ভুল ধরিয়ে দেয়, সত্য কথা বলে এবং আপনাকে আরও ভালো মানুষ হতে সাহায্য করে।

মনে রাখবেন,
যে আপনাকে ভুলের পথে যেতে দেখে চুপ থাকে, সে আপনার ক্ষতির নীরব সাক্ষী।
আর যে আপনাকে সতর্ক করে, সে-ই আপনার প্রকৃত আপনজন।

নিজের চারপাশে এমন মানুষ রাখুন, যারা আপনার সাফল্যে আনন্দ পায়, ভুলে সংশোধনের সুযোগ দেয় এবং প্রয়োজন হলে কঠিন সত্যটাও বলতে দ্বিধা করে না।

কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা প্রশংসায় নয়, সংশোধনে প্রকাশ পায়।

𝗩𝗢𝗜𝗖𝗘 𝗢𝗙 𝗠𝗜𝗚𝗥𝗔𝗡𝗧𝗦 🎙️

আত্মবিশ্বাসের অভাব লুকাতে মানুষ প্রথম অন্যের ভুল খোঁজে।অন্যের ভুল খুঁজে বের করা খুব সহজ। কিন্তু নিজের ভুল স্বীকার করে নি...
22/07/2026

আত্মবিশ্বাসের অভাব লুকাতে মানুষ প্রথম অন্যের ভুল খোঁজে।

অন্যের ভুল খুঁজে বের করা খুব সহজ। কিন্তু নিজের ভুল স্বীকার করে নিজেকে বদলে ফেলা অনেক কঠিন।

যার আত্মবিশ্বাস থাকে, সে অন্যকে ছোট করে নিজেকে বড় প্রমাণ করার চেষ্টা করে না। সে নিজের উন্নতিতে মনোযোগ দেয়, নিজের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কাজ করে এবং অন্যের সাফল্যকে সম্মান করতে শেখে।

মনে রাখুন, সমালোচনা নয়, আত্মউন্নয়নই একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয়।

আপনি কী মনে করেন, এই কথাটি কতটা সত্য? আপনার মতামত কমেন্টে জানাতে পারেন।

𝙑𝙊𝙄𝘾𝙀 𝙊𝙁 𝙈𝙄𝙂𝙍𝘼𝙉𝙏𝙎 🎙️

ভাবনা সমাচার:জানার আছে অনেক কিছু:সিঙ্গাপুর 🇸🇬 যারা স্বাধীনতা নিজেরা চাননি:১৯৬৫ সালে ৬ আগস্ট মালয়েশিয়া ফেডারেশন থেকে বের ...
02/05/2026

ভাবনা সমাচার:
জানার আছে অনেক কিছু:

সিঙ্গাপুর 🇸🇬 যারা স্বাধীনতা নিজেরা চাননি:

১৯৬৫ সালে ৬ আগস্ট মালয়েশিয়া ফেডারেশন থেকে বের করে দেওয়া হয় সিঙ্গাপুরকে। এর তিন দিন পর এক বুক হাহাকার নিয়ে প্রেসিডেন্ট লি কুয়ান যখন সিঙ্গাপুরের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, তখন তিনি দেশের ভবিষ্যতের কথা ভেবে কেঁদেই ফেলেছিলেন।

কারণ মাত্র ৭২৮ বর্গ কিলোমিটারের ছোট্ট এক দ্বীপরাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। ছিল না কোনো প্রাকৃতিক সম্পদ, ছিল না পর্যাপ্ত আবাসন সুবিধা। উপরন্তু দেশের অধিকাংশ জনগণ ছিল অশিক্ষিত আর বেকার, যারা সাগরে মাছ মেরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এমন একটি দেশ নিয়ে কতদূর যেতে পারবেন তা ভেবেই কূল-কিনারা করতে পারছিলেন না লি কুয়ান।

এর আগে ব্রিটিশদের পরামর্শে মালয়েশিয়ায় যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লি কুয়ান। ব্রিটিশরা লি'কে বুঝিয়েছিলেন মালয়েশিয়ায় যোগ দিলে সিঙ্গাপুরে উন্নতির ছোঁয়া লাগবে। ব্রিটিশদের পরামর্শ শুনে দেশে গণভোটের আয়োজন করেন লি কুয়ান।

সেই সাথে মালয়েশিয়ার সাথে যোগ দেওয়ার পক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালান। অবশেষে গণভোটে মালয়েশিয়ার সাথে যোগ দেওয়ার পক্ষে বিপুল সংখ্যক ভোট পড়ে।

