Shahriar ข้อมูลการติดต่อ, แผนที่และเส้นทาง,แบบฟอร์มการติดต่อ,เวลาเปิดและปิด, การบริการ,การให้คะแนนความพอใจในการบริการ,รูปภาพทั้งหมด,วิดีโอทั้งหมดและข่าวสารจาก Shahriar, Bang Kapi.

মা" শব্দটা শুনলেই চোখের সামনে এক পরম আশ্রয়ের ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু সম্প্রতি একটা ঘটনা দেখে আমি আক্ষরিক অর্থেই বাকরুদ্ধ হয়...
12/05/2026

মা" শব্দটা শুনলেই চোখের সামনে এক পরম আশ্রয়ের ছবি ভেসে ওঠে। কিন্তু সম্প্রতি একটা ঘটনা দেখে আমি আক্ষরিক অর্থেই বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি, হৃদয়টা দুমড়েমুচড়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি একটি ভিডিওতে দেখলাম, এক নারী মাত্র ৩ মাস বয়সী এক নিষ্পাপ যমজ শিশুকে আঘাত করছেন। কিন্তু সবচেয়ে ভয়াবহ ও আতঙ্কের বিষয় হলো, শিশুটির জন্মদাত্রী মা ঠিক পাশেই বসে ছিলেন এবং চরম নির্লিপ্তভাবে বলছিলেন যে, "ও তো মজা করছিল, ও যখন মারছিল আমি পাশেই বসা ছিলাম।একটা ৩ মাসের একরত্তি বাচ্চার গায়ে হাত তোলা হচ্ছে, আর একজন মা কীভাবে সেটাকে স্রেফ 'মজা' বলে মেনে নিতে পারেন?
এ কেমন মা!

এই মর্মান্তিক দৃশ্য দেখার পর কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ ঠিক থাকতে পারে না। অনেকেই ভিডিওটি দেখে রীতিমতো ট্রমাটাইজড হয়ে পড়ছেন, অনেক আপু হাউমাউ করে কেঁদেছেন এই নিষ্ঠুরতা দেখে। অথচ, যারা এই কাজ করেছে তাদের চোখে-মুখে আমি বিন্দুমাত্র অনুশোচনা বা অপরাধবোধ দেখিনি।

উল্টো তারা নির্লজ্জের মতো সাফাই গাইছে যে, মানুষ নাকি ভালো ভিডিও দেখে না, তাই ভাইরাল হওয়ার জন্যই তারা মজার ছলে এই জঘন্য কাজ করেছে [1]! মাত্র কয়েকটা ভিউ আর সস্তা পরিচিতির জন্য ৩ মাসের বাচ্চাকে চড় মারাটা তাদের কাছে স্রেফ 'মজা'!

সবচেয়ে বড় হতাশার জায়গা হলো, এই মহিলাদের কোনো শাস্তি না দিয়েই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আজ এদের বিচার না হলে, কাল সস্তা জনপ্রিয়তার লোভে অন্য কেউ আবার ভাইরাল হতে আসবে এই একই ধরনের নিষ্ঠুরতার আশ্রয় নিয়ে।

সমাজটা আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে? কয়েকটা ভিউয়ের কাছে কি মানুষের বিবেক, মাতৃত্ব—সব বিক্রি হয়ে গেল? আল্লাহ আমাদের শিশুদের এই অসুস্থ মানসিকতার হাত থেকে রক্ষা করুন।

গত রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয়েছে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিন...
12/05/2026

গত রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয়েছে জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সারকে। বিদায়বেলায় বিমানবন্দরের এক কোণে দাঁড়িয়ে দুহাত তুলে মোনাজাত করছিলেন তার বাবা জনাব হামিদ কায়সার। মেয়ের আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বিদেশে পাঠানো হলেও, এই অসহায় বাবা তার সঙ্গী হতে পারেননি।

