Shahidul Islam TR

Shahidul Islam TR Mutlu olmak istiyorsan gururu bırak, gönüller kazanmaya bak.

 #তিন_অক্ষরের_এক_যন্ত্রণার_নাম_বিদায়"!প্রতিটি সূচনার যেমন অন্ত রয়েছে। তেমনিভাবে প্রতিটি সুখের পরিশেষে রয়েছে বেদনা। পূ...
15/02/2025

#তিন_অক্ষরের_এক_যন্ত্রণার_নাম_বিদায়"!

প্রতিটি সূচনার যেমন অন্ত রয়েছে। তেমনিভাবে প্রতিটি সুখের পরিশেষে রয়েছে বেদনা। পূণ্যভূমিতে প্রশান্তিময় ক্ষনের ইতি টানার পালা। পেয়ারা নবীকে আজকে বিদায় জানাতে হবে এটা ভাবতেই মনটা বিষণ্ণ হয়ে উঠছে। মনটা খুবই ভারি লাগতেছে। চোখ দিয়ে মনের অজান্তেই অঝোরে স্রোত বয়ে যাচ্ছে। চিৎকার করে কান্না করতে মন চাচ্ছে; হয়েছেও বটে। তিন অক্ষরের "বিদায়" শব্দটি সত্যিই যন্ত্রণার। বাইতুল্লাহ থেকে পৃথক হওয়ার সময় একই রকম অনুভুতি কাজ করেছিল। তবে বাইতুল্লাহ থেকে তার হাবিবের কাছে যাচ্ছি বলে ভারাক্রান্ত হৃদয়কে বোঝ দেওয়া সম্ভবপর হয়েছিল। কিন্তূ এখন যে তার হাবিব থেকে, এই পবিত্র ভূমি থেকে একেবারেই আলাদা হয়ে যাওয়ার পালা!

বিষণ্ণ মণে, ভারাক্রান্ত হৃদয়ে "আসর নামায" পরে পয়গাম্বরে জিশান, সারকারে দো আলাম, পেয়ারা নবীকে বিদায়ী সালাম দিতে তার রওজার দ্বারস্ত হলাম। আজকের সালামের লাইনটা ছিল অন্যদিনের থেকে তুলনামূলক অনেক লম্বা এবং ভিড়। আস্তে আস্তে সায়্যিদিল কাওনাইনের রওজার দিকে অগ্রসর হচ্ছি। চারদিকে শুধু দুরুদ-সালামের ধ্বনি বুলন্দ হচ্ছে। লাইনে থাকা অধিকাংশ লোকগুলোর চোখগুলো পানিতে টলমল করছে। আর কেউবা কান্নায় ভেঙে পড়ছে। তাদের এই দৃশ্য অবলোকন করে ব্যাথিত হৃদয় দুয়ারে পূনরায় উত্তাল শুরু হয়ে গেল। হয়তবা তারা সবাই-ই এই অধমের ন্যায় বিদায়ী সালাম অর্পণ করতে দুনো জাহানের সরদারের দরবারে হাজির হয়েছেন।

পেয়ারা নবীকে সালাম দিয়ে আশ-পাশটা একটু হেঁটে হেঁটে দেখে মসজিদে নববীর ভিতরে ঢুকে পড়লাম। এশা অব্দি ভিতরে মনিবের সান্নিধ্যে থেকে নামায পরে বাহিরে হের হলাম। অবোঝ মনে এদিক ওদিক হেঁটে বেড়াচ্ছি। মনটা বড়ই ছটফট করছে। দু এক কদম ফেলতেই আঁখি দুটো সবুজ গম্বুজের দিকে চলে যাচ্ছে। আর চোখ দিয়ে বিদায়ী অশ্রুজল তার নিজ গতিতে নেমেই চলেছে। সবুজ গম্বুজের সাথে গড়ে উঠা নিবিড় সম্পর্ক যে, আমাকে বিদায়ী যন্ত্রণায় কাবু করে রেখেছে। তাই তো আঁখি দুটো সরানো যে বড়ই দায় হয়ে যাচ্ছে। হবেই বা না কেন!? দরিয়ার ন্যায় বিশাল এই হৃদয় পিন্ড যেন নিমিষেই সংকীর্ণ হয়ে আসছে। এর উপর যে, বঙ্গোপসাগরের উত্তাল সমপরিমাণ ঢেউ প্রবহমান। উত্তাল ঢেউয়ের সলিউশন অজানা।