১৯৬৩ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার অংশ হয়ে যায় সিঙ্গাপুর৷ তার আগে ব্রিটিশ ও জাপানের অধীনেও ছিল দেশটি।

কিন্তু যে স্বপ্ন নিয়ে মালয়েশিয়া ফেডারেশনে যুক্ত হয়েছিল লি কুয়ান, তা অল্প সময়ের মধ্যেই ভেঙে যায়। মালয়রা সিঙ্গাপুরকে নিজেদের অংশ হিসেবে মেনে নিতে পারেনি।

এখনকার মতো চাইনিজ, তামিল, ইন্দোনেশিয়ান আর মালয়দের নিয়েই ছিল সিঙ্গাপুর। কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন জাতিগোষ্ঠী হওয়ার কারণে তাদের মধ্যে ঐক্যের অভাব ছিল। তার সাথে দারিদ্র্যতা আর দাঙ্গার কারণে সিঙ্গাপুরের অবস্থা তখন হ-য-ব-র-ল।

এরকম একটি দ্বীপরাষ্ট্র নিয়ে লি কুয়ান যখন মালয়েশিয়া ফেডারেশনে অতিরিক্ত দর-কষাকষি করছিলেন, তখন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী টুঙ্কু আবদুর রহমান সিঙ্গাপুরকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। সিঙ্গাপুরের জনগণের অনিচ্ছা সত্ত্বেও পার্লামেন্টে সিদ্ধান্ত নিয়ে সিঙ্গাপুরকে পাকাপাকিভাবে বের করে দেওয়া হয়।

এই ঘটনায় লি কুয়ানের হৃদয় ভাঙলেও, আত্মবিশ্বাস ছিল অটুট। অত্যধিক বেকারত্ব আর আবাসন–সংকট মোকাবেলায় ১৯৭০ সালের শেষ দিকে একটি আধুনিকীকরণ কর্মসূচি শুরু করে সিঙ্গাপুর। কর্মসূচির মধ্যে ছিল উৎপাদনশিল্প প্রতিষ্ঠা, বসবাসযোগ্য বৃহত্তর হাউজিং এস্টেটের বিকাশ ও জনশিক্ষা।

এই কাজের জন্য লি কুয়ান বেছে নিয়েছিলেন তার দেশের কিছু মেধাবী মানুষ। তবে তাদের বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে সততাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই সব মানুষদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে ধীরে ধীর ঘুরে দাঁড়ায় সিঙ্গাপুর।

তৃতীয় বিশ্বের এক দরিদ্র রাষ্ট্র থেকে জায়গা করে নেয় প্রথম বিশ্বের আধুনিক রাষ্ট্রে। মালয়েশিয়া থেকে যখন বের করে দেওয়া হয় তখন সিঙ্গাপুরের মাথাপিছু আয় ছিল ৫০০ মার্কিন ডলার। বর্তমানে কয়েক শত গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ডলারের বেশি।

বর্তমান সিঙ্গাপুরকে একটা সাজানো বাগান কিংবা নাগরিক ভূস্বর্গ বলা যায়। নগরের রাস্তাঘাট ঝকঝকে পরিষ্কার, দক্ষ পরিবহনব্যবস্থা থাকায় রাস্তাঘাটে চোখে পড়ে না কোনো যানজট। এছাড়া সর্বাধুনিক আবাসিক ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক শপিংমল, বৈচিত্র্যময় পর্যটন ও বিনোদনের পর্যাপ্ত আয়োজন, সর্বাধুনিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা তো রয়েছেই। এসবের বিবেচনায় সিঙ্গাপুরকে অনায়াসে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে আকর্ষণীয় আবাসস্থল বলা যায়।

এক সময় অশিক্ষা আর আবাসন সংকটে ভুগেছে সিঙ্গাপুর। এখন দেশটিতে প্রায় সব নাগরিকের জন্য আধুনিক পরিকল্পিত আবাসনব্যবস্থা গড়ে তুলেছে সিঙ্গাপুর।

বর্তমানে দেশটিতে সব শিশু ও কিশোর-কিশোরীকে স্কুলে পাঠানো মা-বাবার জন্য বাধ্যতামূলক। এই আইন না মানলে জেলে যেতে হয় মা-বাবাকে।

সিঙ্গাপুরের হাসপাতালগুলো যেমন বিশ্বসেরা, তেমনি তাদের বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও পলিটেকনিকগুলোর মানও পশ্চিমাদের সাথে তুলনীয়।

ভূরাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত-গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ মালাক্কা প্রণালির তীরে অবস্থিত হওয়ায় বেশ কয়েকটি আধুনিক ও দক্ষ বন্দর গড়ে তুলেছে দেশটির সরকার। এই খাত এখন দেশটির আয়ের অন্যতম প্রধান উৎসে পরিণত হয়েছে। প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও অনেক এগিয়ে গেছে সিঙ্গাপুর।

১৯৬৫ সালের অপমানের জবাব উন্নয়ন দিয়েই দিয়েছেন সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা লি কুয়ান। ৫৬ বছরের চেষ্টায় অধিকাংশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সূচকে মালয়েশিয়াকে পেছনে ফেলেছে সিঙ্গাপুর।

বলা হয়ে থাকে সিঙ্গাপুরের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি সম্ভাবনাময় ছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আমরা কি পেরেছি? স্বাধীনতার আজ ৫৪ বৎসর অতিক্রান্ত । কি নেই আমাদের? সুজলা সুফলা আমাদের এই বাংলাদেশ । আমাদের আছে ভূনইসগিক প্রাকৃতিক অনুদান রয়েছে বিশাল সামুদ্রিক সম্ভাবনা কিন্তু আজ আমাদের কর্মঠ জনগোষ্ঠীর একটা বিরাট অংশের জীবিকার তাগিদে সিঙ্গাপুরে ছুটতে হয় কিন্তু কেন?

এর উত্তর হয়ত কোন প্রজন্ম এক সময় জানতে চাবে?

📢 সিংগাপুরে থাকা Construction & Marine Shipyard প্রবাসী ভাইদের জন্য ক্যারিয়ার আপগ্রেড গাইড 🇸🇬💪অনেকে অনেক বছর ধরে কঠোর পর...
11/02/2026

📢 সিংগাপুরে থাকা Construction & Marine Shipyard প্রবাসী ভাইদের জন্য ক্যারিয়ার আপগ্রেড গাইড 🇸🇬💪

অনেকে অনেক বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করছেন, কিন্তু সার্টিফিকেট না থাকার কারণে ভালো বেতনের জব বা S Pass পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।
সঠিক কোর্স করলে ২–৩ বছরের মধ্যে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব।

নিচে ধাপে ধাপে সাজানো হলো 👇

🔹 Phase 1 (বাজেট: SGD 300–500)

👉 দ্রুত আপগ্রেড + সুপারভাইজার লেভেলে যাওয়ার প্রস্তুতি

✅ Construction Sector:
• Construction Safety Supervisor (BSS)
• Work at Height Supervisor
• WSH Coordinator

এই কোর্সগুলো সাধারণত SkillsFuture Singapore অনুমোদিত।

📈 লাভ:
• Worker থেকে Foreman / Supervisor, Coordinator হওয়ার সুযোগ
• বেতন 2500–3200 SGD পর্যন্ত যেতে পারে

✅ Marine Shipyard Sector:
• 6G Welding Certification
• NDT Level 2 (UT / MT / PT)

📈 লাভ:
• Skilled worker থেকে Specialist
• বেতন 3000–4500 SGD পর্যন্ত যেতে পারে

Marine সেক্টরে এগুলো খুব ডিমান্ডিং সার্টিফিকেট।

🔹 Phase 2 (বাজেট: SGD 1000–3000)

👉 S Pass / Assistant Engineer লেভেল টার্গেট

Part-time / Weekend ভিত্তিতে করা যায়।

Recommended Institutes:
• BCA Academy
• Singapore Polytechnic

Recommended Fields:
• Construction Management
• Marine Engineering
• Quantity Surveying
• BIM (Building Information Modeling)
• AutoCAD

📈 লাভ:
• S Pass eligibility বাড়ে
• Assistant Engineer / Planner / Technical role
• বেতন 3500–5000 SGD পর্যন্ত যেতে পারে

🔹 অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

✔ Basic English উন্নত করা
✔ Excel ও রিপোর্ট রাইটিং শেখা
✔ কম্পিউটার স্কিল বাড়ানো

Supervisor বা Engineer হতে চাইলে এগুলো খুব দরকার।

Voice of Migrants

২০২৬ সালেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টধারী দেশের স্বীকৃতি ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর। এ দেশের নাগরিকেরা আগাম ভিসা ছাড়া এ...
31/01/2026

