American Bangla TV

American Bangla TV This page is based on Bangladeshi American people and their life, culture, jobs, business, entertain
(1)

01/10/2026

মিনেসোটার মিনিয়াপোলিসে আইস বিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে উত্তেজনা বেড়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বর্ডার প্যাট্রোল এক নারীকে আটক করতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় এবং আশপাশের লোকজনকে “পিছিয়ে যান” বলে সতর্ক করতে শোনা যায়।

এই উত্তেজনার পেছনে মূল কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে দক্ষিণ মিনিয়াপোলিসে সাম্প্রতিক একটি ঘটনার রেশ। সেখানে ফেডারেল ইমিগ্রেশন অপারেশনের সময় এক আইস এজেন্টের গুলিতে ৩৭ বছর বয়সী রেনি গুড (Renee Good) নিহত হন। ঘটনার বিভিন্ন ভিডিও সামনে আসার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ আরও জোরালো হয়েছে এবং মিনিয়াপোলিসেও সমাবেশ ও মিছিল বাড়ে।

ঘটনার ব্যাখ্যা নিয়ে ফেডারেল ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এক নয়। ফেডারেল পক্ষ বলছে, এজেন্ট আত্মরক্ষায় গুলি করেছেন। অন্যদিকে স্থানীয় নেতারা তদন্তে স্বচ্ছতা এবং তথ্য প্রকাশের দাবি তুলেছেন। একই সঙ্গে তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে রাজ্য ও ফেডারেল সংস্থাগুলোর মধ্যে টানাপোড়েনের কথাও উঠে এসেছে।

এ অবস্থায় মিনিয়াপোলিসে নিরাপত্তা উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে, আর বিক্ষোভকারীরা বলছেন তারা অভিবাসন অভিযান, আটক-পদ্ধতি এবং বলপ্রয়োগ নিয়ে জবাবদিহি চাইছেন। পরিস্থিতি দ্রুত বদলাতে পারে, তাই স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অফিসিয়াল আপডেট অনুসরণ করতে বলা হচ্ছে।

01/10/2026

American Bangla TV এর সাথে আপডেটেড থাকুন। কমিউনিটি নিউজের পাশাপাশি বাংলাদেশী পরিবার, কর্মজীবী, ছাত্রছাত্রী ও ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পর্কিত আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ খবরও আমরা তুলে ধরি। এখনই ফেসবুকে ফলো করুন American Bangla TV পেজ।
Stay informed with American Bangla Tv. We cover community news plus key U.S. updates that affect Bangladeshi families, workers, students, and businesses. Follow now American Bangla Tv page on Facebook.

আমেরিকায় আমরা অনেক সময় একটা কথা বলি। ওরা তো পাবলিক বেনিফিট পায়, আর আমরা পাই না। এই কথার ভেতরে কষ্ট আছে, রাগ আছে, দিনরাত ...
01/09/2026

আমেরিকায় আমরা অনেক সময় একটা কথা বলি। ওরা তো পাবলিক বেনিফিট পায়, আর আমরা পাই না। এই কথার ভেতরে কষ্ট আছে, রাগ আছে, দিনরাত খেটে ক্লান্ত হওয়ার ব্যথা আছে। কিন্তু ভাই, আগে আসল কথাটা বুঝতে হবে। আমেরিকা উন্নত দেশ হলেও, ইউরোপ, কানাডা বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোর তুলনায় পাবলিক বেনিফিট দেওয়ার দিক থেকে আমেরিকা আসলে অনেক পিছিয়ে। উন্নত দেশগুলোর মধ্যে এটি এমন এক দেশ, যেখানে সরকারি সহায়তা কম আর নিয়ম সবচেয়ে বেশি কড়া।

ইউরোপের অনেক দেশে হাসপাতাল, ডাক্তার, ওষুধ প্রায় ফ্রি বা খুব কম খরচে পাওয়া যায়। চাকরি হারালে সরকার কিছুদিন নিয়ম করে বেকার ভাতা দেয়। বাচ্চা থাকলে চাইল্ড বেনিফিট দেয়। ইনকাম কম হলে বাসা ভাড়ায় সাহায্য করে। বয়স হলে পেনশন নিশ্চিত করে। এসব দেশের মানুষ বেশি ট্যাক্স দেয় ঠিকই, কিন্তু তার বদলে সরকার মানুষের জীবনের বড় দায়িত্ব নেয়। সেখানে কেউ বেকার হলে সমাজ তাকে ব্যর্থ বলে না।

