Wisdom Islamic TV

Wisdom Islamic TV Wisdom Islamic TV an online based Education & Dawha channel, USA.

A Sister Concern Of "Wisdom World Peace Foundation" (A Non-Profit Chariatble Organization, USA)
--------------------------------------------
আসসালামুয়ালাইকুম,
আমাদের পেইজ-এ স্বাগতম। "উইজডম ইসলামিক টিভি" একটি অরাজনৈতিক অনলাইন ভিত্তিক শিক্ষা এবং দাওয়াহ চ্যানেল, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক অলাভজনক দাতব্য প্রতিষ্ঠান 'উইজডম ওয়ার্ল্ড পিস ফাউন্ডেশন' কর্তৃক পরিচালিত। আমাদের লক্ষ্য বিশ্বব্যাপী ইসলাম

ের বাণী ছড়িয়ে দেওয়া, সমাজের প্রচলিত অসঙ্গতি দূরীকরণে উৎসাহিত করণ এবং ইসলামের আলোকে সকলের জন্য অনুপ্রেরণামূলক বিষয়বস্তু তৈরির পাশাপাশি বিশ্বে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে জনগণকে সচেতন ও শিক্ষিত করা।
--------------------------------------------
Assalamualaikum,
Welcome to our page. Wisdom Islamic TV is a non-political online education and dawah channel run by the 'Wisdom World Peace Foundation' a USA based non-profit charity. Our goal is to spread the message of Islam worldwide, to encourage the elimination of the prevailing inconsistencies in society and to create inspirational content for all in the light of Islam, as well as to make people aware and educated for the purpose of establishing peace and harmony in the world.
--------------------------------------------
السلام عليكم،
مرحبا بكم في صفحتنا. Wisdom Islamic TV هي قناة تعليمية غير سياسية عبر الإنترنت وتديرها مؤسسة Wisdom World Peace Foundation ، وهي مؤسسة خيرية غير ربحية مقرها الولايات المتحدة. هدفنا هو نشر رسالة الإسلام في جميع أنحاء العالم ، وتشجيع القضاء على التناقضات السائدة في المجتمع وخلق محتوى ملهم للجميع في ضوء الإسلام وكذلك توعية الناس وتثقيفهم لغرض إحلال السلام والوئام. في العالم.

হযরত মায়েজ বিন মালেক (রা.) জিনার (ব্যভিচার) অপরাধ করেছিলেন। এরপর তিনি চরম অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে নিজেকে পবিত্র করতে চাইলেন। ...
01/11/2026

হযরত মায়েজ বিন মালেক (রা.) জিনার (ব্যভিচার) অপরাধ করেছিলেন। এরপর তিনি চরম অনুশোচনায় দগ্ধ হয়ে নিজেকে পবিত্র করতে চাইলেন। তিনি নিজেই রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে পবিত্র করুন (শাস্তি দিন)।"

রাসূল (সা.) প্রথমে তাকে ফিরিয়ে দিলেন এবং বললেন, "তুমি ফিরে যাও, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও এবং তওবা করো।"

কিন্তু মায়েজ (রা.) চারবার এসে একই কথা বললেন। তিনি দুনিয়ার শাস্তির মাধ্যমে আখেরাতের শাস্তি থেকে বাঁচতে চেয়েছিলেন।

রাসূল (সা.) সাথে সাথে শাস্তি দিলেন না। তিনি কয়েকবার যাচাই করলেন:
তিনি কি পাগল? (না)
তিনি কি মদ্যপ অবস্থায় আছেন? (পরীক্ষা করে দেখা হলো, না)।

রাসূল (সা.) এমনকি তাকে ইশারায় বোঝাতে চাইলেন যে, হয়তো সে শুধু চুমু দিয়েছে বা স্পর্শ করেছে, কিন্তু মায়েজ (রা.) স্পষ্ট স্বীকারোক্তি দিলেন।

যেহেতু মায়েজ (রা.) বিবাহিত (মুহসান) ছিলেন এবং নিজের ইচ্ছায় বারবার স্বীকারোক্তি দিচ্ছিলেন, তাই শরিয়তের বিধান অনুযায়ী তাকে রজম (পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড) করার আদেশ দেওয়া হলো।

এই ঘটনার পর লোকদের মধ্যে দ্বিমত দেখা দিল। কেউ বলল, সে ধ্বংস হয়ে গেছে। আবার কেউ বলল, তার মতো উত্তম তওবা আর কেউ করেনি।

দুই-তিন দিন পর রাসূল (সা.) বললেন,
"তোমরা মায়েজের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। সে এমন তওবা করেছে, যা যদি পুরো উম্মতের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হয়, তবে সবার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে।"

একদিন রাসূল (সা.) শুনলেন দুই ব্যক্তি মায়েজ (রা.)-কে নিয়ে সমালোচনা করছে। একজন বলছিল, "দেখো, আল্লাহ তাকে গোপন রেখেছিলেন, কিন্তু সে নিজেকে কুকুরের মতো রজম (পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড) করাল।"

রাসূল (সা.) চুপ রইলেন। কিছুক্ষণ পর রাস্তায় একটি মরা গাধা পড়ে থাকতে দেখে তিনি ওই দুই ব্যক্তিকে ডাকলেন এবং বললেন, "তোমরা নামো এবং এই মরা গাধার মাংস খাও।"

তারা অবাক হয়ে বলল, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা কি খাওয়া যায়?"
নবীজি বললেন, "তোমরা একটু আগে তোমাদের ভাইয়ের সম্মান নিয়ে যা বলেছ (গিবত করেছ), তা এই মরা গাধা খাওয়ার চেয়েও জঘন্য। আল্লাহর কসম! মায়েজ এখন জান্নাতের নহরে সাঁতার কাটছে।"

শিক্ষণীয় বিষয়,
১. মায়েজ (রা.)-এর তওবা এতই খাঁটি ছিল যে তিনি জান্নাত লাভ করেছেন।
২. তওবা করা ব্যক্তির অতীত নিয়ে খোঁটা দেওয়া বা সমালোচনা করা মরা গাধা খাওয়ার চেয়েও জঘন্য।

রেফারেন্স : বুখারী,মুসলিম,আবু দাউদ,মুয়াত্তা মালেক

💍 অলৌকিক আংটি ও চল্লিশ দিনের নির্বাসন: সোলাইমান (আঃ)-এর পরীক্ষা 👑আল্লাহ তা'আলা তাঁর নবী হযরত সোলাইমান (আঃ)-কে একটি অলৌকি...
01/11/2026

💍 অলৌকিক আংটি ও চল্লিশ দিনের নির্বাসন: সোলাইমান (আঃ)-এর পরীক্ষা 👑

আল্লাহ তা'আলা তাঁর নবী হযরত সোলাইমান (আঃ)-কে একটি অলৌকিক মোবারক আংটি দান করেছিলেন। এই আংটির উপর 'ইসমে আজম' (আল্লাহর বিশেষ নাম) লিখা ছিল। এই বরকতের ফলে তিনি জ্বীন, ইনসান এবং পশুপাখি—সবাইকে নিয়ন্ত্রণ করতেন এবং আল্লাহর হুকুমে সমগ্র বিশ্বে ন্যায়বিচারের সাথে শাসন করতেন।

আংটি চুরি ও সিংহাসন দখল
হযরত সোলাইমান (আঃ) যখন গোসল করতে যেতেন, তখন তিনি আংটি খুলে তাঁর বিশ্বস্ত খাদেমার কাছে রেখে যেতেন।

একদিন, সাক্কার নামের এক দুষ্ট জ্বীন হযরত সোলাইমান (আঃ)-এর রূপ ধারণ করে খাদেমার কাছে আসল। খাদেমা তাকে প্রকৃত সোলাইমান (আঃ) ভেবে আংটি হাতে তুলে দিলেন। আংটি হাতে পাওয়ার সাথে সাথেই সেই জ্বীন সিংহাসন দখল করে নিল। জ্বীন, ইনসান—সবাই তার কথাকে হযরত সোলাইমান (আঃ)-এর আদেশ ভেবে মানতে শুরু করল।

