Shahriar Akash মানুষের লেখক

১৫ আগস্টের প্রহর কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং তা ছিল শেখ মুজিবের অপশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক অনিবার্য গণবিস্ফোরণ! তা...
15/08/2026

১৫ আগস্টের প্রহর কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না, বরং তা ছিল শেখ মুজিবের অপশাসন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে এক অনিবার্য গণবিস্ফোরণ! তার চরম ক্ষমতার অপব্যবহার, নীতিহীনতা ও সীমাহীন লুটপাটের কারণে গঠিত রক্ষীবাহিনী তখন ভিন্নমতের ৪০ হাজার মানুষকে হত্যার পাশাপাশি রাতের আঁধারে নারীদের তুলে নিয়ে চরম বেহায়াপনায় মেতে উঠতো।

যখন দুর্নীতিবাজি ও স্বজনপ্রীতির কারণে সৃষ্ট ১৯৭৩ সালের দুর্ভিক্ষে ১৫ থেকে ৩০ লাখ মানুষ অনাহারে ধুঁকে ধুঁকে মারা যাচ্ছিল, তখন নির্লজ্জতার চূড়ান্ত সীমা পার করে শেখ কামালের রাজকীয় বিয়ের জমকালো আয়োজন করেছিল মুজিব সরকার।

নিয়মিত সেনাবাহিনীকে সুকৌশলে পঙ্গু করে দলীয় রক্ষীবাহিনীকে ক্ষমতায় বসানোর এই ধূর্তামি ও হঠকারিতা মূলত দেশকে ভারতের গোলামির শৃঙ্খলে বেঁধে ফেলার এক গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। জাতির এই চরম নৈতিক দেউলিয়াপনা, লুণ্ঠন ও জুলুমের অন্ধকার অধ্যায় থেকে সার্বভৌমত্বকে বাঁচাতে মেজর ডালিমসহ দেশপ্রেমিক সেনাসদস্যরা ১৫ আগস্টের সেই ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছিলেন।

তাদের এই সাহসী হস্তক্ষেপের মাধ্যমেই জাতি মুক্তি পেয়েছিল এক ভয়াবহ বিশ্বাসঘাতকতা, দলবাজি ও ভণ্ডামির কবল থেকে।


ময়মনসিংহে দিনের আলোতে রাব্বি নামের এক চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীকে হত্যার পর পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে বুক ফুলিয়ে কথাগুলো বলছিল যু...
15/08/2026

ময়মনসিংহে দিনের আলোতে রাব্বি নামের এক চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীকে হত্যার পর পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে বুক ফুলিয়ে কথাগুলো বলছিল যুবক খালেক। তার বাবার ওপর নির্মম হামলা, বাড়িঘরে আগুন ও লুটপাটের পর পুলিশের কাছে গিয়েও কোনো বিচার না পাওয়ায় সে এই ভয়ংকর পথ বেছে নিয়েছে। পুলিশকে উদ্দেশ্য করে সে ক্ষোভের সাথে বলেছে, "ওরা আমার বাপেরে কুপাইছে, আমি ওরে কুপাইছি, সন্ত্রাসী আর চাঁদাবাজ মারছি; ভালো মানুষ মারি নাই!"

সিস্টেমের এমন অযোগ্যতা ও অপদার্থতার কারণেই একজন সাধারণ ইনোসেন্ট ছেলেকে আজ বাধ্য হয়ে নিজের হাতে বিচার তুলে নিতে হয়েছে। বিন্দুমাত্র ভয়হীন এই যুবক পুলিশের সামনে দাঁড়িয়ে দাম্ভিকতার সাথে ঘোষণা করেছে, জেল থেকে বের হতে পারলে এমন আরও কয়েকজনের কপালে শনি আছে!

এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আইনরক্ষকদের এমন দায়িত্ব এড়ানোর সংস্কৃতি আর প্রহসন চলতে থাকলে মানুষ কি এভাবেই বাধ্য হয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নেবে?