এমনতাবস্থায় আনমনা হয়ে বাবু-স সালাম (মসজিদে নববীর বাউন্ডারির টা) দিয়ে বের হয়ে মসজিদে গামামার সামনে দিয়ে কুবার (মসজিদে কুবা) দিকে অগ্রসর হলাম। হাঁটতে যে বড়ই কষ্ট হচ্ছিল। পা গুলো কেমন জানি সামনে কদম ফেলতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছিল। কচ্ছবের গতিতে হাটা যে আমার গন্তব্যে পৌছাতে বাঁধা হয়ে ধারাবে। কারণ, হাতে যে দেড় থেকে দুই ঘণ্টার মত সময় আছে। অবশেষে সেটাই হলো, যেটা আগে ভেবেছিলাম। ধীর গতিতে হাটা আমার গন্তব্যে পৌঁছাতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবশেষে মাঝ পথ থেকে পুনরায় রওজার দিকে রুজু হলাম।

জীবনের কিছু চির বাস্তবতা রয়েছে। ফিরতে হবে আপন নীড়ে। যার কারণে রুজু করতেই হবে। কারণ ফ্লাইটের সময়টাও ঘনিয়ে আসছিল। এসে প্রিপারেশন নিয়ে পুনরায় তুরষ্কের উদ্দেশ্যে মদিনা এয়ারপোর্টের দিকে অগ্রসর হতে হবে। তাই তো ব্যাথিত হৃদয় শায় না দিলেও চির বাস্তবতার তাগিদে গন্তব্যে পৌঁছাতেই হবে।

পেয়ারা নবী থেকে এখন বিদায় নেওয়ার পালা। দূর থেকে অশ্রুসিক্ত আঁখিতে সালাম বিনিময় করে পূনরায় আসার আর্জি পেশ করে মসজিদে নববী থেকে আল বিদা। আবার দেখা হবে কোন এক সুবহে সাদিকের পর আলোকিত দিনে অথবা পশ্চিম আকাশে সূর্য অস্তমিত যাওয়ার পরে পূর্ণিমার চাঁদের আলোতে তাহাজ্জুদের আগ মুহূর্তে এই প্রত্যাশায় ইনশা আল্লাহ্।

বৃষ্টিস্নাত এক দিনে, ক্লান্তি লগ্নে এক কাপ চা-ই যথেষ্ট।😍📍 ইসাম লাইব্রেরী, ইস্তানবুল।
29/11/2023

বৃষ্টিস্নাত এক দিনে, ক্লান্তি লগ্নে এক কাপ চা-ই যথেষ্ট।😍

📍 ইসাম লাইব্রেরী, ইস্তানবুল।

 #না_লিখে_আর_পারলাম_না।তুরস্কের ঐতিহাসিক জাতীয় নির্বাচন (আগামীকাল) সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে এবার কিছু লিখবনা ভেবেছিলাম। কা...
13/05/2023

#না_লিখে_আর_পারলাম_না।

তুরস্কের ঐতিহাসিক জাতীয় নির্বাচন (আগামীকাল) সম্পর্কিত বিষয় নিয়ে এবার কিছু লিখবনা ভেবেছিলাম। কারণ, আমার সার্কেলের ছোট বড় সবাই কম বেশি কিছু না কিছু লিখছে। কিন্তু আজকের দেখা বিষয়টি শেয়ার না করে পারলাম না।

