Tita Bhai

Tita Bhai এটা "Tita Bhai" এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ।সকলে লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার করে পাশে থাকুন।সকলের ভালবাসা ও দোয়া নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।

পৃথিবীতে মানুষের সবচেয়ে বড় আদালত হচ্ছে তার বিবেক।তাই আমার বিবেক যা বলে আমি তাই করি।কারো কথা শুনি নাহ।আমি আপনাদের মত সুশীল হতে পারবো নাহ।কারন এই কথিত সুশীলরাই আজকের এই সমাজ নষ্টের জন্য দায়ী।তাই আসুন ভাল মানুষ হয়ে যাই বা ভাল মানুষ হওয়ার চেষ্টা করি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কটুক্তি করায় কিছুদিন আগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দীন। গ্রেপ্তারের পর তাকে...
09/17/2026

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে কটুক্তি করায় কিছুদিন আগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দীন। গ্রেপ্তারের পর তাকে রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ডে পুলিশ তার সাথে কি এমন করলো যে সে এখন আইসিইউতে সংকটাপন্ন অবস্থায় ভর্তি আছে!

উনাকে রিমান্ডের নেওয়ার পর এখন তার কোমর থেকে পা পর্যন্ত প্যারালাইজড করে দেওয়া হয়েছে। ৩০-৪০ টা ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে,এবং কি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে সেটাও জানায়নি কতৃপক্ষ। ওনার অবস্থা এখন এতোটাই সংকটাপন্ন যে আরকিছুদিন জেলে থাকলে হয়তো মারাই যেত সে।

তাই, জেলে যেন মারা না যায় সেজন্যই হয়তো হাইকোর্ট অবশেষে তার জামিন দিয়ছে,যেন সরকারের ওপর মৃত্যুর দায় না আসে। অথচ জেলে যাওয়ার আগে একেবারেই সুস্থ ও সবল ছিলো গাজী সালাউদ্দীন। রিমান্ডে নেওয়ার পর থেকেই তার সাথে কি এমন করলো সরকার? কি ইনিজেকশন দিলো তাকে?

এই ঘটনা একেবারের হাসিনার জাহেলিয়াতের সামিল। স্বয়ং তারেক রহমানকে এভাবে রিমান্ডে নিয়ে ঝুলিয়ে পিটিয়ে তার মেরুদন্ডের হাড় ভেঙে দিয়েছিলো হাসিনার বাহিনী। অথচ তারেক রহমানের সরকার এখন একই কাজ বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ওপর করছে,তাও আবার গুরুতর কোন অপরাধ ছাড়াই।

এনসিপির ওপর সরকারের এতোই রাগ যে একটা সুস্থ সবল মানুষকে তুচ্ছ বিষয়ের কারনে রিমান্ডে নিয়ে প্যারালাইজড বানিয়ে দিলো? সরকার হয়তো সিদ্ধান্ত নিয়েছে এভাবেই কোনভাবে আসিফ মাহমুদকেও জেলে ভরয়ে পারলে আসিফকেও সারাজীবনের জন্য প্যারালাইজড বানিয়ে দিবে!

হায়রে বাকস্বাধীনতা,হায়রে ক্ষমতা! তারেক রহমানের সরকার অল্পকিছুদিনের মধ্যেই এতোটা প্রতিশোধপরায় ও আক্রমনাত্মক হবে ভাবতেও পারছিনা।

এই বিচার এখন কোথাও পাবো আমরা? কটুক্তি করার দায়ে একটা সুস্থসবল মানুষকে রিমান্ডে নিয়ে কি এমন করলে? মানুষটাকে প্যারালাইজড বানিয়ে দিলেন? এটাই কি বাকস্বাধীনতার ফল?
#বিএনপি #বাংলাদেশ #রাজনীতি

ইলিয়াস হোসাইন একটা জিনিস রে ভাই।ট্রলিং এর উপর পিএইচডি নিয়া রাখছে।-ইলিয়াস হোসাইন একদিন ঘুরতে বের হলে হঠাৎ তিনি দেখতে পান ...
09/17/2026

