Wisdom Islamic TV

Wisdom Islamic TV Wisdom Islamic TV an online based Education & Dawha channel, USA.

A Sister Concern Of "Wisdom World Peace Foundation" (A Non-Profit Chariatble Organization, USA)
--------------------------------------------
আসসালামুয়ালাইকুম,
আমাদের পেইজ-এ স্বাগতম। "উইজডম ইসলামিক টিভি" একটি অরাজনৈতিক অনলাইন ভিত্তিক শিক্ষা এবং দাওয়াহ চ্যানেল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান 'উইজডম ওয়ার্ল্ড পিস ফাউন্ডেশন' কর্তৃক পরিচালিত। আমাদের লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী ইসলাম

ের বাণী ছড়িয়ে দেওয়া, সমাজের প্রচলিত অসঙ্গতি দূরীকরণে উৎসাহিত করণ এবং ইসলামের আলোকে সকলের জন্য অনুপ্রেরণামূলক বিষয়বস্তু তৈরির পাশাপাশি বিশ্বে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জনগণকে সচেতন ও শিক্ষিত করা।
--------------------------------------------
Assalamualaikum,
Welcome to our page. Wisdom Islamic TV is a non-political online education and dawah channel run by the 'Wisdom World Peace Foundation' a USA based non-profit charity. Our goal is to spread the message of Islam worldwide, to encourage the elimination of the prevailing inconsistencies in society and to create inspirational content for all in the light of Islam, as well as to make people aware and educated for the purpose of establishing peace and harmony in the world.
--------------------------------------------
السلام عليكم،
مرحبا بكم في صفحتنا. Wisdom Islamic TV هي قناة تعليمية غير سياسية عبر الإنترنت وتديرها مؤسسة Wisdom World Peace Foundation ، وهي مؤسسة خيرية غير ربحية مقرها الولايات المتحدة. هدفنا هو نشر رسالة الإسلام في جميع أنحاء العالم ، وتشجيع القضاء على التناقضات السائدة في المجتمع وخلق محتوى ملهم للجميع في ضوء الإسلام وكذلك توعية الناس وتثقيفهم لغرض إحلال السلام والوئام. في العالم.

📌 মসজিদে সালাত আদায়ের ফযীলত ও অসীম সওয়াবআল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সালাতের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য লাভের সুযোগ দিয়েছেন। আর...
05/13/2026

📌 মসজিদে সালাত আদায়ের ফযীলত ও অসীম সওয়াব

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সালাতের মাধ্যমে তাঁর নৈকট্য লাভের সুযোগ দিয়েছেন। আর মসজিদে জামাআতের সাথে সালাত আদায় করা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল। কিছু বিশেষ মসজিদে সালাত আদায়ের সওয়াব সাধারণ মসজিদের তুলনায় বহু গুণ বেশি।

মুসলিমদের উচিত সালাতের গুরুত্ব উপলব্ধি করা এবং মসজিদের সাথে নিজেদের সম্পর্ক দৃঢ় করা। 🕌

━━━━━━━━━━━━━━━

🕋 বিভিন্ন মসজিদে সালাতের সওয়াব

🔹 একাকী সালাত
➡️ ১ গুণ সওয়াব

🔹 জামাআতের সাথে সালাত
➡️ ২৭ গুণ বেশি সওয়াব

📖 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“জামাআতের সালাত একাকী সালাতের তুলনায় সাতাশ গুণ বেশি মর্যাদাপূর্ণ।”
📚 সহীহ বুখারী — ৬৪৫
📚 সহীহ মুসলিম — ৬৫০

━━━━━━━━━━━━━━━

🕋 মসজিদুল হারামে সালাতের মর্যাদা

মক্কার পবিত্র কাবাঘর সংলগ্ন মসজিদুল হারামে এক ওয়াক্ত সালাত আদায়ের সওয়াব অন্য যেকোনো স্থানের তুলনায় অনেক বেশি।

📖 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“আমার এই মসজিদ ছাড়া অন্য যেকোনো মসজিদে এক সালাতের তুলনায় মসজিদুল হারামে এক সালাত এক লক্ষ গুণ উত্তম।”

📚 মুসনাদ আহমাদ — ১৪৬৯৪
📚 ইবনে মাজাহ — ১৪০৬

➡️ ১,০০,০০০ গুণ সওয়াব

━━━━━━━━━━━━━━━

🕌 মসজিদে নববীতে সালাতের ফযীলত

মদিনার মসজিদে নববী মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান।

📖 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“আমার এই মসজিদে এক সালাত অন্য মসজিদের এক হাজার সালাতের চেয়ে উত্তম, তবে মসজিদুল হারাম ছাড়া।”