আজকে দুনিয়ার রাজধানী ইস্তানবুলে অবস্থিত "সাঞ্জাকতেপে" নামক জেলাতে এক স্যারের সাথে দেখা করার কথা ছিল। সকালে রওনা দেওয়ার আগে এক্সাট কোথায় এসে নামব। এটা জানার জন্য স্যারকে ফোন দিলে, উত্তরে তিনি সাঞ্জাকতেপে সিটি কর্পোরেশনের সামনে এসে নামার কথা বললেন। সাথে এই ইনফরমেশনও দিয়ে রাখলেন যে, আজকে এখানে তুরষ্কের প্রেসিডেন্ট রজব তায়্যিব এরদোগানের মিটিং আছে। ২/১ ঘণ্টা পর উনি তাশরীফ নিবেন। তাই আমরা যেন মিটিং এর ওখানে মিলিত হই। আমরাও কথা মত মিটিং এরিয়াতে আসি। স্যারকে তো কথা দিলাম আসবো কিন্তু সমস্যা হলো আমাদের সাথে আমাদের ল্যাপটপের ব্যাগও রয়েছে। আর প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মিটিং বলে কথা। নিরাপত্তা তো তুলনামুলক একটু বেশিই থাকবে। আর এটাই সাধারণ। সাথে কোন কিছু না নিয়ে যাওয়া ব্যাক্তিদেরই যেই ভাবে চেক করা হয়। সেখানে আমরা ব্যাগ নিয়ে যাচ্ছি। এটা ভাবতেই একটু আনর্মাল ফিল হচ্ছে। কারণ, এর আগে বাজে অভিজ্ঞতার শিকার হতে হয়েছিল। যাই হোক গেলাম। নিজেরা একটা জায়গা পছন্দ করে (সিড়ির উপর) বসে পরি। সব কিছুই ঠিক ঠাক মত যাচ্ছিল। প্রেসিডেন্ট এরদোগানের প্রবেশের আগ মুহূর্তে সবাই লাফা লাফি, হৈ চৈ নিয়ে ব্যাস্ত আমরা অনেক ক্লান্ত এবং অর্ঘুমা হওয়ায় একটু শান্ত শিষ্ট হয়ে বসে থাকি। হাজার তারকিশ জনগণের মধ্যে আমরা দুই বিদেশি বসে রয়েছি। কোনো হৈ চৈ ও করতেছি না। এটা হয়তবা কারো মনে সন্দেহের বীজ বুনে দিয়েছে। কিছুক্ষণ পর প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মিটিং এরিয়ার নিরাপত্তা কর্মীদের কয়েকজন আমাদের কাছে এসে একটু সামনে আসুন বলে নিয়ে গেল। কারণ, জিজ্ঞাসা করলে সামনে গিয়ে বলতেছি বলে নিয়ে গেলো। ছাত্র কিনা জিজ্ঞাসা করলেন। স্টুডেন্ট কার্ড দেখে ব্যাগে কি আছে দেখতে চাইলেন। সব কিছু দেখে, কিছু মনে করবেন না। নিরাপত্তার খাতিরে ব্যাগগুলো চেক করতে হয়েছে। আর সবার সামনে চেক করলে আপনারা মনে কষ্ট পেতে পারেন ভেবে এক সাইডে এনে চেক করলাম। আপনারা এখন আসতে পারেন। নিরাপত্তা কর্মী এই কথা গুলো খুবই নরম স্বরে বলতে ছিলেন। অবশেষে ওখান থেকে আসার আগে উনাদেরকে বললাম, চিন্তার কিছু নেই। আমরাও অপেক্ষা করতেছিলাম এতক্ষণ হলো এখানে আসলাম। এখন পর্যন্ত কেউ আমাদের ব্যাগ চেক করতে এলেন না। উনারা মুচকি হেঁসে আমাদের বিদায় জানালেন। যাই হোক; আসল বিষয় কিন্তু এটা না!