কানাডা আর অস্ট্রেলিয়াতেও অবস্থা প্রায় এমনই। স্বাস্থ্যসেবা সহজ, বেকার ভাতা আছে, বাচ্চাদের জন্য সহায়তা আছে। আবার কাজ করার ওপরও জোর দেওয়া হয়। জাপান আর কোরিয়ার মতো দেশেও জাতীয় স্বাস্থ্য বীমা আছে, বৃদ্ধদের সহায়তা আছে। মানে এসব দেশে মানুষ যেন একেবারে পড়ে না যায়, সেটার ব্যবস্থা রাষ্ট্র করে রাখে।

এবার আমেরিকার কথায় আসি। এখানে হাসপাতাল ফ্রি না। ইন্স্যুরেন্স না থাকলে একবার ডাক্তার দেখাতেই বড় অঙ্কের টাকা লাগে। Medicaid, SNAP, Housing এসব আছে ঠিকই, কিন্তু নিয়ম এত কড়া যে অনেকেই যোগ্য হয় না। ইনকাম একটু বাড়লেই বাদ পড়ে যায়। অনেক জায়গায় ওয়েটিং লিস্ট বছরের পর বছর। আর ইমিগ্র্যান্টদের জন্য তো শর্ত আরও কঠিন। অনেক ক্ষেত্রে পাঁচ বছর না হলে কিছু সুবিধার কথা চিন্তাই করা যায় না।

এই জন্য যারা আমেরিকায় কিছু বেনিফিট পায়, তারা খুব বড় কিছু পাচ্ছে এমন ভাবার দরকার নেই। বেশিরভাগ সময় তারা শুধু ন্যূনতমভাবে বেঁচে থাকার মতো সাহায্য পায়। এর সঙ্গে থাকে কাগজপত্রের ঝামেলা, নিয়মের চাপ, রিপোর্ট দেওয়ার ভয়, সবসময় অনিশ্চয়তা। কেউ শখ করে এই জীবন বেছে নেয় না।

আবার যারা বেনিফিট পায় না, তারা কোনোভাবেই ব্যর্থ না। বরং তারা কাজ করছে, ট্যাক্স দিচ্ছে, পরিবার চালাচ্ছে। সিস্টেম তাদের বলছে, তুমি এখন নিজেরটা চালাতে পারছ, তাই এই সহায়তা তোমার জন্য না। এটা লজ্জার কিছু না। এটা সক্ষমতার চিহ্ন।

সমস্যা হয় তখনই, যখন আমরা রাগটা সিস্টেমের ওপর না করে আরেকজন গরিব মানুষের ওপর করি। যে মানুষটা বেনিফিট পাচ্ছে, সে অনেক সময় অসুস্থ, বয়স্ক, প্রতিবন্ধী, বা জীবনের কঠিন অবস্থার মধ্যে আছে। তাকে দেখে হিংসা করলে কোনো লাভ নেই। এতে কমিউনিটি ভাঙে, মানুষে মানুষে দূরত্ব বাড়ে।

সত্যি কথা হলো, আমেরিকায় পাবলিক বেনিফিট ইউরোপের মতো বেশি না। বরং কম। নিয়ম কড়া, জীবনযাত্রার খরচ বেশি। তাই এখানে আমাদের একে অন্যকে দোষ না দিয়ে বাস্তবটা বুঝে চলা দরকার।

আজ কারও দরকার ছিল, সে পেয়েছে। কাল আপনার বা আমার দরকার হতে পারে। জীবন কারো হাতে থাকে না। তাই হিংসা নয়, মানবিক হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। বিচার করার চেয়ে বোঝা আর সাহায্য করা বড়। আর যদি কিছু অন্যায় মনে হয়, সেটা নিয়ে কথা বলুন সিস্টেমের নিয়ম নিয়ে, কোনো গরিব মানুষকে লক্ষ্য করে নয়।

