Moner Kotha

Moner Kotha ভাইরাল ঘটনা, গল্প, ফান, ট্রেন্ডিং সব আপডেট পেতে " Moner Kotha" পেজের সাথে থাকুন।

জামাতে ইসলাম ক্ষমতায় আসলে এদেশের নারীরা পোশাকের স্বাধীনতা হারাবে: তনি
02/21/2026

জামাতে ইসলাম ক্ষমতায় আসলে এদেশের নারীরা পোশাকের স্বাধীনতা হারাবে: তনি

পাঁচ বছর পর অবশেষে আমার স্বামী আরব আমিরাত থেকে দেশে আসবেন। ফেরার আগে অগ্রিম কিছু টাকা পাঠিয়েছিল—শুধু একটা জিনিস কেনার জ...
02/17/2026

পাঁচ বছর পর অবশেষে আমার স্বামী আরব আমিরাত থেকে দেশে আসবেন। ফেরার আগে অগ্রিম কিছু টাকা পাঠিয়েছিল—শুধু একটা জিনিস কেনার জন্য।

👉 সেই জিনিসটা হলো এই সোফা।
কিন্তু প্রথম দেখাতেই আমার মন খারাপ হয়ে গেল।
কারণ? এখানে তো বসতে পারে মাত্র একজন মানুষ!

ভাবছিলাম নেব না।
কিন্তু তিন তলার ভাবিকে জিজ্ঞেস করতেই উনি হাসিমুখে বললেন,
“ভালো জিনিস আপা, নিতে পারেন।”

আর তার থেকেও বড় কথা, স্বামীর ইচ্ছে—
যা না মানার কোনো উপায়ই নেই। 💙

তাই অবশেষে কিনেই ফেললাম।
এখন বলো তো বন্ধুরা, কেমন লাগছে এটা তোমাদের কাছে? আর কেমন লাগছে আমাকে?

বিকিনি পরা কখনোই অশালীনতা নয়,বিশ্বের অনেক দেশেই এটা পরিবারের সামনেই পরা হয় :মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ,তানজিয়া জামান মিথিলা
02/14/2026

বিকিনি পরা কখনোই অশালীনতা নয়,বিশ্বের অনেক দেশেই এটা পরিবারের সামনেই পরা হয় :মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ,তানজিয়া জামান মিথিলা

প্রাক্তন প্রেমিকের এর ঋণ কিভাবে শোধ করা যায় কেউ বলতে পারেন?আমি কিছু দিন ধরে প্রচন্ড আত্নগ্লানিতে ভুগছি। নিজেকে দুনিয়ার স...
01/13/2026

প্রাক্তন প্রেমিকের এর ঋণ কিভাবে শোধ করা যায় কেউ বলতে পারেন?
আমি কিছু দিন ধরে প্রচন্ড আত্নগ্লানিতে ভুগছি। নিজেকে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় বেঈমান নারী
বলে মনে হচ্ছে।

আমি রাজশাহী ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করতাম। সে তখন রুয়েটে পড়াশোনা করত। সেই সময় রুয়েট রাজশাহী বিআইটি নামে পরিচিত ছিল। ২০০১ সালে আমাদের প্রথম সম্পর্ক শুরু হয়।

সম্পর্কে যাবার পরে সে আর আমাকে টিউশনি করতে দেয় নাই রেজাল্ট খারাপ হবে বলে। সে নিজে টিউশনি করে একটা ভাল আয় করত। আমাকে সে মাসে ১৫০০-২০০০ টাকা করে দিত । সেই সময়ে ১৫০০ টাকা অনেক মূল্য ছিল। গরুর মাংশের কেজি ছিল ৭০ টাকা সেই সময়ে। তার অর্থতেই আমি অনার্স পড়া শেষ করি।
এরপর আমি বাড়ি চলে যাই। আর সে আমেরিকা যাবে বলে ঢাকায় চলে যায়। গ্রামের একটা হাইস্কুলে আমি শিক্ষিকা হিসাবে নিয়োগ পাবার চেষ্টা করি কিন্ত কমিটি ৫০ হাজার চায়। আমার বাবা ৩৫ হাজার টাকা ম্যানেজ করে দেয়। বাকি ১৫০০০ টাকা সে দিয়েছিল, তার সখের ক্যামেরাটি বিক্রি করে।