নির্বাসিত জীবন
এদিকে, প্রকৃত হযরত সোলাইমান (আঃ) রাজপ্রাসাদ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকী হয়ে পড়লেন। মানুষও তাঁকে চিনতে পারল না। জীবিকার অভাবে তিনি শ্রমিকের মতো কাজ করতে শুরু করলেন। এক প্রান্তে গিয়ে তিনি জেলেদের সাথে মাছ শিকার করতেন।

এক নেককার ব্যক্তি তাঁর প্রকৃত চরিত্র ও আচরণ দেখে নিজের মেয়েকে তাঁর সাথে বিয়ে দিলেন। হযরত সোলাইমান (আঃ) সৎভাবে দিন কাটাতে থাকলেন।

আংটির প্রত্যাবর্তন
অন্যদিকে, সাক্কার জ্বীন চল্লিশ দিন পর্যন্ত সিংহাসনে রাজত্ব করল। কিন্তু একসময় আল্লাহর কালাম তাওরাতের তিলাওয়াত শোনার ভয়ে সে কাঁপতে শুরু করল। আল্লাহর আছন্ন হয়ে ভয়ে সে আংটিটি সমুদ্রের মাঝে ছুঁড়ে ফেলে দিল।

আল্লাহর হুকুমে একটি মাছ সেই আংটিকে গিলে ফেলল। দিন যায়, রাত যায়—চল্লিশ দিন পূর্ণ হলো।

একদিন সেই মাছটি একজন জেলের শিকার হিসেবে ধরা পড়ল। জেলেটি মাছটি হযরত সোলাইমান (আঃ)-কে তাঁর শ্রমের বিনিময়ে দিয়ে দিল। হযরত সোলাইমান (আঃ)-এর স্ত্রী যখন মাছটি কাটছিলেন, তখন মাছের পেট থেকে সেই বরকতময় আংটিটি বের হয়ে আসল!

আংটিটি হাতে পড়ার সাথে সাথেই হযরত সোলাইমান (আঃ)-এর রাজত্ব ফিরে আসে। জ্বীন, মানুষ এবং ফেরেশতারা সবাই আবার উনার সেবায় নিযুক্ত হয়ে গেল।

শিক্ষা:
আল্লাহর হুকুমে ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। এই ঘটনা ছিল হযরত সোলাইমান (আঃ)-এর জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে এক কঠিন পরীক্ষা। আল্লাহ তাঁর প্রিয় নবীকে সম্মান এবং শাসন আবার ফিরিয়ে দেন, এবং প্রমাণ করেন যে, ক্ষমতা আল্লাহর আমানত।

ইসলামী ইতিহাসে হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর ন্যায়পরায়ণতা অসংখ্য উদাহরণে ভরপুর। তাঁর শাসনামলে ক্ষমতার অহংকার বা পারিব...
01/11/2026

ইসলামী ইতিহাসে হযরত উমর ইবনে খাত্তাব (রা.)-এর ন্যায়পরায়ণতা অসংখ্য উদাহরণে ভরপুর। তাঁর শাসনামলে ক্ষমতার অহংকার বা পারিবারিক প্রভাব কখনো ন্যায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত না। এর একটি বিখ্যাত ঘটনা হলো মিশরের গভর্নর হযরত আমর ইবনে আস (রা.)-এর ছেলের সাথে সম্পর্কিত।

একদিন মিশরে একটি ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন গভর্নর আমর ইবনে আস (রা.)-এর ছেলে মুহাম্মদ ইবনে আমর এবং একজন সাধারণ কিবতী (কপটিক খ্রিস্টান) যুবক। প্রতিযোগিতায় কিবতী যুবক জয়ী হন। কিন্তু পরাজয় মেনে নিতে না পেরে আমরের ছেলে রেগে গিয়ে চাবুক দিয়ে কিবতী যুবককে প্রহার করেন এবং বলেন, “আমি তো অভিজাতের ছেলে! তুই কীভাবে আমাকে হারাতে পারিস?”

অপমানিত ও আহত কিবতী যুবক সরাসরি মদিনায় চলে আসেন এবং আমিরুল মুমিনিন হযরত উমর (রা.)-এর কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। তিনি বলেন, “হে আমিরুল মুমিনিন! আমি আপনার কাছে অত্যাচার থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।”

হযরত উমর (রা.) তৎক্ষণাৎ আমর ইবনে আস (রা.)-কে তাঁর ছেলेसহ মদিনায় তলব করেন। তারা আসার পর পুরো ঘটনা শুনে খলিফা কঠোর কণ্ঠে রায় দেন। তিনি কিবতী যুবকের হাতে চাবুক তুলে দিয়ে বলেন, “এই চাবুক দিয়ে তুমি আমরের ছেলেকে প্রতিশোধ নাও—যেভাবে সে তোমাকে মেরেছে, ঠিক সেভাবে মারো!”

কিবতী যুবক চাবুক দিয়ে আমরের ছেলেকে প্রহার করতে থাকেন। হযরত উমর (রা.) বলেন, “জোরে মারো! অভিজাতের ছেলেকে মারো!” প্রহার শেষ হলে তিনি আমর ইবনে আস (রা.)-এর দিকে তাকিয়ে বলেন, “কবে থেকে তুমি মানুষকে গোলাম বানিয়েছ? অথচ তাদের মায়েরা তাদের স্বাধীনভাবে জন্ম দিয়েছে!”

আমর (রা.) বলেন, “হে আমিরুল মুমিনিন! আমি এ ঘটনা সম্পর্কে জানতাম না, এবং এ লোকটি আমার কাছে অভিযোগও করেনি।” উমর (রা.) উত্তর দেন, “তাহলে তোমার ছেলে ক্ষমতার দম্ভে এমন কাজ করেছে বলেই ধরে নেওয়া যায়।”

এই ঘটনা থেকে স্পষ্ট হয় যে, হযরত উমর (রা.)-এর দরবারে ধর্ম, জাতি বা পদমর্যাদার কোনো ভেদাভেদ ছিল না। ন্যায়বিচার ছিল সর্বোচ্চ—এমনকি গভর্নরের ছেলের বিরুদ্ধেও। এই অটল ন্যায়পরায়ণতা তাঁর খিলাফতকে ইতিহাসের স্বর্ণযুগে পরিণত করেছে এবং আজও আমাদের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ।

(এই ঘটনা ঐতিহাসিক সূত্রে বর্ণিত, যেমন ইবনে আবদিল হাকামের ‘সীরাত উমর ইবনে খাত্তাব’ এবং অন্যান্য হাদিস গ্রন্থে।)

📌“হায়! আমি যদি তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম!”(সূরা আল-ফুরকান: ২৮)আয়াতের পূর্ণ অর্থ (সংক্ষেপে)আল্লাহ বলেন—> “হায়! দুর...
01/10/2026

📌“হায়! আমি যদি তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম!”

(সূরা আল-ফুরকান: ২৮)

আয়াতের পূর্ণ অর্থ (সংক্ষেপে)

আল্লাহ বলেন—

> “হায়! দুর্ভোগ আমার! আমি যদি অমুককে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম।
সে তো আমাকে পথভ্রষ্ট করেছিল উপদেশ (কুরআন) আমার কাছে আসার পর।”
(সূরা আল-ফুরকান: ২৭–২৯)

এটা কোনো রূপক কথা না। এটা কিয়ামতের ময়দানে এক ব্যক্তির আর্তনাদ।

---

নাজিলের পটভূমি (Asbāb an-Nuzūl)

তাফসীরকারগণ (ইবনে কাসীর, কুরতুবী, তাবারী) উল্লেখ করেন—

এই আয়াত বিশেষভাবে নাজিল হয়েছিল উকবা ইবনে আবি মু‘আইত সম্পর্কে।

ঘটনা কী?

