IBN News BD

IBN News BD A New York-Based Media Outlet under IBN Inc.
(1)

We are the Favorite Choice for the Global Bengali Community, We are Committed to Delivering Unbiased News and an Accurate Portrayal of Global Events.

শ্রীবরদীতে পাচারের সময় ২৫ বস্তা সরকারি সার জব্দ, দুই ডিলারকে জরিমানা
09/20/2026

শ্রীবরদীতে পাচারের সময় ২৫ বস্তা সরকারি সার জব্দ, দুই ডিলারকে জরিমানা

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় রহস্যজনক মৃত্যু; পরিবারের দাবি সংঘবদ্ধ ধ' র্ষ' ণ
09/20/2026

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় রহস্যজনক মৃত্যু; পরিবারের দাবি সংঘবদ্ধ ধ' র্ষ' ণ

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে কাজীপুরের অর্থনীতি পাল্টে দেবে এই মৎস্য বাজারমোঃ আব্দুর রব মনসুর, কাজিপুর উপজেলা প্রতিনিধি:ভোরের...
09/20/2026

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে কাজীপুরের অর্থনীতি পাল্টে দেবে এই মৎস্য বাজার

মোঃ আব্দুর রব মনসুর, কাজিপুর উপজেলা প্রতিনিধি:
ভোরের আলো তখনও পুরোপুরি ফোটেনি। কুয়াশা আর অন্ধকারের বুক চিরে যমুনা নদীর বুকে জেগে উঠছে এক চিলতে রূপালী আলো। সেই আলোর রেশ ধরেই
সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার যমুনা তীরবর্তী মেঘাই, ঢেকুরিয়া ও বাঐখোলা গ্রামে শুরু হয় এক অন্যরকম উৎসব। এটি কোনো সাধারণ উৎসব নয়, এ যেন যমুনার রূপালী শস্যের এক প্রাণবন্ত মেলা। দীর্ঘ তিন যুগ ধরে, অর্থাৎ প্রায় ৩৬ বছর ধরে এই তিন গ্রামে ঐতিহ্যের সুতোয় বাঁধা পড়েছে যমুনার দেশি মাছের এই অনন্য বাজার।
প্রতিদিন উষালগ্নে যখন প্রকৃতি জেগে ওঠে, তখনই যমুনার বুকে একের পর এক ঢেউ তুলে ঘাটে এসে ভিড়তে থাকে জেলেদের নৌকা। নৌকা থেকে নামানো হয় ঝুড়ি আর ডালাভর্তি টাটকা, জীবন্ত সব মাছ। আর তখনই স্তব্ধতা ভেঙে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ। শুরু হয় নিলামদারদের উচ্চকণ্ঠের হাঁকডাক আর ক্রেতাদের কাঙ্ক্ষিত দরের আকুতি। সকাল ৬টা থেকে ৮টা—মাত্র দুই ঘণ্টার এই সংক্ষিপ্ত সময়েই যমুনার তীরে রচিত হয় লাখ লাখ টাকার বাণিজ্যিক মহাকাব্য।

এই ঘাটের মূল আকর্ষণই হলো নদী থেকে সদ্য ধরা পড়া রাসায়নিকমুক্ত টাটকা মাছ। ইলিশের রূপালী ঝিলিক, বোয়ালের রাজকীয় উপস্থিতি, রুই-কাতলার চপলতা, আর চিতল, আইড়, ট্যাংরা, গুলশা, চিংড়ি, বাতাসি, বাঘাইড়, কিংবা কাজলি, শিং, মাগুর, পাঙ্গাশ ও বাইনসহ নানা প্রজাতির দেশীয় মাছের সমারোহে চোখ জুড়িয়ে যায়। এই রূপালী সম্পদের টানে স্থানীয় জেলেদের পাশাপাশি সিরাজগঞ্জ ও বগুড়া জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছুটে আসেন পাইকাররা। এখান থেকে সংগৃহীত তাজা মাছের স্বাদ পৌঁছে যায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ভোজনরসিকদের পাতে।

তবে এই অপার সম্ভাবনা ও ঐতিহ্যের সমান্তরালে রয়েছে কিছু ধূসর বাস্তবতার গল্পও। তিন যুগের পুরনো এই বাজারে আজও লাগেনি আধুনিকতার ছোঁয়া। পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব আর মাছ সংরক্ষণের জন্য কোনো আধুনিক হিমাগার না থাকায় মলিন হয়ে পড়ে জেলেদের মুখের হাসি। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানির দুর্ভোগে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের ভোগান্তি রূপ নেয় চরম সংকটে।

