বাংলা পত্রিকা Bangla Patrika

বাংলা পত্রিকা Bangla Patrika Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বাংলা পত্রিকা Bangla Patrika, Media/News Company, 36-50, 38 Street (2nd Floor), New York, NY.
(1)

Operating as usual

নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা
08/11/2020
নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্টিত - হককথা

নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা

নিউইয়র্ক: করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন পর নিউইয়র্ক বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা হ.....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=993
08/10/2020
মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন : ট্রাম্পের বিজয় নিশ্চিত করতে চায় রাশিয়া

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=993

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আর বাকি তিন মাসের মতো। এরই মধ্যে গত শুক্রবার দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এক...

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=989
08/09/2020
ভারতের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে বাংলাদেশের মুক্তি নেই : জাফরুল্লাহ

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=989

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, ভারত প্রতিদিন সীমান্তে বাংলাদেশিদে....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=983
08/09/2020
চীনের সঙ্গে উত্তেজনা, ভারতীয় সেনাদের ‘যুদ্ধের প্রস্তুতি’র নির্দেশ

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=983

চীন-ভারতের মধ্যকার উত্তেজনা যেন থামছেই না। মনে হচ্ছে ভারতীয় সেনাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিচ্ছে চীন। প্যাংগং লেকে.....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=981
08/08/2020
ভারতের সঙ্গে রক্তের, চীনের সঙ্গে অর্থের সম্পর্ক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=981

ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের রক্তের সম্পর্ক। আর চীনের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক। কোনোভাবেই এই সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার নয়।...

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=978
08/08/2020
মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা বাড়তি শূল্ক আরোপ করবে কানাডা

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=978

যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬০ কোটি ডলার মূল্যের পণ্যের ওপর বাড়তি শূল্ক আরোপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডা। কানাডা থেকে আ.....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=976
08/08/2020
বিল গেটস, ওবামাসহ ১৩০ প্রভাবশালীর ট্যুইটার হ্যাকিংয়ের মাস্টারমাইন্ড ১৭-র কিশোর

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=976

কিছু দিন ধরেই বিটকয়েন কেলেঙ্কারিতে সরগরম ট্যুইটার। হ্যাকারদের হাতের নাগালে চলে এসেছিল সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=971
08/08/2020
সেপ্টেম্বরে দেশে ফিরে বিকেএসপিতে অনুশীলন করবেন সাকিব

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=971

কদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল অল্প দিনের মধ্যে ইংল্যান্ডে বিশেষ ব্যবস্থায় অনুশীলন শুরু করবেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু বাং....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=967
08/08/2020
যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন: চীন, রাশিয়া ও ইরানের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপের অভিযোগ

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=967

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আবারও হস্তক্ষেপের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। দেশটির শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্ত....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=962
08/07/2020
নভেম্বরের মধ্যে করোনায় ৩ লাখ মৃত্যু হবে যুক্তরাষ্ট্রে

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=962

করোনায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যে সেখানে এক লাখ ৬০ হাজার কোভিড-১৯ আক্রান্ত মানুষের প্রাণহানি হয়েছে। তবে .....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=964
08/07/2020
তিন নভেম্বরের আগেই ভ্যাকসিন বাজারে আনা সম্ভব : ট্রাম্প

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=964

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগেই মহামারী করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন বাজারে আনা সম্ভব ব.....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=965
08/07/2020
যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন ২০২০ : কে এগিয়ে- ট্রাম্প না বাইডেন?

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=965

আমেরিকার ভোটাররা ৩ নভেম্বর নির্ধারণ করবেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তারা আরো চার বছরের জন্য হোয়াইট হাউজে দেখতে চান কিন....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=959
08/06/2020
বৈরুত বিস্ফোরণের কারণ এ্যামোনিয়াম নাইট্রেট কী জিনিস?