২০২৬ সালেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টধারী দেশের স্বীকৃতি ধরে রেখেছে সিঙ্গাপুর। এ দেশের নাগরিকেরা আগাম ভিসা ছাড়া এবার বিশ্বের ১৯২টি দেশ ও অঞ্চলে ভ্রমণ করতে পারেন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) প্রকাশিত পাসপোর্ট ইনডেক্সে এ তথ্য জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক নাগরিকত্ব–সংক্রান্ত পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্স।

সূচক প্রস্তুত পদ্ধতি নিয়ে হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইএটিএ) তথ্যের ভিত্তিতে কোন দেশের পাসপোর্ট দিয়ে আগাম ভিসা ছাড়া কিংবা ভিসামুক্ত সুবিধা নিয়ে কয়টি দেশে যাওয়া যায়, এর ওপর ভিত্তি করে শক্তিশালী পাসপোর্টের এ সূচক তৈরি করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য।

মোট ১০১টি অবস্থানের এই তালিকায় দুর্বলতম দেশ আফগানিস্তান। দক্ষিণ এশিয়ার দেশটির নাগরিকেরা মাত্র ২৪টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণের সুযোগ পান। সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানও তলানির দিক থেকে ৭ নম্বরে, অর্থাৎ ৯৫তম। বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী নাগরিকেরা ৩৭টি দেশে ভিসা ছাড়া বা অন অ্যারাইভাল ভিসায় ভ্রমণ করতে পারেন। গত বছরের শুরুতে আগাম ভিসা ছাড়া বিশ্বের ৩৯টি দেশ ভ্রমণ করতে পারতেন বাংলাদেশের পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা। আর বছরের শেষ প্রান্তিকে এই সংখ্যাটি হয় ৩৮। ২০২৪ সালের শুরুতে এই সংখ্যাটি ছিল ৪২।

যদিও এ নিয়ে বিতর্ক আছে। বাংলাদেশি অনেক পর্যটক অভিযোগ করেন, এসব ভিসামুক্ত দেশেও প্রবেশ করতে ভোগান্তি পোহাতে হয়, ক্ষেত্রবিশেষে অনেক দেশে প্রবেশের অনুমতিও মেলে না।

সেরা পাঁচ
সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টধারী দেশের তালিকায় সিঙ্গাপুরের পরই দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া। ১৮৮টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন দেশ দুটির পাসপোর্টধারীরা।
১৮৬টি দেশে আগাম ভিসামুক্তা সুবিধা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে যৌথভাবে আছে ডেনমার্ক, লুক্সেমবার্গ, স্পেন, সুইডেন, সুইজারল্যান্ড।
এবারের সূচকে চতুর্থ অবস্থানে আছে ১০টি দেশ। অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, ফিনল্যান্ড, ফ্র্যান্স, জার্মানি, গ্রিস, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, নেদারল্যান্ডস ও নরওয়ে এই দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা ১৮৫টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন।
হাঙ্গেরি, পর্তুগাল, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত এই পাঁচটি দেশ আছে পঞ্চম অবস্থানে। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৪টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অবস্থান
বাংলাদেশের প্রতিবেশী, অর্থাৎ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্ট মালদ্বীপের। সূচকে দেশটির অবস্থান ৫২তম। মালদ্বীপের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ৯২টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন।
এরপরই ভারতের অবস্থান (৮০তম)। ভারতীয় পাসপোর্টধারীরা ৫৫টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। ৮৫তম অবস্থানে থাকা ভুটানের পাসপোর্টধারীরা ৫০টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন। মিয়ানমার আছে ৮৯তম অবস্থানে। দেশটির পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন ৪৪টি দেশে।

সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে শ্রীলঙ্কা আছে ৯৩তম অবস্থানে। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ৩৯টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন।
বাংলাদেশের ঠিক পরে ৯৬তম অবস্থানে থাকা নেপালের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন ৩৫টি দেশে। পাকিস্তান রয়েছে ৯৮তম অবস্থানে। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ৩১টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন।
শক্তিশালী পাসপোর্টের সূচকে সবচেয়ে নিচে (১০১তম) আফগানিস্তানের অবস্থান। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ২৪টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন।

17/01/2026

২০২৬ সালে আপনি কতটা প্রস্তুত?

29/12/2025

শুরুটা যতটা কঠিন তারচেয়েও বেশি কঠিন শেষ পর্যন্ত টিকে থাকা। #প্রবাসী

Address

Queenstown

Telephone

+971509426828

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Voice of Migrants posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category