যমুনার এই ঐতিহ্যবাহী মাছের বাজারটি শুধু অর্থনীতিকেই সচল রাখেনি, বাঁচিয়ে রেখেছে নদীপাড়ের মানুষের সংস্কৃতি ও জীবনসংগ্রামকে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং একটু আধুনিকায়নের ছোঁয়া পেলে কাজীপুরের এই তিন মাছের ঘাট দেশের মৎস্য অর্থনীতিতে আরও বড় ও গৌরবময় অবদান রাখতে পারবে।

ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি ফোটেনি। কুয়াশা আর অন্ধকারের চাদর গায়ে জড়িয়ে শান্ত যমুনার বুকে একে একে ভিড়তে শুরু করেছে জেলেদের নৌকা। জলতরঙ্গ পেরিয়ে ঘাটে এসে থামছে রূপালী ইলিশ, চিতল, বোয়াল আর দেশীয় নানা প্রজাতির ছোট-বড় মাছের সম্ভার। সঙ্গে সঙ্গেই নিস্তব্ধ নদীপাড় মুখরিত হয়ে উঠছে ক্রেতা-বিক্রেতার চঞ্চল হাঁকডাকে। যমুনা নদীর তীরবর্তী মেঘাই, ঢেকুরিয়া ও বাঐখোলা গ্রামের এই দৃশ্য নতুন নয়; দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে যমুনার ঢেউ আর মানুষের নিরলস পরিশ্রমে টিকে আছে ঐতিহ্যবাহী এই মাছের বাজার, যা আজ পুরো এলাকার অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি।

নদীতে সুনির্দিষ্ট কোনো মৎস্য আড়ত না থাকায় যমুনার এই মুক্ত পাড়ই হয়ে উঠেছে জেলে ও পাইকারদের মিলনমেলা। প্রতিদিন ভোর হতেই নদীপাড়ের এই অস্থায়ী বাজারগুলোতে রূপ নেয় এক কর্মমুখর উৎসবের। মেঘাই মৎস্য আড়তদার রুবেল আহমেদ জানান, ভোরের আলো ফুটতেই নদীর চর এলাকা থেকে মাছ ভর্তি নৌকা নিয়ে জেলেরা এসে হাজির হন। প্রতিদিন গড়ে এখানে বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার মাছ কেনাবেচা হয়। নিলামের সমাপ্তি ঘটতেই পাইকাররা সেই তরতাজা মাছ নিয়ে ছুটে যান শহরের বিভিন্ন প্রান্তের বাজারে। সব সীমাবদ্ধতা পেরিয়েও এই যমুনাপাড়ের বাজারে প্রতিদিন লেনদেন হয় লাখ লাখ টাকা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, যমুনা নদীতে মাছের প্রাচুর্য স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য ও প্রান্তিক জেলেদের জীবিকায় এক নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। তবে এই প্রাচুর্য ও উৎপাদনকে দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখতে সরকারি সহায়তা, উন্নত আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং সঠিক নজরদারি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবীরা। তাদের মতে, পরিকল্পিতভাবে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এখান থেকেই আরও বড় পরিসরে মাছের বাণিজ্যের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে পারে।

কাজীপুর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মৎস্য কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, এ উপজেলায় বর্তমানে ২ হাজার ৬শ' ৯৩ জন তালিকাভুক্ত জেলে রয়েছেন। যমুনা নদীর বুক থেকে ধরা পড়া দেশি মাছের একটি বিশাল অংশ প্রতিদিন ভোরে এই ঘাটগুলোতেই এসে জড়ো হয়। জেলেরা রাতভর যে অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাছ ধরেন, তার সুফল মেলে এই ভোরের বাজারে।

যমুনার উত্তাল হাওয়া আর জেলেদের ঘামে ভেজা এই ঐতিহ্যবাহী মৎস্য বাজারটি আজ শুধু জীবিকার উৎসই নয়, বরং কাজীপুরের এক গৌরবময় লোক-ঐতিহ্যের প্রতীক। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই রূপালী সম্পদ কাজীপুরের অর্থনীতিকে আরও বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।