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=959

লেবাননের রাজধানী বৈরুতে মঙ্গলবারের বিস্ফোরণের ভিডিও দেখে অনেকেই বলেছেন তারা জীবনে কখনো এমন ভয়াবহ বিস্ফোরণ দেখ...

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=954
08/06/2020
মেজর সিনহা হত্যা : ওসি প্রদীপসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=954

কক্সবাজারের টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি ...

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=950
08/05/2020
করোনাভাইরাসের আড়ালে বিশ্বে বাড়ছে আরেক ভয়ঙ্কর রোগ যক্ষা

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=950

করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ব্যস্ত বিশ্বে থাবা বসাচ্ছে আরেক ভয়ঙ্কর সংক্রামক রোগ যক্ষা। যে রোগ ছড়িয়ে .....

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=946
08/05/2020
বৈরুতে বিস্ফোরণ, ‘নারকীয় ধ্বংসযজ্ঞ’ বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=946

লেবাননের রাজধানী বৈরুতের পূর্বাঞ্চলের আকাশের কালো ধোঁয়া ধীরে ধীরে পরিষ্কার হতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব...

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=944
08/05/2020
লেবাননে বিস্ফোরণে বাংলাদেশের একজন নিহত ও নৌবাহিনীর ১৯ জন আহত

http://banglapatrikausa.com/detail.php?bp=944

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় লেবাননের বৈরুতে হওয়া বিস্ফোরণে একজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বৈরুতের বাংল....

Address

36-50, 38 Street (2nd Floor)
New York, NY
11101

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলা পত্রিকা Bangla Patrika posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বাংলা পত্রিকা Bangla Patrika:

