IBN News BD

IBN News BD IBN News: A New York-based media outlet under IBN Inc.
(1)

We are the favorite choice for the global Bengali community, We are committed to delivering unbiased news and an accurate portrayal of global events.

বাঙালি জাতি চিরদিন তোফায়েল আহমেদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে: নিউইয়র্কে শোক সভায় বক্তারা​নিউইয়র্ক সিটি রিপোর্টার: রাজনীত...
06/18/2026

বাঙালি জাতি চিরদিন তোফায়েল আহমেদকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে: নিউইয়র্কে শোক সভায় বক্তারা

নিউইয়র্ক সিটি রিপোর্টার: রাজনীতির বরপুত্র, জাতীয় বীর ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে এক গভীর শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৬ জুন ২০২৬, শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় ‘সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত স্মৃতি সংসদ’—এর উদ্যোগে নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের এশিয়ান ড্রাইভিং স্কুল মিলনায়তনে এই সভার আয়োজন করা হয়।

​সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি রুহেল চৌধুরী এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক সুব্রত তালুকদার। শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি ফরিদা ইয়াসমিন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।

​বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন: ​জাকারিয়া চৌধুরী (চেয়ারম্যান, ফোবানা এবং সহ-সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গবন্ধু পরিষদ), ​লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন (উপদেষ্টা, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ এবং সিনিয়র সাংবাদিক), ​আব্দুর রহিম বাদশা (সাংগঠনিক সম্পাদক, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ), ​বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, ​সাখাওয়াত আলী (সভাপতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার)

​সভায় আরও বক্তব্য ও সংহতি প্রকাশ করেন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন আহমেদ সোহাগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ডার মনজুর আহমদ, ডেপুটি কমান্ডার আবু জাফর, মদনমোহন কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি এডভোকেট শেখ মখলু মিয়া, যুক্তরাষ্ট্র জাসদের সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম জিকু, জেএসএফ-বাংলাদেশ এর হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কবি ছালেহা ইসলাম, মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহান আহমেদ টুটুল, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আহমেদ, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক শেখ শফিকুর রহমান, যুবলীগ নেতা শেখ জামাল হোসেন, রেজা আব্দুল্লাহ, নুরুল ইসলাম, সাদিকুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা শ্যামল চন্দ্র চন্দ, হাবিবুর রহমান কামাল, আব্দুল গাফফার চৌধুরী খসরু, কবি সুধাংশু রঞ্জন মন্ডল, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ অলি আহাদ, যুবলীগ নেতা ছাদেকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, “বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় পাতায় তোফায়েল আহমেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার অবদান অনস্বীকার্য। বাঙালি জাতি চিরদিন তাকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।”

প্রধান বক্তা আমিনুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, “জাতীয় নেতা তোফায়েল আহমেদ জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ খেতাব দিয়েছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তোফায়েল আহমেদ আজ ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছেন।”

সভায় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা জাতীয় নেতা মরহুম তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। বক্তারা একযোগে অভিমত ব্যক্ত করে বলেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, জাতীয় বীর তোফায়েল আহমেদ এই দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

সংবিধানের ৭০ ধারা বাতিলের দাবিতে আন্তর্জাতিক দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের বৈশ্বিক জনমত গঠনের ঘোষণা​আইবিএন ডেস্ক রিপো...
06/18/2026

সংবিধানের ৭০ ধারা বাতিলের দাবিতে আন্তর্জাতিক দেশবন্ধু রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের বৈশ্বিক জনমত গঠনের ঘোষণা

​আইবিএন ডেস্ক রিপোর্ট: সংবিধানের ৭০ ধারা বাতিল করতে হবে। যে সংসদে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারেন না, সেখানে গণতন্ত্রের চর্চা অসম্ভব—আন্তর্জাতিক “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক ও প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট এএনএম ঈশা এবং সদস্য সচিব এমএ রউফ এক বিবৃতিতে এ কথা বলেছেন।

​গত ১৪ জুন ২০২৬, রবিবার যুক্তরাজ্য সময় বিকাল ৫টায় আন্তর্জাতিক “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের এক গুরুত্বপূর্ণ ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব ও প্রারম্ভিক বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনের ইউরোপীয় নেতা ফারুক আহমেদ চৌধুরী।

​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংবিধানের ৭০ ধারা বাতিল আন্দোলনের উদ্যোক্তা, আন্তর্জাতিক “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসা।

​বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন: ​মেজর আনিসুর রহমান, ​মেজর ইমরান মিয়া, ​লায়ন শাহিদা পারভীন রতনা,
​ইয়াসমিন রহমান বকুল, ​তানজিনা জাহান, ​সিনিয়র সাংবাদিক লায়ন হাকিকুল ইসলাম খোকন, ​এসএম আব্দুস সাত্তার, ​ফারুক আহমেদ চৌধুরী, ​রেয়াজ আবু সাইদ,
​ড. শরিফ শাকী, ​ইসমাইল খান, ​জগলু আহমেদ প্রমুখ।

​এছাড়া বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে সভায় সশরীরে উপস্থিত থাকতে না পারলেও শুভেচ্ছা ও সমর্থন জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেছেন আনোয়ার সাজন, ব্যারিস্টার নাজির আহমেদ, ব্যারিস্টার তারিক (লন্ডন), মতিউর রহমান (ডার্লিংটন, যুক্তরাজ্য), আলহাজ্ব নির্জাস মিয়া (নিউক্যাসল, যুক্তরাজ্য) এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর লন্ডন (যুক্তরাজ্য) সমন্বয়ক ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা।