📚 সহীহ বুখারী — ১১৯০
📚 সহীহ মুসলিম — ১৩৯৪

➡️ ১,০০০ গুণ সওয়াব

━━━━━━━━━━━━━━━

🌿 মসজিদুল আকসায় সালাতের মর্যাদা

পবিত্র বায়তুল মুকাদ্দাস তথা মসজিদুল আকসা ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ।

📖 রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“মসজিদুল আকসায় এক সালাত পাঁচশত সালাতের সমান।”

📚 তাবারানী, সহীহ সূত্রে বর্ণিত
📚 সহীহুল জামে — ৩৮৭২

➡️ ৫০০ গুণ সওয়াব

━━━━━━━━━━━━━━━

🌸 মসজিদের পথে চলার ফযীলত

📖 আল্লাহ তাআলা বলেনঃ

﴿ إِنَّمَا يَعْمُرُ مَسَاجِدَ اللَّهِ مَنْ آمَنَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ ﴾

“আল্লাহর মসজিদগুলো তারাই আবাদ করে, যারা আল্লাহ ও আখিরাতের প্রতি ঈমান রাখে।”

📚 সূরা আত-তাওবা : ১৮

আর রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি পবিত্রতা অর্জন করে ফরজ সালাতের উদ্দেশ্যে মসজিদে যায়, তার প্রতিটি পদক্ষেপে একটি গুনাহ মাফ করা হয় এবং একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয়।”

📚 সহীহ মুসলিম — ৬৬৬

━━━━━━━━━━━━━━━

🤲 আমাদের করণীয়

✔️ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাআতের সাথে আদায় করা
✔️ সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই মসজিদমুখী করা
✔️ মসজিদের আদব রক্ষা করা
✔️ মসজিদকে কেবল সালাত নয়, দ্বীনের শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা

━━━━━━━━━━━━━━━

🌺 আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে মসজিদের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করার তাওফীক দান করুন এবং সালাতকে জীবনের সৌন্দর্য বানিয়ে দিন। আমীন। 🤍

📌রমাদ্বান মাসা ছাড়াও পাঁচ সময় আসমানের দরজাসমূহ খুলা হয়:🟥১. যোহরের আগেরাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:"সূর্য ঢলে পড়ার সময় আসমানের দর...
05/12/2026

📌রমাদ্বান মাসা ছাড়াও পাঁচ সময় আসমানের দরজাসমূহ খুলা হয়:

🟥১. যোহরের আগে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"সূর্য ঢলে পড়ার সময় আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং যোহরের সালাত আদায় করা পর্যন্ত তা বন্ধ হয় না। তাই আমি পছন্দ করি যে, এই সময়ে আমার কোনো নেক আমল উপরে উঠুক।" (সহীহুল জামে: ১৫৩২)

🟥২. প্রতিটি আযানের সময়
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যখন সালাতের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং দোয়া কবুল করা হয়।" (সহীহুত তারগীব: ২৬০)

🟥৩. দুই সালাতের মধ্যবর্তী অপেক্ষায় থাকা অবস্থায়
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো! তোমাদের রব আসমানের একটি দরজা খুলে দিয়েছেন এবং তোমাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সাথে গর্ব করে বলছেন— দেখ আমার বান্দাদের দিকে, তারা একটি ফরজ আদায় করেছে এবং পরবর্তী ফরজের জন্য অপেক্ষা করছে।" (সহীহুত তারগীব: ৪৪৫)

🟥৪. মধ্যরাতে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"অর্ধরাতে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং একজন ঘোষণাকারী ডাক দিয়ে বলেন: আছে কি কোনো সাহায্যপ্রার্থী যার দোয়া কবুল করা হবে? আছে কি কোনো যাচনাকারী যাকে দান করা হবে? আছে কি কোনো বিপদগ্রস্ত যার বিপদ দূর করা হবে? তখন এমন কোনো মুসলিম থাকে না যে দোয়া করে আর আল্লাহ তা কবুল করেন না; তবে ব্যভিচারিণী এবং অন্যায়ভাবে কর (ট্যাক্স) আদায়কারী ব্যতীত।" (সহীহুত তারগীব: ৭৮৬)

🟥৫. সালাতের শুরুতে আল্লাহর গুনগান বা সানা পাঠের সময় যখন কেউ বলে: 'আল্লাহু আকবার কাবিরা, ওয়ালহামদুলিল্লাহি কাসিরা, ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও ওয়া আসিলা'।