উকবা একসময় নবী ﷺ-এর কাছে বসতো

কুরআন শুনত, ইসলামের দিকে ঝুঁকছিল

কিন্তু তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু উবাই ইবনে খালাফ (কট্টর মুশরিক) তাকে চাপ দেয়:

> “মুহাম্মদের কথা মানলে তোকে বন্ধু মানবো না”

◼️বন্ধুত্ব বাঁচাতে উকবা ইসলাম থেকে সরে যায়

শেষ পর্যন্ত কুফরের উপর মৃত্যু

👉 কিয়ামতের দিন সে বলবে— “হায়! আমি যদি তাকে বন্ধু না বানাতাম!”

বন্ধু তাকে জাহান্নামে ঠেলে দিয়েছে।

---

তাফসীরের মূল শিক্ষা (কঠিন কিন্তু সত্য)

১️⃣ বন্ধু নিরপেক্ষ হয় না

তুমি ভাবছো—

> “আমি যেমন আছি, বন্ধু থাকলেও আমি বদলাই না”

▪️এটা আত্মপ্রবঞ্চনা।

আল্লাহ নিজেই বলছেন—

> “সে আমাকে পথভ্রষ্ট করেছিল”

বন্ধু হয়—

▪️তোমাকে আল্লাহর দিকে টানে
অথবা

▪️ধীরে ধীরে আল্লাহ থেকে দূরে নেয়

▪️মাঝামাঝি কিছু নেই।

---

২️⃣ কুরআন জানার পর পথভ্রষ্ট হওয়া আরও ভয়ংকর

আয়াতে আছে—

> “উপদেশ আমার কাছে আসার পর”

মানে—

▪️সে অজ্ঞ ছিল না

▪️জানত সত্য কী

▪️কিন্তু বন্ধুর কারণে সত্য ত্যাগ করেছে

👉 আজ যারা বলে—

> “সব জানি, কিন্তু লাইফ এনজয় করতেছি”

এই আয়াত তাদের জন্যই বেশি ভয়ংকর।

---

৩️⃣ কিয়ামতে বন্ধুত্ব = দায়মুক্তি নয়

সেদিন—

▪️বন্ধু বন্ধু বলবে না

▪️গ্রুপ চ্যাট, স্মৃতি, হাসি—সব শেষ

▪️প্রত্যেকে বলবে: “হায়! আমি যদি…”

কুরআন বলেই দিয়েছে—

> “সেদিন জালিম নিজের হাত কামড়াবে” (২৫:২৭)

---

আজকের বাস্তবতা (নিজেকে প্রশ্ন করো)

তোমার বন্ধু যদি—

▪️সালাহকে গুরুত্বহীন করে

▪️হারামকে “নরমাল” বানায়

▪️ইসলামি কথায় হাসাহাসি করে

▪️দুনিয়াকেই সব বানায়

তাহলে তুমি বন্ধু না, টাইম বোমা পুষে রাখছো।

এটা কঠিন কথা, কিন্তু সত্য— বন্ধু বদলাও, নইলে আখিরাত বদলে যাবে।

---

শেষ কথা (ফেসবুক পোস্টের punchline)

> আজ যে বন্ধুকে ছাড়া তুমি চলতে পারছো না,
কাল হয়তো তার জন্যই বলতে হবে—
“হায়! আমি যদি তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ না করতাম!”

নিজেকে ধোঁকা দিও না।
আল্লাহ কুরআনে আগেই সতর্ক করে দিয়েছেন।

🌙 আয়াতুল কুরসীর প্রহরী: আবু হুরায়রা (রাঃ) ও চোরের রহস্য 👻একবার হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নির্দেশ...
01/10/2026

🌙 আয়াতুল কুরসীর প্রহরী: আবু হুরায়রা (রাঃ) ও চোরের রহস্য 👻

একবার হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর নির্দেশে সাদকার মাল (দানের সম্পদ) পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হলো।

একদিন তিনি দেখলেন, একজন আগন্তুক এসে গোপনে সাদকার মাল চুরি করার চেষ্টা করছে। আবু হুরায়রা (রাঃ) সাথে সাথে আগন্তকটির হাত ধরে ফেললেন এবং বললেন: “আল্লাহর কসম, আমি তোমাকে রাসূল (সাঃ)-এর কাছে নিয়ে যাব। তিনিই এর বিচার করবেন।”

আগন্তুকটি তখন কান্নাকাটি শুরু করে দিলো এবং বলল: সে খুব অভাবি এবং জিনিসগুলোর তার অনেক প্রয়োজন। সে কাকুতি-মিনতি করে আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর কাছে ক্ষমা চাইল। আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর মনে দয়া হলো এবং তিনি তাকে ছেড়ে দিলেন।

মিথ্যা শপথ ও পুনরাগমন
পরদিন সকালে রাসূল (সাঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন: “গতকাল তোমার অপরাধী কী করেছে?” আবু হুরায়রা (রাঃ) ঘটনাটি খুলে বললেন।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন: “অবশ্যই সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে, আর সে আবার আসবে।”

পরের রাতে তাই হলো। সেই আগন্তুক আবার এসে চুরি করতে চাইল। আবু হুরায়রা (রাঃ) তাকে ধরে ফেললেন। লোকটি এবারও শপথ করে কাকুতি-মিনতি করল যে, সে আর আসবে না। আবু হুরায়রা (রাঃ) আবারো তাকে ছেড়ে দিলেন।

তৃতীয় দিন সকালে রাসূল (সাঃ) একই প্রশ্ন করলেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) একই জবাব দিলেন। তখন রাসূল (সাঃ) বললেন: “সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে, এবং সে আবার আসবে।”

আয়াতুল কুরসীর উপহার
তৃতীয় রাতে হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) অপেক্ষা করতে লাগলেন। কিছুক্ষণ পর সেই লোক এলো এবং চুরি করতে শুরু করলে তিনি তাকে পাকড়াও করলেন। আবু হুরায়রা (রাঃ) এবার শক্ত কণ্ঠে বললেন: “এবার অবশ্যই আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব। তুমি বার বার শপথ করেও চুরি করতে আসো। আজ তোমার বিচার হবে।”

আগন্তুকটি যখন দেখল যে এবার তিনি সত্যিই রাসূল (সাঃ)-এর কাছে নিয়ে যাবেন, তখন অবস্থা বেগতিক দেখে সে বলল:

“আমাকে মাফ করো। আমি তোমাকে এখন এমন কিছু বলে দিব, যার মাধ্যমে আল্লাহ তোমাকে কল্যাণ দান করবেন।”

আল্লাহর কল্যাণ কে না পেতে চায়? তাই আবু হুরায়রা (রাঃ) জানতে চাইলেন: “সেটা কী?”

চোর বলল:

“যখন তুমি ঘুমাতে যাবে, তখন আয়াতুল কুরসী পড়ে ঘুমাবে। তাহলে আল্লাহ তোমার জন্য একজন পাহারাদার নিযুক্ত করবেন, যে তোমার সাথে থাকবে। আর কোনো শয়তান সকাল পর্যন্ত তোমার কাছে আসতে পারবে না।”

হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) এই মহৎ শিক্ষার বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দিলেন।

পরদিন রাসূল (সাঃ) অপরাধীর কথা জানতে চাইলে তিনি আগের রাতের ঘটনা বললেন। তখন রাসূল (সাঃ) বললেন: “যদিও সে চরম মিথ্যাবাদী, কিন্তু সে সত্য বলেছে।”

এরপর রাসূল (সাঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন: “তুমি কি জানো সে কে ছিল?”

আবু হুরায়রা (রাঃ) জবাব দিলেন: “না, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি জানি না সে কে।”

রাসূল (সাঃ) বললেন: “সে হচ্ছে শয়তান।” (সহীহ বুখারী)

শিক্ষা:
আমাদের সকলের ঘুমাতে যাবার আগে আয়াতুল কুরসী পড়া উচিত। এতে করে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদের জন্য একজন পাহারাদার নিযুক্ত করবেন এবং আমরা বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় লাভ করব।

ফেরাউনের স্ত্রী বিবি আছিয়া (আঃ)-এর ঈমানী দৃঢ়তাবিবি আছিয়া (আঃ) ছিলেন মানবজাতির নারীদের মাঝে এক অতুলনীয় মহীয়সী নারী। ...
01/10/2026

ফেরাউনের স্ত্রী বিবি আছিয়া (আঃ)-এর ঈমানী দৃঢ়তা

বিবি আছিয়া (আঃ) ছিলেন মানবজাতির নারীদের মাঝে এক অতুলনীয় মহীয়সী নারী। তিনি ছিলেন তৎকালীন বিশ্বের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও অহংকারী শাসক—আল্লাহর শত্রু ফেরাউনের স্ত্রী। রাজপ্রাসাদের অফুরন্ত বিলাসিতা, অসংখ্য দাস-দাসীর সেবা কিংবা সম্রাজ্ঞীর মর্যাদা—কোনোটিই তাঁর হৃদয় থেকে ঈমানের আলো নিভিয়ে দিতে পারেনি। ফেরাউনের ক্ষমতা ও প্রভাব তাঁর চরিত্রকে কলুষিত করতে পারেনি; বরং তিনি সত্যের ওপর অবিচল থেকেছেন দৃঢ়তার সঙ্গে।

শিশু মূসা (আঃ)-এর রক্ষাকর্ত্রী

যখন ফেরাউনের লোকেরা নীলনদ থেকে একটি শিশুকে তুলে আনে, বিবি আছিয়া (আঃ) শিশুটির মুখে এক অপার্থিব নূরের ঝলক দেখতে পান। তাঁর অন্তর মমতায় ভরে ওঠে। কুরআনে আল্লাহ তা‘আলা সেই ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন—

“ফেরাউনের স্ত্রী বলল, ‘এ শিশু আমার ও তোমার চোখের শীতলতা; একে হত্যা করো না। সম্ভবত সে আমাদের উপকারে আসবে অথবা আমরা তাকে সন্তানরূপে গ্রহণ করব।’”
(সূরা কাসাস: ৯)

এইভাবেই আল্লাহর কুদরতে বিবি আছিয়া (আঃ) শিশু মূসা (আঃ)-এর জীবন রক্ষার উসিলা হন।

ঈমানের পরীক্ষা ও নির্মম নির্যাতন

পরবর্তী সময়ে মূসা (আঃ) নবুয়তপ্রাপ্ত হয়ে তাওহীদের দাওয়াত দিতে শুরু করেন। যখন ফেরাউন জানতে পারল যে তার স্ত্রী গোপনে মূসা (আঃ)-এর প্রতি ঈমান এনেছেন, তখন সে ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে ওঠে। যে নিজেকে ‘সর্বোচ্চ রব’ বলে দাবি করত, সে নিজের স্ত্রীকেই হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়।

ফেরাউন সভাসদদের জড়ো করে আছিয়া (আঃ)-এর ব্যাপারে মত জানতে চাইলে তারা প্রথমে তাঁর গুণকীর্তন করে। কিন্তু ফেরাউন যখন জানায় যে আছিয়া (আঃ) অন্য রবের উপাসনা করেছেন, তখন তারাই মুহূর্তে রায় দেয়—তাঁকে হত্যা করা হবে।

ফেরাউনের আদেশে সৈন্যরা বিবি আছিয়া (আঃ)-কে শক্ত করে বেঁধে প্রখর রোদের নিচে ফেলে রাখে।

জান্নাতের স্বপ্ন ও চিরমুক্তি

যখন ফেরাউন তাঁর পিঠে বিশাল পাথর চাপা দেওয়ার নির্দেশ দেয়, তখনও বিবি আছিয়া (আঃ)-এর অন্তরে কোনো ভয় বা অভিযোগ ছিল না। তিনি আকাশের দিকে দৃষ্টি তুলে একান্ত কণ্ঠে দোয়া

“হে আমার প্রতিপালক! আপনার নিকট জান্নাতে আমার জন্য একটি ঘর নির্মাণ করুন, আমাকে ফেরাউন ও তার কর্ম থেকে রক্ষা করুন এবং আমাকে জালিম সম্প্রদায় থেকে মুক্তি দিন।”
(সূরা তাহরিম: ১১)

তাঁর একমাত্র আকাঙ্ক্ষা ছিল আল্লাহর সান্নিধ্য। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর দোয়া কবুল করেন। বর্ণিত আছে—পাথর নিক্ষেপের আগেই তিনি জান্নাতে নিজের ঘর দেখতে পান এবং হাসিমুখে প্রভুর কাছে ফিরে যান। এরপর তারা পাথর নিক্ষেপ করেছিল এক নিথর দেহের ওপর।

শিক্ষণীয় দিক

বিবি আছিয়া (আঃ) প্রমাণ করে গেছেন—সবচেয়ে কঠিন পরিবেশেও ঈমানের ওপর অবিচল থাকা সম্ভব। দুনিয়ার ক্ষমতা, বিলাসিতা ও ভয়াবহ নির্যাতনও ঈমানী দৃঢ়তাকে পরাজিত করতে পারে না। আল্লাহর প্রতি নিখাদ বিশ্বাস ও তাওহীদের ওপর অটল থাকার বিনিময়ে তিনি জান্নাতে চিরস্থায়ী সম্মান ও মর্যাদা লাভ করেছেন।

নবুওয়ত লাভের আগে, আবুল আস (রা.) রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গিয়ে বললেন, "আমি আপনার বড় মেয়ে জয়নবকে বিয়ে করতে চাই।"রাসূল (স...
01/10/2026

নবুওয়ত লাভের আগে, আবুল আস (রা.) রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে গিয়ে বললেন, "আমি আপনার বড় মেয়ে জয়নবকে বিয়ে করতে চাই।"
রাসূল (সা.) বললেন, "আমি তার অনুমতি ছাড়া তা করব না।" তিনি জয়নব (রা.)-কে জানালেন, "তোমার খালাতো ভাই আবুল আস তোমাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। তুমি কি রাজি?" জয়নব (রা.) লজ্জায় লাল হয়ে মুচকি হাসলেন, যা তার সম্মতির লক্ষণ ছিল। তাদের বিয়ে হলো এবং তারা সুখে সংসার করতে লাগলেন। তাদের ঘরে দুই সন্তান—আলী ও উমামা জন্মগ্রহণ করল।

যখন রাসূল (সা.) নবুওয়ত ঘোষণা করলেন, তখন আবুল আস সফরে ছিলেন। ফিরে এসে তিনি জানতে পারলেন তার স্ত্রী মুসলমান হয়ে গেছেন। জয়নব (রা.) তাকে ইসলামের দাওয়াত দিলেন, কিন্তু আবুল আস রাজি হলেন না। তিনি বললেন, "আমি চাই না লোকে বলুক যে আমি বউয়ের কথায় বাপ-দাদার ধর্ম ছেড়েছি।"

জয়নব (রা.) বললেন, "আমি তোমার স্ত্রী, আমি তোমাকে সাহায্য করব যতক্ষণ না তুমি সত্যের পথে আসো।" তিনি ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করলেন।

হিজরতের সময় জয়নব (রা.) মক্কায় থেকে গেলেন। বদর যুদ্ধে আবুল আস কাফেরদের পক্ষে যুদ্ধ করতে এসে মুসলিমদের হাতে বন্দি হলেন। তার মুক্তির জন্য জয়নব (রা.) মুক্তিপণ হিসেবে তার মায়ের (খাদিজা রা.) সেই গলার হারটি পাঠালেন, যা তিনি বিয়ের সময় উপহার পেয়েছিলেন।