আমাদের সম্পর্কটা ছিল স্বামী স্ত্রীর মত অতি ঘনিষ্ঠ অন্তরঙ্গ। কখনো কল্পনা করে নাই যে আমি তাকে ভিন্ন অন্য কাওকে বিয়ে করব। কিন্ত ভাগ্য ছিল অন্যরকম। আমার পরিবার খুবই রাগী এবং এক কথার মানুষ । আমাকে না জানিয়েই আমার বিয়ে ঠিক করে ফেলেন। এরপর হঠাৎ করে একদিন সন্ধ্যায় এসে পাত্রপক্ষ আমাকে আংটি পড়িয়ে যায়। গ্রামের সমাজে বিয়ের দিন তারিখ ঠিক হবার পরে মেয়ে পালিয়ে গেলে পরিবারের সন্মান নষ্ট হয়। আমি যদি সেদিন তার কাছে পালিয়ে যেতাম তবে আমার ছোট বোনদের কেও আর বিয়ে করত না। পরিবারের সন্মান রক্ষায় আমি ভালবাসাকে কবর দিয়ে বাবা মায়ের ইচ্ছায় বিয়ে করে নেই।
সে এই ঘটনা জানতে পেরে সুইসাইড এটেম্পট নিয়েছিল। তবে আল্লাহর ইচ্ছায় সে বেচে যায়। এরপর সে আমেরিকা চলে যায় জিআরই এক্সামে দিয়ে। এরপর লম্বা ১৫ বছর আমি আর তার কোন খোজ রাখে নাই। খোজ রাখার মত মুখ আমার ছিল না।
গত বছর আমার ছোট মেয়ের হার্টে ছিদ্র ধরা পড়ে এবং ভারত নিয়ে যাবার দরকার হয় হার্টে অপরেশন করার জন্য। সেই সময়ে আমি ও আমার স্বামী অর্থনৈতিক ভাবে অনেক টানাপোড়নের মধ্যে পড়ি। এরমধ্যে একদিন দেখি যে কে যেন আমার ডাচ বাংলা ব্যাংকের একাউন্টে আড়াই লক্ষ টাকা পাঠিয়েছে। খোজ নিয়ে জানতে পারি যে তিনি হলেন আমার এক্সের রুমমেট। তার রুয়েটের রুমমেট বাসা আমাদের এলাকায় হওয়ায়, তার মাধ্যমে আমার মেয়ের কথা জানতে পেরে টাকা পাঠিয়েছে ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার যোগাড় করে ।
বহু বছর পরে যখন তার সাথে কথা হল তখন সে শুধু বলল , " এরকম একটা মেয়ের স্বপ্ন তো আমরা দেখতাম। ভাগ্যে নাই , তাই হই নাই। তোমার মেয়ে আমার কাছেও মেয়ের মতই।"
আমি শুধু কেদেছি। একজন মানুষ কিভাবে এত ভাল হয়? কিভাবে এতটা ভালবাসে? কিভাবে এত বড় বেঈমানীর পরেও ক্ষমা করে দেয়? আমি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে তার স্ত্রীর সম্পর্কে। সে শুধু বলল, " আমার স্ত্রী অনেক ভাল মেয়ে কিন্ত আমি তাকে ভালবাসতে পারি নাই। তার সাথে সংসার রুটিন ওয়ার্কের মত। এক মনে দুজনকে ভালবাসা যায় না"
সত্য বলতে আমিও আমার স্বামীকে একটুও ভালবাসতে পারি নাই যদিও আমার স্বামী খুবই ভাল মানুষ। আসলে প্রথম ভালবাসার পরে জীবনে বিয়ের মাধ্যমে অন্য যারা আসে তাদের সাথে সম্পর্কটা রুটিন ওয়ার্কের মতই হয়। আজকে ৪ টা জীবন একটা ভুল সিদ্ধান্তে বলি হচ্ছে।
সে আমার কাছে অর্থ বিচারে হয়ত ৬-৭ লক্ষ টাকা পাবে সব মিলিয়ে। এই টাকা সে কখনো নিবে না। আর এই টাকা ফেরত দিলেও তার ঋণ শোধ হবে না। আমার বিবেক আমাকে প্রতি ক্ষণে হ/ত্যা করছে। মুক্তির উপায় কি কেউ বলবেন প্লিজ ?

লেখায় - রেসমা হায়াত

মা কে একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম,আচ্ছা মা আমার স্বাধীনতা কোথায়?উত্তরে বললেন, এখন কিসের স্বাধীনতা। বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে যা ...
01/06/2026

মা কে একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম,আচ্ছা মা আমার স্বাধীনতা কোথায়?
উত্তরে বললেন, এখন কিসের স্বাধীনতা। বিয়ের পর স্বামীকে নিয়ে যা ইচ্ছে তাই করবে, স্বাধীনতা খুঁজে নেবে!