টানা ৯৯ দিন কারো সাথে খারাপ আচরণ করে শততম দিনে থামলে সেই বিবেকহীন মানুষটিই খুশি হয়ে আপনাকে ধন্যবাদ জানাবে। অথচ ৯৯  দিন ন...
15/08/2026

টানা ৯৯ দিন কারো সাথে খারাপ আচরণ করে শততম দিনে থামলে সেই বিবেকহীন মানুষটিই খুশি হয়ে আপনাকে ধন্যবাদ জানাবে। অথচ ৯৯ দিন নিজের রক্ত জল করে কাউকে সাহায্য করার পর শততম দিনে অপারগ হলে, সে অতীতের সব ত্যাগ ভুলে আপনার ওপরই ক্ষুব্ধ হয়ে উঠবে।

কারণ আপনার একটানা করা উপকারগুলো সেই ধান্দাবাজদের কাছে আর কোনো উপহার থাকে না, বরং তা নির্লজ্জতা ও নোংরা অধিকারে পরিণত হয়।

আপনার এই ধারাবাহিক ভালো ব্যবহারই স্বার্থান্ধ মানুষগুলোকে আপনার দয়াকে নিজেদের অধিকার ভাবতে শেখায় এবং তারা আপনাকে একদম মূল্যহীন মনে করে। তাই বিপদে মানুষের পাশে অবশ্যই দাঁড়াবেন, কিন্তু নিজের আত্মমর্যাদা রক্ষার্থে একটি শক্ত সীমানা টেনে রাখবেন যেন তা কোনো মুখোশধারীর দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত না হয়।

প্রফেসর জিয়াংয়ের সবচেয়ে ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী হলো, ট্রাম্প অত্যন্ত ধূর্ততা ও নির্লজ্জ কূটচালের মাধ্যমে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষম...
14/08/2026

প্রফেসর জিয়াংয়ের সবচেয়ে ভয়ংকর ভবিষ্যদ্বাণী হলো, ট্রাম্প অত্যন্ত ধূর্ততা ও নির্লজ্জ কূটচালের মাধ্যমে তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতা দখলের এক ভয়ংকর নীলনকশা আঁকছেন। আমেরিকার সংবিধানের ২২তম সংশোধনী অনুযায়ী দুবারের বেশি প্রেসিডেন্ট হওয়ার আইনি সুযোগ না থাকলেও, ২০২৮ সালে চতুরতার সাথে ভাইস-প্রেসিডেন্ট হয়ে এবং পরবর্তীতে প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের সুযোগ নিয়ে তিনি অনায়াসেই শীর্ষ ক্ষমতায় ফিরতে পারেন।

সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভকে সুকৌশলে ব্যবহার করে এই নেতা আমেরিকার আইনি ও রাজনৈতিক কাঠামোকে নিজের ইচ্ছেমতো ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।ক্ষমতার এই সীমাহীন লালসায় অন্ধ হয়ে ট্রাম্প প্রয়োজনে "ইমার্জেন্সি ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্ট" প্রয়োগ করে দেশে সামরিক আইন (Martial Law) জারির মতো ভয়ংকর পদক্ষেপ নিতেও পিছপা হবেন না।

এই অগণতান্ত্রিক উপায়ে সংবিধান স্থগিত করে চিরকাল ক্ষমতায় টিকে থাকার যে জঘন্য ও বেহায়া স্বপ্ন তিনি দেখছেন, তা সমগ্র জাতির জন্য এক চরম অশনিসংকেত।

প্রফেসর জিয়াং স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছেন যে, ট্রাম্পের এই স্বৈরাচারী ক্ষমতালিপ্সা এবং আইনি কাঠামোর নির্লজ্জ অপব্যবহার আমেরিকার ভবিষ্যতের জন্য এক ভয়াবহ ও অন্ধকার পরিণতি ডেকে আনবে।

কেউ তোমার জীবন বদলাতে আসবে না।নিজের পায়ে না দাঁড়ালে, একদিন সবাই তোমাকে পাশ কাটিয়ে যাবে।
14/08/2026

কেউ তোমার জীবন বদলাতে আসবে না।
নিজের পায়ে না দাঁড়ালে, একদিন সবাই তোমাকে পাশ কাটিয়ে যাবে।

নির্লজ্জ চাটুকার আর দুর্নীতিবাজদের এই মূর্খ সমাজে শরীফ ওসমান হাদির মতো খাঁটি দেশপ্রেমিকের নির্মম মৃত্যু আমাদের এক চূড়ান্...
14/08/2026

নির্লজ্জ চাটুকার আর দুর্নীতিবাজদের এই মূর্খ সমাজে শরীফ ওসমান হাদির মতো খাঁটি দেশপ্রেমিকের নির্মম মৃত্যু আমাদের এক চূড়ান্ত ব্যর্থতা! শুক্রবার এলেই তার নির্বাচনী প্রচারণার ভিডিওগুলো দেখে চোখ ভিজে যায়, যিনি অন্যায়কারী আর দুর্নীতিবাজদের মুখের ওপর কড়া জবাব দিলেও তার অন্তরটা ছিল একদম পরিষ্কার, যেখানে কোনো মিথ্যা, বাটপারি, জোচ্চুরি বা কপটতা ছিল না।