রাসূল (সা.) সেই হারটি দেখে কেঁদে ফেললেন। তিনি সাহাবিদের বললেন, "তোমরা যদি রাজি থাকো, তবে এই লোকটিকে মুক্তি দাও এবং তার হারটি ফেরত দাও।" সাহাবিরা রাজি হলেন। রাসূল (সা.) আবুল আসকে শর্ত দিলেন যে মক্কায় গিয়ে তিনি জয়নবকে মদিনায় পাঠিয়ে দেবেন। আবুল আস কথা রাখলেন।

জয়নব (রা.) মদিনায় চলে এলেন, কিন্তু আবুল আস মক্কায় রয়ে গেলেন। দীর্ঘ ৬ বছর ধরে জয়নব (রা.) তার স্বামীর অপেক্ষায় রইলেন এবং অন্য কোনো বিয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করলেন না।

৬ বছর পর, আবুল আস ব্যবসার কাফেলা নিয়ে সিরিয়া যাওয়ার পথে মুসলিম বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেন এবং তার মালামাল বাজেয়াপ্ত হলো। তিনি পালিয়ে রাতের আঁধারে জয়নব (রা.)-এর দরজায় কড়া নাড়লেন। জয়নব (রা.) তাকে দেখে খুশি হলেন কিন্তু জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি মুসলমান হয়ে এসেছ?" আবুল আস বললেন, "না, আমি পালিয়ে এসেছি।"

তবুও জয়নব (রা.) তাকে আশ্রয় দিলেন। ফজরের নামাজের পর তিনি ঘোষণা করলেন, "আমি আবুল আসকে আশ্রয় দিয়েছি।" রাসূল (সা.) সাহাবিদের বললেন, "তোমরা যদি তার মাল ফেরত দাও এবং তাকে ছেড়ে দাও, তবে আমি খুশি হব।" সাহাবিরা তার মাল ফেরত দিলেন।

আবুল আস তার মাল নিয়ে মক্কায় ফিরে গেলেন এবং সবার পাওনা বুঝিয়ে দিলেন। এরপর তিনি প্রকাশ্যে কালিমাহ পড়ে মুসলমান হলেন। তিনি বললেন, "আমি মদিনায় থাকতেই ইসলাম গ্রহণ করতে পারতাম, কিন্তু তখন লোকে ভাবত আমি হয়তো মাল বাঁচানোর জন্য মুসলমান হয়েছি।"

তিনি মদিনায় ফিরে এলেন এবং রাসূল (সা.)-এর কাছে জয়নব (রা.)-কে ফিরে পাওয়ার অনুমতি চাইলেন। রাসূল (সা.) জয়নব (রা.)-এর সম্মতি নিয়ে তাদের আবার বিবাহ দিলেন। ( কিছু বর্ণনা অনুসারে পূর্বের বিয়ে যেহেতু বহাল ছিল, তাই নতুনভাবে বিয়ের প্রয়োজন হয়নি।)

এই পুনর্মিলনের মাত্র এক বছর পর জয়নব (রা.) ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুতে আবুল আস (রা.) এত কেঁদেছিলেন যে রাসূল (সা.) তাকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন। আবুল আস বলেছিলেন, "ইয়া
রাসূলাল্লাহ! জয়নবকে ছাড়া এই দুনিয়া আমার কাছে অর্থহীন।" এর এক বছর পরেই আবুল আস (রা.)-ও ইন্তেকাল করেন।

ঘটনাটির শিক্ষনীয় দিক,
১. সত্যের জন্য ভালোবাসার মানুষটিকেও ছাড়তে হয় (জয়নব রা. এর হিজরত)।
২. ধৈর্য ও দোয়ার ফল মিষ্টি হয় (আবুল আস রা. এর ইসলাম গ্রহণ)।
৩. ওয়াদা রক্ষা এবং আমানতদারিতা মানুষকে সত্যের পথে আনে।

রেফারেন্স:সহীহ বুখারী, সুনানে আবু দাউদ, মুসনাদে আহমাদ, সীরাতে ইবনে হিশাম, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া।

আমি সমুদ্রতীরে এক পরহেজগার ব্যক্তিকে দেখলাম, যাঁর শরীরে বাঘের থাবার গভীর ক্ষত ছিল। কোনো ওষুধেই সেই ক্ষত ভালো হচ্ছিল না।ত...
01/09/2026

আমি সমুদ্রতীরে এক পরহেজগার ব্যক্তিকে দেখলাম, যাঁর শরীরে বাঘের থাবার গভীর ক্ষত ছিল। কোনো ওষুধেই সেই ক্ষত ভালো হচ্ছিল না।

তিনি দীর্ঘকাল ধরে এই যন্ত্রণাদায়ক রোগে ভুগছিলেন। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার হলো, এত কষ্টের মধ্যেও তিনি সবসময় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে বলতেন, "আলহামদুলিল্লাহ।"

লোকেরা তাঁকে জিজ্ঞেস করল, "আপনি এই কঠিন বিপদেও কিসের শুকরিয়া আদায় করছেন?"

দরবেশ উত্তর দিলেন, "আমি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করছি এই জন্য যে, তিনি আমাকে একটি 'মুসিবত' (বিপদ/রোগ) দিয়েছেন, কিন্তু কোনো 'মা’সিয়াত' (পাপ বা গুনাহ) দেননি।"

অর্থাৎ, শারীরিক রোগের চেয়ে অন্তরের পাপ অনেক বড় বিপদ। আল্লাহ তাঁকে পাপ থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন, এটাই তাঁর কাছে বড় পাওয়া।

আল্লাহওয়ালারা শারীরিক কষ্টের চেয়ে গুনাহ নিয়ে বেশি চিন্তিত থাকেন। তাঁদের কাছে বিপদ–আপদ শাস্তি নয়, বরং গুনাহ মাফের একটি উসিলা। সুখে-দুঃখে, স্বাচ্ছন্দ্যে-সংকটে, সব অবস্থাতেই তাঁরা আল্লাহর ফয়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকেন।

📖 গুলিস্তাঁ
✒️ আল্লামা শেখ সা’দী রহ.

🌙 মেহমানের হক ও আল্লাহর বরকত: আলী (রাঃ)-এর নিঃস্বার্থ দান 🥖মদীনায় তখন চলছিল তীব্র দুর্ভিক্ষ। নবী পরিবারে দেখা দিয়েছিল চ...
01/09/2026

🌙 মেহমানের হক ও আল্লাহর বরকত: আলী (রাঃ)-এর নিঃস্বার্থ দান 🥖

মদীনায় তখন চলছিল তীব্র দুর্ভিক্ষ। নবী পরিবারে দেখা দিয়েছিল চরম অভাব। হযরত আলী (রাঃ)-এর ঘরে টানা কয়েক দিন যাবৎ প্রায় কিছুই রান্না হয়নি। ছোট্ট হাসান (রাঃ) ও হোসাইন (রাঃ) ক্ষুধায় কাতর হয়ে কাঁদছিলেন, আর হযরত ফাতেমা (রাঃ) নিজেও না খেয়ে থেকে সন্তানদের সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন।

আল্লাহর মেহমান

এমন সময় সন্ধ্যার দিকে, এক অজানা গরিব মুসাফির তাঁদের দরজায় এসে টোকা দিলেন। তিনি আরজি জানালেন:
“আসসালামু আলাইকুম! আমি একজন মুসাফির, পথে পথে ঘুরছি, ক্ষুধায় মরে যাচ্ছি। আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে একটু আশ্রয় ও খাবার দিন।”

দারিদ্র্য সত্ত্বেও হযরত আলী (রাঃ) তাঁকে সাদরে ভিতরে নিয়ে এলেন এবং হাসি মুখে বললেন: “স্বাগতম হে আল্লাহর মেহমান! আজ তুমি আমাদের ঘরে আল্লাহ পাঠিয়েছেন। বসো, এখনই খাবারের ব্যবস্থা করছি।”

তিনি ফাতেমা (রাঃ)-কে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন: “আজ আমাদের ঘরে কী আছে?”

