প্রতিবাদী প্রজন্ম

প্রতিবাদী প্রজন্ম এই প্রজন্ম প্রশ্ন করে, প্রতিবাদ করে, পরিবর্তন আনে।

রাজনীতির হাজারো বক্তৃতার মাঝেও কিছু মানুষ আলাদা হয়ে যায়—কারণ তারা শুধু নেতা না, একজন আদর্শ বাবাও।তারেক রহমানকে নিয়ে মতপা...
24/12/2025

রাজনীতির হাজারো বক্তৃতার মাঝেও কিছু মানুষ আলাদা হয়ে যায়—কারণ তারা শুধু নেতা না, একজন আদর্শ বাবাও।

তারেক রহমানকে নিয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে।
কিন্তু একটা বিষয় চোখ এড়ায় না—
তার একমাত্র কন্যা জাইমা রহমানের পড়াশোনা ও আইন পেশায় এগিয়ে যাওয়ার পেছনে তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ অনুপ্রেরণা ও সমর্থন আছে।

আজকে জাইমাকে দেখে বোঝা যায়—
শুধু পরিচয়ে নয়, যোগ্যতা ও প্রস্তুতির পথেও তিনি এগোচ্ছেন।আর একজন বাবা হিসেবে মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ে দিতে পারা—এটাই সবচেয়ে বড় অর্জন।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—
শত প্রতিকূলতার মাঝেও মেয়ের সাথে বন্ধুসুলভ সম্পর্ক বজায় রাখা সহজ কাজ না।
যে বাবা সেটা পারে, তার ভেতরে দায়িত্ববোধও থাকে, আত্মমর্যাদাও থাকে।

রাজনীতি আসবে-যাবে।
কিন্তু একজন বাবার সবচেয়ে বড় পরিচয়—
সে তার সন্তানকে কীভাবে মানুষ করেছে।

তারেক রহমানকে অনেকেই পছন্দ করেন—অনেকেই করেন না।কিন্তু একটা কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই—লোকটা কথা বলার মানুষ।কাগজ দেখে মু...
24/12/2025

তারেক রহমানকে অনেকেই পছন্দ করেন—অনেকেই করেন না।কিন্তু একটা কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই—লোকটা কথা বলার মানুষ।

কাগজ দেখে মুখস্থ করে বক্তৃতা দেওয়ার টাইপ না।
কম সময়েই বিষয়টা বুঝে ফেলেন, সাজিয়ে বলেন, আর সবচেয়ে বড় কথা—
তিনি সাধারণ মানুষের ভাষায় কথা বলতে পারেন।

তথ্য–উপাত্ত মাথায় গুছিয়ে রাখেন,
আর তাই যেকোনো ঘটনায়—ঘটনার পর ঘটনা—
কোনো ক্লান্তি ছাড়াই মানুষকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেন।

রাজনীতিতে অনেকেই থাকে “পোস্টার-লিডার”,
আর কিছু মানুষ থাকে “মুভমেন্ট-লিডার”।
যাদের কথায় মাঠ নড়ে, মানুষ নড়ে, আলোচনার দিক বদলায়।

তারেক রহমানকে নিয়ে আপনি যতই দ্বিমত করুন,
একটা জিনিস মানতেই হবে—
তিনি রাজনৈতিক বক্তৃতায় দাপট দেখাতে জানেন।

ডি.লেট করে দেওয়া হচ্ছে হাদির সব ভিডিও, আর ডাউন করে দেওয়া হচ্ছে হাদির পেজ—এটা “রিপোর্ট” না, এটা পরিকল্পিত দমন।যে কথা মানু...
24/12/2025

ডি.লেট করে দেওয়া হচ্ছে হাদির সব ভিডিও, আর ডাউন করে দেওয়া হচ্ছে হাদির পেজ—এটা “রিপোর্ট” না, এটা পরিকল্পিত দমন।

যে কথা মানুষ বলতে ভয় পায়,
যে কথা জনগণ শুনতে চায়—
সেই কথাই আগে চেপে ধরার চেষ্টা হয়।
কারণ সত্য সবচেয়ে বেশি ভয় দেখায়।