একদা আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে সালাত আদায় করছিলাম, তখন এক ব্যক্তি এই শব্দগুলো বলল। সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ ﷺ জিজ্ঞেস করলেন, "এই কথাগুলো কে বলেছে?" লোকটি বলল, "আমি, হে আল্লাহর রাসূল!" রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, "আমি অবাক হলাম, কারণ এই বাক্যগুলোর জন্য আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়েছে।" ইবনে ওমর (রা.) বলেন, "রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে এই কথা শোনার পর থেকে আমি কখনো এই দোয়াটি পাঠ করা ছাড়িনি।" (সহীহ মুসলিম: ৬০১)

05/11/2026

যাকাত ফরজ না হলেও কুরবানী ওয়াজিব হতে পারে।
কারণ যাকাত আর কুরবানীর নিসাবের নিয়ম একেবারে একই না।
যদি কুরবানীর দিনগুলোতে (১০, ১১, ১২ যিলহজ) আপনার কাছে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিসাব পরিমাণ সম্পদ থাকে, তাহলে কুরবানী ওয়াজিব হবে।
কুরবানীর জন্য—
সম্পদ এক বছর ধরে থাকা লাগে না
শুধু ওই দিনগুলোতে সাহেবে নিসাব হলেই যথেষ্ট
অন্যদিকে যাকাতের জন্য—
নিসাব পরিমাণ সম্পদ পূর্ণ এক চান্দ্র বছর থাকতে হয়।তাই এমন হতে পারে কারো যাকাত ফরজ হয়নি কিন্তু কুরবানী ওয়াজিব হয়েছে।যেমন:আজ হঠাৎ আপনার কাছে টাকা/স্বর্ণ/সম্পদ মিলিয়ে নিসাব পরিমাণ হয়ে গেল। এক বছর পূর্ণ হয়নি, তাই যাকাত এখনো ফরজ না। কিন্তু কুরবানীর দিনগুলোতে এই সম্পদ থাকলে কুরবানী ওয়াজিব হতে পারে।

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন (১-১০ জিলহজ্জ) অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ, যখন নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বেড়ে যায়। এ সময়ে প্রধান আমলগুলো...
05/11/2026

জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন (১-১০ জিলহজ্জ) অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ, যখন নেক আমলের সওয়াব বহুগুণ বেড়ে যায়। এ সময়ে প্রধান আমলগুলো হলো—বেশি বেশি নফল রোজা (বিশেষ করে ৯ই জিলহজ্জ), তাকবীরে তাশরিক পাঠ, কুরআন তিলাওয়াত, সাদাকাহ ও কুরবানী করা [২, ৩, ৪]। এছাড়া যারা কুরবানী করবেন, তাদের জন্য জিলহজ্জের চাঁদ দেখার পর থেকে ১০ তারিখ পর্যন্ত নখ ও চুল না কাটা মুস্তাহাব [৬]।জিলহজ্জ মাসের প্রধান আমলসমূহ:১-৯ জিলহজ্জ রোজা রাখা: জিলহজ্জ মাসের প্রথম নয় দিন রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ, বিশেষ করে ৯ই জিলহজ্জ (আরাফাতের দিন) রোজা রাখা [২, ৪]।বেশি বেশি যিকির ও তাকবীর: এই দশ দিন বেশি বেশি ‘আলহামদুলিল্লাহ’, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’, ‘সুবহানাল্লাহ’ এবং ‘আল্লাহু আকবার’ পাঠ করা। ৯ই জিলহজ্জ ফজর থেকে ১৩ই জিলহজ্জ আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর তাকবীরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব [৪, ৭]।তাকবীর: "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।"তওবা ও ইস্তিগফার: গুনাহ থেকে তওবা করা এবং আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা [৩]।কুরবানী করা: ১০ জিলহজ্জ বা ঈদুল আজহার দিন কুরবানী করা [৪, ৮]।নখ ও চুল না কাটা: যারা কুরবানী করবেন, তারা চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানী করার আগ পর্যন্ত নখ, চুল বা গায়ের চামড়া না কাটার সুন্নাত পালন করা [৬]।হজ্জ ও উমরাহ: যারা মক্কায় আছেন, তাদের জন্য হজ্জ করা শ্রেষ্ঠ আমল [৩]।কুরআন তিলাওয়াত ও দান-সদকা: সাধারণ দিনের চেয়ে এই দিনগুলোতে বেশি কুরআন তিলাওয়াত ও গরিবদের দান করা [১১]।ঈদ ও কুরবানীর সালাত: ঈদের নামাজ আদায় করা এবং বেশি বেশি আল্লাহকে স্মরণ করা [৪]।এই দিনগুলো মুসলিম জীবনে অত্যন্ত আধ্যাত্মিক ও গুরুত্বপূর্ণ সময়, যেখানে ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা যায় [৩]।

05/09/2026

রোযা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসনের দাবিতে জাতীয় সেমিনার থেকে || বিশিষ্ট ওলামায় কেরাম.....