সভাপতির প্রারম্ভিক বক্তব্যে ফারুক আহমেদ চৌধুরী বলেন, “বাংলাদেশের সংবিধানের ৭০ ধারা একটি অনৈতিক ও অগণতান্ত্রিক বিধান। এই ধারা সংসদ সদস্যদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারকে সীমাবদ্ধ করে এবং কার্যত সংসদীয় গণতন্ত্রকে দুর্বল করে। এটি গণতন্ত্রের প্রতি একটি হুঁশিয়ারি এবং অনেকাংশে গণতন্ত্র হত্যার শামিল। বর্তমান বাংলাদেশে একদলীয় শাসনব্যবস্থা নেই; বরং একটি স্থিতিশীল সরকার ও কার্যকর বিরোধী দল রয়েছে। তাই ৭০ ধারা বহাল রাখার আর কোনো যৌক্তিকতা নেই।”

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসা বলেন, “যে জাতীয় সংসদে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা স্বাধীনভাবে মতামত প্রকাশ করতে পারেন না, সেখানে প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চা অত্যন্ত কঠিন। সংবিধানের ৭০ ধারা অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে মতামত প্রদান বা ভোট দিলে তার সদস্যপদ শূন্য হয়। এটি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের প্রতি একটি বড় হুমকি।”

​তিনি আরও বলেন, “উন্নত বিশ্বের অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশে সংসদ সদস্যদের নির্দিষ্ট জাতীয় ইস্যুতে স্বাধীনভাবে মতামত দেওয়ার সাংবিধানিক সুযোগ রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের ৭০ ধারা সংসদ সদস্যদের কার্যত দলীয় নির্দেশনার বাইরে চিন্তা করার সুযোগ দেয় না। বর্তমানে দেশে একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ, কার্যকর সরকার ও দায়িত্বশীল বিরোধী দল বিদ্যমান। তাই এখনই সংবিধানের ৭০ ধারা বাতিল অথবা যুগোপযোগী সংস্কারের উপযুক্ত সময়।”

দীর্ঘ আলোচনা শেষে সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়:
১. বাংলাদেশ সরকারকে লিখিতভাবে সংবিধানের ৭০ ধারা বাতিল বা সংস্কারের দাবি জানানো হবে।
২. দেশের সকল রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, আইনজ্ঞ, শিক্ষাবিদ ও পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
৩. বাংলাদেশ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্পৃক্ত করে ৭০ ধারা বাতিলে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি করা হবে।
৪. এ লক্ষ্যে দেশ ও বিদেশে মাঠপর্যায়ে জনসংযোগ, আলোচনা সভা, মতবিনিময় এবং প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক কমিটি গঠন করা হবে।

​সভায় বক্তারা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, একটি শক্তিশালী, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক সংসদ প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ন্যূনতম সাংবিধানিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। গণতন্ত্রের প্রাণ হচ্ছে মতের ভিন্নতা, যুক্তিনির্ভর বিতর্ক এবং জনগণের স্বার্থে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার।

​অনুষ্ঠানটিতে সঞ্চালনা ও স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন আন্তর্জাতিক “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের সদস্য সচিব, সাংবাদিক ও কলামিস্ট এমএ রউফ। সবশেষে আন্তর্জাতিক “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক ও প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট এএনএম ঈসা সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর গত কয়েক মাসে পরপর চারটি থানায় বড় ধরনের রদবদল ও শাস্তিমূল...
06/18/2026

পুলিশ সূত্র জানায়, বিভিন্ন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পর গত কয়েক মাসে পরপর চারটি থানায় বড় ধরনের রদবদল ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শতাধিক পরিবার পেল মানবিক সহায়তা নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি বরাদ্দকৃত মানবিক সহায়তা কর্মসূ...
06/18/2026

বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে শতাধিক পরিবার পেল মানবিক সহায়তা


নিজস্ব প্রতিবেদক: সরকারি বরাদ্দকৃত মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে জিআর চাল বিতরণ করা হয়েছে। বোধবার (১৭ জুন ২০২৬) বিকেল ৫টায় নারায়ণগঞ্জ সদরের ফতুল্লা থানাধীন হাজীগঞ্জ এলাকার নবুমিস্ত্রী মসজিদ সংলগ্ন সমসের ভিলা ভবনের সামনে এ চাল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তার চাল বিতরণ করা হয়। বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বুবলী আক্তার।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রিপোর্টার্স ক্লাব ট্রাস্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ও বুবলী যুবকল্যাণ সংস্থার উপদেষ্টা, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ এবং নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম আরজু।

অনুষ্ঠানে অতিথির বক্তব্যে এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ বলেন, “সরকারের মানবিক সহায়তা কর্মসূচি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনন্য উদাহরণ। জেলা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থা মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে দিয়ে প্রশংসনীয় কাজ করেছে। সমাজের বিত্তবানদেরও এগিয়ে আসতে হবে, যাতে কোনো মানুষ খাদ্য কষ্টে না থাকে।”

বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার সভাপতি বুবলী আক্তার বলেন, “নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় আমরা হাজীগঞ্জ এলাকার শতাধিক অসহায় পরিবারের হাতে চাল তুলে দিতে পেরেছি। আমাদের সংস্থা সবসময় সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে থাকবে। জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির স্যারের নির্দেশনায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কাজ অব্যাহত থাকবে।”