ইলিয়াস হোসাইন একটা জিনিস রে ভাই।
ট্রলিং এর উপর পিএইচডি নিয়া রাখছে।

-ইলিয়াস হোসাইন একদিন ঘুরতে বের হলে হঠাৎ তিনি দেখতে পান তার পাশে এক লোক তাকে ইংগিত করে এমনি মোবাইল কানে লাগিয়ে রা'জা'কারের ছেলে হেন-তেন বলে গা'লা'গা'লি করতেছিল।

তখন ইলিয়াস হোসাইন সেইম ভাবে তার পকেট থেকে মোবাইল বের করে কানে লাগিয়ে বলতেছিল,

-হ্যালো আব্বা যু'দ্ধের সময় তুমি আর আমি মিলে যে মহিলাকে পাকিস্তানি ক্যাম্পে দিয়ে আসছিলাম সেই মহিলার ছেলেকে পাইছি।
আমার পাশেই রা'জা'কার বলে চিল্লাইতেছে।

ইলিয়াস হোসাইনের এই শব্দ বো'মা শুনে মান-সম্মান নিয়ে বেচারা পালাইছে।
#সাংবাদিক_ইলিয়াস_হোসাইন #ভাইরাল #বাংলাদেশ

🎬 অভিনেতা নাসির খান — খলনায়ক চরিত্রের এক শক্তিমান নামবাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এমন কিছু অভিনেতা আছেন, যারা নায়ক না ...
09/17/2026

🎬 অভিনেতা নাসির খান — খলনায়ক চরিত্রের এক শক্তিমান নাম
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এমন কিছু অভিনেতা আছেন, যারা নায়ক না হয়েও দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। নাসির খান ছিলেন তেমনই একজন শক্তিমান অভিনেতা। বিশেষ করে খলচরিত্রে তাঁর স্বতন্ত্র অভিনয়, গম্ভীর কণ্ঠ ও অভিব্যক্তি তাঁকে নব্বইয়ের দশকের দর্শকদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত করে তুলেছিল। �
Prothom Alo +1
নাসির খানের জন্ম ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৫৯ সালে, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায়। পড়াশোনা করেন জগন্নাথ কলেজে এবং ছাত্রজীবন থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কলেজের ছাত্র সংসদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে মঞ্চ থেকে চলচ্চিত্রে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। �
Jagonews24
তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে ‘চোর’-এর নাম উল্লেখ করা হয়। এরপর একের পর এক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। প্রায় ২৭ বছরের অভিনয়জীবনে তিনি পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন বলে প্রথম আলো জানিয়েছে। �
Prothom Alo +1
**‘বেদের মেয়ে জোছনা’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘বিক্ষোভ’, ‘এই ঘর এই সংসার’, ‘দেনমোহর’, ‘স্বপ্নের নায়ক’, ‘ভণ্ড’**সহ অসংখ্য চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মনে দাগ কেটেছে। তাঁর কিছু সংলাপও সে সময় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়েছিল। �
Prothom Alo +1
পর্দায় তাঁকে কঠোর ও ভয়ংকর খলনায়ক হিসেবে দেখা গেলেও পরিবার ও সহকর্মীদের বর্ণনায় বাস্তব জীবনে নাসির খান ছিলেন সহজ-সরল ও আন্তরিক মানুষ। স্ত্রী মেহেরুন্নেসা স্বপ্না ও তিন কন্যাকে নিয়ে ছিল তাঁর পারিবারিক জীবন। �
Prothom Alo +1
দুঃখজনকভাবে মাত্র ৪৭ বছর বয়সে ১২ জানুয়ারি ২০০৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন এই জনপ্রিয় অভিনেতা। তাঁর মৃত্যুর সময় দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে মৃত্যুসংবাদটি সেভাবে প্রচার পায়নি বলেও প্রথম আলো উল্লেখ করেছে। �
Prothom Alo +1
আজও পুরোনো বাংলা সিনেমার দর্শকদের কাছে নাসির খান মানেই দাপুটে অভিনয়, শক্তিশালী উপস্থিতি আর স্মরণীয় খলচরিত্র। বাংলা চলচ্চিত্রে তাঁর অবদান তাঁকে দর্শকের স্মৃতিতে বাঁচিয়ে রেখেছে। ❤️
শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি প্রয়াত অভিনেতা নাসির খানকে। 🖤
#নাসিরখান #অভিনেতানাসিরখান #বাংলাচলচ্চিত্র #ঢালিউড #খলনায়ক #বাংলাসিনেমা #পুরোনোবাংলাসিনেমা