Videos

Nearby media companies


Comments

এই জগতে নতুন ফুল ফুটলো সবার শেষে, যেন হারিয়ে যেতে পারে সবার অন্তরে।
বগুরায় অবস্থিত সৈয়দ আহম্মেদ বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের মার্কেটিং বিভাগে স্নাতক শেষ বর্ষের মেধাবী ছাত্র এম. এ. রোকন। গ্রামের বাড়ি রংপুরের একটি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের শত ঝঞ্ঝা উপেক্ষা করে বেড়ে উঠছিল চঞ্চল ও দূরন্ত স্বভাবের এ ছেলেটি। তার এই ছোট্ট যাপিত জীবনে চারপাশে যা দেখেছে তাকেই সাজিয়েছে কবিতায়। নিজেকে আবিষ্কার করেছে শব্দ শ্রমিক রূপে। সময় আমাদের কখন কোন পথে প্রবাহিত করে তা আমরা কেউই জানিনা। এই সময়ের বেড়াজালে বাঁধা পড়ে ক্রমশ থমকে যাচ্ছে আমাদের আদরের ছোট ভাই এবং সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের অধিকারী এম. এ. রোকন। বর্তমানে সে সবচেয়ে কঠিন এবং নিষ্ঠুর সত্য জীবন - মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে টিকে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। বেশ কয়েক বছর ধরেই থ্যালাসেমিয়া নামক ভয়াবহ শত্রুর সাথে যুদ্ধ করছে সে। আমরা জানি না এই যুদ্ধে শেষ জয় কার; থ্যালাসেমিয়া নামক ঘাতকের নাকি একজন মানুষের! আমরা সবাই জানি, এই ধরনের যুদ্ধগুলোয় একটা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে একা টিকে থাকা অসম্ভব। তাই আমরা গুটি কয়েকজন তার পাশে দাঁড়িয়ে এই যুদ্ধে সফল হওয়ার প্রাণান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছি এবং আশা রাখছি আপনাদের প্রতি। আমাদের প্রত্যাশা এবং বিশ্বাস, রোকনের পাশে আমাদের সাথে আপনারাও থাকবেন সহযোদ্ধা হয়ে। আমাদের সবার অংশগ্রহণে আবার স্বাভাবিক জীবন ফিরে পাবে দুরন্ত, চঞ্চল কবি এম. এ রোকন। বর্তমানে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোকন রংপুর মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ এ কে এম কামরুজ্জামান এর নিকট চিকিৎসাধীন রয়েছে। ইতোমধ্যেই এই ব্যাধি কেড়ে নিয়েছে তার একটি চোখ। এখানেই শেষ নয়, রোকনের বেঁচে থাকার জন্য প্রতিমাসেই পরিবর্তন করতে হচ্ছে তার শরিরের রক্ত। এতোদিনের চিকিৎসা খরচে পরিবারটি স্বর্বশান্ত প্রায়। এমতাবস্থায়, রোকনের স্থায়ী চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। এতো বড় অংকের অর্থ তার পরিবারের পক্ষে যোগান দেওয়া যেমন সম্ভব নয় তেমনি আমরা সরাসরি তার পাশে যারা আছি তাদের পক্ষেও অসম্ভব। তাই আপনাদের স্মরণাপন্ন হয়েছি আমরা। আশা করি এই যুদ্ধে আমরা হারবো না। যারা মানুষ হিসাবে আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এই সংকটে তার পাশে স্বেচ্ছায় থাকতে চান তাদের জন্যঃ রোকনের নিজস্ব পারসোনাল বিকাশ নাম্বারঃ 01740386540 01745366258 রোকনের নিজস্ব ব্যাংক একাউন্টঃ Md. Abu Hasan Rokon Dutch Bangla Bank 7017015807053 বিঃ দ্রঃ বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো যাচ্ছে যে রোকনের নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট বা বিকাশ একাউন্ট ছাড়া অন্য কারো একাউন্টে বা মাধ্যমে কেউ কোন টাকা পাঠাবেন না। আর অতি প্রয়োজনে যদি কারো মাধ্যমে সহযোগীতা নিতে হয় তবে প্লিজ আপনার অর্থ সংক্রান্ত তথ্য ও শুকামনা সরাসরি রোকনের মোবাইল নাম্বারে কল করে জানিয়ে দেবেন। (রোকনের মেডিক্যাল রিপোর্টসহ সকল তথ্যই ইভেন্টে পাবেন। ইভেন্ট লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে) পোষ্ট ও ইভেন্ট শেয়ার করতে সবাইকে অনুরোধ করছি।
hi dear all
মাননীয় প্রধানমন্ত্রি আস্সালামুআলাইকুম। আশা করছি আপনি ভাল আছেন। অত্যন্ত পরিতাপের সহীত বিনয় সহকারে আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি য়ে কাউকে জামাত, শিবির কিংবা জঙ্গি হিসেবে সাব্যস্ত করা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করবার একটি মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, যা অতিসত্তর বন্ধ হওয়া প্রয়োজন । যাতে কোন নিরপরাধ এই অন্যায় অস্ত্রের শিকার এ পরিনত না হয় ।ইদানিংকালে আমি যত বারই আমার দর্শন অনুসারে কোন অন্যায় এর প্রতিবাদ করতে গিয়েছি প্রতিপক্ষ আমার দাড়ির দুর্বলতাকে অবলম্বন করে আমাকে ঘায়েল করবার অস্ত্র হিসেবে আমাকে জামাত শিবির কিংবা জঙ্গি হিসেবে সাব্যস্ত করার অপচেষ্টায় ব্যস্ত হয়েছে। যা একটি ফলপ্রসু এবং কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে তাদের নিকট গণ্য।মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অবগতির জন্য বিনয়সহকারে জানাতে চাই যে আমি আমার জীবনের প্রথম রাষ্ট্রিয় ভোটটি বাংলাদেশ আওয়ামিলিগকে দিয়েছি, তার মানে এই নয় যে আমি অওয়ামিলিগ এর সমর্থক কিংবা আওয়ামিলিগ এর প্রতি অনুরাগী কিংবা কোন রুপ ভালবাসা পোষন করি কিংবা করি না।অপরপক্ষে ভিন্ন কোন মত কিংবা দলের প্রতি আমার কোন রুপ বিরাগ কিংবা আক্রোস রয়েছে।তবে একেত্রে অত্যন্ত আবেগ সহকারে জানাতে চাই, আমি আমার দেশের প্রতি অত্যন্ত দুর্বল এবং তার প্রতি আমার ভালবাসা অগাধ, যার দরুন আমি তার উত্তরোত্তর দ্রততার সহীত উন্নতি কামনা করি। এক্ষেত্রে আমার যাকে যোগ্যতর মনে হয়েছে আমি তাকেই আমার সমর্থন দিয়ে এসেছি । এটি আমার ব্যক্তিগত ভাললাগা কিংবা না লাগার কোন বিষয় নয়।সুতরাং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমার আবেদন এই য়ে আমি বর্তমানে যে সমস্যার সম্মুখিন তা শুধু আমার একার সমস্যা এমন নয়, এটি হাজারও নিরপধাদ মানুষের সমস্যা যার সমাধানের দ্বিতিয় কোন স্থান কিংবা পথ আমি আমার সম্মুখে দেখতে পাচ্ছি না।যার দরুন এই নগন্য সরাসরি আপনার সরনাপন্য হাবার সাহস দেখাচ্ছি।বি:দ্র(রা্ষ্ট্র তার কার্যক্রম সুচারুরুপে পরিচালনার সার্থে যে কোন ন্যায় সঙ্গত পথ কিংবা পন্থা অবলম্বন করতে পারেন, কিন্তু তা যেন কোন ভাবেই নিরপরাধ মানুষের কষ্ট এবং যন্ত্রনার কারন না হয়)।অতএব উপরে উল্লেখিত বিষয়ের আসু সমাধানকল্পে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক উদ্যোগ কামনা করছি।(ভাষা কিংবা শব্দ চয়ন এর ত্রটি বিচ্চুতি সহানুভুতির সাথে বিবেচনার আশা করছি)। আপনার সর্বাত্তক শুভকামনায় মো: সালাউদ্দিন। তারগন্জ রংপুর।