আর ভুলে যাবেন না—
মে’টা (ফেসবুক)–এর সাউথ কন্টিনেন্টাল অফিস ভারতের মাটিতে।মানে, ভারতের রাজনৈতিক চাপ, লবি, প্রভাব—এই প্ল্যাটফর্মে পড়া অসম্ভব কিছু না।
যেখানে নিয়ন্ত্রণ থাকে, সেখানেই প্রভাব থাকে। খুব সিম্পল।

আজ হাদির ভিডিও, হাদির পেজ “ডিলিট/ডাউন” করা হচ্ছে—
কাল কারটা হবে?
যে কেউ যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলবেন,
যিনি প্রশ্ন তুলবেন,
যিনি জনগণকে জাগাতে চাইবেন—তারই মুখ বন্ধ করা হবে।

এটা মুক্ত মতামতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
এটা ডিজিটাল ফ্যাসিবাদের নতুন রূপ।
মানুষকে মারলেই শেষ না—মানুষের কণ্ঠকেও হত্যা করা হচ্ছে।

তাই এখনই সময়—
✅ হাদির কনটেন্ট ব্যাকআপ করুন
✅ স্ক্রিনরেকর্ড/ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন
✅ বিকল্প প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দিন
✅ সত্যকে মুছে ফেলতে দেবেন না

কারণ সত্যকে চাপা দিলে অন্যায় কমে না—
আরও বেড়ে যায়।

ভারতকে বয়কটের ডাক—এটা কোনো আবেগের পোস্ট না, এটা প্রতিবাদের শক্ত ভাষা।যে দেশ নিজের ভেতরে সংখ্যালঘুদের অধিকার কেড়ে নেয়,মুস...
24/12/2025

ভারতকে বয়কটের ডাক—এটা কোনো আবেগের পোস্ট না, এটা প্রতিবাদের শক্ত ভাষা।

যে দেশ নিজের ভেতরে সংখ্যালঘুদের অধিকার কেড়ে নেয়,মুসলমানদের টার্গেট করে, ঘরবাড়ি ভাঙে, মসজিদ-দাঙ্গা-লিঞ্চিংয়ের খবর নিত্যদিনে স্বাভাবিক করে ফেলে—
তার বিরুদ্ধে বিশ্ব মুসলিমদের নীরব থাকা বাধ্যতামূলক নয়।

বয়কট মানে যুদ্ধ না।
বয়কট মানে—অন্যায়ের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও নৈতিক প্রতিরোধ।কারণ শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো “নৈতিকতা” বোঝে না—বোঝে চাপ।

আর মনে রাখবেন—
আজ যদি আমরা প্রতিবাদ না করি,
কাল এই আগুন আরও বড় হবে।
অন্যায়ের সাথে আপস করলে অন্যায় থামে না—আরও বেড়ে যায়।

তাই হ্যাঁ—
বিশ্ব মুসলিমরা যদি একসাথে দাঁড়ায়,
তাহলে যে কোনো রাষ্ট্র বুঝবে—
মানুষকে পিষে ফেলে বিশ্বসমর্থন পাওয়া যায় না।

ফারাক্কা বন্ধকে টেক্কা দিতে ৩০ কিলোমিটার বাঁধ—এটাই হওয়া উচিত ছিল বহু আগেই।ভারত ফারাক্কা দিয়ে বছরের পর বছর বাংলাদেশের পান...
24/12/2025

ফারাক্কা বন্ধকে টেক্কা দিতে ৩০ কিলোমিটার বাঁধ—এটাই হওয়া উচিত ছিল বহু আগেই।

ভারত ফারাক্কা দিয়ে বছরের পর বছর বাংলাদেশের পানি আটকে রেখেছে, শুকিয়ে দিয়েছে নদী, নষ্ট করেছে কৃষি, মেরে ফেলেছে জীববৈচিত্র্য।
আর আমরা? শুধু “আলোচনা”, “কমিটি”, “মিটিং”—শেষে শূন্য ফল।