ফাতেমা (রাঃ) লজ্জিত হয়ে বললেন: “ইয়া আলী! মাত্র ছয় মুঠি যবের আটা আর একটু তেল আছে। এতেই সারা দিন হাসান-হোসাইনকে কোনোমতে চুপ করিয়েছি।”

জামা বন্ধক রেখে আতিথেয়তা

হযরত আলী (রাঃ) এক মুহূর্ত দ্বিধা করলেন না। তিনি বললেন, “তুমি ওই আটা দিয়ে রুটি তৈরি করো। আমি একটু বেরোচ্ছি।”

তিনি নিজের পরনের একমাত্র মূল্যবান জামা (বা বর্ম) নিয়ে বেরিয়ে গেলেন। এক ইহুদি ব্যবসায়ীর কাছে গিয়ে জামাটি বন্ধক রেখে ছয় দিরহাম নিলেন। তারপর সেই অর্থ দিয়ে বাজার থেকে কিছু মাংস, কিছু খেজুর ও অন্যান্য জিনিস কিনে দ্রুত ফিরে এলেন।

ঘরে এসে ফাতেমা (রাঃ) রুটি তৈরি করে ফেলেছিলেন। হযরত আলী (রাঃ) মাংস রান্না করে, খেজুর সাজিয়ে দিলেন।

খাবার টেবিলে বসার সময় তিনি মেহমানকে সবচেয়ে ভালো ভালো খাবার তুলে দিলেন। নিজে, ফাতেমা (রাঃ) এবং বাচ্চারা শুধু শুকনো রুটি আর পানি খেলেন।

মেহমান বারবার বলতে লাগলেন, “আপনারা খান না কেন?” হযরত আলী (রাঃ) হেসে বললেন, “আমরা আগেই খেয়েছি। আপনি নিশ্চিন্তে খান।”
মেহমান পেট ভরে খেয়ে তৃপ্তির সাথে দোয়া করে বিদায় নিলেন।

আল্লাহর ওপর ভরসা

মেহমান চলে যাওয়ার পর ফাতেমা (রাঃ) চোখে জল নিয়ে বললেন: “ইয়া আলী! বাচ্চারা সারা দিন না খেয়ে কাঁদছিল। আপনি নিজের জামা বন্ধক রেখে মেহমানকে খাওয়ালেন, কিন্তু আমরা ও বাচ্চারা আজও না খেয়ে শুতে হবে!”

হযরত আলী (রাঃ) ফাতেমা (রাঃ)-এর হাত ধরে অত্যন্ত শান্ত ও প্রফুল্ল কণ্ঠে বললেন:

“ইয়া ফাতিমা! আল্লাহর কসম করে বলছি, যে শান্তি ও তৃপ্তি আজ আমার অন্তরে এসেছে একজন মুসাফিরকে আপ্যায়ন করে, তা দুনিয়ার সব খাবার, সব সম্পদ দিয়েও কেনা যায় না। আল্লাহ যিনি আমাদের মেহমান পাঠিয়েছেন, তিনিই আমাদের রিজিক দেবেন। আমরা তাঁর মেহমানকে খাওয়াতে পেরেছি, এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় ভাগ্য।”

অলৌকিক প্রতিদান

ঠিক এই সময় দরজায় একের পর এক টোকা পড়ল। আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে সাহায্য আসতে শুরু করল:

একজন ব্যক্তি এসে বললেন, “ইয়া আলী! আমার কাছে অনেক খাবার আছে, আল্লাহ আপনাদের জন্য পাঠিয়েছেন। গ্রহণ করুন।”

আরেকজন এসে বললেন, “আমি আপনার জামা মুক্ত করে এনেছি, এবং আরও কিছু দিরহাম নিয়ে এসেছি।”

তৃতীয়জন এসে বললেন, “আমি একটি উটের গোশত ও খেজুর নিয়ে এসেছি।”

এভাবে আল্লাহ তা'আলা সেই রাতেই তাঁদের ঘর ভরে দিলেন।
হযরত আলী (রাঃ) ফাতেমা (রাঃ)-কে হেসে বললেন: “দেখলে, যে আল্লাহ মেহমান পাঠান, তিনিই রিজিক পাঠান।”

শিক্ষা:
আল্লাহর মেহমানকে প্রাধান্য দেওয়া এবং নিজের প্রয়োজন উপেক্ষা করে ত্যাগ স্বীকার করাই হলো আসল বরকত ও শান্তি লাভের উপায়। আল্লাহর পথে করা কোনো ত্যাগই বৃথা যায় না। (আমিন)

১০টি ভিন্ন সূরার আয়াত১️⃣ সূরা আল-ফাতিহা (১:৫)আরবি:إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُবাংলা উচ্চারণ:ইয়্যাকা না‘বুদু ...
01/09/2026

১০টি ভিন্ন সূরার আয়াত

১️⃣ সূরা আল-ফাতিহা (১:৫)

আরবি:
إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ

বাংলা উচ্চারণ:
ইয়্যাকা না‘বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন

অর্থ:
আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি এবং শুধু তোমারই সাহায্য চাই।

পড়ার উপকারিতা:
• তাওহিদ ও আল্লাহর ওপর নির্ভরতা দৃঢ় হয়
• নামাজে খুশু ও আন্তরিকতা বাড়ে
• সাহায্য চাওয়ার সঠিক আদব শেখায়

২️⃣ সূরা আল-বাকারা (২:৩৮)

আরবি:
فَمَن تَبِعَ هُدَايَ فَلَا خَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَا هُمْ يَحْزَنُونَ

বাংলা উচ্চারণ:
ফামান তাবি‘আ হুদায়া ফালা খাওফুন ‘আলাইহিম ওয়া লা হুম ইয়াহযানূন

অর্থ:
যারা আমার হিদায়াত অনুসরণ করবে, তাদের কোনো ভয় নেই এবং তারা দুঃখিত হবে না।

পড়ার উপকারিতা:
• ভয় ও দুশ্চিন্তা দূর হয়
• ঈমানের পথে দৃঢ় থাকতে শক্তি দেয়
• অন্তরে প্রশান্তি আসে

৩️⃣ সূরা আলে ইমরান (৩:২৬)

আরবি:
تُؤْتِي الْمُلْكَ مَن تَشَاءُ وَتَنزِعُ الْمُلْكَ مِمَّن تَشَاءُ

বাংলা উচ্চারণ:
তু’তিল মুলকা মান তাশা-উ ওয়া তানযি‘উল মুলকা মিম্মান তাশা-উ

অর্থ:
তুমি যাকে ইচ্ছা রাজত্ব দাও এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজত্ব কেড়ে নাও।

পড়ার উপকারিতা:
• অহংকার দূর হয়
• ক্ষমতা ও রিজিক আল্লাহর হাতে—এই বিশ্বাস গড়ে ওঠে
• ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতা বৃদ্ধি পায়

৪️⃣ সূরা আন-নিসা (৪:১১০)

আরবি:
وَمَن يَعْمَلْ سُوءًا أَوْ يَظْلِمْ نَفْسَهُ ثُمَّ يَسْتَغْفِرِ اللَّهَ

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া মান ইয়া‘মাল সূ-আন আও ইয়াযলিম নাফসাহু সুম্মা ইয়াসতাগফিরিল্লাহ

অর্থ:
যে ব্যক্তি পাপ করে বা নিজের ওপর জুলুম করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়—

পড়ার উপকারিতা:
• তাওবার প্রতি আগ্রহ বাড়ে
• গুনাহের হতাশা দূর হয়
• আল্লাহর ক্ষমার আশা জাগে

৫️⃣ সূরা আল-মায়িদা (৫:২)

আরবি:
وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া তা‘আওয়ানূ ‘আলাল বিররি ওয়াত তাকওয়া

অর্থ:
সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে তোমরা পরস্পর সহযোগিতা করো।