ওরেহ...!পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির স্যার সাংবাদিকদের যে ধোলাইটা দিছেন, ওফ! একদম সেই....!! মানেহ, দালালি করতে করতে এ...
09/17/2026

ওরেহ...!পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির স্যার সাংবাদিকদের যে ধোলাইটা দিছেন, ওফ! একদম সেই....!! মানেহ, দালালি করতে করতে এরা নিজের দেশের ডাল-ভর্তার কথা ভুইলাই গেছে...🤷🏽‍♀️

ঘটনা হইলো, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যাচ্ছেন আমেরিকা জাতিসংঘের অধিবেশনে। সেখানে কত বড় বড় বিশ্বনেতারা থাকবেন, কত আন্তর্জাতিক ইস্যু আছে। আর এখানে একদল মানুষ এখনো 'ই- ন্ডিয়া ই- ন্ডিয়া' কইরা জিকির করতেছে..... আমেরিকায় গিয়া ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সাথে
সাইডলাইনে দেখা হবে কি না! বৈঠক হবে কি না...! গোলামির চেইনটা এমনভাবে গলায় বসছে, ওটা ছাড়া এরা নিজেদের স্বাধীন ভাবতেই পারে না। মানে নিজের বিয়া ভাঙার জোগাড়, কিন্তু পাশের বাসার ভাবীর সাথে দেখা হবে কি না, সেটা নিয়া এদের ঘুম নাই!

তবে, স্যার এক্কেবারে মুখের উপর বইলা দিছেন ব্রেকফাস্টে ইন্ডিয়া, লাঞ্চে ইন্ডিয়া, ডিনারে ইন্ডিয়া তাহলে নিজের খাবার কখন খাইবেন?
আরে ভাই, ভারত কি আপনাদের শ্বশুরবাড়ি যে সারাদিন জামাই আদরের জন্য কান্নাকাটি করেন? গত ১৫ বছর ধইরা যে একতরফা 'ক্রাশ' খেয়ে দেশের বারোটা বাজাইছেন, সেই দিন শেষ। এখন সম্পর্ক হবে সমানে-সমানে, সম্মানের সাথে।

জাতিসংঘের মতো এত বড় ইন্টারন্যাশনাল প্ল্যাটফর্মে যাচ্ছি নিজের দেশের কথা বলতে, সেখানেও যদি সাইডলাইনে কারে পাওয়া যাবে সেই খোঁজে থাকি, তাইলে কেমনে কী!
সো, ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ আর ডিনারের মেন্যু থেইকা ইন্ডিয়ান মশলা কমান। নিজের দেশের আলুভর্তা আর ডাল দিয়া ভাত খাওয়া শেখেন। দেশটা বাংলাদেশের, ভারতের না!🇧🇩

#সবার_আগে_বাংলাদেশ

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রকিবুলের একটি অডিও ফাঁস হয়েছে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এই ধরনের পুলিশ দিয়ে আওয়ামী লীগের মিছিল ব...
09/17/2026

ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি রকিবুলের একটি অডিও ফাঁস হয়েছে। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এই ধরনের পুলিশ দিয়ে আওয়ামী লীগের মিছিল বিএনপি ঠেকাতে পারবে না।

বিগত আওয়ামী লীগের ১৭ বছরে একটি প্রাইমারি স্কুলের পিয়নও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—তার ফ্যামিলি ব্যাকগ্রাউন্ড আওয়ামী লীগের কি না, সেটাও দেখে। আমরা প্রত্যেকেই জানি, গত ১৭ বছরে কতটা আওয়ামী পরিবার থেকে পুলিশে নিয়োগ হয়েছে।

এদের দিয়ে আওয়ামী লীগের মিছিল-মিটিং থামাবেন? সম্ভব?