শেষ কথা একটাই। আমরা সবাই একই কমিউনিটির মানুষ। কেউ দাঁড়িয়ে আছে, কেউ পড়ে গেছে। কিন্তু মানুষ হয়ে থাকতে পারলে, একদিন সবাই আবার উঠে দাঁড়াতে পারে।

01/08/2026

মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপলিসে ফেডারেল ইমিগ্রেশন সংস্থা আইস (ICE) পরিচালিত একটি অভিযানের সময় গুলিতে এক নারী নিহত হয়েছেন। নিহত নারীর নাম রেনে নিকোল গুড (Renee Nicole Good), বয়স ৩৭ বছর। ঘটনার কিছু ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে এবং তা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেডারেল কর্তৃপক্ষের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এটি আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা ছিল। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে একটি গাড়ি নিয়ে এজেন্টদের জন্য তাৎক্ষণিক ঝুঁকি তৈরি হয়েছিল। তবে স্থানীয় পর্যায়ে এ ঘটনার বর্ণনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। মিনিয়াপলিসের মেয়র জ্যাকব ফ্রেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শহর এ ধরনের অভিযানের জন্য অনুরোধ করেনি এবং তিনি ফেডারেল কর্মকর্তাদের কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন। স্থানীয় পুলিশ প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, তারা যে ভিডিও দেখছেন তা ফেডারেল বর্ণনার সঙ্গে পুরোপুরি মিলছে না।

মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়াল্জ ঘটনাটিকে “গভীরভাবে উদ্বেগজনক” বলে উল্লেখ করেন। তিনি শান্ত থাকার আহ্বান জানালেও বলেন, রাজ্য পর্যায়ে বিষয়টি পূর্ণভাবে পর্যালোচনা করা হবে এবং তদন্তের মাধ্যমে সত্য বের করার চেষ্টা করা হবে। এদিকে ঘটনাটি ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপট হিসেবে মিনেসোটায় চলমান বড় পরিসরের একটি ফেডারেল অভিযানও আলোচনায় এসেছে, যা কর্তৃপক্ষ “ফ্রড” দমন অভিযান বলছে। তবে স্থানীয় নেতৃত্বের একটি অংশের আশঙ্কা, এমন অভিযানে উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং জননিরাপত্তা আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। ঘটনায় নিহত নারীর মৃত্যুর পরিস্থিতি ও দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে তদন্তের ফলাফলের দিকেই এখন সবার নজর।

01/07/2026
কয়েকদিন পরেই যুক্তরাষ্ট্রে ট্যাক্স সিজন শুরু হতে যাচ্ছে। এই সময় অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন কোন ট্যাক্স ফরমটি কখন এবং কেন ...
01/07/2026

কয়েকদিন পরেই যুক্তরাষ্ট্রে ট্যাক্স সিজন শুরু হতে যাচ্ছে। এই সময় অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন কোন ট্যাক্স ফরমটি কখন এবং কেন ব্যবহার করতে হয়। বাস্তবতা হলো, সব ফরম সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। আপনার আয়, চাকরি, ব্যবসা, বিনিয়োগ বা পারিবারিক অবস্থার উপর নির্ভর করে প্রয়োজনীয় ফরম ভিন্ন হতে পারে।
এখানে যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ ট্যাক্স ফরম এবং সেগুলোর ব্যবহার সহজভাবে তুলে ধরা হলো।

1️⃣ Form W-2

চাকরিজীবীদের জন্য। বছরে কত বেতন পাওয়া হয়েছে এবং কত ট্যাক্স কাটা হয়েছে, তার বিবরণ থাকে।

2️⃣ Form 1040

ব্যক্তিগত ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার মূল ফরম।

3️⃣ Form 1099

ফ্রিল্যান্স, কনট্রাক্ট কাজ বা চাকরির বাইরে পাওয়া আয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে প্রচলিত ধরন হলো 1099-NEC।

4️⃣ Form 1040-ES

যারা ফ্রিল্যান্সার, স্বনিযুক্ত বা ব্যবসায়ী, তাদের জন্য Estimated Tax পরিশোধের ফরম।