তিনি ছিলেন সত্য ও ন্যায়ের এক নির্ভীক সৈনিক; যার বুকে ছিল মানুষের জন্য, মজলুম, প্রবাসী, আলেম সমাজ, মা-বোন, জিয়া পরিবার এবং জুলাইয়ের বিপ্লবের প্রতি অগাধ ভালোবাসা। দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী এই নেতা নিরপরাধ লীগের দরদে এবং অন্যায়কারীর বিচারের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরে তৈরি করেছিলেন 'ইনকিলাব মঞ্চ', গতকালই যার দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পার হলো।

দেশের প্রতি গভীর মায়া ও প্রেমে আবদ্ধ এবং জ্ঞান, শিক্ষা ও বুঝদানে অনন্য এই মানুষটিকে, একজন দেশপ্রেমিক নেতা, ভাই, বন্ধু, সিনিয়র ও পিতাকে কেবল কথা বলার অপরাধে কেন হত্যা করা হলো, সেই জবাব আজ চাই! ওপারে ভালো থেকো প্রিয় শরীফ ওসমান হাদি; জনতার হাদি, ইনকিলাবের হাদি, জুলাইয়ের হাদি এবং বাংলাদেশের হাদি।

তুমি ছিলে এবং চিরকাল আমাদের হৃদয়ের গভীরে সম্মান, ভালোবাসা ও দোয়ায় বেঁচে থাকবে।

ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে থাকা নির্লজ্জ চাটুকারদের গালে এক বিরাট চপেটাঘাত করে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে এক ধ্রুব সত্...
14/08/2026

ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে থাকা নির্লজ্জ চাটুকারদের গালে এক বিরাট চপেটাঘাত করে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সম্পর্কে এক ধ্রুব সত্য উন্মোচন করেছেন রাজনীতিবিদ রুমিন ফারহানা! সামরিক শক্তির জোরে ক্ষমতায় আসার তীব্র সমালোচনা থাকলেও, অভাবনীয় ও আপসহীন সততার কারণে সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা ছিল।

বর্তমানের দুর্নীতিবাজদের মতো তিনি নিজের স্ত্রী-সন্তান বা আত্মীয়দের জন্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো সম্পদের পাহাড় গড়েননি। বরং, দেশের সবচেয়ে যোগ্য ও মেধাবী মানুষদের খুঁজে বের করে, প্রয়োজনে হাতে-পায়ে ধরে অনুরোধ করে হলেও তিনি এক শক্তিশালী মন্ত্রীসভা গঠন করেছিলেন।

মন্ত্রীসভায় স্বাধীনতাবিরোধী বিতর্কিতদের স্থান দেওয়ার মতো তীক্ষ্ণ সমালোচনা থাকলেও, ৭২ থেকে ৭৫ সালের ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ও চরম বৈষম্য তথা অমানবিক শোষণের বিপরীতে জিয়াউর রহমানের সরকার মানুষের দৈনন্দিন জীবনের কষ্ট চরমভাবে লাঘব করে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছিল। আর ঠিক এই কারণেই সাধারণ মানুষ স্বাধীনতাবিরোধীদের বিষয়টি অনেকটাই উপেক্ষা করেছিল।

রুমিন ফারহানার এই দ্ব্যর্থহীন মন্তব্যই প্রমাণ করে যে, কেবল অস্ত্রের জোরে নয়, বরং মূর্খদের হটিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনকে সহজ করার মাধ্যমেই জিয়াউর রহমান সত্যিকারের জননেতা হয়ে উঠেছিলেন।

আপনারা সকাল-বিকাল এনসিপির মতো একটি দলকে টকশোতে ডেকে এনে বারবার তাদের আয়ের উৎস নিয়ে জেরা করার বড়াই দেখান। অথচ আপনাদের ভেত...
14/08/2026

আপনারা সকাল-বিকাল এনসিপির মতো একটি দলকে টকশোতে ডেকে এনে বারবার তাদের আয়ের উৎস নিয়ে জেরা করার বড়াই দেখান। অথচ আপনাদের ভেতরে সেই সৎ সাহসটুকু নেই যে সব দলের নেতাদের ক্ষেত্রে বিচারের একই মাপকাঠি ব্যবহার করবেন।