একদিন ভোরে স্বামীকে জিজ্ঞেস করলাম- আচ্ছা মেয়েদের কি স্বাধীনতা নেই? সখ আহ্লাদ নেই?

উত্তর একটাই বিয়ের আগে যা করেছো করেছো এখন করা যাবে না। লোকে কি বলবে? ছেলে-মেয়েদের মানুষের মতো মানুষ করো, পরে যা ইচ্ছে করতে পারবে!!

আমার ছেলের বয়স কুড়িতে পা দিলো। বললাম আচ্ছা বাছা মায়েদের স্বাধীনতা কোথায়? বলতে পারিস??
ছেলে আমার মস্ত বড় গম্ভীর মুখে উত্তর দিলো হেসে-
বললো,
এখন কি আর ওই বয়স আছে নাকি যা ইচ্ছে করবে?অনেক কিছুই করেছো জীবনে এবার আমাদের মতো করে চলার চেষ্টা করো।

জানেন আপনি?
মেয়ে মানুষের স্বাধীনতা হয় না, ঘর হয় না, তারা মানিয়ে নিতে নিতে আর স্বার্থের সবটুকু দিতে দিতে মৃ-ত্যু-ব-র-ণ করে!!!............একজন মায়ের মুখে শোনা গল্প.....

সত্যিই আমরা কেন এভাবে ভাবি না! আপনাদের কার কি মতামত, কমেন্টে অবশ্যই জানাবেন প্লিজ ।

হাজবেন্ডের হঠাৎ বদলি হলো । বাসা থেকে অফিস অনেক দূরে হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু বাসাটা গ্রামে। তাই বেশ চিন্তাভাবনা করে শহরে এসে ...
01/03/2026

হাজবেন্ডের হঠাৎ বদলি হলো । বাসা থেকে অফিস অনেক দূরে হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু বাসাটা গ্রামে। তাই বেশ চিন্তাভাবনা করে শহরে এসে নতুন বাসায় উঠেছি ।

ওই বাসার তিন তলাতে এক ভাবি থাকেন। ভাবিদের আজ দ্বিতীয় বিবাহ বার্ষিকী। ভাবিদের বাসায় পৌঁছানোর পর আমি কৌতূহল বসত উনাদের বেডরুমে গেলাম। ভাবি রুমে ছিলেন।

কিন্তু আমি এই সোফাতে যখন বসতে গেলাম আমাকে নিষেধ করলেন। আমি বললাম কেন ভাবি এটাতে বসলে সমস্যা কি? উনি কিছু না বলে লজ্জা পেয়ে মনে মনে হাসলেন , আর কথাটা এড়িয়ে গেলেন ।

আমি বাসায় এসে হাজবেন্ডকে জিজ্ঞেস করলাম হাজবেন্ড বললো হয়তো বা সোফাটা ভাঙা থাকতে পারে। সে ও মনে মনে হাসলো। কিন্তু কারণটা কি? এটার রহস্য কি বুঝতে পারছি না ?আপনারা কিছু বলেন প্লিজ( ফার্নিচার group এ আপুর পোস্ট)

মধ্যবয়স্ক নারীর যৌনতা – এক নীরব নদীর মতো:মধ্যবয়সী নারীকে বাইরে থেকে দেখে কেউ বুঝতে পারে না, তার ভেতর কতটা জীবন বয়ে চলে। ...
01/02/2026

মধ্যবয়স্ক নারীর যৌনতা – এক নীরব নদীর মতো:

মধ্যবয়সী নারীকে বাইরে থেকে দেখে কেউ বুঝতে পারে না, তার ভেতর কতটা জীবন বয়ে চলে। তার মুখে হয়তো একরাশ শান্তি, চোখে একটুখানি ক্লান্তি—কিন্তু এই চেহারার ভেতরে আছে এক গভীর নদী, যেটা ধীরে ধীরে বয়ে যায়। এই নদী যেন নীরব, তবে থেমে নেই। প্রতিদিনের অভিজ্ঞতা, ভালোবাসা, হারানো-বিলুপ্ত কিছু স্মৃতি—সব মিলে তার কামনা তৈরি হয় এক নতুন রূপে, এক অনন্য ভাষায়।

এই বয়সে সে আর কারো মন জেতার জন্য হাসে না। সে নিজেকে লুকিয়ে রাখে না, সাজিয়ে তোলে না কেবল কারো নজর কাড়ার জন্য। বরং সে নিজেকে ভালোবাসে গভীরভাবে। জানে—তার শরীর ঠিক যেমন, তেমনটাই সুন্দর। তার যৌনতা এখন আর দেহের খেলায় সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে বোঝাপড়ার, সম্মান আর সংবেদনের জায়গা।