05/09/2026

রোযা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসনের দাবিতে জাতীয় সেমিনার থেকে --------------------------------------------নতুন নত....

05/09/2026

রোযা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসনের দাবিতে জাতীয় সেমিনার || বিশিষ্ট ওলামায় কেরামগনের .....

05/09/2026

রোযা ও ঈদ বিশ্বব্যাপী একই দিনে পালনের দাবির ভ্রান্তি নিরসনের দাবিতে জাতীয় সেমিনার || মাওলানা মুফতি মুহাম্মাদ আব.....

05/09/2026

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিনের আমল লিস্ট!

যিলহজ্জের প্রথম ১০ দিন অত্যন্ত ফযীলতপূর্ণ। এই দিনগুলোতে করা নেক আমল আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয়। তাই আসুন, আমরা আগে থেকেই কিছু আমল ঠিক করে নেই, যেন এই দিনগুলো উদ্দেশ্যহীনভাবে চলে না যায়।

সুন্দরভাবে গুছিয়ে আমল লিস্ট শেয়ার করছি যেন রেডি হয়ে যেতে পারেন--

১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত যথাসময়ে আদায় করা:

সব আমলের ভিত্তি হলো ফরয ইবাদত। চেষ্টা করি সময়মতো, মনোযোগের সাথে সালাত আদায় করতে।

২. বেশি বেশি তাওবা ও ইস্তিগফার করা:

বারবার বলি:

*আস্তাগফিরুল্লাহ*

নিজের গুনাহের জন্য লজ্জিত হই, আল্লাহর কাছে ফিরে যাই।

৩. তাকবীর, তাহমীদ, তাহলীল ও তাসবীহ বেশি পড়া:

এই দিনগুলোতে বেশি বেশি পড়ি:

আল্লাহু আকবার**

আলহামদুলিল্লাহ**

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ**

সুবহান-আল্লাহ**

এভাবেও পড়তে পারি:

--আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

৪. কুরআন তিলাওয়াত করা

প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন পড়ার লক্ষ্য ঠিক করি। অল্প হলেও নিয়মিত পড়ি। এখন থেকেই পড়া শুরু করুন, যিলহজ্জের ১০ দিনের মধ্যে একটা কুরআন খতিমা কমপ্লিট করতে পারেন।

৫. ফরজ নামাজের যত্ন নেয়ার পরে নফল সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া:

বিশেষ করে:

* তাহাজ্জুদ

* সালাতুদ দুহা

৬. রোযা রাখা

সম্ভব হলে যিলহজ্জের প্রথম ৯ দিন রোযা রাখি।

বিশেষভাবে **আরাফার দিনের রোযা** অনেক ফযীলতপূর্ণ তাদের জন্য যারা হজে নেই। ঐ দিনের রোজার মাধ্যমে আগের এবং পরের ২ বছরের গুনাহ মাফ হয় সুবহানআল্লাহ!

৭. বেশি বেশি দোয়া করা:

নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, উম্মাহর জন্য, দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করি।

৮. যিকিরে জিহ্বা সজীব রাখা:

কাজ করতে করতে, হাঁটতে হাঁটতে, রান্না করতে করতে, ফাঁকে ফাঁকে যিকির করি। ছোট ছোট যিকিরও অনেক ভারী হয়ে যায় মীযানে।

৯. সদকা করা:

সামর্থ্য অনুযায়ী দান করি। অল্প হলেও আন্তরিকতা নিয়ে দিই।

১০. কুরবানির নিয়ত থাকলে চুল-নখ না কাটা:

যিনি কুরবানি দেওয়ার নিয়ত করেছেন, তিনি যিলহজ্জের চাঁদ ওঠার পর থেকে কুরবানি দেওয়া পর্যন্ত চুল ও নখ না কাটার চেষ্টা করবেন।

১১. ভালো কাজের পরিকল্পনা করে রাখা:

যেমন:

* একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সাহায্য করা

* আত্মীয়তার সম্পর্ক ঠিক করা

* কাউকে ক্ষমা করে দেওয়া

* ইসলামি কিছু শেখা বা শেখানো

১২. অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা কর

হিংসা, অহংকার, রাগ, শত্রুতা ইত্যাদি এসব থেকে হৃদয়কে পরিষ্কার করার চেষ্টা করি। শুধু বাহ্যিক আমল নয়, অন্তরের আমলও জরুরি।