বাবার না যেতে পারার পেছনের কারণটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং বাস্তবতার এক চরম রূপ। মেয়ের চিকিৎসার বিপুল ব্যয় মেটাতে গিয়ে ইতোমধ্যে তার জীবনের সব সঞ্চয় ও জমানো এফডিআর শেষ হয়ে গেছে। এখন সন্তানের জীবন বাঁচাতে বাধ্য হয়ে নিজের শেষ সম্বল জমিটুকু বিক্রি করতে হচ্ছে তাকে। জমি বিক্রির সেই আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই বিশাল এই ঢাকা শহরে তিনি আজ একা পড়ে আছেন।

কারিনা কায়সার মিডিয়ার পরিচিত মুখ হওয়ায় তার বাবার এই ত্যাগের খবরটি হয়তো সহজেই ভাইরাল হয়েছে এবং মানুষের নজরে এসেছে। কিন্তু আমাদের চারপাশে এমন অসংখ্য বাবা আছেন, যারা প্রতিদিন সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাতে নীরবে এর চেয়েও বড় সংগ্রাম করে যান। তাদের সেই নিঃস্বার্থ আত্মত্যাগের খবরগুলো কখনোই খবরের শিরোনাম কিংবা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় না।

বর্তমানে কারিনা কায়সারের শারীরিক অবস্থা বেশ সংকটাপন্ন, তাই এটি কোনোভাবেই সমালোচনার সময় নয়। একজন বাবার এই অসহায়ত্বের মুহূর্তে আমাদের সকলের উচিত মন থেকে তার মেয়ের জন্য দোয়া করা। পরম করুণাময় যেন খুব দ্রুত তাকে পুরোপুরি সুস্থ করে তার বাবার কোলে ফিরিয়ে দেন।

শুনুন বলি, আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ "কর্ণধারদের" মহামূল্যবান চিন্তাধারা! এক সাংবাদিক এই অকালকুষ্মাণ্ড, মেরুদণ্ডহীন আর যোগ্যত...
12/05/2026

শুনুন বলি, আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ "কর্ণধারদের" মহামূল্যবান চিন্তাধারা! এক সাংবাদিক এই অকালকুষ্মাণ্ড, মেরুদণ্ডহীন আর যোগ্যতাহীন প্রজন্মের কাছে জানতে চেয়েছিল— "যদি শিক্ষামন্ত্রী হও, তাহলে কী করবে?"

আর এই চরম গর্দভগুলোর উত্তর শুনলে আপনার আক্কেল বোকাসোদা হয়ে যাবে!

১ম জন বলছে: "পড়ালেখাই উঠাইয়া দিব! অনেক কষ্ট ভাই পড়ালেখা!" (বাহ! কী বিপ্লবী চিন্তা!)
২য় জনের কথা: "পরীক্ষা দিব কিসের? এত ভালো করে কী করব, পড়ালেখা করে কী হবে?" (শাবাশ! একেই বলে দেশের আসল রত্ন!)
৩য় জন তো আরও একধাপ এগিয়ে: "কোনো পড়াশোনা রাখব না, কোনো পরীক্ষা দিব না, সবাইকে অটোপাস দিব!" (এই তো চাই! দেশ তো একেবারে সোজা স্বর্গে চলে যাবে!)

একবার নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করে দেখুন, এই অসুস্থ, অকর্মণ্য প্রজন্ম দিয়ে আপনারা বাংলাদেশের উন্নতির স্বপ্ন দেখেন?সারা পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের ছেলেমেয়েরা এমন চরম মাথামোটা, সস্তা আর জঘন্য চিন্তাভাবনা জনসমক্ষে শেয়ার করার কথা কল্পনাও করতে পারবে না! অথচ আমাদের দেশে এরা এগুলো বুক ফুলিয়ে বলে বেড়াচ্ছে! এই সস্তা চিন্তাধারাই আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় অভিশাপ। ধিক্কার এই মানসিকতাকে!