যেই বিষয়টা শেয়ার করবো;
মিটিং শেষে স্যারের সাথে একটা কোরআন কোর্সে/ হিফজ খানায় যাই। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়াতে নির্মিত এই ভবনটাতে প্রায় ৬০০/৭০০ এর ছাত্র হিফয করে থাকে। তাদের সবাই কেউ পঞ্চম/ ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ালেখা করে। পাশা পাশি আল্লাহর কালামকে হিফয করে থাকেন। ভবনটি দেখেই পরানটি জুড়িয়ে গেল। খুবই সুন্দর ও মনোরম পরিবেশের বিরাজমান দেখে, মনে মনে ভাবতে লাগলাম; এইখানে দেওয়া সুযোগ সুবিধা গুলো দিয়ে আরেকবার হিফয করি! ভবনের ভিতরে হিফয খানার প্রধানের রুমে যখন প্রবেশ করি, এর কিছুক্ষণের মধ্যে ২/৩ জন একটা লিস্ট করা নিয়ে ব্যস্ত ছিল। একজন আরেজনকে নাম বলতে ছিলেন এবং ফোন দেওয়া হয়েছে কি? বললে, অন্যজন হ্যা/ না উত্তর দিচ্ছিলেন। তারা যেই কাজটি করতে ছিলেন। তা হলো; আগামীকালের নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের মহল্লার আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাইকে ফোন দিয়ে আগামীকালের নির্বাচনের গুরুত্বকে আরেকবার স্মরণ করিয়ে, প্রেসিডেন্ট এরদোগানকে যেন ভোট দিতে ভুল না করে। সম্পূর্ণ রাত এটার উপর সময় দিয়ে যাবেন। এটা দেখে এবং শুনে আমিতো পুরোই হতভম্ব এবং অবাক। আবেগ আপ্লুত হয়েছিও বটে। কোরআনের খাদেমরা অন্য আরেক কোরআনের খাদেমের (এরদোগান) জন্য তার অজান্তেই নিরলসভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সবাই নিজ গরজে প্রিয় নেতা ও নিজের দেশের ভবিষ্যতের জন্য শ্রম, মেধা এবং টাকা পয়সা দিয়ে যার যার স্থান থেকে সর্বত্র চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। দেখা যাক, আগামীকাল ব্যালট পেপারে কার নামের উপর পড়ে সর্বোচ্চ সিল!

29/03/2023

ইসলামের ইতিহাসে নির্মিত প্রথম মসজিদ " কুবা মসজিদ"। যেটা আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কা থেকে মদীনায় হিজরতকালে নির্মাণ করেছিলেন। নির্মাণে স্বয়ং তিনি নিজেও কাজ করেছিলেন। যা আজ নবীর নগরী মদিনাতে যিয়ারতের কেন্দ্রবিন্দু।








20/03/2023

#অন্যরকম_এক_ব্যাথা!