বরং এমনও হতে পারে—আওয়ামী লীগ সামান্য সুযোগ পেলেই দেখবেন, এই পুলিশই সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে পড়বে।

আওয়ামী লীগের সেদিনের ঢাকার মিছিল দেখেননি? ঠেকাতে পেরেছে? পারবে কীভাবে ভাই—পুলিশে যদি এমন ‘লীগার’ বসে থাকে!

বিগত ১৭ বছরে পুলিশে বিএনপির ১ হাজার জনও টিকে ছিল কি না, তা নিয়েও সন্দেহ আছে। এভাবে রন্ধ্রে রন্ধ্রে ‘লীগার’ বসিয়ে আওয়ামী লীগ ঠেকাবেন?

#বাংলাদেশ_পুলিশ #ভাইরাল #রাজনীতি #বাংলাদেশ

তারেক রহমান ভারতের দাদাগিরি প্রত্যাক্ষান করতে গিয়ে এক মরণখেলায় নেমেছে তাই তাকে একা নয় বরং দলমতের উর্ধে উঠে তাকে সাপোর্ট...
09/17/2026

তারেক রহমান ভারতের দাদাগিরি প্রত্যাক্ষান করতে গিয়ে এক মরণখেলায় নেমেছে তাই তাকে একা নয় বরং দলমতের উর্ধে উঠে তাকে সাপোর্ট দিয়ে তার সাহস কে দ্বিগুন করুন। কারন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের সম্মান রক্ষার এক কঠিন খেলায় অংশ নিয়েছেন পিএম তারেক।

ব্রিকস সম্মেলনে মোদির আমন্ত্রণ প্রত্যাক্ষান করে ভারত না যাওয়ার ঘোষণা ইতিমধ্যে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এটা সহজ সিদ্ধান্ত ছিলো না। ফলে মোদির সব থেকে কাছের বন্ধু আদানি, যার থেকে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ কিনেছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা ডাবল দামে; সে চুক্তিও রিভিও করার ওরা ক্ষেপে গিয়ে কোম্পানির যান্ত্রিক ত্রুটি দেখিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে; যার কারনে দেশে লোড়শেড়িং হচ্ছে,..

এটাতে বাংলাদেশের আরো বিদ্যুৎ সংকট প্রকট হবে। মোদি খুব ভালো করেই জানে বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষ এই বিদ্যুৎ নিয়ে বেশি সমস্যায় আছে। সমস্যার মধ্যে সমস্যা তৈরি করে জনাব তারেক রহমানকে চাপে রাখতে চাইছে মোদি।

অন্যদিকে সংসদে দাড়িয়ে জনাব তারেক রহমান বলেছে বিগত ১২ বছর পাশের দেশকে সুবিধা দিতে বিগত সরকার বঙ্গোপসাগর থেকে কোন গ্যাস উত্তলন করেনি সরকার। বর্তমান বিএনপি সরকার অলরেডি গ্যাস উত্তলনের প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। এটাও ভারতের জন্য থ্রেট। এটাও মোদি সরকার খুব সহজ ভাবে নিচ্ছে না।

ফলে আবার সেই মোদির অস্ত্র আদানিকে ব্যবহার করছে মোদি সরকার। এসব জনগণ জানে না। এসব জানানোর দায়িত্ব ছিলে পিএম এর প্রেস সচিবদের।

গতকাল সেলুনে চুল কাটাতে গেছি। আমাকে চিনে না। সকলে বর্তমান সরকারের গুনগান গাচ্ছিল। সবার একটাই কথা বর্তমান সরকার ভালো কাজ করছে। কিন্তু জনগণ আসল খবর সম্পর্কে জানে না। যদি জনগণ নিউজ গুলো জানতো তাহলে এই সরকারকে জনগণ কখনোই গালি দিতো না। মানুষ জানতে চায় কি হচ্ছে দেশে।

ঋণখেলাপী নিয়ে হাসিনার মিথ্যাচার এবং নামে বেনামে ঋণখেলাপীর তালিকা মানুষের সামনে তুলে ধরা উচিত ছিলো। বর্তমানে কেন গ্যাস সংকট হচ্ছে এটা মানুষের সামনে তুলে ধরা উচিত ছিলো। কিন্তু হচ্ছে না।