বিতরণকালে উপকারভোগীরা জেলা প্রশাসন ও বুবলী যুব কল্যাণ সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। এ সময় সংস্থার পক্ষ থেকে সদস্য সুবলী আক্তার, শিউলি আক্তারসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তানভীর হোসেনের মায়ের  মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির গভীর শোক প্রকাশঢাকা ডেস্ক:  নারায়ণগঞ্জের জনপ্রিয় অনলাইন নি...
06/18/2026

তানভীর হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির গভীর শোক প্রকাশ

ঢাকা ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘নিউজ নারায়ণগঞ্জ’-এর প্রধান নির্বাহী সম্পাদক তানভীর হোসেনের মমতাময়ী মা ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

মমতাময়ী মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ।

এক শোকবার্তায় নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটির সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম আরজু ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ সহ ক্লাবের সকল সদস্য মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং এই শোক সহ্য করার শক্তি দানের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া কামনা করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (১৭ জুন ২০২৬) রাত আনুমানিক ২টার সময় রাজধানীর ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুর পর মরহুমাকে কিশোরগঞ্জে নিয়ে জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

সাংবাদিক তানভীর হোসেনের মায়ের মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জের সাংবাদিক সমাজ শোকাহত।

নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর উদ্যোগে তোফায়েল আহমেদ স্মরণে আলোচনা সভা​আইবিএন নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বৃহত্...
06/17/2026

নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর উদ্যোগে তোফায়েল আহমেদ স্মরণে আলোচনা সভা

​আইবিএন নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বৃহত্তর বরিশালবাসীর উদ্যোগে প্রয়াত জননেতা ও জাতীয় বীর তোফায়েল আহমেদের স্মরণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত রবিবার (১৪ জুন ২০২৬) জ‍্যাকসন হাইটসের 'ইটজী চাইনিজ রেস্টুরেন্টে' এই সভার আয়োজন করা হয়।

​বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইনের সভাপতিত্বে এবং বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা কায়কোবাদ খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ কর।


​আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন- ​বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট আব্দুস সাত্তার বাবুল। ​যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন। ​সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসিব মামুন, দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মদ বখতিয়ার আলী এবং শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এমএ করিম জাহাঙ্গীর।

​বীর মুক্তিযোদ্ধা সর্বশ্রী শওকত আকবর রিচি, খুরশিদ আনোয়ার বাবুল, আবুল বাসার চুন্নু, সাইদুর রহমান সাইদ, শেখ রফিকুন ইসলাম টুকু ও এমএ হাসান।
​অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবুল ও অ্যাডভোকেট জাকির এইচ মিয়া। ​ইউটিউব চ্যানেল হোস্ট ড. সেলিনা আফরীন রীতা এবং সঙ্গীত শিল্পী আল আমিন বাবু।
​নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ আতিকুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও কবি সালেহা ইসলাম এবং আওয়ামী লীগ নেত্রী রিনা আবেদীন।

​যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামনা আক্তার, নারগিস রহমান, সৈয়দ মিজানুল রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ হাসেম এবং আওয়ামী লীগ নেতা মনজুর চৌধুরী।
​এছাড়াও অন্যদের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুর ইসলাম, লস্কর মইজুর রহমান জুয়েল, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, এমএ অনিল বাবু, টি. মোল্লা, আতাউর রহমান তালুকদার, সাইদুর রহমান, আলমগীর হোসেন, শাহ ফাতিন, আহমেদ ওয়ালিউল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা মামুন এবং রফিকুন ইসলাম প্রমুখ।


​স্মরণসভায় বক্তারা প্রয়াত এই নেতার রাজনৈতিক জীবনের ওপর আলোকপাত করে বলেন, "বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় পাতায় তোফায়েল আহমেদের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। এদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার অবদান অনস্বীকার্য। বাঙালি জাতি চিরদিন তাকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।"

​তারা আরও উল্লেখ করেন, জাতীয় নেতা তোফায়েল আহমেদই রেসকোর্স ময়দানে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তোফায়েল আহমেদ ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছেন। বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, এই জাতীয় বীর এদেশের মানুষের কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

​সভায় বক্তারা জাতীয় নেতা মরহুম তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
​অনুষ্ঠানের শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা এবং ২০২৪ সালের জঙ্গি হামলায় নিহতসহ আজ পর্যন্ত সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় এই নীরবতা পালন করা হয়।

​সভার শেষ পর্যায়ে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন টি. মোল্লা। মোনাজাত শেষে উপস্থিত সকলকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করার মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘটে।

অনলাইন সাংবাদিকতা: পরিবর্তনের ধারা ও ভবিষ্যতের দিগন্তশফিকুল ইসলাম খোকন: বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে সাংবা...
06/17/2026

অনলাইন সাংবাদিকতা: পরিবর্তনের ধারা ও ভবিষ্যতের দিগন্ত

শফিকুল ইসলাম খোকন: বর্তমান বিশ্বে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে সাংবাদিকতার জগতে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটেছে। একসময় যেখানে সংবাদপত্র, রেডিও ও টেলিভিশন ছিল খবরের প্রধান উৎস, সেখানে এখন অনলাইন সাংবাদিকতা তথ্যপ্রবাহের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে। দ্রততা, সহজলভ্যতা এবং বহুমাত্রিক উপস্থাপনার কারণে অনলাইন সাংবাদিকতা আজকের যুগে অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