এর আগেও রাব্বুল আলামীন তার ঘরের মেহমান হিসেবে দাওয়াত দিয়ে ছিলেন। এবারও তার দুয়ারে এই গোনাহগারকে ঠাই দিলেন। বাইতুল্লাহতে শেষ সন্ধ্যা। ভাবতেই কেমন মনটা বিষন্ন হয়ে পড়ছে। তাই আসরের নামাজ আদায় করে হারামাইনের আশেপাশে একটা চক্কর দিয়ে আগে ভাগেই বাইতুল্লাহর সামনে চলে গেলাম। মাগরিবের সালাত আদায় করে কুরআন তিলাওয়াত শুরু করলাম। কাবার দিকে তাকিয়ে তিলাওয়াত করতেছি আর তাকে ছেড়ে চলে যাবো ভাবতেই কান্না আসতেছে। চোখ দুটো অশ্রুশিক্ত হয়ে যাচ্ছে। ১ পারা শেষ হলে; আবার কবে কাবার সামনে পড়তে পারবো এর নাই কোনো নিশ্চয়তা। এটা কেমন জানি ভাবতে চাচ্ছিলাম না। তাই অন্য আরেক পারা শুরু করে দিলাম। এভাবে ৩/৪ পারা তিলাওয়াত শেষ করতে করতেই এশার আজানের ধ্বনি কানে ভেসে আসলো। মনের গভীর থেকে একটা চিপ অনুভূত হলো। সালাত শেষে জায়নামাজ থেকে উঠতে মন চাচ্ছিল না। উঠতেও পারলাম না। হাঁটু গেড়ে বসে পড়লাম। দুই হাতখানা আরশের দিকে মেলে ধরলাম। আর মনের সব দুঃখ বেদনাকে তার কাছে তুলে ধরলাম। ভারক্রান্ত হৃদয় নিয়ে তাসবীহ তাহলীল শেষ করে দেখি ঘড়ির কাটাতে প্রায় ১০টা বাজে বাজে অবস্হা। এবার কেনো জানি একটু বেশিই কষ্ট হচ্ছে। কারণটা নিজের কাছেও অজানা। প্লান ছিল ১০:৩০ এর দিকে ছোট ভাই আব্দুল হামিদ আমাকে বাস স্টেশনে নিয়ে যাবে। কিন্তু মনের সাথে আমার শরীরও যে কাবাকে ছাড়তে চাচ্ছে না। আর উঠতেও পারলাম না। আব্দুল হামিদকে, ভাই! আমি আরো কিছুটা সময় বাইতুল্লাহর/ কাবার সাথে কাটাতে চাই। আমি ১০: ৩০ এর বাসে উঠব না। ১২:০০ টার বাসে উঠব ইনশা আল্লাহ্। জায়নামাজে বসে পড়লাম। শুধু তাকেই( কাবা) অবলোকন করে যাচ্ছি। মন যে আমার কোনো প্রকারেই তৃপ্তি পাচ্ছে না। তাকিয়ে থাকতে থাকতে এবার ১২:০০ টার কাছাকাছি সময় ঘনিয়ে আসল। এবার যে যেতেই হবে। নয়তবা সকালের ফজরের সালাত যে, আমার পেয়ারা নবীর পাশে পড়তে পারবো না। ভারি মনে গেটের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলাম কাবার পানে চেয়ে চেয়ে.... আর মনে প্রাণে দোয়া করতেছিলাম হে কাবার মালিক! আবার তোমার ঘরের মেহমান বানিয়ে নিও এই অধমকে। দাওয়াত দিও এই পাপীকে। এ ছাড়া নেই যে কোন গতি।
#বাইতুল্লাহ
#কাবা_মুকাররমা

ইমাম গাজ্জালী রহ: আধ্যাত্মিক বিষণ্ণতা(Manevî depresyon) বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন: "যদি একজন মু'মিন (বিশ্বাসী) পরপর তিন দিন...
11/03/2023

ইমাম গাজ্জালী রহ: আধ্যাত্মিক বিষণ্ণতা(Manevî depresyon) বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন: "যদি একজন মু'মিন (বিশ্বাসী) পরপর তিন দিন ইলম অন্বেষণ এবং বই পড়া বন্ধ করে, তবে তার আধ্যাত্মিক অবস্থার অবক্ষয় হবে যদিও সে তা উপলব্ধি না করে"।

আলোকচিত্র: সেন্টার ফর ইসলামিক স্টাডিজ- (ইসাম)

25/02/2023

কায়সেরি শহরে অবস্থিত তুরষ্কের অন্যতম এরজিয়েস পর্বত। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে এই পর্বতের টানে। আজ আমরা কাছ থেকে দেখব এবং আপনাদেরকেও দেখানোর চেষ্টা করব।







Address

Istanbul

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shahidul Islam TR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share