কুরবানীর এই মহান দিনগুলোতে কেবল পশু কুরবানীতে সীমাবদ্ধ না থাকি। বরং নিজেদের গুনাহ, নফসের খেয়াল, অহংকার, রাগ, খারাপ ভাষা —এসবকেও কুরবানী করার চেষ্টা করি।

এ সময় self-purification বা আত্মশুদ্ধির আমলও খুব জরুরি। যেমন:

* নিজের রাগ নিয়ন্ত্রণ করা

* মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করা

* অন্যের হক সম্পর্কে সচেতন হওয়া

* কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে সংশোধন করা

* অন্তরকে নরম করা

এই ১০ দিন যেন আমাদের ভেতরের মানুষটাকেও বদলে দেয়।

১৩. পরিবারের মাঝেও নিজ ঘরে ইবাদতের পরিবেশ তৈরি করা:

আমাদের মা-বাবা, সন্তান, ভাইবোনদের, স্বামী/স্ত্রীরা সবাই সবাইকে উৎসাহ দিই—যেন ঘরেও যিলহজ্জের সৌন্দর্য অনুভব করা যায়।

১৪. হজ্জের মৌসুমকে অন্তরে জীবন্ত রাখা:

যারা হজ্জ করতে যাচ্ছেন, তারা তো আল্লাহর ঘরের মেহমান হয়ে হজ্জ করবেন।

আর যারা হজ্জে যাচ্ছেন না, তারাও যেন এই দিনগুলোতে এমন মানসিকতা রাখি—আমরাও আল্লাহর জন্যই সাড়া দিচ্ছি, আমরাও ইবাদাতে, যিকিরে, তাওবায়, দোয়ায় নিজেদের হাজির করছি।

এই কথার সাথে মিলে আমরাও বলি:

**লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক**

অর্থাৎ, হে আল্লাহ, আমি উপস্থিত, আমি সাড়া দিচ্ছি।

হয়তো শারীরিকভাবে হজ্জে যাওয়া হয়নি, কিন্তু অন্তর যেন আল্লাহর দরবারে হাজির হয়।

১৫. আরাফার দিনটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া:

এই দিনে বেশি বেশি দোয়া, যিকির, তাওবা, কুরআন তিলাওয়াত ও রোযার প্রতি গুরুত্ব দিই।

১৬. ঈদের দিন আল্লাহর শোকর আদায় করা:

ঈদের আনন্দের মাঝেও যেন আল্লাহকে ভুলে না যাই। কুরবানি, সালাত, যিকির— সবকিছুই ইবাদত।

এক নজরে আমল চেকলিস্ট:

☐ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত

☐ কুরআন তিলাওয়াত

☐ ১০ দিনের বিশেষ যিকির

☐ ইস্তিগফার

☐ আরাফার দিনের জন্য বিশেষ দুয়া লিস্ট রেডি করা, দোয়া করা

☐ আরাফার দিনে রোজা রাখা

☐ সম্ভব হলে প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা

☐ সদকা দেয়া

☐ নফল সালাত

☐ আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করা, নিজের বদঅভ্যাস কুরবানী করা

☐ রাগ নিয়ন্ত্রণ করা

☐ ভালো ব্যবহার করা

☐ অন্যের হকের ব্যাপারে সচেতন হওয়া

☐ কুরবানী করা, কুরবানীর গোশত শেয়ার করা হকদারদের সাথে

নিজের জন্য এই নিয়তটি ঠিক করে ফেলুন আজকেই --

*“আমি এই ১০ দিনে আল্লাহর আরও প্রিয় বান্দা হওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ, আমার আমলে, আমার অন্তরে, আমার চেষ্টা দিয়ে!"

আল্লাহ আমাদের যিলহজ্জের এই বরকতময় দিনগুলোকে সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর তাওফীক দিন।

আমিন।

ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর বাড়ির পাশেই এক মুচি বাস করত। লোকটি সারাদিন কাজ করত, কিন্তু রাত হলেই সে বাড়ি ফিরে মদ পান করতে কর...
05/09/2026

ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর বাড়ির পাশেই এক মুচি বাস করত। লোকটি সারাদিন কাজ করত, কিন্তু রাত হলেই সে বাড়ি ফিরে মদ পান করতে করতে মাতাল হয়ে যেত এবং উচ্চস্বরে গান গাইত।

মাতাল অবস্থায় সে বারবার একটি কবিতার পংক্তি আবৃত্তি করত। যার অর্থ,

"তারা আমাকে হারিয়ে ফেলেছে (অবহেলা করেছে)! অথচ তারা জানল না, কঠিন বিপদের দিনে বুক চিতিয়ে দাঁড়ানোর মতো কত বড় এক বীরকে তারা হারিয়েছে!"