5️⃣ Form 941

এমপ্লয়ারদের জন্য। কর্মচারীদের Payroll Tax ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে রিপোর্ট করতে হয়।

6️⃣ Form 4868

ট্যাক্স ফাইল করার সময় বাড়ানোর (Extension) আবেদন করার ফরম।
এটি ফাইল করার সময় বাড়ায়, ট্যাক্স দেওয়ার সময় নয়।

7️⃣ Form 1098

বাড়ির ঋণের (Mortgage) বিপরীতে কত সুদ পরিশোধ করা হয়েছে, তার বিবরণ।

8️⃣ Form 1095

হেলথ ইন্স্যুরেন্স কভারেজ সংক্রান্ত তথ্যের ফরম।

9️⃣ Form 1098-T

কলেজ বা ইউনিভার্সিটির Tuition ও শিক্ষা খরচ সংক্রান্ত তথ্যের ফরম।

🔟 Form 2555

বিদেশে উপার্জিত আয়ের জন্য Foreign Earned Income Exclusion দাবি করতে ব্যবহৃত হয়।
(এটি বিদেশে আয় সংক্রান্ত সঠিক ফরম)

1️⃣1️⃣ Form 1065

Partnership ব্যবসার ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন।

1️⃣2️⃣ Form 1120

C-Corporation এর ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন।

1️⃣3️⃣ Form 1120-S

S-Corporation এর ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন।

1️⃣4️⃣ Form 8949

স্টক, ক্রিপ্টোকারেন্সি বা অন্যান্য Capital Asset বিক্রির লাভ–ক্ষতির হিসাব দেখাতে ব্যবহৃত হয়।

1️⃣5️⃣ Form 709

Gift Tax Return। বড় অঙ্কের উপহার দিলে এই ফরম প্রয়োজন হয়।

1️⃣6️⃣ Form 706

Estate Tax Return। মৃত্যুর পর সম্পত্তি সংক্রান্ত ট্যাক্স রিপোর্ট করতে ব্যবহৃত হয়।

1️⃣7️⃣ Form 1040-X

আগে জমা দেওয়া ট্যাক্স রিটার্নে ভুল থাকলে তা সংশোধন (Amended Return) করার ফরম।

ℹ️ গুরুত্বপূর্ণ নোটঃ সব ট্যাক্স ফরম সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। তাই প্রয়োজন হলে অভিজ্ঞ ট্যাক্স প্রফেশনালের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে নিরাপদ।

যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ও ব্যবসা ভিসা (B1/B2) আবেদনে নতুন শর্ত আরোপ ক...
01/07/2026

যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের নাগরিকদের জন্য পর্যটন ও ব্যবসা ভিসা (B1/B2) আবেদনে নতুন শর্ত আরোপ করেছে। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের ঘোষিত Visa Bond Pilot Program–এর আওতায় বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা পেতে হলে ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত আর্থিক জামানত (ভিসা বন্ড) দিতে হতে পারে।

স্টেট ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই নিয়ম ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে। তবে এই জামানত সব আবেদনকারীর জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাধ্যতামূলক নয়। ভিসা ইন্টারভিউয়ের সময় আবেদনকারীর ভ্রমণ ইতিহাস, ঝুঁকি মূল্যায়ন ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করে কনস্যুলার অফিসার সিদ্ধান্ত নেবেন জামানত প্রয়োজন হবে কিনা এবং এর পরিমাণ কত হবে।

কীভাবে দিতে হবে জামানত
এই অর্থ কোনো এজেন্ট বা তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে নয়। কেবলমাত্র কনস্যুলার অফিসারের নির্দেশ পাওয়ার পর মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের সরকারি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম Pay.gov–এর মাধ্যমে সরাসরি জমা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

টাকা ফেরত ও বাজেয়াপ্ত হওয়ার শর্ত
স্টেট ডিপার্টমেন্ট জানায়, কেউ যদি ভিসার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ত্যাগ করেন অথবা ভিসার মেয়াদে ভ্রমণ না করেন, তাহলে জামানতের অর্থ ফেরত দেওয়া হবে।
তবে নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান করলে (Overstay) অথবা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে স্ট্যাটাস পরিবর্তন কিংবা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করলে এই অর্থ বাজেয়াপ্ত হতে পারে।