এলোমেলো নকশার কারুকাজ --------------------------------------------- তুমি কি চলে যাবে যাও আমি বাতাসে ধরে রেখেছি ঠোঁট আঁধারে আশা হয়তো কেউ কেউ পথে বেরোয় মন ছাড়াই আমি কোথাও কখনও জয়ী হইনি কোথাও হারিনি ধারনা করা সহজ আমার ফুলের টব বাতাসে উড়ছে আমার সাদামাটা নাম যা নিয়ে খেলছে কুয়াশা সময়ের ওপর জোরাজুরি চলে না তবে জানা-অজানা কোন কিছু থেকেই আমি মুখ ফিরিয়ে নিইনে সাদা কাগজের দেখা পাওয়া কত কঠিন তুমি কি চলে যাবে যাও আমি দেখেছি শালিখের বুকের ওঠানামা সবুজ ধানে দুধ জীবন এক ভাবে গড়ে ওঠেনি জীবন এক ভাবে চলে না জীবন এক ভাবে থেমে থাকে না তুমি কি ফিরে যেতে পার তোমার নিরবতা থেকে তুমি কি বাঁচতে পার ভোরের উঠোনের আবছা ছায়া আগুনের চেয়ে কঠোর তোমার তৃতীয় চোখ তোমার পৃথিবীতে শোধ নিতে মরিয়া আমি দেখেছি একটি রাত ছিঁড়ে পড়েছে আরেকটি রাতের বোঁটা থেকে আমি দেখেছি সেই বোঁটায় পেঁচার পাখনার ছাই ছোট ব্যাথা হারিয়ে যায় বড় ব্যাথার কাছে পুরনো সকাল থেকে হঠাৎ ঘ্রাণ ছড়িয়েছে দেয়ালের লাল কালি চাষীর উঠোনে পায়রা পানপাতাদের ক্ষোভে জ্বলছে পানের বরজ ঘাস কথা বলছে শিশিরের সাথে সরষের ক্ষেতে নিচু পায়ে হাঁটছে চাঁদ মা দেখেছে মেয়ের নবিন খোঁপায় প্রজাপতি তোমার মতো আমি ওদেরও সব জেনেছি যত বাহানা তা লুকোনো হাসিতে সহায় তুমি কি চলে যাবে যাও বেঁচে থাকা খুব সহজ না পাগলামোর দাম আছে আমি বাতাসে ধরে রেখেছি ঠোঁট আঁধারে আশা হয়তো কেউ কেউ পথে নেমেছে মন ছাড়াই
কবিতা----- তোমার হৃৎপিন্ড চাই ---- আখলাকুর রহমান। তোমার দৃষ্টির বাইরে আছি আমি এই ছিলো আমার অনেক দিনের ধারণা আমি তাই আমার ইচ্ছে মতো খেলেছি প্রাণের নানা খেলায় আর যখন ইচ্ছে তখন টানা হেঁছড়া করেছি তোমাকে নিয়েও ভেবেছি আমি এখন আর যা-ই করি তা- তো থাকছে তোমার দৃষ্টির অগোচরে তোমার তো আর তা দেখার কথা না। আমি জেনেছি তুমি এখন এক ক্লান্ত পথিক নীড় হারা পাখির মতো সাথী হারা বেদনায় ঘুরে বেড়াচ্ছো এখানে ওখানে নিজের মতো করে নিত্যই এখন পরিবর্তন হচ্ছে তোমার অবস্হান তুমি এখন এক ঝরা ফুলের লাবণ্য ধারণ করে ক্রমাগত দিনাতিপাত করে যাচ্ছো চন্দ্রাবতী ! আমিও তাই হয়ে পড়েছিলাম নিঃসন্দেহ নিষ্প্রাণ হয়ে পড়েছিলো আমার সব বোধশক্তি আজ আচমকা মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেলে আমার কি করে জানি একটু বোধোদয় হলো মনে পড়ে গেলো তখন তোমার কথা তখন ভেবে দেখি এ তো বড় এক ভ্রান্তি আমার আমি যে রয়ে গেছি তোমার দু'চোখের মধ্যিখানে সেখানে একবার যখন নিয়ে ছিলাম ঠাঁই কবে কোন এক কদম ফুলের মতো কোনো