অনলাইন সাংবাদিকতার সূচনা ঘটে ইন্টারনেটের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে। ১৯৯০-এর দশকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম তাদের প্রিন্ট সংস্করণের পাশাপাশি অনলাইন সংস্করণ চালু করে। প্রথমদিকে এই অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে শুধুমাত্র প্রিন্ট সংবাদই হুবহু প্রকাশ করা হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং পাঠকের চাহিদার পরিবর্তনের ফলে অনলাইন সাংবাদিকতা নিজস্ব বৈশিষ্ট্য অর্জন করে।

২০০০ সালের পর থেকে ব−গের উত্থান এবং নাগরিক সাংবাদিকতার প্রসার অনলাইন সাংবাদিকতায় নতুন মাত্রা যোগ করে। সাধারণ মানুষও এখন সংবাদ তৈরি ও প্রচারে অংশগ্রহণ করতে শুরু করে। ফলে তথ্যের উৎস বহুমুখী হয়ে ওঠে এবং সংবাদ আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তবে এর ফলে তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নও দেখা দেয়।

পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আবির্ভাব অনলাইন সাংবাদিকতাকে আরও গতিশীল করে তোলে। এখন মানুষ মুহূর্তের মধ্যেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের খবর জানতে পারে। ফেসবুক, টুইটার (এক্স), ইউটিউবসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম সংবাদ প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে। সংবাদমাধ্যমগুলোও এসব প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে দ্রুত খবর পৌঁছে দিতে সম হচ্ছে।

বর্তমানে অনলাইন সাংবাদিকতায় মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। শুধু লিখিত সংবাদ নয়, ভিডিও, অডিও, ছবি ও ইনফোগ্রাফিকের মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। পাশাপাশি ডেটা জার্নালিজমের মাধ্যমে জটিল তথ্য সহজভাবে বিশ্লেষণ করে পাঠকের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে, যা সংবাদকে আরও বোধগম্য ও আকর্ষণীয় করে তুলছে। ভবিষ্যতে অনলাইন সাংবাদিকতা আরও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার সংবাদ সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রকাশনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাঠকের আগ্রহ অনুযায়ী ব্যক্তিকেন্দ্রিক সংবাদ পরিবেশনের প্রবণতা বাড়বে। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ও অগমেন্টেড রিয়েলিটির মাধ্যমে সংবাদ উপস্থাপনায় নতুন অভিজ্ঞতা যুক্ত হবে।

তবে অনলাইন সাংবাদিকতার সামনে কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। ভুয়া খবরের বিস্তার, কিকবেইট সংস্কৃতি, আয় সংক্রান্ত সমস্যা এবং নৈতিকতার অবয় এই খাতের জন্য বড় বাধা। এর অন্যতম কারণ একক নিয়ন্ত্রণ; প্রাতিষ্ঠানিক কোন নিয়ম শৃঙ্খলা নেই। এসব সমস্যা মোকাবিলা করে বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনলাইন সাংবাদিকতা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও বিকশিত হবে এবং মানুষের তথ্যপ্রাপ্তির প্রধান মাধ্যম হিসেবে তার অবস্থান আরও সুদৃঢ় করবে। তবে এর সফলতা নির্ভর করবে সঠিক তথ্য পরিবেশন, নৈতিকতা বজায় রাখা এবং প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের ওপর।

অনলাইন সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ: তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের ফলে অনলাইন সাংবাদিকতা আজ বিশ্বব্যাপী সংবাদ পরিবেশনের প্রধান মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দ্রুততা, সহজপ্রাপ্যতা এবং বহুমুখী উপস্থাপনার কারণে এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। তবে এর এই দ্রুত বিকাশের পাশাপাশি নানা ধরনের চ্যালেঞ্জও সামনে এসেছে, যা এই মাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতাকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে।

অনলাইন সাংবাদিকতার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো ভুয়া খবর বা বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার। ইন্টারনেটের উন্মুক্ততার কারণে যে কেউ সহজেই তথ্য প্রকাশ করতে পারে, কিন্তু সব তথ্যই যে সত্য বা নির্ভরযোগ্য, তা নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাই-বাছাই ছাড়া খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষ অনেক সময় ভুল তথ্যকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করে। এর ফলে সমাজে বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা সৃষ্টি হতে পারে।

দ্বিতীয়ত, দ্রুত সংবাদ পরিবেশনের প্রতিযোগিতা অনলাইন সাংবাদিকতার জন্য একটি বড় সমস্যা। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সবার আগে খবর প্রকাশ করার জন্য তাড়াহুড়ো করে, যার ফলে অনেক সময় যথাযথ তথ্য যাচাই করা হয় না। এতে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যায়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা হলো কিকবেইট সংস্কৃতি। অধিক পাঠক আকর্ষণের জন্য অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম অতিরঞ্জিত বা বিভ্রান্তিকর শিরোনাম ব্যবহার করে। এতে পাঠক প্রতারিত হয় এবং সাংবাদিকতার মান ুণ্ণ হয়। পাশাপাশি, বিজ্ঞাপননির্ভর আয় ব্যবস্থার কারণে অনেক সময় সংবাদমাধ্যমগুলো মানসম্পন্ন কনটেন্টের পরিবর্তে জনপ্রিয়তা অর্জনের দিকে বেশি মনোযোগ দেয়।

