08/31/2026
মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনায় খলিলুল্লাহ, আওলাদে মোস্তফা, খলিফায়ে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর স্মরণে এশায়াত সেমিনার এবং কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ৩ টা হতে রাউজান উপজেলা পরিষদ হল রুমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ও মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটি বাংলাদেশ এর মহাসচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এশায়াত সেমিনার এবং কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস,এম রাহাতুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. জালাল আহমদ, রাউজান-রাঙ্গুনিয়া সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, পিপিএম, রাউজান সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংচিং মারমা, রাউজান থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম, রাউজান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুর নবী| বক্তব্য রাখেন মুহাম্মদ রাশেদ হায়দার মহিউদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ ফোরকান, মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানি ফয়সাল।
সেমিনারে বক্তরা বলেন, ইলম অর্জন যেমন জরুরী সে অনুযায়ী আমল করাও জরুরী। এলমে জাহের যেমন জরুরী তেমনি জ্ঞানের পরিপূর্ণ স্বাদ আহরণের জন্য এলমে বাতেন অপরিহার্য| পৃথিবীতে যারা এই দুই জ্ঞানের গভীরে গিয়ে জীবনের সমৃদ্ধি অর্জন করেছেন তারা একদিকে যেমন কালশ্রেষ্ঠ হয়েছেন অন্যদিকে ইতিহাস খ্যাত হয়েছেন| তেমনি একজন যুগশ্রেষ্ঠ কিংবদন্তী হলেন কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবার শরীফের প্রতিষ্ঠাতা খলিলুল্লাহ আওলাদে মোস্তফা খলিফায়ে রাসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। এই মহান ব্যক্তিত্ব নিজে যেমন এলমে জাহেরের অফুরন্ত ভান্ডার ছিলেন তেমনি এলমে বাতেনের সুউচ্চ মকামে উপবিষ্ট হয়েছেন। শুধু তাই নয় এলমে জাহের বিতরণের জন্য কাগতিয়া এশাতুল উলুম কামিল এম.এ মাদরাসার বানিয়ে লাসানিতে পরিণত হয়েছেন| উনার সংস্পর্শে এসে কাগতিয়া মাদরাসা আজ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত| দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ, আধুনিক মানের কম্পিউটার ল্যাব, সুবিশাল অবকাঠামো, উন্নত হোস্টেল সুবিধা সর্বোপরি অধ্যক্ষ মহোদয়ের সুদক্ষ পরিচালনায় এ মাদরাসাকে করেছে সবদিক থেকে অনন্য| সুশিক্ষা প্রসারের জন্য চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদে স্থাপন করা হয়েছে কাগতিয়া কামিল এম.এ মাদরাসার মহানগর ক্যাম্পাস| হযরত শায়খ ছয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু'র রেখে যাওয়া মাদরাসাকে আজ তারই একমাত্র প্রতিনিধি মাননীয় মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী পরিপূর্ণ আমানতদারীতা এবং আন্তরিকতার সাথে আঞ্জাম দিয়ে যাচ্ছেন প্রতি বছর এ মাদরাসার ঈর্ষনীয় সাফল্য তারই প্রমান বহন করে। এ মাদরাসায় আসলে একদিকে যেমন এলমে জাহের অর্জন করা যায় অপরদিকে এলমে বাতেনের অমিয় সুধা আহরণের রয়েছে অপূর্ব সুযোগ, মাশাআল্লাহ|
অতিথিরা কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করেন।
মিলাদ কিয়াম শেষে দেশের উন্নতি ও অগ্রগতি এবং দরবারের প্রতিষ্ঠাতা খলিফায়ে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত শায়খ ছয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু তা'আলা আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়।