এক অঝর বারিঝরা আষাঢে আর তখন থেকেই তো পাকাপাকি হয়ে যায় আমার অবস্হান তোমার দু' নয়নে। আমি এখন যেনো আর ভেবেই পাই না তোমাকে ছেড়ে কি এমন লাভ হলো আমার এ কোন কানামাছি খেলায় মত্ত থেকেছি এতো কাল এ নিয়ে তুমি কি কম গেছো, জেনেছি তুমি বারবার ফুলে ফেঁপে কাচকলার মতো হয়ে উঠেছো চন্দ্রাবতী ! আর আঙুল তুলে তুলে প্রায়ই শাসাচ্ছো আমাকে। আমি এখন ভেবেই পাই না এ দিকে কেনো একটুও ভ্রুক্ষেপ হলো না এতো দিন ধরে আমার কত আষাঢ গেলো আর শ্রাবণ এলো কত শীত গ্রীষ্ম এলো আর গেলো দেখেছি তা নীরবে কোনো এক শীতে ফিরে আসার কথা ছিলো তোমার কত জল গড়িয়ে গেলো সুরমার বুকে তুমি আজ কত পথ পেরিয়ে কেবল এখন ধারণ করে আছো ঝরা বকুলের কিছু সৌরভ আর অধরা কোনো মাধুরির রুপ মেখে তুমি কেবল আকাশের দিকে তাকিয়ে আছো চন্দ্রাবতী ! তোমাকে কি না জ্বালায় ফেলে আমি আজ কত পথ পেরিয়ে এলাম চন্দ্রাবতী ! তোমায় ফেলে কি যে আমার দীর্ঘ পথচলা আর ওদিকে তুমি এখনো ঠাঁয় দাঁড়িয়ে আছো আমার চির চেনা একজন হৃদয়ের মানুষ আর আমার অতি চেনা সে জানালার ধারে তুমি কি ঝরা ফুলের মতোন কুচকে গেছো চন্দ্রাবতী ? কবে একদিন জানি বিদায় বার্তা পাঠিয়েছি তোমাকে দুর থেকে তোমার চেনা ঠিকানায় তুমি পেলে কি না, তা আমার আর জানা হয়নি তুমি হ্যাঁ বা না এমন কোনো জবাবও দাওনি তাই ভেবেছি এতো দিনে তুমি ফুরিয়েই গেছো কিংম্বা বাক শক্তি হারিয়ে চলে গেছো অন্তরালে। বলো তখন আমার কি করার ছিলো চন্দ্রাবতী ? আমি তো তখন হয়ে উঠেছি এক অশান্ত পথিক শত মৃত্যুরে পায়ে দলে কেবল এগিয়ে যেতে জানি যোজন যোজন পথ পেরিয়ে তখন পৌঁছে গেছি সে এক দরজা-জানালা হীন নিঃসংগ অন্তঃপুরে। আমার কি অতীতের কিছু স্মরণ করার জো ছিলো ? এখানে আমার দিন যায় তো রাত হয় না রাত হলে তবে আর এখানে সহজে ভোর হয় না এমন এক অচলায়তনে অনেকটা হাঁফিয়ে উঠেছি আমি আমার এখনো মাঝে মাঝে ইচ্ছে হয় তোমাকে খুঁজি আমি ভাবি হয়তো তোমাকে পেয়েও যেতে পারি শুনেছি এ রকম খুঁজে খুঁজে সমুদ্রের তলদেশ থেকেও হারানো মানিকের খোঁজ পাওয়া যায়। তোমাকে খু্ঁজে পেয়ে তবে হাতের মুঠোয় এনে ভেবেছি না হয় রবি ঠাকুরের শেষের কবিতা শুনিয়ে তবে তোমাকে আমি না হয় শেষ বিদায় দেবো আর তা হবে অবশ্যই কিছু শর্ত সাপেক্ষে তুমি আমাকে স্পষ্ট ভাবে তিন টাকার স্ট্যাম্পে স্বেচ্ছায় তুমি তোমার নিজ হাতেই লিখে দেবে তুমি একে বারে চলে যাবে এ মাঠ-ঘাট-প্রান্তর ছেড়ে আমার কাছে তোমার হৃৎপিন্ড জমা রেখে আমাদের এ মানচিত্রের সীমানা ছেড়ে ওপারে যেখানে অনেক পরে আসবো আমি, পাবে আমাকে আবার তখন যদি তুমি আমার সাথী হয়ে যাও তখন না হয় আমি ফিরিয়ে দেবো তোমার হৃৎপিন্ড। তোমার দেয়া প্রতিশ্রুতি মতো তুমি চলে যাবে আর আমি তখন কার্ডিয়াক সার্জনের মতো তোমার বুক কেটে রেখো দেবো তোমার হৃৎপিন্ড তোমার দেহ থেকে ছিন্ন করে নিয়ে তা রেখে দেবো ক্লোরোফর্ম ভর্তি আমার এক সবুজ বোতলে এখানেই এটা থাকবে চিরকাল আমার হয়ে। কেনো