সোশ্যাল মিডিয়ার ঝলমলে দুনিয়ায় আমরা যখন কাউকে ভাইরাল হতে দেখি, ভাবি তার জীবন বোধহয় বদলে গেছে। কিন্তু তাজুল ইসলামের বাস্তব...
09/05/2026

সোশ্যাল মিডিয়ার ঝলমলে দুনিয়ায় আমরা যখন কাউকে ভাইরাল হতে দেখি, ভাবি তার জীবন বোধহয় বদলে গেছে। কিন্তু তাজুল ইসলামের বাস্তবতা ছিল এর উল্টো এবং অনেক বেশি করুণ। পর্দা জুড়ে কোটি মানুষের ভালোবাসা পেলেও তার ব্যক্তিগত জীবনের আর্থিক হাহাকার এতটুকু কমেনি।

এমন দিনও গেছে যখন তিনি ইন্টারনেটে ভাইরাল, অথচ তার বাড়িতে নেই সামান্য খাওয়ার মতো চাল-ডাল। খ্যাতির এই বিড়ম্বনা তাকে ক্ষুধার জ্বালা থেকে মুক্তি দিতে পারেনি। ভাইরাল হওয়া মানুষটির ঘরে চুলা জ্বলেনি এমন দৃশ্য কল্পনা করাও কঠিন, অথচ এটাই ছিল তার জীবনের চরম সত্য।

অক্ষরজ্ঞান না থাকায় আধুনিক প্রযুক্তির জটিলতা তিনি বোঝেন না। নিজের ফেসবুক পেজ চালানো কিংবা ভক্তদের ভালোবাসামাখা কমেন্টের উত্তর দেওয়ার জন্য তাকে আজও তার বন্ধু শাহ আলম ও অন্যদের ওপর নির্ভর করতে হয়। শিক্ষার অভাব তাকে এই ডিজিটাল যুদ্ধের দৌড়ে অসহায় করে রেখেছে।

আসলে দক্ষতা ও যোগ্যতা ছাড়া কেবল ভাইরাল হয়ে এই কঠিন পৃথিবীতে টিকে থাকা অসম্ভব। কোয়ালিটি না থাকলে পরিচিতি খুব দ্রুত ফিকে হয়ে যায়। নিজেকে সময়ের সাথে বদলাতে না পারলে দিনশেষে আবার সেই ঘাম ঝরানো কায়িক শ্রমে ফিরে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা থাকে না।

মাত্র দেড় মাসের সংসার! আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে একবুক স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে করেছিলেন তাজুল ইসলাম। কিন্তু চরম দারিদ্র্যে...
08/05/2026

মাত্র দেড় মাসের সংসার! আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে একবুক স্বপ্ন নিয়ে বিয়ে করেছিলেন তাজুল ইসলাম। কিন্তু চরম দারিদ্র্যের কষাঘাতে বিয়ের মাত্র দেড় থেকে দুই মাসের মাথায় সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায়। নিদারুণ অভাবের কারণে তাকে নির্মমভাবে ডিভোর্স দিয়ে চলে যান তার স্ত্রী।

অসুস্থ বাবা-মা, তিন ভাই আর তিন বোনসহ আট সদস্যের বিশাল পরিবারের ঘানি একা টানতেন তাজুল। দিনরাত হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে সংসারের চাল-ডাল আর ওষুধের খরচ মেটাতেই পকেট শূন্য হয়ে যেত। ছোট ভাইয়ের পড়ালেখার খরচ জোগাতে গিয়ে নিজের জন্য কিছুই জমাতে পারতেন না তিনি।

তিনি কান্না করতে করতে বলছিলেন, এই চরম অভাব আর টাকা জমাতে না পারাই তার জীবনের সবচেয়ে বড় অপরাধ হয়ে দাঁড়ায়। যাওয়ার আগে স্ত্রী তাকে চরম আঘাত করে বলেছিলেন, তার পকেটে কোনোদিন দশ টাকাও জমবে না। "আপনাকে দিয়ে কিছু হবে না"—স্ত্রীর এমন তীক্ষ্ণ কথাগুলো আজও তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়।
হৃদয় ভাঙা কষ্ট নিয়েও তাজুল এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। বারবার বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, সংসারে আজ মেঘ থাকলেও কাল হয়তো রোদ উঠবে। কিন্তু তার স্ত্রী কোনো সান্ত্বনাই মানেননি এবং আর কখনোই ফিরে আসেননি।