প্রতি রাতেই সে এভাবে চিৎকার করত যতক্ষণ না ঘুমের ঘোরে সে নিস্তেজ হয়ে পড়ত। ইমাম আবু হানিফা (রহ.) সারারাত ইবাদত ও নফল নামাজে মগ্ন থাকতেন, আর পাশের ঘর থেকে প্রতিবেশীর এই গান ও চিৎকার শুনতেন। কিন্তু তিনি কখনো কারো কাছে অভিযোগ করেননি; বরং তিনি তাঁর এই প্রতিবেশীর আওয়াজে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছিলেন।

হঠাৎ এক রাতে ইমাম সাহেব লক্ষ্য করলেন, পাশের ঘরটি একদম নিস্তব্ধ। কোনো গান বা চিৎকার শোনা যাচ্ছে না। এভাবে টানা তিন দিন পার হয়ে গেল। ইমাম সাহেব প্রতিবেশীর খোঁজ নিলেন।
লোকেরা বলল, "পুলিশ তাকে মাতলামির দায়ে গ্রেপ্তার করেছে এবং সে এখন কারাগারে বন্দী।"

পরদিন ফজর নামায শেষ করে ইমাম আবু হানিফা (রহ.) সরাসরি কুফার আমীরের প্রাসাদে গেলেন। ইমামের আগমনের খবর শুনে আমীর অত্যন্ত সম্মান প্রদর্শন করলেন এবং তাঁকে পাশের আসনে বসালেন।

আমীর জিজ্ঞেস করলেন, "হে ইমাম! আপনার কী প্রয়োজন?
ইমাম সাহেব বললেন, "আমার এক প্রতিবেশী মুচিকে পুলিশ ধরে এনেছে, আমি তাকে মুক্ত করতে এসেছি।"

ইমাম আবু হানিফা রহ. এর মতো একজন বিশ্ববিখ্যাত আলেম একজন সাধারণ মুচির জন্য সুপারিশ করতে এসেছেন দেখে আমীর অবাক হলেন। তিনি বললেন, "শুধু আপনার ঐ প্রতিবেশী নয়, ওই রাতে যত লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে আপনার সম্মানে আমি সবাইকে মুক্তি দিচ্ছি!"

কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে সেই মুচি ইমামের পিছু পিছু আসছিল। ফেরার পথে ইমাম আবু হানিফা (রহ.) হাসিমুখে মুচির দিকে ফিরে তাকালেন এবং বললেন: "আমি কি তোমাকে হারিয়ে যেতে দিয়েছি??"

(মুচি মাতাল অবস্থায় ‘তারা আমাকে হারিয়েছে’ বাক্যে যে কবিতাটি গাইত ইমাম সাহেব সেই কবিতার শব্দ দিয়েই তাকে প্রশ্নটি করলেন)।

মুচি লজ্জিত হয়ে নিচু স্বরে বলল, "না ইমাম! বরং আপনি প্রতিবেশীর হক রক্ষা করেছেন এবং আমার সম্মান বাঁচিয়েছেন। আল্লাহর কসম! আজ থেকে আমি আর কখনো মদ পান করব না।"

সেই দিন থেকেই লোকটি মদ ছেড়ে দিল এবং তওবা করে ইমাম আবু হানিফা রহ. এর ইলমের মজলিসে নিয়মিত শরিক হতে শুরু করল। এক সময় সে ইরাকের কুফা নগরীর একজন গণ্যমান্য ব্যক্তিতে পরিণত হয়।

প্রতিবেশীর ত্রুটিতে ধৈর্য ধরে তাঁর বিপদে অকৃত্রিম বন্ধু হওয়া প্রকৃত ঈমানদারের বৈশিষ্ট্য। ঘৃণা বা শাসনের পথে না গিয়ে কেবল মমতার স্পর্শেই একজন পথভ্রষ্ট মানুষকে আমূল বদলে দেওয়া সম্ভব।

নিজের আভিজাত্য ও পদমর্যাদা ভুলে সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হলো প্রকৃত মনুষ্যত্ব ও আধ্যাত্মিকতার শ্রেষ্ঠ পরিচয়।