এখন আর কান্নাকাটি না—এখন পাল্টা ব্যবস্থা দরকার।

কারণ রাষ্ট্র যদি নিজের পানির অধিকার রক্ষা না করতে পারে,তাহলে সেটা স্বাধীন রাষ্ট্র নয়—পরনির্ভর একটি দুর্বল প্রশাসন।

৩০ কিলোমিটার বাঁধ মানে শুধু একটা প্রকল্প না—
এটা হলো বাংলাদেশের আত্মমর্যাদার ঘোষণা।
এটা হলো বার্তা—
“তোমরা একতরফা সিদ্ধান্ত নেবে, আর আমরা হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবো—এটা আর হবে না।”

এটা ভারত-বিরোধিতা না।
এটা বাংলাদেশ-বাঁচানো।
কারণ পানি না থাকলে কৃষক বাঁচবে না, দেশ বাঁচবে না।

আর যারা বলবে “কূটনীতি করো”—
তারা কি জানে কূটনীতি করতে গিয়ে কত বছর নষ্ট হয়েছে?কূটনীতি তখনই কাজ করে, যখন পেছনে থাকে কঠিন প্রস্তুতি, শক্ত অবস্থান, বাস্তব ক্ষমতা।

তাই হ্যাঁ—
ফারাক্কাকে টেক্কা দিতে বাঁধ দরকার।
বাংলাদেশকে ভয় দেখানো বন্ধ করতে শক্ত পদক্ষেপ দরকার।আর দেশের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে আমরা সমর্থন করি।

“আওয়ামী লীগের ধারাবাহিক ককটেল সন্ত্রাস—মগবাজারের ঘটনাও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ” — ডিএমপি।এই বক্তব্যটা খুব পরিষ্কার: এটা আর বি...
24/12/2025

“আওয়ামী লীগের ধারাবাহিক ককটেল সন্ত্রাস—মগবাজারের ঘটনাও সেই ষড়যন্ত্রের অংশ” — ডিএমপি।
এই বক্তব্যটা খুব পরিষ্কার: এটা আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা না, এটা পরিকল্পিত সন্ত্রাস।

যদি সত্যিই ধারাবাহিকভাবে ককটেল ছোড়া হয়,
যদি সত্যিই জনমনে আতঙ্ক তৈরি করে শহরকে অস্থিতিশীল করার নকশা থাকে—
তাহলে এটা সরাসরি রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ। আর এর শাস্তিও হতে হবে উদাহরণমূলক।

কারণ ককটেল পড়ে শুধু রাস্তা ফাটে না—
মানুষ মরে।নিরীহ শ্রমজীবী ছেলে, পথচারী, দোকানদার—কারো তো দোষ নেই!
তবু তাদেরই রক্ত দিয়ে “রাজনীতি” চালানো হয়। এটাই সবচেয়ে নোংরা ব্যাপার।

ডিএমপি যদি বলেই দেয় এটা ধারাবাহিক সন্ত্রাস,
তাহলে এখন দায়িত্ব একটাই—
দল দেখে না, নাম দেখে না—ধরে এনে শাস্তি দিতে হবে।
না হলে “ককটেল সন্ত্রাস” আগামী দিনে নতুন স্বাভাবিকতা হয়ে দাঁড়াবে।

আর একটা কথা—
যে রাজনীতি মানুষের লাশ ছাড়া টিকতে পারে না, সেটা রাজনীতি না—সন্ত্রাস।

হাদির খুনিদের ধরতে পারল না—তাই “খেসারত” দিতে হলো নিরীহ সিয়ামকে?জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই বক্তব্যটা শুধু অভিযোগ না—এটা র...
24/12/2025

হাদির খুনিদের ধরতে পারল না—তাই “খেসারত” দিতে হলো নিরীহ সিয়ামকে?
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের এই বক্তব্যটা শুধু অভিযোগ না—এটা রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থার মুখে সোজা চড়।