তরুণ বয়সের কামনা হঠাৎ জ্বলে ওঠে, হঠাৎ নিভেও যায়। সেখানে থাকে আবেগের ঝড়, না বুঝে ফেলার এক উন্মাদনা। কিন্তু মধ্যবয়সী নারীর কামনা অনেক বেশি ধৈর্যের, অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসের। সে জানে, কীভাবে তার শরীরের প্রতিটি প্রতিক্রিয়া বোঝে নিতে হয়। সে জানে, কখন আগলে রাখতে হয় নিজেকে, আর কখন খুলে দিতে হয় সমস্ত দরজা।

এই নারী কাউকে ছুঁতে চায়—কিন্তু ছোঁয়াটার আগে সে বোঝে নেয় সেই মানুষটার ভেতরটা। সে শুধু শরীর খোঁজে না—সে এমন একজন সঙ্গী খোঁজে, যার স্পর্শে থাকে শ্রদ্ধা, যার চোখে থাকে নিরাপত্তা। সে জানে কার পাশে ঘুমালে শান্তি নামে, আর কার পাশে থাকলে ভালোবাসা শুকিয়ে যায়।

তার কামনা আর শিশুর মতো নিষ্পাপ নয়। বরং তাতে এক ধরনের প্রাপ্তবয়স্ক মমতা থাকে, থাকে বোঝাপড়া। সে জানে কখন চাওয়া, কখন না বলা। সে জানে, ‘না’ বলাটাও নিজের প্রতি এক রকম ভালোবাসা। তার ভালোবাসা এখন আর পাগলামি নয়—তা গভীর, সযত্নে বাছাই করা, বোধসম্পন্ন।

সমাজ হয়তো ভাবে এই বয়সের নারী নিঃসাড়, নিঃস্পৃহ। কিন্তু তারা জানে না, তার ভেতরটায় প্রতিদিন ঢেউ খেলে যায়। তার চোখে জমে থাকা পুরনো গল্পের আলো ঝিলমিল করে, তার হাসিতে মিশে থাকে না বলা ভালোবাসার রেশ। এই নারী চাইলেই কারো জীবনে নীরবে ঢুকে যেতে পারে, আবার কাউকে বিদায়ও জানাতে পারে নিঃশব্দে—এক বিন্দু তিক্ততা ছাড়াই।

তার যৌনতা আজ আর কারো কাছ থেকে অনুমতি চায় না। সে নিজের শরীর, নিজের কামনা, নিজের মনের দায়িত্ব নিজেই নেয়। সে জানে—কে তার জলের গভীরে স্নান করার যোগ্য, আর কে কেবল পাথর ছুড়ে জল ঘোলা করতে চায়।

মধ্যবয়স মানে ক্ষয় নয়, সেটি এক নবজন্ম। একজন নারী এই বয়সে এসে হয়তো সবচেয়ে বেশি উজ্জ্বল হয়—যেন সন্ধ্যার আলোয় জ্বলে ওঠা দীপ, যা সারা দিনের ক্লান্তিকে শান্ত করে। তার কামনা আগুন নয়—তা আলো। তা জ্বলিয়ে দেয় না, তা গায়ে মেখে থাকে।

এক নদী, যে জানে কখন কার দিকে পথ খুলে দিতে হয়, আর কখন নিজেকে আগলে রাখতে হয়।
যে জানে, ভালোবাসা মানে কারো হাত ধরা নয়—বরং কারো হাতে নিজের হাত রাখার মতো আত্মবিশ্বাস অর্জন করা।
আমার লেখাটি কেমন লাগলো অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন প্লিজ।

✍️ বীণা রাণী

হাজবেন্ড প্রায় তিন বছর পর প্রবাস থেকে দেশে ফিরছে। এরকম সোফা নাকি তার খুব পছন্দ।কিন্তু এত বড় একটা সোফা  আর মাঝে বসার জা...
12/30/2025

হাজবেন্ড প্রায় তিন বছর পর প্রবাস থেকে দেশে ফিরছে। এরকম সোফা নাকি তার খুব পছন্দ।

কিন্তু এত বড় একটা সোফা আর মাঝে বসার জায়গা মাত্র একজনের। এজন্য আমি কেনার ব্যাপারে একদমই আগ্রহী না।

আচ্ছা এই সোফাটা কেনা কি ঠিক হবে আর এটার সুবিধা কি কি?( এক আপুর buy sell group এর পোস্ট)

