Storyeo

Storyeo The real purpose of this page to try convey the Message of The Quran to the individual human being who has been created to worship Allah.

08/21/2023

Don’t Look Back, Keep Moving | M***i Menk

04/08/2020
Our New Cover Photo ...
04/08/2020

Our New Cover Photo ...

08/24/2016

এতো বিশাল সমুদ্রের কি দরকার ছিল? সমুদ্রের পানি পানের যোগ্য না কেন?
নাস্তিকদের আরেকটি অভিযোগ হলো: যদি সত্যিই পৃথিবী মানুষের বসবাসের জন্য বানানো হতো, তাহলে সমুদ্রের পানি পানের যোগ্য হতো। পৃথিবীর বেশিরভাগ পানি পানের অযোগ্য নোনা থাকত না। আমাদের চারপাশে এত বিশাল সব সমুদ্র ভর্তি পানি, কিন্তু আমরা তার কিছুই পান করতে পারি না—কীভাবে তাহলে পৃথিবী মানুষের জন্য বানানো হলো?
প্রথমত, পানের যোগ্য পানি ঘুরে ফিরে বেশিরভাগই আসে সমুদ্র থেকে। সমুদ্রের পানি বাষ্প হয়ে মেঘ হয়, তারপর সেই মেঘের বিশুদ্ধ পানি একসময় বৃষ্টি হয়ে নদী, খাল, বিলের মাধ্যমে আমাদের কাছে আসে। hydro
দ্বিতীয়ত, বিশাল সমুদ্রের পানির কাজ হচ্ছে পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। পানির একটি বড় গুণ হচ্ছে: পানি অনেক তাপ শোষণ করতে পারে এবং অনেকক্ষণ তাপ ধরে রাখতে পারে। একারণেই গাড়ির ইঞ্জিন ঠাণ্ডা রাখার জন্য পানি ব্যবহার করা হয়। সমুদ্রের পানি পৃথিবীর বিষুবরেখার কাছাকাছি অঞ্চলগুলোতে, যেখানে প্রখর রোদ পড়ে, সেখান থেকে বিপুল পরিমাণের তাপ শুষে নিয়ে সেখানকার তাপমাত্রা মাত্রাতিরিক্ত বেশি হওয়া থেকে রক্ষা করে। পৃথিবী সবসময় ঘোরার কারণে এই গরম পানির স্রোত উত্তর এবং দক্ষিণ মেরুর দিকে প্রবাহিত হয় এবং বিষুব রেখার কাছাকাছি জায়গাগুলো থেকে ক্রমাগত তাপ সরিয়ে নিয়ে সেসব জায়গার তাপমাত্রা সহনীয় রাখে। একই সাথে সেই গরম পানির স্রোতগুলো উত্তর-দক্ষিণের অত্যন্ত ঠাণ্ডা অঞ্চলগুলোতে তাপ সরবরাহ করে, তাপমাত্রা বেশি নিচে নেমে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। এছাড়াও পানি যেহেতু মাটি থেকে বেশি তাপ ধরে রাখতে পারে, এটি ঠাণ্ডা অঞ্চলগুলোতে সূর্যের তাপ প্রতিফলন হয়ে হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে এবং মাটি থেকে অনেক বেশি তাপ ধরে রাখে।
তৃতীয়ত, সমুদ্রের নোনা পানিতে শুধু লবণই নয়, অনেক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে। একারণে সমুদ্রের পানিতে বিপুল পরিমাণে কার্বন-ডাই-অক্সাইড দ্রবীভূত হয়ে বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড সরিয়ে ফেলে। আমরা জ্বালানী পুড়িয়ে যে ক্ষতিকর কার্বন-ডাই-অক্সাইড তৈরি করি, তার একটা বিরাট অংশ সমুদ্রের পানিতে দ্রবীভূত হয়ে যায়। এছাড়াও সমুদ্রের পানি বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে সমুদ্রের লক্ষ লক্ষ প্রজাতির প্রাণীর বেঁচে থাকার জন্য, যারা শেষ পর্যন্ত আমাদেরই বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
co2-2
আল্লাহ ﷻ আমাদেরকে বিশাল সমুদ্র এবং তাতে নোনা পানি দিয়েছেন যেন সমুদ্রগুলো পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, জলের প্রাণীর বসবাসের ব্যবস্থা করে এবং স্থলের প্রাণীদেরকে পানের যোগ্য পানি সরবরাহ করে। এত সব বিশাল সমুদ্র যদি না থাকত, এর পানি যদি নোনা না হতো, সমুদ্রে যদি লক্ষ প্রজাতির প্রাণী না থাকত, তাহলে আজকে পৃথিবীতে ৬০০ কোটি মানুষ থাকত না।
এছাড়াও আল্লাহ ﷻ আমাদেরকে ২০,০০০ প্রজাতির বেশি গাছপালা, শস্য দিয়েছেন খাবার জন্য। সমুদ্রে এখন পর্যন্ত ২৭,৩০০ প্রজাতির মাছ আবিষ্কার হয়েছে, যা আমরা খেতে পারি। আপনি প্রতিদিন একটা নতুন প্রজাতির মাছ খেলেও ৮০ বছর ধরে প্রতিদিন নতুন মাছ খেয়ে যেতে পারবেন। শুধু তাই না, এখন পর্যন্ত ১৯০০ প্রজাতির পোকা পাওয়া গেছে, যা খাওয়া যায়। এগুলো প্রোটিন এবং ভিটামিনে ভরপুর। গরিব দেশগুলোতে যেখানে মাছ, মাংস খাবার সামর্থ্য মানুষের কম, তারা সহজেই এই সব পোকা রান্না করে খেয়ে ভিটামিনের অভাব মেটাতে পারেন। আজকে পৃথিবীতে প্রায় ২০০ কোটি মানুষ তাদের দৈনন্দিন খাবারে বিভিন্ন ধরনের পোকা খেয়ে বহাল তবিয়তে আছে। আল্লাহ ﷻ গরিব মানুষদের জন্য প্রকৃতিতে প্রায় বিনামূল্যে বিপুল পরিমাণের প্রোটিন এবং ভিটামিনের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।