কেন এই সিদ্ধান্ত
মার্কিন কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, কিছু দেশের ক্ষেত্রে ভিসা ওভারস্টে ও নিয়মভঙ্গের হার তুলনামূলক বেশি হওয়ায় অবৈধ অবস্থান কমানো ও ভিসা ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতেই এই পাইলট প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে।

পরীক্ষামূলক উদ্যোগ
Visa Bond Pilot Program একটি পরীক্ষামূলক উদ্যোগ। ভবিষ্যতে এর আওতা, শর্ত কিংবা দেশের তালিকায় পরিবর্তন আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট।

সূত্র: U.S. Department of State (travel.state.gov)

পাঁচটি ডেমোক্র্যাট-নেতৃত্বাধীন রাজ্যে সামাজিক সেবা ও শিশু-সেবা খাতে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ফেডারেল অর্থায়ন স্থগিত করেছে...
01/06/2026

পাঁচটি ডেমোক্র্যাট-নেতৃত্বাধীন রাজ্যে সামাজিক সেবা ও শিশু-সেবা খাতে ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি ফেডারেল অর্থায়ন স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, ইলিনয়, মিনেসোটা ও নিউ ইয়র্ক এই পাঁচ রাজ্যের জন্য TANF, CCDF এবং Social Services Block Grant কর্মসূচির অর্থ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, আশঙ্কা রয়েছে যে এসব তহবিলের একটি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক নন এমন ব্যক্তিদের কাছে অবৈধভাবে পৌঁছেছে।

স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ (HHS) জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অর্থ ছাড় করা হবে না। এর মধ্যে শুধু TANF কর্মসূচি থেকেই প্রায় ৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার, শিশু-সেবা তহবিল থেকে ২.৪ বিলিয়ন ডলার এবং সামাজিক সেবা ব্লক গ্রান্ট থেকে ৮৬৯ মিলিয়ন ডলার আটকে রাখা হচ্ছে।

মিনেসোটায় আগে থেকেই খাদ্য ও সামাজিক সেবা খাতে বড় অঙ্কের জালিয়াতির অভিযোগে একাধিক মামলা চলছে। সেই প্রেক্ষাপটেই এই সিদ্ধান্তকে কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবে দেখছে ফেডারেল প্রশাসন।

অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে দরিদ্র পরিবার ও শিশুদের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে এবং বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে।

এ বিষয়ে পাঁচ রাজ্যের গভর্নরদের দপ্তর থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য আসেনি।

সূত্র: Fox News | New York Post | Axios | U.S. Department of Health and Human Services (HHS)

01/06/2026

Funny Animation video .

জনপ্রিয় লেখক সঞ্জিব চৌধুরীর একটা উক্তি মনে পড়ে গেলো-“ পরিচিত কারো খুব বড় ধরনের বিপদ হয়েছে! বাঙালির জন্য এর চেয়ে খুশির...
01/05/2026

জনপ্রিয় লেখক সঞ্জিব চৌধুরীর একটা উক্তি মনে পড়ে গেলো-“ পরিচিত কারো খুব বড় ধরনের বিপদ হয়েছে! বাঙালির জন্য এর চেয়ে খুশির খবর আর কিইবা হতে পারে!”
আপনাদের কি মনে আছে সেই কৃষকের গল্প, দরবেশ যাকে খুশি হয়ে বর দিয়েছিলো- “যা চাইবি তাই পাবি, কিন্তু তুই যা পাবি- তোর প্রতিবেশী ডবল পাবে।” একথা শুনে কৃষক চেয়েছিলো তার একটি চোখ অন্ধ করে দাও যেনো সব প্রতিবেশীর ডবল চোখ অন্ধ হয়ে যায়।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরকারী সুবিধা নেয়া অভিবাসীদের দেশের একটি তালিকা পোস্ট করেছেন। তিনি যে তালিকাটি শেয়ার করেছেন, সেটি নিয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এই তালিকাটিতে দেখা যাচ্ছে :
আমেরিকার বাইরে অন‍্যদেশে জন্ম নেওয়া অভিবাসী পরিবারগুলোর মধ্যে কত শতাংশ পরিবার জীবনের কোনো এক পর্যায়ে “কোনো একটি সরকারি সহায়তা” গ্রহণ করেছে।