এসব নিউজ জনগণের জানার অধিকার আছে। এসব নিউজ জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব সরকারেরই। জনমত ঠিক রাখতে সরকারের উচিত অন্তত প্রতিদিন কাউকে না কাউকে দিয়ে প্রেস মিটিং করে প্রতিদিন'কার খবর মানুষের সামনে তুলে ধরা।

তাহলে বিদ্যুৎ, গ্যাস নিয়ে মানুষের ক্ষোভ থাকবে না, ইন শা আল্লাহ্। বাংলাদেশের স্বার্থে বাংলাদেশের জনগণ যে কোন কষ্ট সহ্য করে জনাব তারেক রহমানের পাশে থাকবে ইন শা আল্লাহ্।
#বাংলাদেশ #রাজনীতি #তারেক_রহমান #বিএনপি

মেয়ে বিয়ে দেওয়ার সময় বাবারা কেন শিবিরের ছেলে খোজে জানেন? এই যে ধরেন মহিউদ্দিন খান ঢাবির শিবির সভাপতি। ২০১৮-১৯ সেশনের...
09/17/2026

মেয়ে বিয়ে দেওয়ার সময় বাবারা কেন শিবিরের ছেলে খোজে জানেন? এই যে ধরেন মহিউদ্দিন খান ঢাবির শিবির সভাপতি। ২০১৮-১৯ সেশনের ছাত্র। অনার্সে Out of 4 এর ভিতরে 3.93 পেয়েছিল। মাস্টার্সে Out of 4 এর ভিতরে 4 পেয়েছে। ঢাবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছে।কোন সেশন গ্যাপ ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়েই অনার্স মাস্টার্স শেষ করেছেন।

অন্যদিকে ছাত্র দলের ঢাবি সভাপতি গণেশ ২০১০-১১ সেশনের ছাত্র। অর্থাৎ ঢাবির শিবির সভাপতি মহিউদ্দিন খানের থেকেও ৮ বছরের বড় ঢাবির ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ। ১৬ বছরেও তার ছাত্র জীবন শেষ করতে পারেন নাই।গণেশের কৃতিত্বের ঝুলি এখনো জিরো।

একদিকে ঢাবি শিবির সভাপতি কৃতিত্বে স্বাক্ষর রাখার জন্য ভিসির কাছ থেকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন ।অন্যদিকে ঠিক সেই একই সময় ছাত্রদলের ঢাবি সভাপতি শিবিরের বিরুদ্ধে মিছিল করছেন। দলবল নিয়ে পাওয়ার পলিটিক্স এপ্লাই করছেন। এটাই হলো ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের ভিতর মেজর ডিফারেন্স।

তাহলে এইবার বলেন তো মেয়ে বিয়ে দেওয়ার সময় মেয়ের বাবারা কাকে খুঁজবে? শুধু তাই নয় মেয়ের বাবারা তাদের মেয়েকে টিউশন এর টিচার দেওয়ার জন্য শিবিরের ছেলে খোঁজ করে থাকেন। কারন কি জানেন? শিবিরের ছেলেরা নেশা করে না, পান বিড়ি-সিগারেট খাইনা ,ইভটিজিং করে না, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে।

আমি শিবিরের থানা সভাপতি থাকাকালীন আওয়ামী লীগের এক নেতা সম্পর্কে আমার নানা হয়। তার মেয়ের টিউশনির টিচার লাগবে এই জন্য আমার কাছে আসলেন। মেয়ে সামনে এসএসসি পরীক্ষা দিবে এজন্য শিবিরের ছেলেদের ভিতর থেকে একজন টিচার চাচ্ছেন।

আমি প্রশ্ন করলাম, নানা আপনার মেয়ের জন্য শিবিরের ছেলে টিচার খোঁজ করছেন কেন? ছাত্রলীগের অনেক ভাইরাই তো আছেন এলাকায়। তারা তো অনার্স মাস্টার্সের ছাত্র তাদেরকে খুঁজে নেন। তখন নানা বললেন, তোমাদের শিবিরের উপরে ডিপেন্ড করা যায় যে তোমরা আমার মেয়ের কোন ক্ষতি করবে না।

