Syed Joy

Syed Joy “From vision to reality. Grateful always”
🇧🇩⚖️ -> 👮‍♂️🇺🇸
Alhamdulillah. Minnesota 💜

Hayat Joy is an Assistant Director in Bangladesh Film Development Corporation (BFDC) & also Chief Assistant Director at VEP squad

বাঙালি মূলত দুইটা জিনিস চায়:১. America-এর ধ্বংস ❌২. America-এর ভিসা 🫦
07/28/2026

বাঙালি মূলত দুইটা জিনিস চায়:
১. America-এর ধ্বংস ❌
২. America-এর ভিসা 🫦

দুষ্প্রাপ্য টাইগার ড্রিংকস যখন মিনিসোটাতে পেলাম প্রায় ৫ বছর পর 🇺🇸বন্ধু নিশানের নতুন গ্রোসারি স্টোর থেকে মেরে দিলাম 😜
07/28/2026

দুষ্প্রাপ্য টাইগার ড্রিংকস যখন মিনিসোটাতে পেলাম প্রায় ৫ বছর পর 🇺🇸
বন্ধু নিশানের নতুন গ্রোসারি স্টোর থেকে মেরে দিলাম 😜

🇺🇸
07/28/2026

🇺🇸

07/28/2026

Currently in Government Security Division. 🇺🇸
Studying for Police Academy.
Building my future in law enforcement. 👮‍♂️

মাঝে মাঝে ভাবি, আজ যদি বাংলাদেশেই থেকে যেতাম, তাহলে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পরও হয়তো কত বছর চাকরির জন্য অপেক্ষা করতে হতো, ...
07/26/2026

মাঝে মাঝে ভাবি, আজ যদি বাংলাদেশেই থেকে যেতাম, তাহলে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পরও হয়তো কত বছর চাকরির জন্য অপেক্ষা করতে হতো, সেটা একমাত্র আল্লাহই ভালো জানেন।

আমার এসএসসি বা এইচএসসির রেজাল্ট কখনোই অসাধারণ ছিল না। কোনো পরীক্ষাতেই A+ পাইনি, বরং অনেকের তুলনায় রেজাল্ট আরও সাধারণ ছিল। কিন্তু একটা জিনিস ছিল, স্বপ্ন দেখার সাহস।

সেই সাহস নিয়েই IELTS দিলাম, ইন্টারভিউ দিলাম, স্টুডেন্ট ভিসা পেলাম, তারপর একা একা দেশের বাইরে পা রাখলাম। তখন সবকিছুই আমার কাছে স্বপ্নের মতো লাগত।

আল্লাহর অশেষ রহমতে দেশে থাকতেই ক্রিমিনাল জাস্টিস নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। মজার বিষয় হলো, এসএসসি ও এইচএসসির তুলনায় বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার ফলাফল সবসময়ই অনেক ভালো ছিল। আর যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর থেকে প্রতিটি সেমিস্টারে 4.0 GPA ধরে রাখার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।

আমি খুব মেধাবী ছিলাম, এমন দাবি কখনো করব না। তবে একটা জিনিস কখনো করিনি, হাল ছেড়ে দিইনি। যত বাধাই এসেছে, পরিশ্রম করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছি। এখনও করছি, কারণ আমি জানি শেখার কোনো বয়স নেই। মানুষ চাইলে সারাজীবনই নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলতে পারে।

এখন ফুলটাইম সরকারি চাকরি করছি, পাশাপাশি পড়াশোনাও চালিয়ে যাচ্ছি। নিজের উপার্জনের টাকা দিয়েই প্রতি সেমিস্টারে ৭–৮ লাখ টাকা টিউশন ফি দিই। বাসা ভাড়া, গাড়ির খরচ, দৈনন্দিন জীবন—সবকিছু সামলে তেমন সঞ্চয় থাকে না।

অনেকে দেশ থেকে জিজ্ঞেস করেন,
“বিদেশে ৫ বছর হয়ে গেল, এখনো কোনো ফ্ল্যাট কিনলে না? জমি কিনলে না? পরিবারকে লাখ লাখ টাকা পাঠাও না কেন?”

এর উত্তর খুব সহজ।

আমি এখানে মূলত পড়াশোনা করতে এসেছি। ভালো একটি ডিগ্রি অর্জন করাই আমার প্রথম লক্ষ্য। কারণ আমি স্টুডেন্ট ভিসায় এসেছি। আমার উপার্জনের একটি বড় অংশ নিজের শিক্ষার পেছনেই বিনিয়োগ করতে হয়। পরিবারের ওপর টিউশন ফি নিয়ে কোনো মানসিক চাপ দিতে চাই না।

আমি জানি, আমার মতো হাজারো ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্টের গল্পও প্রায় একই রকম। বাইরে থেকে হয়তো সবাই শুধু চাকরি আর ডলারের হিসাবটা দেখে, কিন্তু এর পেছনের পরিশ্রম, ত্যাগ আর দায়িত্ব অনেকেই দেখতে পায় না।

তবুও আমি বিশ্বাস করি, সুযোগ থাকলে দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষার জন্য চেষ্টা করা উচিত। দেশ যেকোনো হতে পারে। এরপর কঠোর পরিশ্রম আর আল্লাহর ওপর ভরসা—এই দুটোই সবচেয়ে বড় শক্তি।

আজ ভাবলে ভালো লাগে, দেশে থাকলে হয়তো এখনও চাকরির পেছনে ছুটতে হতো। অথচ আল্লাহর অশেষ রহমতে আমেরিকায় মাত্র ২২ বছর বয়সেই সরকারি চাকরি শুরু করার সুযোগ পেয়েছি।

জীবনের শুরুটা কেমন ছিল, সেটা নয়; শেষ পর্যন্ত আপনি হাল ছেড়েছেন কি না, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আলহামদুলিল্লাহ। 🤍

Address

Minneapolis, MN

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syed Joy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Syed Joy:

Shortcuts

Share

Category