একদিকে প্রকাশ্যে একজন মানুষ খুন হয়, খুনিরা ধরা পড়ে না।অন্যদিকে সেই ব্যর্থতার মাশুল দিতে হয় নিরপরাধ ২০ বছরের একটা ছেলেকে—যে চা খেতে গিয়ে লাশ হয়ে যায়।এটা কি “দুর্ঘটনা”? না, এটা সিস্টেমের ভেঙে পড়া।

যে দেশে খুনি ধরা পড়ে না,
সেই দেশে খুন ধীরে ধীরে নিয়মে পরিণত হয়।
আর সাধারণ মানুষ—শুধু “টার্গেট” হয়ে দাঁড়ায়।

আজ সিয়াম। কাল আপনার ভাই, আমার বন্ধু, কারও সন্তান।খুনি না ধরতে পারা মানে খুনিকে ছাড় দেওয়া।
এটা আর সহ্য করা যায় না।

তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে এবার যা ঘটছে, সেটা “রাজনীতি” না—একটা রাষ্ট্রীয় বাস্তবতা।বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লন্ডন থেকে...
24/12/2025

তারেক রহমানের দেশে ফেরা ঘিরে এবার যা ঘটছে, সেটা “রাজনীতি” না—একটা রাষ্ট্রীয় বাস্তবতা।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লন্ডন থেকে ঢাকা (সিলেট হয়ে) আসা BG-202 ফ্লাইটে তারেক রহমানের জন্য A1 নম্বর আসন নির্ধারণ করেছে। ফ্লাইটটি বোয়িং ড্রিমলাইনার 787-9 উড়োজাহাজে পরিচালিত হচ্ছে। 

সূত্র অনুযায়ী, ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (ঢাকা সময় রাত ১২টা ১৫ মিনিট) লন্ডন হিথরো থেকে ছাড়ার কথা। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সিলেট অবতরণ, এক ঘণ্টা পর ১০টা ৫৫ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা, এবং ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছানোর সূচি। 

উচ্চপর্যায়ের যাত্রী থাকায় ফ্লাইট অপারেশনে অতিরিক্ত সমন্বয়, বিশেষ প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলেও খবর এসেছে। এমনকি নিরাপত্তা বিবেচনায় দুই কেবিন ক্রুকেও সরিয়ে দেওয়ার তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। 

১৭ বছর পর দেশে ফেরা—এটা শুধু একজন নেতার ফেরার গল্প না, এটা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় একটা মুহূর্ত।
এমন সময়ে রাষ্ট্রের দায়িত্ব একটাই—নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা, আর জনগণের শান্তি নিশ্চিত করা।

কারণ বড় নামের আগমন নিয়ে যত আয়োজনই হোক—
দেশটা যদি সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ না থাকে, তাহলে সবই লোক দেখানো।

ওসমান হাদি হত্যায় “দায় স্বীকার” — ফয়সালের স্ত্রী, বান্ধবী, শ্যালক।শুনতে ভালো লাগে, তাই না? মনে হয়—“বিচার হবে!”কিন্তু সত্...
24/12/2025

ওসমান হাদি হত্যায় “দায় স্বীকার” — ফয়সালের স্ত্রী, বান্ধবী, শ্যালক।
শুনতে ভালো লাগে, তাই না? মনে হয়—“বিচার হবে!”
কিন্তু সত্যটা হচ্ছে—দায় স্বীকার মানেই বিচার না, দায় স্বীকার মানেই ন্যায়বিচার নিশ্চিত না।

হাদি—পল্টনে ১২ ডিসেম্বর প্রকাশ্যে গুলিবিদ্ধ হন, পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 
এই খুনের মূল সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ। আর তার আশপাশের লোকজন—স্ত্রী, শ্যালক, বান্ধবী—বারবার রিমান্ডে, জিজ্ঞাসাবাদে, কথিত স্বীকারোক্তিতে। 

