03/20/2026
আজকের আপডেট
ইসরাইলের হামলা: ইসরাইল ইরানের তেহরানসহ মধ্যাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের ১৩০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। এর মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, ড্রোন ঘাঁটি এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ক্যাসপিয়ান সাগর সংলগ্ন নেভাল এসেটস অন্তর্ভুক্ত।
ইরানের পাল্টা জবাব: ইরানও ইসরাইলের প্রধান শহরগুলোতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। বিশেষ করে হাইফার তেল শোধনাগারে আঘাত হেনে ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহের অর্ধেক অচল করে দেওয়ার দাবি করেছে তারা।
আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভাব: যুদ্ধ এখন কেবল দুই দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ইরান কুয়েত, সৌদি আরব এবং কাতারের (রাস লাফান) জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে। এর ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের (ব্রেন্ট ক্রুড) দাম ব্যারেলপ্রতি ১১৫ ডলারে পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব: ট্রাম্প প্রশাসন ইরানে হামলার কথা বললেও, জ্বালানি অবকাঠামোতে আঘাতের বিষয়ে ইসরাইলকে সতর্ক করছে। সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে কৌশলগত সমন্বয়হীনতা প্রকাশ পেয়েছে।
প্রক্সি যুদ্ধ ও নতুন সমীকরণ: লেবানন, ইরাক ও ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর সক্রিয়তায় একটি 'মাল্টি-ফ্রন্ট ওয়ার' বা বহুমুখী যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এছাড়া ভূমধ্যসাগরে ইসরাইলের একটি অত্যাধুনিক AWACS বিমান ভূপাতিত হওয়ার অপুষ্ট সংবাদ ইসরাইলের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।