মিজান চৌধুরীর মন্তব্য ও সংগঠনকেন্দ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আহমেদ সোহেলের বক্তব্যআইবিএন রিপোর্ট: গত প্রায় তিন মাস ধরে গ্লোবাল ...
09/20/2026

মিজান চৌধুরীর মন্তব্য ও সংগঠনকেন্দ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আহমেদ সোহেলের বক্তব্য

আইবিএন রিপোর্ট: গত প্রায় তিন মাস ধরে গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যালায়েন্স (GBA) ও বাংলাদেশি আমেরিকান টেক কোয়ালিশন (BATC) কেন্দ্র করে যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, সে বিষয়ে ডিপিএ-এর প্রতিষ্ঠাতা প্রশাসনিক পরিচালক ও BATC-এর প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আহমেদ সোহেল সম্প্রতি বাপসনিউজ ও আইবিএননিউজকে এক ভিডিও সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত বক্তব্য দিয়েছেন।

আহমেদ সোহেল বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তিকে হেয় করা, অপমান করা বা ব্যক্তিগত বিরোধকে জনসম্মুখে নিয়ে আসতে চাইনি এবং এখনো চাই না। কিন্তু যখন কোনো ঘটনা নিয়ে একতরফাভাবে অসত্য, বিভ্রান্তিকর বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রচার করা হয়, তখন প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা নৈতিক দায়িত্ব বলেই মনে করি।”

তিনি জানান, গত কয়েক মাসে GBA ও BATC-এর সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কার্যক্রম বন্ধ করা, মেসেজ অপশন সীমিত করা এবং অন্যান্য অ্যাডমিনদের অ্যাক্সেস সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এতে সংগঠন দুটির স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে এবং সদস্যদের মধ্যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

গত ১ আগস্ট ২০২৬ নিউইয়র্কের এক সাংবাদিকের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রেসিডেন্ট মিজান চৌধুরী আহমেদ সোহেল, ড. আবু সালেহ ও আজম চৌধুরীকে নিয়ে প্রকাশ্যে বিভিন্ন মন্তব্য করেন। সেদিন রাতেই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে GBA-এর নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের বিষয়টি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়। আহমেদ সোহেল জোর দিয়ে বলেন, সেই সংবাদ সম্মেলনেও ব্যক্তিগত আক্রমণ বা সাবেক প্রেসিডেন্টকে হেয় করার কোনো প্রচেষ্টা করা হয়নি। উদ্দেশ্য ছিল সংগঠনের ভবিষ্যৎ ও গণতান্ত্রিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা, ব্যক্তিগত বিরোধ নয়।

সাম্প্রতিক সময়ে রায়ান তাজ ও তরিকুল ইসলামের উল্লেখ করে আহমেদ সোহেলকে উদ্দেশ্য করে একটি আইনজীবীর নোটিশ পাঠানো হয়েছে এবং তা বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। নোটিশে BATC-এর প্রতিষ্ঠা ও মালিকানা নিয়ে বিভিন্ন দাবি করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন, কোনো সংগঠনের প্রতিষ্ঠা, নিবন্ধন, পরিচালনা বা নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত অবশ্যই প্রকৃত নথিপত্র, আইনগত নিবন্ধন ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়া উচিত। সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রেশন, কর্পোরেট ডকুমেন্ট ও প্রয়োজনীয় নথি ইতোমধ্যে সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রয়োজনে যথাযথ আইনগত প্রক্রিয়ায় সেগুলো উপস্থাপন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, “আমরা কাউকে আইনি ঝামেলায় জড়াতে চাই না এবং আগ বাড়িয়ে কোনো সংঘাতেও যেতে চাই না। কিন্তু কেউ যদি ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা তথ্য, অপপ্রচার বা ব্যক্তিগত আক্রমণের মাধ্যমে সম্মান ও অধিকার ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেন, তাহলে আইন মেনে চলা নাগরিক হিসেবে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার আমাদেরও রয়েছে।”