কিন্তু প্রশ্ন একটাই—
খুনি কি শুধু এরা? নাকি এরা “মাধ্যম” আর আসল হোতারা এখনো আড়ালে?
কারা টাকা দিল? কারা পরিকল্পনা করল? কারা নির্দেশ দিল?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর ছাড়া “দায় স্বীকার” দিয়ে জনগণকে শান্ত করতে চাইলে সেটা নাটক ছাড়া কিছু না।

একটা খুনে যদি শুধু ৩ জনের স্বীকারোক্তি দেখিয়ে কেস বন্ধ করা হয়—তাহলে বাংলাদেশে খুন করা আরও সহজ হয়ে যাবে।
কারণ তখন হোতারা জানবে—কিছু “পাওয়ার লোক” বলির পাঁঠা হয়ে যাবে, আর তারা বেঁচে যাবে।

আমরা “দায় স্বীকার” চাই না।
আমরা চাই—আসল হোতা, অর্থদাতা, পরিকল্পনাকারী—সবাইকে বের করে শাস্তি।
না হলে এই দেশটা ধীরে ধীরে খুনিদের “কমফোর্ট জোন” হয়ে যাবে।

“আমি দেনা করে ঢাকা আসছি… আমার ছেলে নাই… আমিও আত্মহত্যা করবো।”রিকশাচালক বাবার এই আহাজারি শুনে বোঝা যায়—শুধু একটা ছেলে না,...
24/12/2025

“আমি দেনা করে ঢাকা আসছি… আমার ছেলে নাই… আমিও আত্মহত্যা করবো।”
রিকশাচালক বাবার এই আহাজারি শুনে বোঝা যায়—শুধু একটা ছেলে না, একটা পুরো পরিবারকে মেরে ফেলা হয়েছে।

দেনা করে ঢাকা এসেছে, রিকশা চালিয়ে ছেলেকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেছে।
আর সেই ছেলে আজ নেই।
এখন বাবার সামনে শুধু ঋণ, শূন্য বাড়ি, আর অসহ্য লজ্জা-দুঃখের পাহাড়।

এটা শুধু মৃত্যু না—এটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা।
যেখানে গরিব বাবা দেনা করে শহরে আসে, আর শহর তার ছেলেকে কেড়ে নেয়—
সেখানে উন্নয়ন, নিরাপত্তা, মানবতা—সবই ফাঁকা বুলি।

একজন বাবা যখন বলে “আমিও আত্মহত্যা করবো”, সেটা নাটক না।
ওটা চূড়ান্ত ভেঙে পড়া, চূড়ান্ত অসহায়তা।
কেউ এই বাবাকে “সান্ত্বনা” দিয়ে থামাতে পারবে না—কারণ তার ছেলে আর ফিরবে না।

আজ যদি এই বাবাকে আমরা শুধু একটা খবর বানিয়ে পাশ কাটিয়ে যাই—
তাহলে আগামীকাল আরেকটা গরিব বাবার মুখ থেকেও একই কথা বের হবে।
আর আমরা লাশ গুনতেই থাকবো।

খুনিদের ধরতে হবে।
শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
গরিবের জীবনকে তামাশা বানানো বন্ধ করতে হবে।

“মায়ের কান্না আমার ছেলেকে কেন মারল… সে তো কোনো অপরাধ করেনি।”এই একটা বাক্যই প্রমাণ করে—আমরা কতটা অসহায় হয়ে গেছি।রাজধানীর ...
24/12/2025

“মায়ের কান্না আমার ছেলেকে কেন মারল… সে তো কোনো অপরাধ করেনি।”এই একটা বাক্যই প্রমাণ করে—আমরা কতটা অসহায় হয়ে গেছি।