স্ত্রীর চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ তিন বছর কেটে গেলেও তাজুল আর নতুন করে বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। তিনি মনে করেন, এখনো তার কাঁধে বিশাল পরিবারের যে দায়িত্ব আর অভাব রয়েছে, তাতে নতুন কাউকে আনা সম্ভব নয়। একা হাতে পরিবারের বোঝা টেনে নীরবেই জীবন পার করছেন তিনি।

২০০৯-২০১০ সালের দিকে জীবন সংগ্রামের তাগিদে ঢাকায় পাড়ি জমান তাজুল ইসলাম। তখন দৈনিক মাত্র ২০০ টাকা মজুরিতে রডমিস্ত্রি বা ন...
08/05/2026

২০০৯-২০১০ সালের দিকে জীবন সংগ্রামের তাগিদে ঢাকায় পাড়ি জমান তাজুল ইসলাম। তখন দৈনিক মাত্র ২০০ টাকা মজুরিতে রডমিস্ত্রি বা নির্মাণ শ্রমিক হিসেবে হাড়ভাঙা খাটুনি শুরু করেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করেছেন পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে।

অসুস্থ বাবা-মা, তিন ভাই ও তিন বোনসহ মোট আট সদস্যের বিশাল সংসারের পুরো ভার ছিল তার একার কাঁধেই। ঢাকায় উপার্জিত টাকা তিল তিল করে জমিয়ে গ্রামে পরিবারের জন্য একটি টিনের ঘরও তৈরি করেছিলেন তিনি। নিজের সুখের কথা না ভেবে পরিবারের জন্যই নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন।

আজ থেকে প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে সংসার জীবনে পা রাখেন তাজুল, কিন্তু সেই সুখ দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বিশাল পরিবারের ঘানি টানতে গিয়ে নিজের জন্য কোনো টাকা জমাতে পারতেন না তিনি। চরম অভাব ও দারিদ্র্যের কারণে বিয়ের মাত্র দেড়-দুই মাসের মাথায় তার স্ত্রী তাকে ডিভোর্স দিয়ে চলে যান।

সব হারিয়েও পরিবারের প্রতি তার এই অসীম দায়িত্ববোধ ও আত্মত্যাগ আমাদের সমাজের এক চরম বাস্তবতার গল্প। নিজের জীবনের সুখ বিসর্জন দিয়ে পুরো পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া তাজুল ইসলামের মতো সংগ্রামী মানুষেরা সত্যিই বিরল।

মেয়েটি ফেসবুকে লিখেছেন,আমি আর আমার নানী শাশুড়ি বেশিরভাগ সময়ই পাশাপাশি শুয়ে গল্প করি অথবা নিজেদের মতো মোবাইল চালাই। আমাদে...
08/05/2026

মেয়েটি ফেসবুকে লিখেছেন,আমি আর আমার নানী শাশুড়ি বেশিরভাগ সময়ই পাশাপাশি শুয়ে গল্প করি অথবা নিজেদের মতো মোবাইল চালাই। আমাদের দুজনের এই সময়গুলো বেশ আরামদায়ক আর সুন্দর কাটে। কিন্তু এই সুন্দর মুহূর্তের মাঝে যখনই আমার স্বামী কল করে, তখন এক মজার ঘটনা ঘটে। নানু কোনো কথা না বলে আস্তে করে আমার রুম থেকে বেরিয়ে অন্য রুমে চলে যায় এবং সবসময়ই সে এই কাজটা করে।