সূত্র: সামারাতুল আওরাক, পৃষ্ঠা ৩৬-৩৭।

📌মুমিনের জীবন — সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প,আল্লাহর পথে চলা কঠিন, তবু এই পথেই শান্তি---আমরা এমন একটি যুগে বাস করছি, যেখান...
05/08/2026

📌মুমিনের জীবন — সংগ্রাম থেকে সাফল্যের গল্প,আল্লাহর পথে চলা কঠিন, তবু এই পথেই শান্তি

---

আমরা এমন একটি যুগে বাস করছি, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তে একজন মুমিনের ঈমান পরীক্ষার সম্মুখীন। সোশ্যাল মিডিয়ার অবাধ প্রবাহ, পশ্চিমা সংস্কৃতির আগ্রাসন, হালাল-হারামের সীমারেখা ঝাপসা হয়ে যাওয়া — এই পরিবেশে একজন প্রকৃত মুমিন হয়ে বেঁচে থাকা সত্যিই এক অসাধারণ কঠিন চ্যালেঞ্জ।

---

🟥 দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার

রাসূলুল্লাহ ﷺ চquatorze শতাব্দী আগেই এই সত্য ঘোষণা করে গেছেন।

> "الدُّنْيَا سِجْنُ الْمُؤْمِنِ وَجَنَّةُ الْكَافِرِ"
> "দুনিয়া মুমিনের জন্য কারাগার আর কাফিরের জন্য জান্নাত।"*
> — (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৯৫৬)

এই হাদিসের গভীরে একটু ভাবুন। কারাগারে থাকা মানুষটি যা ইচ্ছা তাই করতে পারে না। তার চলাফেরায় সীমাবদ্ধতা আছে, তার আনন্দে নিয়ন্ত্রণ আছে। ঠিক তেমনি একজন সত্যিকারের মুমিনও এই দুনিয়ায় তার প্রতিটি কাজে আল্লাহর বিধানের কাছে আবদ্ধ। মন চাইলেই সুদের ব্যবসায় যেতে পারেন না, মন চাইলেই হারাম সম্পর্কে জড়াতে পারেন না, মন চাইলেই মিথ্যার আশ্রয় নিতে পারেন না।

বর্তমান বাস্তবতায় এই সীমাবদ্ধতা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। চারদিকে যখন সবাই সুদভিত্তিক লোন নিয়ে গাড়ি-বাড়ি করছে, তখন একজন মুমিনকে সেই পথ এড়িয়ে চলতে হয়। যখন অফিসে মিথ্যা বললে প্রমোশন মেলে, তখন মুমিনকে সত্যের উপর অবিচল থাকতে হয়।

---

🟥জলন্ত কয়লার মতো ঈমান ধরে রাখা

রাসূলুল্লাহ ﷺ শেষ যুগের মুমিনদের পরীক্ষার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন —

> **"يَأْتِي عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ الصَّابِرُ فِيهِمْ عَلَى دِينِهِ كَالْقَابِضِ عَلَى الْجَمْرِ"**
> *"মানুষের উপর এমন একটি সময় আসবে, যখন দ্বীনের উপর ধৈর্য ধরে থাকা জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে ধরে রাখার মতো কঠিন হবে।"*
> — **(সুনানে তিরমিযী, হাদিস: ২২৬০; হাসান সহিহ)**

আজকের যুগে এই হাদিসের প্রতিফলন দেখুন। একজন তরুণ যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছে, চারদিকে মিশ্র পরিবেশ, নেটফ্লিক্স-ইউটিউবের অবাধ ফিতনা, বন্ধুদের আড্ডায় গান-বাজনা — এই পরিবেশে নামাজ ঠিক রাখা, দৃষ্টি সংযত রাখা, হালাল-হারামের খেয়াল রাখা — এটি কি সত্যিই জ্বলন্ত কয়লা হাতে ধরে রাখার চেয়ে কম কঠিন?

---

🟥দুনিয়া আরামের জায়গা নয় — কুরআনের দিকনির্দেশনা

আল্লাহ তা'আলা কুরআনে কারিমে স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন —

> "وَمَا هَٰذِهِ الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا لَهْوٌ وَلَعِبٌ ۚ وَإِنَّ الدَّارَ الْآخِرَةَ لَهِيَ الْحَيَوَانُ"
> "এই পার্থিব জীবন তো কেবল খেলাধুলা আর তামাশা। আর আখিরাতের আবাসই হলো প্রকৃত জীবন।
> — (সূরা আনকাবুত, আয়াত: ৬৪)

আরও বলেছেন —

> "زُيِّنَ لِلنَّاسِ حُبُّ الشَّهَوَاتِ"
> "মানুষের কাছে প্রবৃত্তির ভোগ-বিলাসকে সুশোভিত করে দেওয়া হয়েছে।"
> — (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১৪)