না আমি তোমাকে ছাড়তে পারি কিন্তু তোমার এ হৃৎপিন্ড হারাতে পারি না কারণ এর ভেতরেই বসবাস করা হয় যে আমার আর এর মাঝেই তো আমার বেঁচে থাকা আমার জীবনের স্পন্দন গাঁথা সঞ্চিত হয় এতে। তাই তোমার হৃৎপিন্ড যতোদিন অক্ষত থাকবে কথা দিলাম আমি ও ততোদিন বেঁচে থাকবো তোমাকে হারালেও দীর্ঘজীবি হতে চাই আমি আমার সাথে এ হৃৎপিন্ডের বন্ধন ছিন্ন হবার নয় চন্দ্রাবতী এমনই স্বার্থপর একজন মানুষ আমি ! কাব্যগ্রন্থঃ এ কেমন ভালো থাকা/২৭ Dated: 1st November, 2017. Stainer Ranch, Austin # Tx, USA.
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ঃ সাধারন জনতার সারি থেকে কিছু পর্যবেক্ষণ--- ---- মো. আখলাকুর রহমান। (পূর্বে প্রকাশের পর) উপরোল্লিখিত শিরোনামে গত ২২আগষ্ট থেকে ৩০আগষ্ট পর্যন্ত মোট আট অংশে বিভক্ত ধারাবাহিক একটা পর্যালোচনা মুলক নিবন্ধ লিখেছিলাম, যা প্রতিদিন বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। তখন ষোড়শ সংশোধনী বাতিল রায় নিয়ে উদ্ভুত সমস্যা একটা যৌক্তিক পরিণতির দিকে এগিয়ে যাওয়ার ইংগিত লক্ষ্য করে আইন আদালত সম্পর্কে প্রায় অজানা এবংঅতি সংবেদনশীল বিষয়াদি নিয়ে অধিক আলোচনা করা সমীচিন মনে করিনি। তবুও এ বিষয় নিয়ে একটা অনিশ্চয়তার মাঝেই আমরা ছিলাম। গত কিছুদিনে এ সমস্যার সমাধানের পথে অত্যন্ত ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।এ অবস্থায় তাই সে লেখার আরো কিছু প্রয়োজনীয় কথা আরো দু'টো অংশে যোগ করে এর সমাপ্তি ঘটাতে চাই:---লেখক। # নবম অংশ # ষোড়শ সংশোধনী বাতিল রায়ের লক্ষ্যই ছিলো কেবল বর্তমান সরকারের পতন ঘটানোর কাজটাকে তরান্বিত করা । কিন্তু তা অপ্রত্যাশিত ভাবে ভন্ডুল হয়ে গেলে খুব দ্রুতই এ ষড়যন্ত্রের সবকিছু ফাঁস হয়ে পড়ে। প্রধান বিচারপতি, বিএনপি, জামাত ও যুদ্ধাপরাধি চক্র এবং কথিত সুশীল সমাজের কতিপয় সুবিধাবাদিরা একাট্টা হয়ে এ মিশনে অংশ নিয়েছিলো। ড. কামাল হোসেনের ইহুদী ধর্মাবলম্বী জামাতা ডেভিড বার্গম্যান বিএনপি-জামাতের সাথে এ বিষয়ে পুরো দফা-রফা করে এক বড় অংকের টাকাও গ্রহণ করেন এর লক্ষ্যকে সফল করে তোলার জন্যে। এস.কে সিনহার নেতৃত্বে তখন কয়েক বছরের জন্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কথা হয়ে ছিলো। ক্ষমতায় যেতে নয়, আপাতত আওয়ামি লীগ হঠানোর চিন্তা থেকেই এতে খালেদা ও তারেক জিয়ার সায় ছিলো। ড.কামাল হোসেন ও ব্যারিষ্টার আমিরুল ইসলাম তা বাস্তবায়নের জন্যে মাঠে নামেন। এ জন্যে ষোড়শ সংশোধনী বাতিল করে রায়ও প্রদান করা হয়েছিলো। কিন্তু চক্রান্তকারি গণ বিশেষ করে প্রধান বিচারপতি ভাবতেও পারেননি যে, রায় হওয়ার পর সরকার ও আওয়ামি লীগ এভাবে রিএ্যাক্ট করবে। ষোড়শ সংশোধনীর আপিলকে কেন্দ্র করেই এ ষড়যন্ত্রের ডাল পালা গজাতে শুরু করে। ঐ আপিলের রায় লেখাতে সরাসরি প্রধান বিচারপতিকে সহায়তা করেন ড. কামাল হোসেন। রায়ের লক্ষ্য ছিলোঃ-- বর্তমান