আহমেদ সোহেল গত দুই বছরে মিজান চৌধুরী ও তাঁর পরিবারের প্রতি নিজের সহযোগিতার কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, উদ্দেশ্য কাউকে ছোট করা নয়; বরং বর্তমান পরিস্থিতি কেন তাঁর কাছে দুঃখজনক, সেটি বোঝানো। এগুলোর মধ্যে রয়েছে—মিজান চৌধুরীর স্ত্রীর নির্বাচনী প্রচারণায় সরাসরি অংশগ্রহণ, বিভিন্ন উদ্যোগে বাংলাদেশের শীর্ষ মিডিয়ার সহযোগিতা নিশ্চিত করা, গুরুতর পায়ের ইনজুরি সত্ত্বেও GBA সম্মেলনে বাংলাদেশে যোগদান, ওয়াশিংটনের সংবাদ সম্মেলনে সমন্বয়ের ভূমিকা, নেতিবাচক প্রচারণা থেকে রক্ষা করার চেষ্টা, উভয় সংগঠনের প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা, স্ত্রীর অভিষেক অনুষ্ঠানের কনভেনিং কমিটির কনভেনার হিসেবে প্রায় ১২০ জন অতিথির উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং নিউইয়র্ক সিটি কন্ট্রোলার অফিস থেকে রিকগনিশন সার্টিফিকেট পাওয়ার উদ্যোগে উপস্থিত থাকা।
তিনি অভিযোগ করেন, গত কয়েক মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ এবং ব্যক্তিগত ফোন ও মেসেজের মাধ্যমে তাঁকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন অভিযোগ, গুজব ও অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এমনকি লায়ন্স ক্লাবের একটি গ্রুপেও আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে, যেখানে তিনিই মিজান চৌধুরীকে যুক্ত করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছিলেন।

আহমেদ সোহেল বলেন, “মতপার্থক্য থাকতেই পারে। সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিয়েও মতভেদ হতে পারে। কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ, অপপ্রচার, গুজব বা অন্যদের সঙ্গে কারও সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা কোনো সুস্থ সংগঠন বা সামাজিক পরিবেশের অংশ হতে পারে না।”

GBA ও BATC-এর সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “কোনো পক্ষের কথায় অন্ধভাবে বিশ্বাস না করে ঘটনা, সময়ক্রম, নথিপত্র ও বাস্তব কর্মকাণ্ড নিজেরা বিবেচনা করুন। কোনটি সত্য, কোনটি অতিরঞ্জিত এবং কোনটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত—তা বোঝার জন্য অন্য কারও নির্দেশনার প্রয়োজন নেই।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, ব্যক্তিগত কোনো সংঘাত তিনি চান না। সংগঠনগুলোকে আরও পেশাদার, গণতান্ত্রিক, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়াই তাঁর লক্ষ্য। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্যও তিনি ভালো কামনা করেন এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন তিনি সুস্থ ও ভালো থাকুন এবং সঠিক পথ দেখান।

শেষে তিনি বলেন, “আমাদের সবার লক্ষ্য হওয়া উচিত—ব্যক্তিগত বিরোধ নয়, সত্য প্রতিষ্ঠা; প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার; বিভাজন নয়, ঐক্য; এবং ব্যক্তি নয়, সংগঠনের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া।”

সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন বাপসনিউজ সম্পাদক ও আইবিএননিউজ২৪.কম-এর প্রধান সম্পাদক হাকিকুল ইসলাম খোকন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইটিভি পরিচালনা ও সিনিয়র সাংবাদিক রিমন ইসলাম। ভিডিও ধারণ করেন ফেসবুক অ্যাক্টিভিস্ট ও জেএসএফ-বাংলাদেশ সংগঠক হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন। সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের সানাই রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে। সাক্ষাৎকার শেষে সাংবাদিকদের নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।

পটুয়াখালীতে মিথ্যা অপহরণের নাটক সাজিয়ে হোটেল মালিকের আত্মগোপন ভিকটিম উদ্ধারজহুরুল ইসলাম জুয়েল : বিগত ২০২২ সালে বরগুনা জে...
09/20/2026