সংবাদমাধ্যমের দায়িত্ব শুধু সংখ্যা ছাপানো নয়। দায়িত্ব হলো সেই সংখ্যার পেছনের মানুষগুলোকে দেখা, বোঝা এবং ন্যায্যভাবে তুলে ধরা।
কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কিছু দেশী মিডিয়া যেভাবে শিরোনাম দিচ্ছে “৫৪ শতাংশ বাংলাদেশি পরিবার আমেরিকায় সরকারি সহায়তা নেয়” এই বাক্যটি শুনলেই মনে হয় যেন একটি পুরো জনগোষ্ঠীকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হচ্ছে।
এই শিরোনাম সত্যের চেয়ে অর্ধসত্য বেশি। আর অর্ধসত্য অনেক সময় পুরো মিথ্যার চেয়েও ভয়ংকর। তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৯ নম্বরে। তার উপরে আরো ১৮ টি জাতিগোষ্ঠির নাম রয়েছে। প্রথমে যে নামটি আছে সেই জাতি বা গোষ্ঠীর সর্বোচ্চ ৮১.৪% পর্যন্ত পরিবার এই সুবিধা কখনও নিয়েছে বা নেয় এমন তথ্যও আছে।

তাছাড়া এই তালিকা সব বাংলাদেশি আমেরিকানের নয়। তারা কখন সুবিধা পেয়েছে, কতদিন পেয়েছে, কেন পেয়েছে, এখনো পায় কি না, এই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর সেখানে নেই।
বাংলাদেশি অভিবাসীদের ইতিহাসটা কি কেউ মনে রাখে না!
কেউ এসেছেন যুদ্ধের পর, কেউ এসেছেন দারিদ্র্য পেরিয়ে,কেউ এসেছেন সন্তানদের ভবিষ্যতের আশায়, কেউ এসেছেন জীবন বাঁচাতে।
এই মানুষগুলো আমেরিকার রাস্তায় ট্যাক্স দেন, দোকান চালান, হাসপাতালের শিফটে কাজ করেন, রাত জেগে গাড়ি চালান, সন্তানদের পড়ান। সেই শ্রমের কথা কোনো তালিকায় আসে না।
একটি সাময়িক সহায়তা নেওয়াকে যদি লজ্জা বানানো হয়, তবে সমাজের মানবিক ভিত্তিটাই প্রশ্নের মুখে পড়ে। সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা তো এই কারণেই আছে, যেন মানুষ দাঁড়াতে পারে, হাঁটতে পারে, আবার নিজের পায়ে ভর দিতে পারে। ধরুন বাংলাদেশের কেউই এই সহায়তা নিলো না। তাহলে কি অন‍্য কোনো জাতি এটা নেয়া থেকে বিরত থাকবে? এখানে বাংলাদেশীদেরকে হাইলাইট করার কি আছে?
বাংলা সমাজ সবসময় সম্মানের কথা বলে, আত্মমর্যাদার কথা বলে। সেই সমাজের মানুষদের নিয়ে লেখা হলে কলমেরও মর্যাদা থাকা উচিত।
সংবাদ যদি মানুষকে ছোট করে, বিভক্ত করে, সন্দেহের চোখে দেখায় তবে সেই সংবাদ সত্য হলেও ন্যায়বান থাকে না।
আমরা সংখ্যা নয়, মানুষ হতে চাই। আমরা অপবাদ নয়, সম্মান চাই।আমরা দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চাই, যেখানে শিরোনাম মানুষের বিরুদ্ধে নয়, মানুষের পাশে দাঁড়ায়।
এইটুকুই দাবি।

Address

Queens
New York, NY
11416

Telephone

+17187672245

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when American Bangla TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to American Bangla TV:

Share