পড়ার উপকারিতা:
• সমাজে ভালো কাজের অনুপ্রেরণা দেয়
• গুনাহের কাজে জড়ানো থেকে রক্ষা করে
• পারস্পরিক সম্পর্ক সুন্দর হয়

৬️⃣ সূরা আল-আন‘আম (৬:১৬২)

আরবি:
إِنَّ صَلَاتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلَّهِ

বাংলা উচ্চারণ:
ইন্না সালাতী ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়ায়া ওয়া মামাতী লিল্লাহ

অর্থ:
নিশ্চয়ই আমার নামাজ, কোরবানি, জীবন ও মৃত্যু—সবই আল্লাহর জন্য।

পড়ার উপকারিতা:
• জীবনের উদ্দেশ্য পরিষ্কার হয়
• রিয়া ও লোকদেখানো থেকে বাঁচায়
• ইখলাস বৃদ্ধি পায়

৭️⃣ সূরা আল-ইসরা (১৭:৭০)

আরবি:
وَلَقَدْ كَرَّمْنَا بَنِي آدَمَ

বাংলা উচ্চারণ:
ওয়া লাক্বাদ কাররামনা বানী আদাম

অর্থ:
নিশ্চয়ই আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি।

পড়ার উপকারিতা:
• আত্মমর্যাদা ও মানবিকতা জাগ্রত করে
• অন্যকে হেয় করা থেকে বিরত রাখে
• মানুষ হিসেবে দায়িত্ব স্মরণ করায়

৮️⃣ সূরা আল-ইনশিরাহ (৯৪:৫–৬)

আরবি:
فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا

বাংলা উচ্চারণ:
ফা ইন্না মা‘আল ‘উসরী ইউসরা

অর্থ:
নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।

পড়ার উপকারিতা:
• হতাশা দূর করে
• বিপদে আশা ও ধৈর্য দেয়
• মনকে শক্ত রাখে

৯️⃣ সূরা আজ-জুমার (৩৯:৫৩)

আরবি:
لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ

বাংলা উচ্চারণ:
লা তাকনাতূ মিন রাহমাতিল্লাহ

অর্থ:
আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হয়ো না।

পড়ার উপকারিতা:
• বড় গুনাহের পরও আশার আলো দেয়
• শয়তানের হতাশা দূর করে
• তাওবার পথে ফিরতে সাহায্য করে

🔟 সূরা আল-ইখলাস (১১২:১–২)

আরবি:
قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ
اللَّهُ الصَّمَدُ

বাংলা উচ্চারণ:
কুল হুয়াল্লাহু আহাদ
আল্লাহুস সামাদ

অর্থ:
বলুন, তিনি আল্লাহ—এক ও অদ্বিতীয়।
আল্লাহ অমুখাপেক্ষী।

পড়ার উপকারিতা:
• তাওহিদ বিশুদ্ধ করে
• ঈমান মজবুত করে
• বহু হাদিস অনুযায়ী সওয়াব বৃদ্ধি পায়

* ছোট ছোট ফজিলতপূর্ণ আমলসমূহসুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার –প্রতিদিন ৩৩ বার করে বলা।> রাসূলবলেছেন:“যে ব্যক্...
01/09/2026

* ছোট ছোট ফজিলতপূর্ণ আমলসমূহ

সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার –
প্রতিদিন ৩৩ বার করে বলা।

> রাসূলবলেছেন:
“যে ব্যক্তি নামাজের পর এই তিনটি যিকর পড়ে, তার
গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার
সমান হয়।”
(সহিহ মুসলিম)

ইস্তেগফার করা (আস্তাগফিরুল্লাহ বলা)
> গুনাহ মাফ হয়, রিযিক বৃদ্ধি পায়, দুঃখ-কষ্ট দূর হয়।
(সূরা নূহ: ১০-১২)

দরূদ শরীফ পড়া
> একবার দরূদ পাঠে দশটি রহমত নাযিল হয়, দশটি
গুনাহ মাফ হয়, দশটি মর্যাদা বৃদ্ধি পায়।
(তিরমিজি)

)
'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলা
> এটি জান্নাতের চাবি।
(সহিহ মুসলিম)

অন্যকে সালাম দেওয়া ও সুন্দর আচরণ করা
এতে ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়, জান্নাতে প্রবেশের আমল।
(মুসলিম)

মসজিদে প্রথমে গিয়ে নামাজ পড়া
> প্রতিটি কদমে একটি করে গুনাহ মাফ ও একটি মর্যাদা
বৃদ্ধি
(বুখারি ও মুসলিম)

হাসি মুখে থাকা ও কাউকে কষ্ট না দেওয়া
> রাসূল বলেছেন: “তোমার হাসি তোমার ভাইয়ের
জন্য সদকা।”
(তিরমিজি)

সকালে ও সন্ধ্যায় দোয়া পড়া
> সারাদিন নিরাপত্তা ও প্রশান্তি আসে।
সুরা ইখলাস ৩ বার পড়া

> কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান সওয়াব।
(বুখারি)

অল্প খাওয়া, অল্প ঘুম, অল্প কথা বলা
অন্তরকে নরম করে, আল্লাহর নিকটে নিয়ে যায়।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিশ্চয়ই আমাদের দোয়া কবুল করবেন ইনশাআল্লাহ ইয়া আল্লাহু   ইয়া রহমানুইয়া রাহিমু   ইয়া রাব্বানা ইয়া ...
01/09/2026

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন নিশ্চয়ই আমাদের দোয়া কবুল করবেন ইনশাআল্লাহ

ইয়া আল্লাহু ইয়া রহমানু
ইয়া রাহিমু ইয়া রাব্বানা
ইয়া মালিকু ইয়া কুদ্দুসু
ইয়া সালামু ইয়া মুমিনু
ইয়া মুহাইমিনু ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম

ইয়া জুল জালালি ওয়াল ইকরাম

ইয়া মালিকাল মুলকি

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ।

আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি ।
আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি ।
আস্তাগফিরুল্লা হাল্লাজী লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলাইহি ।

আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহীম ।
আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহীম ।
আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহীম ।

সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আযীম

রাব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইল্লাম তাগফিরলানা, ওয়াতারহামনা লানা কু-নান্না মিনাল খাসিরীন ।