পটুয়াখালীতে মিথ্যা অপহরণের নাটক সাজিয়ে হোটেল মালিকের আত্মগোপন ভিকটিম উদ্ধার

জহুরুল ইসলাম জুয়েল : বিগত ২০২২ সালে বরগুনা জেলার তালতলী থানাধীন তালতলী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে হোটেল ব্যবসায়ী কথিত নিখোঁজের ঘটনায় প্রথমে পটুয়াখালী সদর থানায় নিখোঁজের জিডি করে পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে সাজানো অপহরনের মামলা দায়ের করে ভিকটিম আঃ মান্নান প্যাদার ছেলে মোঃ জসিম প্যাদা। পটুয়াখালী জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একাধিক টিম দীর্ঘ অনুসন্ধান করে এবং মামলার ভিকটিম আঃ মান্নান প্যাদাকে উদ্ধারের জন্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে ভিকটিমের অবস্থান সনাক্ত করে। এরই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালী জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রাত ১টায় । ভিকটিম আঃ মান্নান প্যাদাকে অবশেষে মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানা এলাকা হতে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। খবর আইবিএননিউজ ।

উদ্ধারকৃত ব্যক্তিঃ ১। আঃ মান্নান প্যাদা (৭০), বল্লভ, ইটবাড়িয়া, থানা ও জেলা-পটুয়াখালী

ভিকটিম আঃ মন্নান প্যাদাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানান, তিনি বিগত ২০২০ সালে বরগুনা জেলার তালতলী থানাধীন জয়ালভাঙ্গা এলাকায় তালতলী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে পটুয়াখালী হোটেল নামে ভাতের ব্যবসা করেন। তার উক্ত হোটেলে তাপ বিদ্যুত নির্মাণ কাজের দুইটি কোম্পানীর শ্রমিকরা মাসিক খাবার খাইতো। শ্রমিকের খাবারের টাকা কোম্পানীর মালিকরা মাস শেষে পরিশোধ করতো। তিনিও বিভিন্ন দোকান থেকে বাকিতে মালামাল ক্রয় করতেন ,আবার পরে পরিশোধ করতেন । হোটেল মালিক আঃ মান্নান প্যাদা একটি কোম্পানীর শ্রমিকদের কাছে পাঁচ লাক্ষ ত্রিশ হাজার এবং অন্য আরেকটি কোম্পানীর শ্রমিকদের কাছে ছয় লাক্ষ সত্তর হাজার টাকার মতো পাওয়ানা থাকে। হোটেল মালিক আঃ মান্নান প্যাদা আত্মগোপনে যাবার আগের দিন রাতে অনুমান সাড়ে ১০টায় পাওনা টাকা জন্য প্রথম কোম্পানীর মালিকের বাসায় গেলে সে তাকে চার লক্ষ টাকা দেয়। টাকা পেয়ে তিনি ঐ রাতেই তার কাছে পাওনাদার মুদি, মুরগি এবং মাছ ব্যবসায়ীদের কিছু টাকা দেন। বাকি টাকা তার কাছে থাকে। পাওনাদারদের কিছু টাকা দেবার পরেও বাকি টাকা পরিশোধ করতে বলে। হোটেল মালিক বাকি টাকা কিছুদিন পরে দেবার কথা বলে। এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথাকাটকাটি হয়। পরে ম্যানেজার নুর আলম সিকদার কিছুদিন পরে সে নিজে পাওনাদারদের বাকি টাকা পরিশোধ করবে বলে জানায়। পাওনাদারদের সাথে কথা বলে পার্শ্ববর্তী রাস্তায় উঠলে অন্য কোম্পানীর ম্যানেজারের সাথে দেখা হয়। তখন হোটেল মালিক কোম্পানীর ম্যানেজারের কাছে তার পাওনা টাকা চায়। তখন কোম্পানীর ম্যানেজার হোটেল মালিককে জানায় তাদের কাছে পাওনা টাকার মধ্যে কিছু টাকা হোটেল ম্যানেজার নুর আলম সিকদারের কাছে দিয়েছে এবং বাকি টাকা কিছুদিন পরে দিয়ে দিবে। হোটেল ম্যানেজার নুর আলম সিকদারের কাছে যে টাকা দিয়েছে সে টাকা সম্পর্কে হোটেল মালিককে কিছু জানায়নি। এরপর হোটেল ম্যানেজার নুর আলম হোটেল মালিক আঃ মন্নানকে কিছুদিন আত্মগোপনে থাকতে বলে। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ম্যানেজার নুর আলম দেখে রাখবে এবং তার সাথে ম্যানেজার ফোনে যোগাযোগ রাখবে বলে জানায়। এক পর্যায় হোটেল ম্যানেজার নুর আলম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে হোটেল মালিক আঃ মান্নান প্যাদা অপহরণের নাটক শুরু করে এবং প্রথমে তার ছেলে জসিম প্যাদা পটুয়াখালী থানায় জিডি করে এবং পরবর্তীতে জসিম প্যাদা বাদী হয়ে ১৪ আগস্ট ২০২২,বিজ্ঞ আদালতে পাওনাদারের বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৩৬৪/৩৬৫/১০৯ ধারায় সিআর মামলা দায়ের করে।

পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী অপহরনের নাটক সাজানোর জন্য ম্যানেজার নুর আলমের কথা মতো তিনি প্রথমে তালতলী হতে বাসে পটুয়াখালী আসেন। পটুয়াখালী থেকে বাস যোগে ঢাকায় যান। ঢাকা থেকে ট্রেনে করে ব্রাক্ষ্মনবাড়িয়ার আখাউড়ার কেবলা বাবার মাজারে যান। সেখানে কিছুদিন থাকার পর কুমিল্লার বেলতলা সলেমান ল্যাংটা বাবার মাজারে যান। দীর্ঘদিন সেখানে থাকার পর চট্টগ্রাম মাইজভান্ডারে যান। চট্টগ্রাম মাইজভান্ডারে কিছুদিন থাকার পর সেখান থেকে আবার ঢাকায় চলে আসেন এবং মিরপুর ১২নং উজারাঘাটে এক বাড়িতে দারোয়ানের চাকুরী নেন। কিছুদিন সেখানে দারোয়ানের চাকুরী করার পর চাকুরী ছেড়ে যশোর জেলার বড়োবাজার গাজী কালুর মাজারে গিয়ে থাকেন। যশোর থেকে বাগেরহাট খানজাহান আলীর মাজারে যায় এবং সেখানে দীর্ঘদিন থাকার পর সেখান থেকে বাকেরগঞ্জের বারো আউলিয়ার মাজারে যান। এভাবে বিভিন্ন মাজারে মাজারে ও বেদে পল্লীতে ছদ্দবেশে আত্মগোপনে প্রায় সাড়ে চার বছর কাটিয়ে দেয়। সবশেষে বাগেরহাট মাজারে পরিচয় হওয়া কাজল নামে ধর্মের মেয়ের বাসা বরিশালে যান । পরে বরিশালে তার ধর্মের মেয়ের বাসা হতে মাদারীপুর তার ভগ্নিপতির বাড়িতে যান। এরই মধ্যে তার ছেলেকে দিয়ে তার কাছে পাওনাদারদের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দিয়ে তাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানী করেন। মামলা হবার পরে ছদ্দবেশ ধারন করিায় ভিকটিম আঃ মান্নান প্যাদার অবস্থান সনাক্ত করতে বেগ পেতে হয়। ভিকটিম আঃ মান্নান প্যাদাকে উদ্ধার করার জন্য পুলিশের একটি চৌকস টিম লেগে থাকে। একপর্যায় এই দীর্ঘ সময় আত্মগোপনে থাকার পর পুলিশের চৌকস টিম আত্মগোপনে থাকা আঃ মন্নান প্যাদার অবস্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। অবশেষে ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,রাত অনুমান ১টার দিকে পটূয়াখালী ডিবি পুলিশের একটি চৌকস টিম মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানা এলাকার বেদে পল্লী হতে কথিত ভিকটিম আঃ মান্নান প্যাদাকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আঃ মন্নান প্যাদাকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দেনার টাকা পরিশোধ করতে না পেরে পাওনাদারদের ফাঁসানোর জন্য উপরে উল্লিখিত ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানায়। উদ্ধারকৃত আঃ মান্নান প্যাদাকে বিজ্ঞ আদালতে উপস্থাপন করলে তিনি বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত চলমান রয়েছে এবং এ ঘটনার সাথে যেসকল ব্যক্তি বা সহায়তাকারী জড়িত আছে তা নিরূপণে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা সহ যে বা যারাই এই অপরাধে জড়িত থাকুক না কেন, তাদেরকে চিহ্নিত করে গ্রেফতারপূর্বক আইনের আওতায় আনার জন্য জোর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শিক্ষা ও গবেষণা নির্ভর শিক্ষাঙ্গন গড়াই প্রধান লক্ষ্য-ভিসি হেমায়েত জাহান
09/20/2026