কিন্তু আমার দলের ছাত্রলীগের উপরে কোন ভরসা নাই। তারা মদ গাঁজা বিড়ি সিগারেট সহ নিশা জাতীয় সকল দ্রব্য সেবন করে। তাহলে বলো আমি একজন মেয়ে বাবা হয়ে কিভাবে নিজের মেয়েকে ছাত্রলীগের কাছে পড়াতে দিব?
#শিবির #ঢাবি #ভাইরাল #বাংলাদেশ #রাজনীতি #ছাত্র_শিবির #জামাত #ছাত্রদল

একজন মানুষ --যিনি প্রথমে ছিলেন ভারতের ঐক্যের পক্ষে, পরে হয়ে উঠলেন পাকিস্তান আন্দোলনের প্রধান নেতা!তিনি ছিলেন অসাধারণ মেধ...
09/17/2026

একজন মানুষ --যিনি প্রথমে ছিলেন ভারতের ঐক্যের পক্ষে, পরে হয়ে উঠলেন পাকিস্তান আন্দোলনের প্রধান নেতা!

তিনি ছিলেন অসাধারণ মেধাবী একজন ব্যারিস্টার। ব্যক্তিজীবনে ছিলেন অত্যন্ত পরিপাটি ও সংযত। আর ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে আজও ইতিহাসে রয়েছে নানা আলোচনা।

তিনি -মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্।

১৮৭৬ সালে করাচিতে জন্ম নেওয়া জিন্না ব্যারিস্টারি পড়তে লন্ডনে যান। দেশে ফিরে আইনজীবী হিসেবে দ্রুত পরিচিতি পান এবং রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।

রাজনীতির শুরুর দিকে জিন্না হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের পক্ষে ছিলেন। তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং মুসলিম লীগের সঙ্গেও কাজ করেন। ১৯১৬ সালের লখনৌ চুক্তিতে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে সমঝোতায় তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান বদলাতে থাকে।

গান্ধীর গণআন্দোলনের পদ্ধতি, কংগ্রেসের রাজনীতি এবং ভারতে মুসলমানদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁর সঙ্গে বড় ধরনের মতপার্থক্য তৈরি হয়।

ধীরে ধীরে তিনি মুসলিম লীগের প্রধান নেতা হয়ে ওঠেন। ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবের পর পৃথক মুসলিম রাষ্ট্রের দাবি আরও শক্তিশালী হয়।

শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগ হলো, জন্ম নিল পাকিস্তান। আর জিন্না হলেন নতুন রাষ্ট্রটির প্রথম গভর্নর জেনারেল।

তবে স্বাধীন পাকিস্তানের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় তিনি খুব বেশি সময় পাননি। মাত্র এক বছরের মাথায়, ১৯৪৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান।

ব্যক্তি জিন্না কেমন ছিলেন?

রাজনীতির বাইরে জিন্নাকে বলা যায় বেশ আলাদা ধরনের মানুষ। তিনি ছিলেন অত্যন্ত পরিপাটি পোশাকের জন্য পরিচিত। তাঁর জীবনযাপন ছিল নিয়ন্ত্রিত, সময়ের ব্যাপারে ছিলেন কঠোর এবং কথাবার্তায় ছিলেন সংক্ষিপ্ত যুক্তিনির্ভর।

তাঁর ব্যক্তিজীবনও ছিল ঘটনাবহুল।

প্রথম স্ত্রী এমিবাইয়ের পর তিনি ১৯১৮ সালে বিয়ে করেন রত্তনবাই পেটিটকে --এক পারসি পরিবারের তরুণীকে। রত্তনবাই ইসলাম গ্রহণ করে তাঁকে বিয়ে করেছিলেন। তাদের একটি মেয়ে ছিল -দীনা ওয়াদিয়া।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে জিন্না ও রত্তনবাইয়ের সম্পর্কে দূরত্ব তৈরি হয়। মাত্র ২৯ বছর বয়সে রত্তনবাই মারা যান।

জিন্নার ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে ইতিহাসে বিতর্ক রয়েছে।