তিন তলার ভাবিকে আজ বাসায় নতুন এক অদ্ভুত সোফা আনতে দেখলাম। কিন্তু যতদূর জানি, উনার স্বামী তো প্রায় তিন বছর ধরে প্রবাসে আছ...
12/30/2025

তিন তলার ভাবিকে আজ বাসায় নতুন এক অদ্ভুত সোফা আনতে দেখলাম। কিন্তু যতদূর জানি, উনার স্বামী তো প্রায় তিন বছর ধরে প্রবাসে আছেন দুবাই তে। 🤔

এই সোফাটা আসলে উনার কি কাজে কোথায় লাগতে পারে? দেখতে গিয়ে আরও অবাক হলাম, এতে তো সর্বোচ্চ একজন বসতে পারবে, তাও ঠিক মতো বসার জায়গা নেই। বসার জন্য আনা নাকি অন্য কোনো রহস্য লুকানো আছে এর ভেতরে?

বিষয়টা এতটাই কৌতূহল জাগালো যে এক আপুর ইনবক্স থেকে শোনা গল্পের মতোই মনে হলো। কেউ বলছে এটা নাকি শুধু সাজানোর জন্য, আবার কেউ বলছে ভেতরে অন্য কাজে ব্যবহার করা যায়।
তাহলে আসলেই এই সোফার আসল কাজটা কি হতে পারে?

আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হতে চললো! বাচ্চা হয়েছে মোট ৩ টা!তাই স্বাভাবিকভাবেই ১৫ বছর আগের রূপ যৌবন না থাকারই কথা!তার...
12/29/2025

আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হতে চললো! বাচ্চা হয়েছে মোট ৩ টা!তাই স্বাভাবিকভাবেই ১৫ বছর আগের রূপ যৌবন না থাকারই কথা!
তার উপর বাচ্চাগুলো সিজারিয়ান! তাই এখন আর বউ এর প্রতি আকর্ষণ নাই বললেই চলে!
বউকে এখন বুয়ার মতই লাগে!

সকাল থেকে সবগুলো বাচ্চাকে নাস্তা করাও, স্কুলে পাঠাও, ঘরের বাকী সবার নাস্তা বানাও! এরমাঝে দুপুরে খাবারের মেন্যু ঠিক করো! তারপর দুপুরের রান্না শুরু! এর মাঝে বাচ্চারা স্কুল থেকে আসা শুরু করে! আবার কাউকে নিয়েও আসতে হয়!
দুপুরের খাবারের পর্ব শেষ হতে না হতে আবার বিকেলের নাস্তা!

বাচ্চাদের পড়া, রাতের খাবার, খুচরা বাজার, অসুস্থ সদস্যদের সেবা! এভাবে অনবরত দিনরাত্রি চলে!
আর মিঃ দেখেন যে সব ঠিকঠাকমতো চলছে!
নিজের খেদমত, বাচ্চাদের দেখাশোনা, বাবা মায়ের খেদমত সবই চলছে! শুধুমাত্র সামান্য ব্যত্যয় ঘটলেই সিংহ পুরুষের গর্জন শুরু হয়! একটা সময় মনেই হয়না এই মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে পছন্দ করে ঘরে আনা হয়েছে! মনে হয়, ২/৩ টা কাজের মানুষ রাখলেই এই কাজগুলো সঠিকভাবে আঞ্জাম দেয়া যায়!

লাবণ্য হারিয়ে যাওয়া শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মহিলাটিকে আর লাস্যময়ী লাগেনা! ঘরের চাইতে বাইরে সময় কাটানোই শ্রেয় মনে হয়! যারা ধর্ম চর্চা করেন, তারা খুঁজে খুঁজে স্বামীর অধিকারের আয়াত এবং হাদীস বের করেন!
কিন্তু স্ত্রী অধিকারের আয়াত ও হাদীস এড়িয়ে চলেন।
কখনো কখনো অসহ্য বেদনায় কষ্ট মুখ দিয়ে উদগীরণ হলে সিংহ পুরুষের হুংকার - বের হয়ে যাও ঘর থেকে,
দরজা খোলা আছে!
শুধু মেয়েটি বলতে পারেনা "আমার ১৫ বছর আগের আমাকে ফেরত দাও।"

নিদারুণ বাস্তবতা থেকে কথাগুলা লিখা।এজন্য চেহারা ঢেকে দিলাম। কেমন লাগলো, পড়ার পর প্লিজ কমেন্টে জানাবেন অবশ্যই।

Address

410 W 23rd Street
New York, NY
US10011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Moner Kotha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share