জাতীয় সংসদকে অবৈধ ঘোষণা করার পথ বের করে দেয়া, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্হার পুনঃপ্রবর্তন করা। এ লক্ষ্যগুলোকে সামনে রেখে বিএনপির দু'জন আইনজীবি পৃথক তিন টা রীট পিটিশন ও তৈরি করে রেখে ছিলেন। এ জন্যেই এ রায়ে নিতান্ত অপ্রাসংগিক ভাবে এ বিষয়গুলোকে নিয়ে আসা হয়। বিচারপতি খায়রুল হকের দেয়া তত্ত্ববধায়ক সরকার বাতিল রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশন প্রথমেই ছিলো। এর মাধ্যমে পরবর্তি তিন মেয়াদের জন্যে তা পুণর্বহাল করার পরিকল্পনা ছিলো। দ্বিতীয় রীট হতো ষোড়শ সংশোধনী বাতিল রায়ের প্রেক্ষিতে বর্তমান এ সংসদকে অকার্যকর ঘোষণা দেয়ার জন্যে একটা রিভিউ আবেদন, যা আগে হাইকোর্টের এক বেঞ্চে খারিজ হয়ে গিয়েছিলো। দ্বিতীয় পিটিশন আপিল বিভাগে নিয়ে আসার পর পরই তা গ্রহণ করে দ্রুত নিষ্পত্তির সব বন্দোবস্ত করা হয়েছিলো। আয়োজন এ রকম ছিলো যে, আপিল বিভাগ এ সংসদকে অবৈধ বলবে আর এর সাথে তিন মেয়াদের জন্যে তত্তাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তনের নির্দেশনাও দেয়া হবে। ফলে বর্তমান সংসদ বাতিল হয়ে যাবে এবং সরকার অবৈধ হয়ে পড়ে ক্ষমতা হারাবে। কিন্তু রায় প্রদানের পরেই পরিস্হিতি বিপরীত হয়ে পড়ায় তাদের এ নীল-নকশা ভোঁতা হয়ে যায়। প্রধান বিচারপতি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে পিছু হটেন। তার সাথে যোগাযোগ রক্ষাকারি বিএনপির দু' জন আইনজীবিকে ও তিনি তখন তিনি ধীরে চলার পরামর্শ দেন। এদিকে আপিল বিভাগের অন্যান্য সব বিচারপতির কাছে এ সকল দুরাভিসন্ধি পরিস্কার হয়ে উঠলে তারাও দৃঢ় অবস্হানে চলে যান। বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক বিতর্কের উর্ধ্বে রাখার জন্যে তারা প্রধান বিচারপতির উপর পরোক্ষ ভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন। আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি তো স্পষ্ট করে প্রধান বিচারপতিকে বলে দেন যে, অপরাপর সব বিচারপতিগণ তার এ সকল দুরাভিসন্ধির দায় নিতে পারেন না। মি. সিনহা তখন বুঝতে পারেন যে তিনি একা হয়ে পড়েছেন। তার উপর আর সহকর্মিদের কোনো রকম আস্হা অবশিষ্ট নেই। এ অবস্হায় ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ঐ রীট গুলো আপিল বিভাগে এলে অন্য বিচারপতিরা তার সাথে একমত হবেন না। বিশেষ করে তিনি দেখেছেন যে, আইন সচিবের নিয়োগ সংক্রান্ত একটা রীটে তার চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ স্হগিত করা হলে আপিল বিভাগের একজন বিচারপতি প্রধান বিচারপতির মতামতের বাইরে গিয়েই হাইকোর্টের সে আদেশ স্হগিত করে দেন। এমতাবস্হায় আপিল বিভাগের উপর নিজের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এস. কে সিনহা বাধ্য হয়েই রণে ভঙ্গ দেন।(চলমান) পরবর্তি দশম অংশ আগামি একদিন পর। লেখকঃ অধ্যক্ষ # জনতা মহাবিদ্যালয়, মঈনপুর # ছাতক, সুনামগঞ্জ।