নৈতিকতার অবয়ও অনলাইন সাংবাদিকতার একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ। সংবাদ পরিবেশনে নিরপেতা, সত্যতা এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রার বিষয়গুলো অনেক সময় উপেতি হয়। এর ফলে সাংবাদিকতার মূল উদ্দেশ্য তিগ্রস্ত হয় এবং সমাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

এছাড়া, সাইবার নিরাপত্তা এবং অনলাইন হয়রানির বিষয়টিও দিন দিন গুরুত্ব পাচ্ছে। অনেক সাংবাদিক হ্যাকিং, ট্রোলিং এবং হুমকির সম্মুখীন হন, যা তাদের পেশাগত কাজের স্বাধীনতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে, প্রযুক্তিনির্ভর অ্যালগরিদমের কারণে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ অনেক সময় আড়ালে পড়ে যায়, আর বিনোদনধর্মী বা তুচ্ছ বিষয় বেশি প্রচার পায়।

সবশেষে বলা যায়, অনলাইন সাংবাদিকতা আধুনিক বিশ্বের অপরিহার্য অংশ হলেও এর সামনে থাকা চ্যালেঞ্জগুলো উপো করার সুযোগ নেই। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য প্রয়োজন সচেতনতা, দায়িত্বশীলতা এবং নৈতিকতার প্রতি অঙ্গীকার। সঠিক তথ্য পরিবেশন এবং প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে অনলাইন সাংবাদিকতা আরও শক্তিশালী ও বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠতে পারে।

দ্রুত সংবাদ ও ভিউ প্রতিযোগিতায় তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন: বর্তমান অনলাইন সাংবাদিকতার যুগে দ্রুত সংবাদ পরিবেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রযুক্তির অগ্রগতির ফলে এখন মুহূর্তের মধ্যেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের খবর মানুষের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে। তবে এই দ্রুততার প্রতিযোগিতা এবং বেশি ভিউ অর্জনের প্রবণতা সংবাদমাধ্যমের তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন সৃষ্টি করেছে।

প্রথমত, সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে “সবার আগে” হওয়ার প্রতিযোগিতা অনেক সময় তথ্য যাচাইয়ের প্রক্রিয়াকে উপো করে। একটি সংবাদ দ্রুত প্রকাশ করার জন্য সাংবাদিকরা অনেক সময় পর্যাপ্ত সূত্র যাচাই না করেই তা প্রকাশ করেন। ফলে ভুল, অসম্পূর্ণ বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারিত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। পরবর্তীতে সংশোধন করা হলেও প্রথমে ছড়িয়ে পড়া ভুল তথ্য মানুষের মনে স্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে।

দ্বিতীয়ত, ভিউ বা পাঠকসংখ্যা বাড়ানোর জন্য অনেক অনলাইন প্ল্যাটফর্ম কিকবেইট শিরোনাম ব্যবহার করে। আকর্ষণীয় কিন্তু বিভ্রান্তিকর শিরোনাম পাঠককে কিক করতে উদ্বুদ্ধ করলেও তা প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে অনেক সময় সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে না। এতে পাঠকের আস্থা নষ্ট হয় এবং সাংবাদিকতার মান তিগ্রস্ত হয়।

তৃতীয়ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদমও এই সমস্যাকে তীব্র করে তুলেছে। জনপ্রিয়তা বা এনগেজমেন্টের ভিত্তিতে কোন সংবাদ বেশি ছড়াবে তা নির্ধারিত হয়। ফলে অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু কম আকর্ষণীয় খবর আড়ালে পড়ে যায়, আর উত্তেজনাপূর্ণ বা বিতর্কিত বিষয় দ্রুত ভাইরাল হয়ে ওঠে। এতে তথ্যের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ভুয়া খবরের দ্রুত বিস্তার। অনলাইনে যে কেউ তথ্য প্রকাশ করতে পারে, ফলে যাচাইবিহীন বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভুল তথ্য খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত সংবাদ প্রকাশের প্রতিযোগিতায় অনেক সময় এই ভুয়া তথ্যও অনিচ্ছাকৃতভাবে মূলধারার সংবাদে জায়গা পেয়ে যায়।

এই পরিস্থিতিতে সংবাদমাধ্যমের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা। এর জন্য প্রয়োজন শক্তিশালী ফ্যাক্ট-চেকিং ব্যবস্থা, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং নৈতিক মানদণ্ড অনুসরণ। একই সঙ্গে পাঠকদেরও সচেতন হতে হবে এবং যেকোনো তথ্য গ্রহণের আগে তার উৎস যাচাই করার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

সবশেষে বলা যায়, দ্রুত সংবাদ পরিবেশন আধুনিক সাংবাদিকতার একটি অপরিহার্য দিক হলেও এর সঙ্গে নির্ভরযোগ্যতার ভারসাম্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় সংবাদমাধ্যমের প্রতি মানুষের আস্থা ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে, যা সমাজের জন্য দীর্ঘমেয়াদে তিকর।

গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যম এক নয়: আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগে “গণমাধ্যম” এবং “সামাজিক মাধ্যম” শব্দ দুটি প্রায়ই একসঙ্গে ব্যবহার করা হলেও বাস্তবে এদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, সামাজিক মাধ্যমই এখন গণমাধ্যমের বিকল্প; কিন্তু এই ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়। বরং এই দুটি মাধ্যমের উদ্দেশ্য, কাঠামো, নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বাসযোগ্যতার দিক থেকে স্পষ্ট ভিন্নতা রয়েছে। তবে কখনো কখনো বর্তমান প্রোপটে গণমাধ্যমের চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বেশি এগিয়ে। ধরুণ কোন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটলে অনেকেই বলে হ্যা ওটা দেখেছি তো ফেসবুকে...। তখন বলে না সংবাদপত্র,টিভি বা অনলাইনে দেখেছি। এখন অনেকে গণমাধ্যমও সংবাদ পরিবেশনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সূত্র ব্যবহার করে।

প্রথমত, গণমাধ্যম বলতে সেই সব প্রাতিষ্ঠানিক মাধ্যমকে বোঝায়, যেগুলো পেশাদার সাংবাদিকদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট নীতিমালা ও সম্পাদনা প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে সংবাদ ও তথ্য প্রচার করে। যেমন—পত্রিকা, টেলিভিশন, রেডিও এবং তাদের অনলাইন সংস্করণ। এসব প্রতিষ্ঠানে সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই (ভধপঃ-পযবপশরহম), সম্পাদনা এবং নৈতিকতার বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয়। ফলে গণমাধ্যম সাধারণত বেশি বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

অন্যদিকে, সামাজিক মাধ্যম হলো এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে যে কেউ সহজেই নিজের মতামত, তথ্য বা কনটেন্ট প্রকাশ করতে পারে। এখানে কোনো বাধ্যতামূলক সম্পাদনা বা যাচাই প্রক্রিয়া থাকে না। ফলে তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সবসময় নিশ্চিত করা যায় না। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, মতামত বা গুজব সবকিছুই একই গতিতে প্রচারিত হতে পারে। প্রতিহিংসা বশত একে অন্যের বিরুদ্ধে ফেসবুক ব্যবহার করে সামাজিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।

দ্বিতীয়ত, নিয়ন্ত্রণের েেত্রও এই দুই মাধ্যমের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। গণমাধ্যম নির্দিষ্ট আইন, নীতিমালা এবং পেশাগত মানদণ্ডদ্বারা পরিচালিত হয়। সাংবাদিকদের জন্য আচরণবিধি থাকে এবং এর ব্যত্যয় ঘটলে জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হয়। এছাড়া কোন নিউজ যাওয়ার মতো, ওই নিউজটি এডিট করে কোন পাতায় কত কলামে যাবে বার্তা ক থেকে তা নির্ধারণ করা হয়। যদি কোন নিউজ যাওয়ার মতো না হয় তা হলে ওই নিউজ আটকে দেয়া হয়। বিপরীতে সামাজিক মাধ্যমে এই ধরনের কঠোর নিয়ন্ত্রণ তুলনামূলকভাবে কম, যার ফলে অনেক সময় অপব্যবহার দেখা যায়।

তৃতীয়ত, উদ্দেশ্যের দিক থেকেও ভিন্নতা ল করা যায়। গণমাধ্যমের প্রধান ল্য হলো নির্ভুল, নিরপে এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট তথ্য পরিবেশন করা। অন্যদিকে সামাজিক মাধ্যমের মূল ল্য হলো যোগাযোগ, মতামত বিনিময় এবং ব্যক্তিগত প্রকাশ। যদিও এখন অনেক সংবাদ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, তবুও সেটি মূলত তথ্যের উৎস নয়, বরং প্রচারের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যম এক নয়; বরং তারা পরস্পর পরিপূরক। গণমাধ্যম যেখানে তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে কাজ করে, সামাজিক মাধ্যম সেখানে তথ্য দ্রুত ছড়িয়ে দিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই সঠিক তথ্য পাওয়ার জন্য গণমাধ্যমের ওপর আস্থা রাখা এবং সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সচেতন হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরিবর্তনের ধারা ও ভবিষ্যতের দিগন্ত: সময়ের প্রবাহে সাংবাদিকতা একটি স্থির নয়, বরং পরিবর্তনশীল প্রক্রিয়া হিসেবে নিজেকে ক্রমাগত নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন, পাঠকের চাহিদার পরিবর্তন এবং তথ্যপ্রবাহের গতিশীলতা—সবকিছু মিলিয়ে সাংবাদিকতার ধারা আজ এক নতুন পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই পরিবর্তনের ধারাই ভবিষ্যতের দিগন্ত নির্ধারণ করছে।

পরিবর্তনের ধারায় সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো ডিজিটাল রূপান্তর। সংবাদ এখন আর কেবল কাগজে সীমাবদ্ধ নয়; বরং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাৎণিকভাবে পৌঁছে যাচ্ছে মানুষের হাতে। এই দ্রুততা সংবাদ গ্রহণের অভ্যাসকেও বদলে দিয়েছে। মানুষ এখন অপো করতে চায় না; তারা চায় তাৎণিক আপডেট, যা অনলাইন মাধ্যম সহজেই প্রদান করছে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো তথ্যের উৎসের বহুমুখীকরণ। আগে সংবাদ পরিবেশন ছিল নির্দিষ্ট কিছু প্রতিষ্ঠানের হাতে সীমাবদ্ধ, কিন্তু এখন সাধারণ মানুষও তথ্য প্রচারে অংশ নিচ্ছে। নাগরিক সাংবাদিকতার এই উত্থান সংবাদকে আরও গতিশীল করেছে, তবে একই সঙ্গে নির্ভরযোগ্যতার প্রশ্নও তৈরি করেছে।

মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের বৃদ্ধি সাংবাদিকতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। টেক্সটের পাশাপাশি ভিডিও, অডিও ও ভিজ্যুয়াল উপাদানের সমন্বয়ে সংবাদ এখন আরও জীবন্ত ও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে। ফলে পাঠক শুধু তথ্য গ্রহণই করছে না, বরং একটি অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে সংবাদকে উপলব্ধি করছে।

ভবিষ্যতের দিগন্ত আরও প্রযুক্তিনির্ভর। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডেটা বিশ্লেষণ এবং স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার সাংবাদিকতাকে আরও দ্রুত ও কার্যকর করে তুলবে। ব্যক্তিকেন্দ্রিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে পাঠকের পছন্দ অনুযায়ী কনটেন্ট পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। একই সঙ্গে ভার্চুয়াল ও অগমেন্টেড প্রযুক্তির মাধ্যমে সংবাদ উপস্থাপনায় নতুনত্ব আসবে। তবে এই উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পাশাপাশি দায়িত্বশীলতার প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবর্তনের ধারাকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে হলে নৈতিকতা, সত্যতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখা অপরিহার্য। অন্যথায় এই অগ্রগতি তার উদ্দেশ্য হারাতে পারে। পরিবর্তনের এই ধারা সাংবাদিকতাকে এক নতুন সম্ভাবনার দিকে নিয়ে যাচ্ছে, যেখানে প্রযুক্তি ও দায়িত্বশীলতার সমন্বয়ই ভবিষ্যতের দিগন্ত নির্ধারণ করবে। অনলাইন সাংবাদিকতা ভবিষ্যতে “আরও একটু এগোবে” এভাবে বলা কম হয়ে যাবে; বরং এটি তথ্যপ্রবাহের প্রধান ভিত্তি হয়ে উঠবে। তবে এই অগ্রগতি একদিকে দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে, অন্যদিকে কিছু সীমাবদ্ধতাও থাকবে।

প্রথমত, প্রযুক্তির কারণে অনলাইন সাংবাদিকতা অনেক দূর এগোবে। অৎঃরভরপরধষ ওহঃবষষরমবহপব ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবাদ লেখা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং ফ্যাক্ট-চেকিং আরও উন্নত হবে। এতে সংবাদ তৈরি হবে দ্রত, কিন্তু একই সঙ্গে আরও ডেটাভিত্তিক ও নির্ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

দ্বিতীয়ত, ব্যক্তিকেন্দ্রিক সংবাদ (ঢ়বৎংড়হধষরুবফ হবংি) ভবিষ্যতের বড় বৈশিষ্ট্য হবে। পাঠকের আগ্রহ, অভ্যাস ও আচরণের ওপর ভিত্তি করে তাকে নির্দিষ্ট ধরনের খবর দেখানো হবে। ফলে প্রত্যেকের জন্য সংবাদ অভিজ্ঞতা আলাদা হয়ে উঠবে।

তৃতীয়ত, সংবাদ উপস্থাপনায় বড় পরিবর্তন আসবে। যা ইতোমধ্যেই আমরা খেয়াল করছি ঠরৎঃঁধষ জবধষরঃু ও অঁমসবহঃবফ জবধষরঃু ব্যবহার করে পাঠক শুধু খবর পড়বে না, বরং “ঘটনার ভেতরে” প্রবেশ করার মতো অভিজ্ঞতা পাবে। এটি সাংবাদিকতাকে আরও ইন্টারঅ্যাকটিভ করে তুলবে।

চতুর্থত, স্বাধীন সাংবাদিকতা আরও শক্তিশালী হবে। বড় মিডিয়ার বাইরে ব্যক্তিগত প্ল্যাটফর্ম, ইউটিউব বা নিউজলেটারের মাধ্যমে অনেক সাংবাদিক সরাসরি দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারবেন।

তবে অগ্রগতির পাশাপাশি বাস্তব সীমা আছে। ভুয়া খবর, অ্যালগরিদমের প্রভাব, এবং আয়ের অনিশ্চয়তা যদি নিয়ন্ত্রণে না আসে, তাহলে এই অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে। দ্রততার চাপে যদি নির্ভরযোগ্যতা কমে যায়, তাহলে মানুষ আবার বিশ্বস্ত উৎসের দিকে ঝুঁকবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধরুন বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী, অথবা অন্যান্য মন্ত্রী, কিংবা আলেম, ইমামসহ প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিদের নিয়ে যেভাবে মিথ্যা অপপ্রচার, রিলস, কন্টেন বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোষ্ট দিয়ে মানহানি করা হচ্ছে। এটিও ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

সবশেষে বলা যায়, অনলাইন সাংবাদিকতা ভবিষ্যতে খুবই এগোবে কিন্তু এর প্রকৃত সফলতা নির্ভর করবে একটি ভারসাম্যের ওপর: গতি বনাম সত্যতা, প্রযুক্তি বনাম নৈতিকতা। এই ভারসাম্য বজায় রাখতে পারলেই এটি আগামী দিনের সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রভাবশালী গণমাধ্যমে পরিণত হবে। অনলাইন সাংবাদিকতা এক চলমান পরিবর্তনের ধারায় বিকশিত হচ্ছে। প্রযুক্তির উন্নয়ন এর ভবিষ্যৎকে আরও সম্ভাবনাময় করে তুললেও এর সফলতা নির্ভর করবে দায়িত্বশীলতা, নৈতিকতা এবং সঠিক তথ্য পরিবেশনের ওপর। সঠিক দিকনির্দেশনা ও সচেতনতার মাধ্যমে অনলাইন সাংবাদিকতা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে।