বড় বড় কথা বলা এই সাংবাদিকরা আসলে সুবিধাবাদী, কারণ বিএনপি বা জামায়াতের এমপি-নেতাদের আয়ের উৎস জিজ্ঞেস করার ক্ষমতা বা সাহস তাদের বিন্দুমাত্র নেই। আপনাদের এমন পক্ষপাতদুষ্ট ও মুর্খ আচরণ শুধু সাংবাদিকতার দৈন্যদশাই প্রমাণ করে না, বরং আপনাদের আসল রূপ সাধারণ মানুষের সামনে উন্মোচিত করে দেয়।

দিনশেষে আপনাদের এই বেছে বেছে প্রশ্ন করার নীতিই প্রমাণ করে আপনারা সত্য প্রকাশে কতটা ব্যর্থ ও মেরুদণ্ডহীন।

বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের সরকার প্রধানরা বেহায়ার মতো ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের সাথে ১০ বার আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন, অথচ ভারতের প...
13/08/2026

বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশের সরকার প্রধানরা বেহায়ার মতো ভারতীয় রাষ্ট্রদূতদের সাথে ১০ বার আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন, অথচ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূতদের সাথে সাক্ষাতের প্রয়োজনটুকুও বোধ করেননি (০ বার)! ভারতের আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সমতার বুলি আওড়ানো আমাদের চাটুকারী শাসকেরা কখনোই কূটনীতিতে একটি লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরি করতে পারেনি।

মোদির শূন্যের বিপরীতে আমাদের এই ১০টি বৈঠক একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্য চূড়ান্ত অসম্মানজনক।
যে জাতি নিজেদের সম্মান নিজেরা আদায় করতে পারে না, অন্য কেউ কখনো তাদের সেই সমমর্যাদা দেয় না! নরেন্দ্র মোদি যে কাজটি করেন না, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানদেরও সেই দাসত্ব অবিলম্বে বন্ধ করে প্রয়োজনে শুধু ভারতের রাষ্ট্রপ্রধানের সাথেই সমকক্ষ হিসেবে বৈঠক করা উচিত।

আত্মমর্যাদাহীন এসব রাষ্ট্রদূতদের সাথে আমাদের রাষ্ট্রপ্রধানদের সাক্ষাৎ আজই সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে।

নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের কাছে ৫ আগস্টের প্রেস কনফারেন্সের জবাব চেয়ে বলে...
13/08/2026

নাহিদ ইসলাম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের কাছে ৫ আগস্টের প্রেস কনফারেন্সের জবাব চেয়ে বলেছেন, সম্পর্ক নিরূপণ না হওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর নির্লজ্জের মতো দিল্লি সফর অনুচিত।হাইকমিশনারের সাথে সাক্ষাতে খুনিদের প্রত্যর্পণের কথা পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানালেও এ বিষয়ে হাইকমিশনারের বেহায়াপনাপূর্ণ নীরবতা এবং ভারতে বসে খুনি হাসিনাদের ক্ষমা না চেয়ে উল্টো আস্ফালন করা মূলত আমাদের সার্বভৌমত্ব ও বিচার ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দিল্লিরই অবস্থান।

ভারত সরকার কার্যত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, তাই এই ধৃষ্টতার জবাবে সরকারের উচিত ছিল ঠুনকো প্রেস বিজ্ঞপ্তি না দিয়ে হাইকমিশনারকে ডেকে এনে কঠোরভাবে শাসানো।

খুনি শেখ হাসিনা ও শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের অবিলম্বে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। সীমান্তে আমাদের ভাইদের রক্তের হিসাব মেটানো এবং অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করার পরেই কেবল ভারতের সাথে বন্ধুত্বের কথা বলা যাবে। খুনিদের প্রশ্রয় দেওয়া এমন রাষ্ট্রের সাথে কোনো চাটুকারী আপস নয়, বরং মেরুদণ্ড সোজা করে নিজেদের অধিকার ও সার্বভৌমত্ব ছিনিয়ে আনতে হবে।

ที่อยู่

Dhaka,Bangladesh
Bang Kapi

เว็บไซต์

แจ้งเตือน

รับทราบข่าวสารและโปรโมชั่นของ Shahriar Akashผ่านทางอีเมล์ของคุณ เราจะเก็บข้อมูลของคุณเป็นความลับ คุณสามารถกดยกเลิกการติดตามได้ตลอดเวลา

ติดต่อ ธุรกิจของเรา

ส่งข้อความของคุณถึง Shahriar Akash:

ทางลัด

แชร์