বিসমিল্লাহ। সুবহা’নাল্লাহ। আলহা’মদুলিল্লাহ। লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ। আল্লাহু আকবার। আল্লাহুম্মা ছল্লি ও সাল্লিম আ’লা নাবিয়্যিনা মুহা’ম্মদ। সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম।
⭕লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ’দাহু লা শারীকালাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হা’মদু, ওয়া হুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়িং ক্বাদীর।
⭕লা- ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহা’নাকা, ইন্নি কুংতু মিনায-যোয়ালিমিন।
⭕ইয়া রহ’মানুর রহী’ম! তুমি আমার আগের ও পরের, প্রকাশ্য এবং গোপন, সগীরা এবং কবীরা, ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় সমস্ত গুনাহ মাফ করে দাও।
⭕হে আল্লাহ! তুমি আমাকে কবরের আজাব, জাহান্নামের শাস্তি, দুনিয়ার ফেতনা এবং মৃত্যুর ফেতনা এবং দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচাও।
⭕ইয়া হা’ইয়্যু, ইয়া ক্বাইয়্যুম! তুমি আমাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করো এবং আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচাও।
⭕ইয়া যাল-যালালি ওয়াল-ইকরাম তুমি আমাকে ঈমানের সহিত, নেককার অবস্থায় এমন সময় মৃত্যু দান করো, যখন তুমি আমার উপরে সন্তুষ্ট। হে আল্লাহ! তুমি আমার হিসাব সহজ করো।
⭕হে আল্লাহ তুমি ক্ষমাশীল! ক্ষমা করতে তুমি ভালোবাসো। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করো।
⭕হে আল্লাহ তুমি আমাকে উপকারী জ্ঞান, সমস্ত রোগ-ব্যাধি হতে শিফা ও কবুল করা হয় এমন নেক আমল করার তওফিক দান করো।
⭕হে আল্লাহ! তুমি আমাকে হেদায়েত, তাক্বওয়া, পবিত্রতা ও স্বচ্ছলতা দান করো।
⭕হে অন্তর পরিবর্তন করার মালিক! তুমি আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপরে স্থির রাখো।
⭕হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার যিকির, তোমার শুকরিয়া ও সুন্দরভাবে তোমার ইবাদত করতে সাহায্য করো।
⭕হে দয়াময় আল্লাহ! তুমি আমাকে অহংকার, খিয়ানত, ঋণ এবং সমস্ত প্রকার পাপাচার থেকে মুক্ত অবস্থায় মৃত্যু দান করো।
⭕হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ও আমার পরিবারকে দুনিয়া ও আখেরাতের নিরাপত্তা দান করো এবং আমাদেরকে কুফুরী, শিরক, অশ্লীলতা ও পাপাচার থেকে হেফাজত করো।
⭕হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করো, আমার প্রতি রহম করো, আমাকে হেদায়েত দান করো, আমার সমস্ত ক্ষয়-ক্ষতি পূরণ করে দাও, আমাকে নিরাপত্তা দান করো, আমাকে রিযিক্ব দান করো এবং আমার মর্যাদা বাড়িয়ে দাও।
⭕হে আল্লাহ! আমার জানা অবস্থায় তোমার সাথে শিরক করা থেকে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। আর আমার অজানা অবস্থায় কোন শিরক করে ফেললে তার জন্য তোমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
⭕হে আমাদের রব্ব! তুমি আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো, আমাদেরকে আখেরাতের কল্যাণ দান করো। আর আমাদেরকে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচাও।
⭕হে আমার রব্ব! তুমি আমার পিতা-মাতার প্রতি রহম করো, যেমনিভাবে তারা আমার ছোটবেলায় আমার প্রতি রহম করেছিলো।
⭕হে আমাদের রব্ব! আমাদের সন্তানদেরকে আমাদের চক্ষুর জন্য শীতলতা দানকারী বানাও।
⭕হে আমাদের রব্ব! তুমি আমাকে, আমার পিতা-মাতাকে ও আমার আগের ও পরের সমস্ত মুমিন নারী ও পুরুষদেরকে ক্ষমা করো।
⭕ইয়া হা’ইয়্যু! ইয়া ক্বাইয়্যুম! আমি তোমার রহমতের আশা করি। সুতরাং, তুমি এক মুহূর্তের জন্য আমাকে আমার নিজের উপরে ছেড়ে দিওনা। তুমি আমার সমস্ত বিষয় সংশোধন করে দাও। তুমি ছাড়া আর কোন সত্য উপাস্য নেই।
⭕ইয়া রাহমান, ইয়া রহিম, ইয়া গাফুর, ইয়া সাত্তার, ইয়া আজিজু, ইয়া মুজিবু, আল্লাহ তোমার সুন্দর সুন্দর নামের উচিলায়, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ, তাওহিদের উচিলায় আল্লাহ আমার অসম্ভব চাওয়া কে তুমি সম্ভব করে দাও। তুমি তো হও বললে হয়ে যায়, ইয়া রাব্বুল আলামিন। তোমার রাজ্যের আমরাই তো ভিখারি, ফিরিয়ে দিওনা আল্লাহ। রহমত দান করো ইয়া রাব্বি।।
⭕ইয়া আল্লাহ তোমার তাওহীদের কালেমা-"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" এর উসিলায়.......তুমি আমাকে কবুল করে নাও তোমার দিনের পথে, যে পথে চললে তুমি খুশি হও এবং আমার জন্য দু'জাহানের কল্যাণকর হয় তা আমাকে দান কর । তোমার নূরের আলোতে আমার কলুষিত হৃদয়কে হেদায়েত দিয়ে দ্বীনের পথে পরিচালিত কর ইয়া রাব্বী ।
⭕হে আল্লাহ তুমি ছাড়া আমার মনের নেক আশা কেউ পূরন করতে পারবে না । ইয়া আল্লাহুম্মা আমার হৃদয়ে প্রশান্তি দিন। আমার সংসারে সুখ শান্তি দিন। আমার প্রিয়জনদের দেখে যেন আমার চক্ষু শীতল হয়।হে মহান আরশের মালিক ইয়া আল্লাহ তোমার এই পবিত্র নাম গুলোর উছিলায় তুমি আমার মনের পবিত্র আশা গুলো ও মনের সকল নেক চাওয়া গুলো খুব দ্রুত কবুল করে নাও, আমি যে বড় বেশি অসহায় তোমার করুণা ছাড়া।
⭕ ইয়া আল্লাহ!!আমি জানিনা অতীতে কতটা পাপ করেছি, কতো ভুল করেছি জেনে না-জেনে, কত মানুষকে কষ্ট দিয়েছি, কত ওয়াক্ত নামাজ কাজা করেছি, কার কার নামে গীবত করেছি, কার কার নামে সমালোচনা করেছি, কত কি দেখে হিংসা করেছি! আসতাগফিরুল্লাহ্।
⭕ ইয়া আল্লাহ!! আপনি এখন আমাকে এমনভাবে তৈরি - করুন যাতে এসব থেকে আস্তে আস্তে মুক্তি পেতে পারি। আমাকে আলোর পথ দেখান, আমার মনে ইসলামের প্রেম বাড়িয়ে দিন। আমার মনে আল্লাহ ও তার রাসুলের প্রতি ভালবাসা এনে দিন। ইসলামকে জানার ইচ্ছা বাড়িয়ে দিন।
⭕ ইয়া আল্লাহ!! কোনো বিপদ আসার আগেই আমাকে তা থেকে রক্ষা করুন। আমাকে বদনজর থেকে রক্ষা করুন। আমাকে পাপ থেকে দূরে থাকার তৌফিক দান করুন।
⭕ ইয়া আল্লাহ, আমার ঈমান বৃদ্ধি করে দিন, আমার মনকে নরম বানিয়ে দিন, আমাকে বেশি বেশি তওবা করার তৌফিক দিন। আমাকে হেদায়েত দান করুণ।
⭕হে আমার রব..!
হয়তো আমার বাক্যগুলো এলোমেলো। হয়তো নিজের চাওয়াটুকু বোঝাবার মতো যথার্থ শব্দ খুঁজে পেতে আমি ব্যর্থ। হতে পারে আমার চিন্তাগুলোও বিচ্ছিন্ন।🖤
⭕কিন্তু মালিক, আপনি তো অন্তরের ভাষাও বুঝেন। মুখ যা উচ্চারণ করতে ব্যর্থ হয়, হৃদয় যা সাজিয়ে নিতে হিমশিম খায়— এসবের কোনোকিছুই আপনার অজানা নেই।
⭕আমি শব্দের অভাবে, বাক্য-বিন্যাসের অপটুতায়, চিন্তার অসামঞ্জস্যতায় যা বলতে পারছি না তা আপনি ইতোমধ্যেই জানেন। সুতরাং— আমার ব্যর্থতাকে আপনার দয়া দ্বারা পরিবেষ্টন করে, আমার অন্তরের চাওয়াটুকু পূরণ করে দিন।🧡

আমিন 🤲🤲

Address

Miami, FL
33032

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wisdom Islamic TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Wisdom Islamic TV:

Share

GREETINGS

Assalamualikum,

Welcome to my page . My videos are created to spread the message of Islam, answering misconceptions and making inspiring content for all to benefit from.

আসসালামু আলাইকুম,

আমার ফেসবুক পেজ এ আপনাকে স্বাগতম, আমার ভিডিওগুলি ইসলামের বাণী ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য, ভুল ধারণার জবাব দেওয়ার জন্য এবং সকলের উপকারের জন্য অনুপ্রেরণামূলক সামগ্রী তৈরি করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।