শিক্ষা ও গবেষণা নির্ভর শিক্ষাঙ্গন গড়াই প্রধান লক্ষ্য-ভিসি হেমায়েত জাহান

যশোর সদর উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান
09/19/2026

যশোর সদর উপজেলা পরিষদ থেকে শুরু ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান

হাসপাতালের লাইন দীর্ঘ না করতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে: ডিসি জাহিদএস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: হাসপাতালে রোগীর চাপ ক...
09/19/2026

হাসপাতালের লাইন দীর্ঘ না করতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হবে: ডিসি জাহিদ

এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ: হাসপাতালে রোগীর চাপ কমাতে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করে রোগ প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, মানুষ অসুস্থ হওয়ার পর শুধু চিকিৎসার ব্যবস্থা বাড়ানোর পরিবর্তে খাদ্য উৎপাদন থেকে প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশন—প্রতিটি পর্যায়ে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় চট্টগ্রাম থেকে এ ধরনের একটি নতুন অভিযাত্রা শুরু হতে পারে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে রেস্তোরাঁয় বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতামূলক র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসক এসব কথা বলেন। এ সময় রেস্তোরাঁগুলোর রান্নাঘর, খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনব্যবস্থা, সংরক্ষণ এবং পরিচ্ছন্নতায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের জন্য ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার কথা জানান তিনি।

জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের চিন্তা করতে হবে—আমরা কি হাসপাতালের লাইন আরও দীর্ঘ করব, নাকি মানুষকে অসুস্থ হওয়ার আগেই সুস্থ রাখার চেষ্টা করব?’

দেশে হাসপাতাল ও চিকিৎসাসেবা বাড়লেও রোগীর চাপ কমছে না উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, ১০ বছর আগে হাসপাতালগুলোয় রোগীর চাপ কেমন ছিল এবং এখন কেমন, তা দেখতে হবে। হাসপাতাল বাড়লেও অনেক জায়গায় রোগীরা শয্যা পাচ্ছেন না। কেন এমন হচ্ছে, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে।

তাঁর মতে, রোগ হওয়ার পর চিকিৎসার পাশাপাশি রোগের কারণ চিহ্নিত করে প্রতিরোধে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। আর রোগ প্রতিরোধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হচ্ছে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করা।

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমরা যদি স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিসম্পন্ন খাবার গ্রহণ না করি, তাহলে সুস্থ জাতি গঠন করতে পারব না।’

খাদ্যনিরাপত্তার ঝুঁকি শুধু হোটেল-রেস্তোরাঁয় সীমাবদ্ধ নয় উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম বলেন, কৃষিপণ্য উৎপাদনে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশকের ব্যবহার, পশু-পাখি পালনে ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিকের অনিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ এবং খাবার প্রস্তুত, সংরক্ষণ ও পরিবেশনে স্বাস্থ্যবিধির ঘাটতি—বিভিন্ন পর্যায়ে খাদ্য অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে।

তাই উৎপাদন থেকে ভোক্তার খাবারের টেবিলে পৌঁছানো পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল হতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জেলা প্রশাসক বলেন, জীবনযাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে বাইরে তৈরি খাবারের ওপর মানুষের নির্ভরতা বাড়ছে। কর্মজীবী অনেক পরিবারের পক্ষে প্রতিদিন ঘরে রান্না করা সম্ভব হয় না। অনলাইনে খাবার অর্ডার এবং হোটেল-রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভরতাও বাড়ছে। এ কারণে রেস্তোরাঁয় নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করা জনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

খাদ্যে অনিয়ম ঠেকাতে বছরের পর বছর অভিযান ও জরিমানা করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে স্থায়ী পরিবর্তন আসেনি বলে জানান জেলা প্রশাসক। জরিমানার পরও কোনো কোনো প্রতিষ্ঠানে একই ধরনের অনিয়ম আবার দেখা যাচ্ছে।

এ কারণে শুধু জরিমানা ও শাস্তির ওপর নির্ভর না করে রেস্তোরাঁ মালিক ও কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

‘শুধু জরিমানা করাই আমাদের দায়িত্ব নয়। যাঁরা ব্যবসা করছেন, তাঁদেরও দায়িত্ব নিতে হবে,’ বলেন জাহিদুল ইসলাম।