তিনি খোজা মুসলিম পরিবারে জন্মেছিলেন। এই সম্প্রদায়ের ঐতিহাসিক সম্পর্ক ইসমাইলি ধারার সঙ্গে যুক্ত। পরবর্তী সময়ে জিন্না শিয়া ছিলেন নাকি সুন্নি -এ নিয়ে বিভিন্ন ঐতিহাসিক সূত্রে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।

তবে জিন্নার রাজনৈতিক বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে দেখা যায়—তিনি পাকিস্তানের মুসলমানদের রাজনৈতিক অধিকারকে সামনে রেখেছিলেন, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতার কথাও বলেছিলেন।

১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট পাকিস্তানের গণপরিষদে তাঁর বক্তব্যে তিনি এমন একটি রাষ্ট্রের কথা বলেন, যেখানে মানুষ নিজের ধর্ম পালন করতে স্বাধীন থাকবে এবং রাষ্ট্রীয় নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে ধর্মীয় পরিচয় বৈষম্যের ভিত্তি হবে না।

জিন্নাকে শুধু “পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা” বললে তাঁর পুরো গল্পটি বলা হয় না। অসমাপ্ত থেকে যায় ।

কারণ এই মানুষটির রাজনৈতিক পথ ছিল পরিবর্তনে ভরা, সোজা কথায় মসৃণ ছিল না। ঐক্যের রাজনীতি থেকে পৃথক রাষ্ট্রের দাবি।

ব্যক্তিজীবনে ছিল প্রেম, বিয়ে, পারিবারিক দূরত্ব ও একাকীত্ব।

আর ধর্মীয় জীবনে ছিল এমন কিছু পরিচয় ও প্রশ্ন, যেগুলো নিয়ে আজও ইতিহাসবিদদের মধ্যে আলোচনা আছে।

#জিন্নাহ

নাম দিয়েছেন—ডার্বি নাসির 🇧🇩একটু নড়েচড়ে বসেন তো! এই ডার্বি নাসির আপনি হতে পারেন কি না? 😇এই পোলা ডার্বি নাসির ঢাকা বিশ্ববি...
09/17/2026

নাম দিয়েছেন—ডার্বি নাসির 🇧🇩
একটু নড়েচড়ে বসেন তো! এই ডার্বি নাসির আপনি হতে পারেন কি না? 😇

এই পোলা ডার্বি নাসির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন।

শোনা যায়, জেল থেকে বের হয়ে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য মাত্র ১৫ দিনের মতো সময় পেয়েছিলেন। সেই অল্প সময়ের প্রস্তুতিতেই জায়গা করে নিয়েছিলেন টপ-২০ মেধাতালিকায়। অথচ টপ-২০-তে থেকেও তার মন খারাপের গল্প শুনেছিলাম—কারণ, তিনি প্রথম হতে পারেননি! 🙄

এই ডার্বি নাসির দারুননাজাত সিদ্দীকিয়া কামিল মাদ্রাসা থেকে আলিম (এইচএসসি সমমান) পাস করেছেন। পাশাপাশি ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল এবং কওমি মাদ্রাসা থেকেও উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের কথা জানা যায়।

আর লাগবে? 😏

এই ডার্বি নাসির ইরানের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির জানাজায় গিয়ে খাবার বিতরণ করেছিলেন—এমন কথাও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচলিত আছে।

এটাই সেই ডার্বি নাসির—যিনি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকা অবস্থায়, ২০২০ সালে, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি হত্যার প্রতিবাদে রাজু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান ও অনশন করেছিলেন। এ ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমেও তার তৎকালীন আন্দোলনের উল্লেখ পাওয়া যায়।

এই বেয়াদব পোলাডা চাকরি কিংবা নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে সবার আগে প্রতিবাদ করতে দেখা যায়—এমনটাই তার সমর্থকদের বক্তব্য।

এখন অনেকে বলতে পারেন—
“ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে বলে কি সে এত বড় হয়ে গেল?”