এই আয়াতদ্বয় বর্তমান যুগের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। আজকের বিজ্ঞাপন জগৎ, বিনোদন শিল্প এবং ভোগবাদী সংস্কৃতি — সবকিছুই মানুষকে দুনিয়ার রঙিন ফাঁদে আটকে রাখতে কাজ করছে। একজন মুমিনকে এই চাকচিক্যের মাঝে দাঁড়িয়ে প্রতিদিন নিজেকে স্মরণ করিয়ে দিতে হয় — এটা আমার আসল ঘর নয়।

---

🟥 মুমিনের জীবন একটি কর্মক্ষেত্র

দুনিয়া কারাগার মানে এই নয় যে মুমিন হতাশ হয়ে বসে থাকবে। বরং এই সীমিত সময়টাই তার আমলের মৌসুম।

> فَمَنْ يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ"
> যে অণু পরিমাণ ভালো কাজ করবে, সে তা দেখতে পাবে।"
> — (সূরা যিলযাল, আয়াত: ৭)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন —

> "اِغْتَنِمْ خَمْسًا قَبْلَ خَمْسٍ: شَبَابَكَ قَبْلَ هَرَمِكَ..."
> "পাঁচটি জিনিসকে পাঁচটি আসার আগে গনিমত মনে করো: বার্ধক্যের আগে যৌবন, অসুস্থতার আগে সুস্বাস্থ্য, দারিদ্র্যের আগে সচ্ছলতা, ব্যস্ততার আগে অবসর এবং মৃত্যুর আগে জীবন।"
> — (মুস্তাদরাক হাকিম, হাদিস: ৭৮৪৬; সহিহ)

একজন মুমিনের প্রতিটি দিন হওয়া উচিত আখিরাতের পাথেয় সংগ্রহের দিন। সৎভাবে উপার্জন করা, পরিবারের হক আদায় করা, সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা — এই সবকিছুই তার কর্মক্ষেত্রের অংশ।

---

🟥 বর্তমান যুগের ফিতনা এবং করণীয়

রাসূলুল্লাহ ﷺ ফিতনার যুগে মুমিনদের জন্য পথ দেখিয়েছেন —

> "تَرَكْتُ فِيكُمْ أَمْرَيْنِ لَنْ تَضِلُّوا مَا تَمَسَّكْتُمْ بِهِمَا: كِتَابَ اللَّهِ وَسُنَّةَ نَبِيِّهِ"
> "আমি তোমাদের মাঝে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি, যতদিন তোমরা এই দুটি আঁকড়ে ধরবে কখনো পথভ্রষ্ট হবে না — আল্লাহর কিতাব এবং তাঁর নবীর সুন্নাহ।"
> — (মুওয়াত্তা ইমাম মালিক, হাদিস: ৩৩৩৮)

এই হাদিসই আমাদের মুক্তির পথ। কুরআন ও সুন্নাহর বাইরে যত পথ আছে, সব পথ বিভ্রান্তির পথ। আজকের যুগে নিজের মতবাদ, দলীয় রাজনীতি বা পীরের অন্ধ অনুসরণ নয় — বরং কুরআন ও সহিহ হাদিসের আলোয় জীবন পরিচালনাই হলো মুমিনের একমাত্র পথ।

---

দুনিয়া মুমিনের জন্য কঠিন — এটা কোনো অভিযোগ নয়, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে এক সুসংবাদ। কারণ যে কারাগারে ধৈর্য ধরেছে, তার জন্য অপেক্ষা করছে চিরন্তন মুক্তির আবাস — জান্নাত। আল্লাহ তা'আলা বলেন —

> "إِنَّمَا يُوَفَّى الصَّابِرُونَ أَجْرَهُم بِغَيْرِ حِسَابٍ"
> *"নিশ্চয়ই ধৈর্যশীলদের পুরস্কার দেওয়া হবে অগণিতভাবে।"*
> — (সূরা যুমার, আয়াত: ১০)

তাই হে মুমিন ভাই ও বোন — দুনিয়ার ঝলমলে চাকচিক্যে ধোঁকা খাবেন না। কুরআন ও সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরুন, প্রতিটি পদক্ষেপে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দিন। এই ক্ষণিকের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মিলবে চিরসুখের আবাস।

আল্লাহ আমাদের সকলকে ঈমানের উপর অবিচল রাখুন। আমিন।

Address

Miami, FL
33032

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wisdom Islamic TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Wisdom Islamic TV:

Share