08/23/2016

পৃথিবীতে এখন ৫০০ কোটি মানুষ আছে, যাদেরকে আল্লাহ্ ‌ ﷻ ‘লা ইলাহা ইল্লা আল্লাহ’ বলার সুযোগ এখনও দেন নি। যাদেরকে দিয়েছেন, তারা কত বড় বোকামি করে এতো বড় একটা সুযোগ পেয়েও ছেড়ে দিচ্ছে, যেটা তারা ঠিকমতো কাজে লাগালে শুধু পৃথিবীতেই নয়, অনন্ত কালের জন্য আখিরাতেও বিরাট সন্মান, অনন্ত শান্তি এবং বিশাল সম্পত্তি নিয়ে থাকতে পারতো। কিন্তু এই সব বোকারা তাদের জীবন নামের ব্যবসায় নেমে ঠিকমতো হিসাব না করেই শর্ট টার্ম প্রফিট করতে গিয়ে বিরাট অংকের লং টার্ম প্রফিট হারিয়ে ফেলেছে।

08/23/2016

মুসলিমদের মধ্যে একটা ধারণা আছে যে, ইসলাম একটি নতুন ধর্ম, যা মুহাম্মাদ ﷺ প্রথম প্রচার করে গেছেন। এটি একটি ভুল ধারণা। ইসলাম হচ্ছে মহান আল্লাহর ﷻ নির্ধারিত সকল মানবজাতির জন্য একমাত্র ধর্ম, যার পুরো বাণী এবং আইন, মহান আল্লাহর ﷻ কাছে আল-লাওহ আল-মাহফুযে সংরক্ষিত। সেই আইন এবং বাণীর সম্পূর্ণ সংগ্রহকে কু’রআনে আল-কিতাব বলে সম্বোধন করা হয়েছে। এই আল-কিতাব থেকে যুগে যুগে বিভিন্ন প্রজন্মের কাছে, বিভিন্ন রাসূলের মাধ্যমে, প্রয়োজন অনুসারে যেটুকু দরকার, সেটুকু নাজিল হয়েছে। কু’রআন হচ্ছে সেই আল-কিতাবের সর্বশেষ/চূড়ান্ত সংস্করণ বা সর্বশেষ ঐশী গ্রন্থ, যা নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর মাধ্যমে আমরা একটি বই আকারে পেয়েছি।

Address

New York, NY

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Storyeo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share