ভাই, এই কথাটার গুরুত্ব আপনি তখনই বুঝবেন, যখন আপনার পরিবারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পড়াশোনা করা কেউ থাকবে। ❤️

চাইলেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী হওয়া যায়—
কিন্তু এই ডার্বি নাসির হওয়া খুবই কঠিন! 😄

কারণ, এই একমাত্র ডার্বি নাসির—
যে কোনো দিন বিড়ি খায়নি! 😂😂

বলছিলাম না, রাজনীতি করে কুষ্টিয়ার এমপি আমীর হামজা। এই যাবত সবচেয়ে কড়া একটা ডেলিভারি দিয়েছেন এমপি হামজা। বিএনপির সংরক্ষিত...
09/17/2026

বলছিলাম না, রাজনীতি করে কুষ্টিয়ার এমপি আমীর হামজা। এই যাবত সবচেয়ে কড়া একটা ডেলিভারি দিয়েছেন এমপি হামজা। বিএনপির সংরক্ষিত নারী কোটার এমপি ফরিদা ইয়াসমিনকে উত্তম জবাবটাই না দিয়েছেন। বিএনপির সংরক্ষিত নারী কোটার এমপিদেরকে এইভাবেই অযাচিত হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রাখা লাগবে। এমপি হামজা থেকে শিখে নিন সবাই।

আমীর হামজার আসনে এমপিগিরি করতে গিয়েছে বিএনপির নারী কোটার এমপি ফরিদা ইয়াসমিন। এমপি হামজা তার উপরে ডাবল এমপিগিরি করেছে। ফরিদা ইয়াসমিনকে ক্লিয়ার কাট বলে দিয়েছেন যে, আমি কুষ্টিয়ার ১ লাখ ৮৩ হাজার জনগণের ভোট পেয়েছি। আপনার কোন ভোট নেই। সরকার আপনাকে এই আসনের দায়িত্ব দিলেও, সাংবিধানিকভাবে আপনার কোন গুরুত্ব নেই। আমার উপরে এমপিগিরি করার জন্য আপনাকে পাঠানোর কোন সিস্টেম এই রাষ্ট্রের নেই।

এমপি হামজার এই কড়া ডেলিভারির পরে মনে হয় না বিএনপির নারী কোটার এমপি আর কখনো কুষ্টিয়ায় গিয়ে এমপিগিরি দেখানোর সাহস দেখাবে। যার পাওয়ারের কোন সাংবিধানিক ভিত্তি নেই, সে কীভাবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এমপির আসনে গিয়ে পাওয়ার দেখাবে? এই প্রাসঙ্গিক আলাপটাই জামায়াতের এমপি আমীর হামজা এনেছেন। জামায়াতের অন্যান্য এমপিদের জন্য এটা শিক্ষণীয় বটে। এমপিগিরি কীভাবে করতে হয়, হামজার কাছ থেকে শিখা দরকার।

যাইহোক, আমীর হামজাকে প্রায় দুই লক্ষ মানুষ ভোট দিয়েছে, এটা আজকেই জানলাম। এমনিতেই আর হামজা সাহেব বলেনি, আগামী ৫ বছরের জন্য আমিই কুষ্টিয়ার প্রধানমন্ত্রী। যেহেতু, অধিকাংশ জনগণ তাঁকে পাওয়ার দেখানোর ম্যান্ডেট দিয়েছে, তাই এসব কথা বলার স্কোপ এমপি হামজার আছে। বলছিলাম, এমপি হামজা হবে জামায়াতের সবচেয়ে প্রভাবশালী এমপিদের একজন; তা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। তাঁর মধ্যে এমপিগিরি করার মতো সেই হিম্মত আছে; রাজনীতিও আছে। ন্যায়সঙ্গতভাবে হ্যাডম দেখানোর সাহস ও মানসিকতাও তাঁর মধ্যে দেখা যাচ্ছে। সো, গুড মুভ মুফতি আমীর হামজা এমপি।

✍️ লিখেছেনঃ জাহাঙ্গীর আলম (শিবিরের সাবেক নেতা)
#আমীর_হামজা #এমপি #রাজনীতি #বাংলাদেশ #কুষ্টিয়া #ভাইরাল

Address

Dhaka
Manhattan, NY

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tita Bhai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tita Bhai:

Shortcuts

Share