সেদিন রাত তখন প্রায় ১২টা, হঠাৎ আমার হাজব্যান্ড কল দিল। এত রাতে তো নানুর পক্ষে উঠে অন্য রুমে যাওয়া সম্ভব না, তাই সে কী করবে বুঝতে পারছিল না। কিছুক্ষণ পর দেখি সে আস্তে আস্তে উঠে সোজা আমার ওয়াশরুমে ঢুকে গেল। আমি প্রথমে ভেবেছিলাম হয়তো তার কোনো সাধারণ প্রয়োজনেই ভেতরে গিয়েছে।

কিন্তু এদিকে অনেকক্ষণ পেরিয়ে গেলেও নানুর বের হওয়ার কোনো খবর নেই। শেষে আমি বাধ্য হয়ে ডাক দিলাম, নানু চলে আসো, অনেক আগেই কল কেটে দিয়েছে। আমার কথা শুনে নানু সুড়সুড় করে ওয়াশরুম থেকে বেরিয়ে আসলো। আমি কৌতূহল নিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, রাইয়ান কল দিলেই তুমি এভাবে চলে যাও কেন নানু?

নানু তখন একটু মুচকি হেসে খুব লাজুক গলায় উত্তর দিল, এহ্‌ আমার শরম করে! অন্য সময় তার কোনো জড়তা থাকে না, কিন্তু আমি একটু হাই বেবি বললেই তার ভেতরের লাজুক কিশোরীটা যেন পুরোপুরি জেগে ওঠে। ছোটবেলায় পরিবারের সাথে টিভি দেখার সময় রোমান্টিক দৃশ্য আসলে আমরা যেভাবে লজ্জায় গায়েব হয়ে যেতাম, নানু ঠিক সেটাই করে।

বয়সের এত পার্থক্য থাকার পরও তার এই মিষ্টি লজ্জা আর ভালোবাসার অনুভূতি সত্যিই মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো। সম্পর্কের মাঝে এই ছোট্ট ছোট্ট সম্মান আর মায়ার কারণেই হয়তো পরিবারগুলো এত সুন্দর হয়। আমাদের নানী শাশুড়িদের এই অমলিন ভালোবাসাগুলো এভাবেই টিকে থাকুক।

বাংলাদেশে সম্প্রতি কিছু মানুষের একাধিক বিয়ের হিড়িক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এর সস্তা প্রদর্শনী চরম বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ইসলা...
07/05/2026

বাংলাদেশে সম্প্রতি কিছু মানুষের একাধিক বিয়ের হিড়িক এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় এর সস্তা প্রদর্শনী চরম বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ইসলামে একাধিক বিয়ে জায়েজ হলেও এটি কোনো ফরজ বিধান নয়, বরং এর সাথে কঠোর ইনসাফের শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। কোরআনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, স্ত্রীদের মাঝে সমতা বা ইনসাফ করতে না পারলে এক স্ত্রী নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে।

বাস্তবতা হলো, আপনি কি একাধিক স্ত্রীকে হুবহু একই মানের বাসস্থান, খাবার এবং সমান সময় দিতে পারছেন? বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে এক পরিবার চালাতেই মানুষের হিমশিম অবস্থা, সেখানে একাধিক বিয়ের নামে এসব কি স্রেফ ধোঁকাবাজি নয়? প্রথম স্ত্রী যখন গর্ভবতী, তার যখন সবচেয়ে বেশি মানসিক সমর্থন প্রয়োজন, তখন নতুন প্রেমের এই উদগীরণ চরম অমানবিকতা।

নিজের একান্ত ব্যক্তিগত বা পারিবারিক প্রয়োজন থাকলে বিয়ে আপনি করতেই পারেন, কিন্তু সেটা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন সস্তা শো-অফ করার যৌক্তিকতা কোথায়? আপনাদের এসব আপত্তিকর আচরণ দেখে অন্য ধর্মের মানুষ এবং সাধারণ পাবলিকের কাছে ইসলাম সম্পর্কে মারাত্মক ভুল বার্তা যাচ্ছে। যেন ইসলাম মানেই শুধু একাধিক বিয়ে আর কার দুলাভাই কার শ্যালিকাকে বিয়ে করলো—এসব রসালো আলোচনাই এখন আপনাদের জীবনের মূল লক্ষ্য!