লেখক: শফিকুল ইসলাম খোকন, বাংলাদেশের উপকূলের অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক। তিনি উপকূল অঞ্চলের মানুষ, প্রকৃতি ও পেশাজীবিদের অধিকার এবং সুরক্ষা নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানাল ‘দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ’​আইবিএন নিউজ ডেস্ক: জাত...
06/17/2026

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানাল ‘দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ’

​আইবিএন নিউজ ডেস্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) সভাপতি পদে বাংলাদেশ নির্বাচিত হওয়ায় এই ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সাফল্যকে স্বাগত জানিয়ে অভিনন্দন প্রকাশ করেছে ‘দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ’।

সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসা এবং সদস্য সচিব এমএ রউফ এক যৌথ বিবৃতিতে এই অনন্য অর্জনে ​বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়া সমগ্র জাতির জন্য দ্বিতীয়বারের মতো এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক অর্জন। এই অনন্য সাফল্য আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান মর্যাদা, কূটনৈতিক দক্ষতা এবং বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতার এক উজ্জ্বল স্বীকৃতি।

​উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ প্রথমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই মর্যাদাপূর্ণ পদে নির্বাচিত হয়ে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছিল।

​‘দেশবন্ধু’ রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদের শীর্ষ নেতারা উল্লেখ করেন, এই বৈশ্বিক অর্জন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। বরং এটি দীর্ঘদিনের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা, দক্ষ ও দূরদর্শী কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং জাতীয় স্বার্থকে বৈশ্বিক মঞ্চে সঠিকভাবে অগ্রাধিকার দেওয়ার সুফল।

​তারা আরও বলেন, বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতিতে জাতিসংঘের মতো সর্বোচ্চ ফোরামে বাংলাদেশের এই নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ বিশ্বমঞ্চে আমাদের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ়, শক্তিশালী ও উচ্চ মর্যাদায় আসীন করবে।

​বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসা ও এমএ রউফ বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক ও গৌরবময় সাফল্যের জন্য রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট সকল কূটনীতিক, নীতিনির্ধারক এবং শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানান। একই সাথে তারা আশা প্রকাশ করেন, এই অর্জনের ধারা বজায় রেখে আগামী দিনেও বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি ও বৈশ্বিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাবে।

প্রবাসীদের লাগেজ চুরি রোধে বিমানবন্দরে লাইভ সিসিটিভি চালুর দাবি​আইবিএন নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো...
06/17/2026

প্রবাসীদের লাগেজ চুরি রোধে বিমানবন্দরে লাইভ সিসিটিভি চালুর দাবি

​আইবিএন নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে প্রবাসীদের লাগেজ চুরি, মালামাল কাটা ও হয়রানি বন্ধে অবিলম্বে ‘লাইভ অনলাইন সিসিটিভি ক্যামেরা’ চালুর দাবি জানিয়েছে ‘দেশবন্ধু রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংসদ’। সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসা এবং সদস্য সচিব এমএ রউফ এক যৌথ বিবৃতিতে সরকারের কাছে এই দাবি জানান।

​বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, বিশ্বের ১৯৫টি দেশে অবস্থানরত প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের এই সংগঠনের কাছে সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দর থেকে একের পর এক উদ্বেগজনক অভিযোগ আসছে। বিদেশ থেকে আসা এবং যাওয়ার সময় প্রবাসীদের লাগেজ কাটা হচ্ছে, মালামাল হারিয়ে যাচ্ছে এবং মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির ঘটনা ঘটছে।
​সংগঠনের নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। অথচ দেশে ফেরার পর বিমানবন্দরে তাদের লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বা মালামাল হারিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও অপমানজনক।" ​লাইভ সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থার প্রস্তাব ​এই পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে নেতৃদ্বয় বিমানবন্দরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর জোর দেন। তারা বলেন: ​বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর অনেক বিমানবন্দর, বন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় লাইভ অনলাইন পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। ​বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোর লাগেজ হ্যান্ডলিং, স্ক্যানিং, বেল্ট এরিয়া এবং মালামাল সংরক্ষণ এলাকায় উচ্চমানের সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। ​এই ক্যামেরাগুলোর ফিড অনলাইনের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের (লাইভ মনিটরিং) ব্যবস্থা করা উচিত।

​অ্যাডভোকেট এএনএম ঈসা ও এমএ রউফ আরও উল্লেখ করেন, বিমানবন্দরে লাইভ ক্যামেরা ব্যবস্থা চালু করা হলে বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে প্রবাসীরা তাদের লাগেজ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম সরাসরি পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। এর ফলে:
১. লাগেজ ব্যবস্থাপনায় শতভাগ স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে।
২. চুরি, জালিয়াতি ও দুর্নীতির সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হবে।
৩. বিমানবন্দরে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।

​বিবৃতিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, বিমানবন্দরে প্রবাসীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। লাগেজ চুরি ও দুর্ভোগ বন্ধে আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

​নেতৃদ্বয় পরিশেষে বলেন, "প্রবাসীদের জীবন, সম্মান ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বিমানবন্দরে স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে প্রবাসীদের আস্থা বাড়বে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।" তারা অবিলম্বে এই দাবি বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

Address

25-52, 38Th Street, Suite#3-D
Astoria, NY
11103

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IBN News BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share