রেস্তোরাঁয় কর্মরত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত তথ্য নিয়ে প্রাথমিক তথ্যভান্ডার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান জেলা প্রশাসক। বিশেষ করে রান্না, খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। কর্মীদের মাধ্যমে কোনো সংক্রামক রোগ ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে কি না, তা যাচাইয়ের কথাও বলেন তিনি।

প্রতিটি রেস্তোরাঁকে নিবন্ধিত শ্রেণি অনুযায়ী নির্ধারিত মান বজায় রাখতে হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, একটি প্রতিষ্ঠান যে মানের রেস্তোরাঁ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে, ভোক্তার সেই মানের নিরাপদ খাবার ও সেবা পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

নির্ধারিত মান বজায় রাখতে না পারলে রেস্তোরাঁর গ্রেড পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। বিষয়টি ভোক্তাদের জানানোর ব্যবস্থাও নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

‘পরিচ্ছন্ন করি নগর-গ্রাম, গড়ি নান্দনিক চট্টগ্রাম’ এবং ‘দেশব্যাপী জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান–২০২৬’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস থেকে একটি সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। কাজীর দেউরি হয়ে র‍্যালিটি স্টেডিয়াম মার্কেট প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

পরে স্টেডিয়াম এলাকার রেস্তোরাঁগুলোতে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়। একই সময়ে জেলার অন্যান্য রেস্তোরাঁয়ও মালিক ও কর্মীরা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালান। এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংসও এ কার্যক্রমের অংশ ছিল।

জেলা প্রশাসক বলেন, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত চট্টগ্রাম গড়তে গত জুলাই থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। এর ধারাবাহিকতায় রেস্তোরাঁয় পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান রেস্তোরাঁয় রান্না ও খাবার পরিবেশনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যসনদ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্ব দেন। রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির প্রতিনিধিরাও নিরাপদ খাবার পরিবেশনে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার কথা জানান।

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসনের দায়িত্ব নয় উল্লেখ করে জেলা প্রশাসক বলেন, উৎপাদক, ব্যবসায়ী, রেস্তোরাঁ মালিক, কর্মী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও ভোক্তা—সব পক্ষকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশের জন্য উদাহরণ তৈরি করেছে উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম বলেন, নিরাপদ খাদ্য ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম পথ দেখাতে পারে।

‘আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিরোধ। মানুষ অসুস্থ হওয়ার পর শুধু চিকিৎসার ব্যবস্থা নয়, আমরা চাই মানুষ যেন আগে থেকেই সুস্থ থাকে,’ বলেন জেলা প্রশাসক।

নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল উপজেলায় একযোগে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযাননারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরি...
09/19/2026

নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল উপজেলায় একযোগে র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলার সকল উপজেলায় একযোগে সচেতনতামূলক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

আজ শনিবার ১৯-৯-২৬ ইং সকাল থেকে জেলার ৫টি উপজেলার সকল ইউনিয়নে একযোগে এ অভিযান চলে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণে সচেতনতামূলক র‍্যালি বের করা হয়। পরে বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকার বা প্রশাসনের একার পক্ষে সম্ভব নয়, জনগণের সচেতন অংশগ্রহণ সবচেয়ে জরুরি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে প্রতিটি বাড়ি, প্রতিটি আঙিনা পরিষ্কার রাখা।

তিনি আরও বলেন, আপনার ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার, ডাবের খোসা বা ছাদে জমে থাকা পানিতেই জন্ম নিচ্ছে এডিস মশা। সপ্তাহে একদিন অন্তত নিজের বাড়ি ও কর্মস্থল পরিষ্কার করুন। আমরা আজ জেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একযোগে অভিযান চালিয়েছি, এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। ডেঙ্গুমুক্ত নারায়ণগঞ্জ গড়তে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

স্ত্রী প্রবাসে যাওয়ার পর সন্তানসহ বাবার বি'ষপা'ন, ৩ শি'শুর মৃ'ত্যু
09/19/2026

স্ত্রী প্রবাসে যাওয়ার পর সন্তানসহ বাবার বি'ষপা'ন, ৩ শি'শুর মৃ'ত্যু

Address

25-52, 38Th Street, Suite#3-D
Astoria, NY
11103

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IBN News BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share