রাজধানীর মগবাজারে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ডের সামনে দুর্বৃত্তদের ছোড়া শক্তিশালী ককটেল বিস্ফোরণে সিয়াম মজুমদার (২০) নিহত।
বুধবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে, মগবাজার ফ্লাইওভারের নিচে ঘটনাটি ঘটে। সিয়াম নিউ ইস্কাটন রোডের “জাহিদ কার ডেকোরেশন” প্রতিষ্ঠানের কর্মী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ বলছে, ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ককটেল ছোড়া হয়। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হয়ে সিয়াম রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকেন, কিছুক্ষণ পর মৃত্যু হয়।
ফুটপাতে ফারুকের চায়ের দোকানে সিয়াম শুধু এক কাপ চা চাইছিল। দোকানদার ভেতরে যেতেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে মাথায় কিছু পড়ে—মাথার ছিন্নভিন্ন অংশ চায়ের কেটলিতে এসে পড়ে।

এটা দুর্ঘটনা না—এটা খুন।
ঢাকায় এখন চা খেতেও নিরাপত্তা নেই।
আজ সিয়াম, কাল কে?

সিয়ামের বাবার কান্নাটা বুক ছিঁড়ে দিচ্ছে।কেঁদে কেঁদে চিৎকার করে বলছে—“আমি ঢাকা আসলাম ক্যান রে? ঢাকা না আসলে তো এভাবে আমার...
24/12/2025

সিয়ামের বাবার কান্নাটা বুক ছিঁড়ে দিচ্ছে।
কেঁদে কেঁদে চিৎকার করে বলছে—
“আমি ঢাকা আসলাম ক্যান রে? ঢাকা না আসলে তো এভাবে আমার পোলারে মরতে হত না…”

এই কথার ভেতরে শুধু শোক না—একটা বাবার চরম অসহায়তা, আক্ষেপ, আর ভাঙা আত্মা লুকিয়ে থাকে।
যে বাবা-মা ছেলেকে নাশতা আনতে পাঠায়, আর কিছুক্ষণ পর দেখে—ছেলে রাস্তায় পড়ে আছে, নিথর…
কোন বাবা-মা এটা মেনে নিতে পারে? বলুন তো?

সিয়ামের বাবা-মা দুজনেই বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন।
মানুষের চোখের সামনে একটা পরিবার শেষ হয়ে যাচ্ছে—আর আমাদের শহর, আমাদের রাষ্ট্র… নির্বিকার!
এই ঢাকা কি মানুষ মেরে ফেলার মেশিন হয়ে গেছে?

কেউ ককটেল ছুঁড়ে দিল—একটা তরতাজা ২১ বছরের জীবন শেষ।কোন কারণ নেই, কোন অপরাধ নেই, কোন বিচার নেই—
শুধু মৃত্যু। শুধু লাশ। শুধু আহাজারি।

হাদি ভাইয়ের মৃত্যু শোক এখনও বুকের ভেতর কাঁটা হয়ে আছে।
তার মধ্যে আবার এই ঘটনা—এতো অল্প বয়সের একটা ছেলে, কোনো অপরাধ ছাড়াই দুনিয়া থেকে চলে গেল।
এইটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। একদমই না।

আমরা কি একটা স্বাভাবিক দেশ চাই না?
আমরা কি এমন এক শহর চাই না যেখানে নাশতা করতে গিয়ে মরতে হয় না?
রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে বিয়ারিং পড়ে, গুলি এসে, ককটেল এসে জীবন শেষ হয়ে যায় না?

এটা “দুর্ঘটনা” না। এটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা।
যেখানে নাগরিকের জীবন নিরাপদ না—সেখানে উন্নয়ন, সোনার বাংলাদেশ, সব শব্দই ফাঁকা নাটক।

আজ সিয়াম। কাল কে?
আর কত বাবার মুখ থেকে বের হবে—
“ঢাকা আসলাম ক্যান?”

ที่อยู่

Bang Kapi

เว็บไซต์

แจ้งเตือน

รับทราบข่าวสารและโปรโมชั่นของ প্রতিবাদী প্রজন্মผ่านทางอีเมล์ของคุณ เราจะเก็บข้อมูลของคุณเป็นความลับ คุณสามารถกดยกเลิกการติดตามได้ตลอดเวลา

ติดต่อ ธุรกิจของเรา

ส่งข้อความของคุณถึง প্রতিবাদী প্রজন্ম:

แชร์