আজ মুসলিম বিশ্ব চরম সংকটে, ইরানে সংঘাত চলছে, আর দেশের ভেতরে সুদ-ঘুষ, জেনা-ব্যভিচার ও দুর্নীতি মহামারি আকার ধারণ করেছে। এসব ভয়াবহ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে আপনাদের কোনো জোরালো আওয়াজ নেই, অথচ সারাদিন ফিকির শুধু কে কয়টা বিয়ে করলো! এই দেশটা আফগানিস্তান বা সৌদি আরব নয়, এখানকার সামাজিক বাস্তবতা না বুঝে হুটহাট এমন কাজ করে আপনারা আসলে দ্বীনের কোনো বিজয় আনছেন না।

যাদের একাধিক বিয়ের সত্যিই প্রয়োজন, তারা শরীয়তের বিধান মেনে পারিবারিকভাবে গোপনে সেটা সম্পন্ন করুন, মিডিয়ার সামনে এসে সস্তা হাইপ তোলার দরকার নেই। দেশের অসংখ্য মানুষ এখনো নামাজ পড়ে না, হালাল-হারামের তোয়াক্কা করে না, আগে সেই মৌলিক বিষয়গুলো নিয়ে মাথা ঘামান। নিছক জায়েজ ফতোয়াকে পুঁজি করে সমাজে বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ করে প্রকৃত দ্বীনের কাজে আত্মনিয়োগ করুন।

অভিনেত্রী মৌ শিখা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এমন কিছু কথা শেয়ার করেছেন, যা অনেকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।পর...
07/05/2026

অভিনেত্রী মৌ শিখা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এমন কিছু কথা শেয়ার করেছেন, যা অনেকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

পর্দায় আমরা যাদের হাসিখুশি দেখি, তাদের বাস্তব জীবনটা সব সময় মসৃণ হয় না। এই অভিনেত্রী তার আলোচনায় স্বামী ও সংসারের সাথে বিচ্ছেদ, একাকীত্ব এবং চরম অর্থকষ্টের মতো কঠিন সময়ের কথা অকপটে তুলে ধরেছেন। এর পাশাপাশি মানসিক বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশনের সাথে তার দীর্ঘ লড়াইয়ের কথাও উঠে এসেছে।

সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্তটি ছিল যখন তিনি তার সন্তানদের কথা বলেন।"বাচ্চারা খোঁজ না নিক, তবুও তারা ভালো থাকুক"—শত অভিমান ও দূরত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি কেবল সন্তানদের মঙ্গলই চেয়েছেন, যা প্রমাণ করে মায়ের ভালোবাসা কতটা নিঃস্বার্থ। নিজের জীবনের এতগুলো ঝড়ের পরও তিনি তার পরিবারের প্রতি গভীর টান অনুভব করেন।

জীবনের কঠিন সময়গুলো আমাদের সাময়িকভাবে ভেঙে দেয় ঠিকই, কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর অসীম শক্তিও জোগায়। মৌ শিখার এই মানসিক সংগ্রাম আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ডিপ্রেশন বা অর্থকষ্ট জীবনের শেষ কথা নয়। শত হতাশার মাঝেও বুকে ভালোবাসা নিয়ে নতুন করে লড়াই চালিয়ে যাওয়াই হলো জীবনের আসল জয়।

ที่อยู่

Bang Kapi

เว็บไซต์

แจ้งเตือน

รับทราบข่าวสารและโปรโมชั่นของ Shahriarผ่านทางอีเมล์ของคุณ เราจะเก็บข้อมูลของคุณเป็นความลับ คุณสามารถกดยกเลิกการติดตามได้ตลอดเวลา

ติดต่อ ธุรกิจของเรา

ส่งข้อความของคุณถึง Shahriar:

แชร์