Clicky

দিগন্ত নিউজ

দিগন্ত নিউজ সত্যের সাথে নির্ভীক পথ চলা।

Operating as usual

জামায়াত নেতার ফল কেন বাতিল জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট - ছবি : নয়া দিগন্ত নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জামায়াত নেতার বিজয়ী ফলাফল কেন...
01/20/2022

জামায়াত নেতার ফল কেন বাতিল জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট - ছবি : নয়া দিগন্ত


নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে জামায়াত নেতার বিজয়ী ফলাফল কেন বাতিল করা হয়েছে সে বিষয়ে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। একই সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না হওয়া পর্যন্ত গেজেট প্রকাশ স্থগিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার হাইকোর্টের বিচারপতি জাফর আহম্মদ ও কাজী জিনাত হকের দ্বৈত বেঞ্চ এ বিষয়ে জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। একই সাথে ওই ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ঘোষিত ফলাফল কেন বাতিল হবে না সেই প্রশ্নও রাখেন তারা।


উল্লেখ্য, গত ৫ জানুয়ারি ভুক্তভোগী জামায়াত নেতা (চেয়ারম্যান প্রার্থী) সাইয়েদ আহমদ অভিযোগ করেন, পঞ্চম ধাপের অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে প্রিজাইডিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত ফলাফলের কাগজ অনুযায়ী তিনি ২৮০ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

সে সময় তিনি আরো উল্লেখ করেন, বারগাঁও ইউনিয়নে তার চশমা প্রতীকে ৪ হাজার ৮৭১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকার প্রার্থী সামছুল আলম পান ৪ হাজার ৫৯১ ভোট। এতে ২৮০ ভোট বেশি পেয়ে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। সন্ধ্যার পর থেকে উপজেলায় নির্বাচন কর্মকর্তার দফতরে ভোট কেন্দ্র থেকে একে একে সব ইউনিয়নের ফলাফল এসে পৌঁছে। কিন্তু ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে নয়টি ইউনিয়নের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। তার ইউনিয়নের ফলাফল ঘোষণায় গড়িমষি শুরু করে। একপর্যায়ে আওয়ামী যুবলীগের নেতারা মিডিয়া কর্মীদের জোরপূর্বক বের করে দেয়। পরে প্রিজাইডিং অফিসার এ বি এম নোমানকে দিয়ে কাটা ছেঁড়া করে ফলাফল পরিবর্তন করে। এতে কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে তিনি (চশমা) প্রতীকে পেয়েছেন ২১০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নৌকায় প্রার্থী মো: সামছুল আলম পেয়েছেন ১ হাজার ২৭১ ভোট। অপর প্রার্থী আ: রাজ্জাক দুলাল (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ১৯৫ ভোট। প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষরিত তার এজেন্টকে দেয়া ফলাফল সিটে তা লেখা রয়েছে। এ ফলাফল সিট আমার পোলিং এজেন্টদের মাধ্যমে রাত ৮টার সময় হাতে পাই। কিন্তু প্রিজাইডিং অফিসার এ বি এম নোমান ফলাফল সিট ওভারাইটিং করে কেটে ছিঁড়ে আমার চশমা প্রতীকে ২১০ ভোটের স্থানে ১১০, মোটরসাইকেলের প্রতীকে ১৯৫ ভোটের স্থানে ৯৫ ভোট। অপরদিকে নৌকার প্রাপ্ত ভোট ১ হাজার ২৭১ এর স্থানে ১ হাজার ৪৭১ লিখে জমা দেয়। বেআইনিভাবে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তা অম্বরনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এ বি এম নোমান ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সোনাইমুড়ী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো: বরকত উল্যাহর যোগসাজশে কাশিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের সকল প্রার্থীর ভোটকে কাটা ছেঁড়া করে পরিবর্তন করে রাত সাড়ে ১০টায় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. সামছুল আলমের নৌকা প্রতীককে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।


তিনি আরো অভিযোগ করেন, ফলাফল পাল্টে দেয়ার বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে তাৎক্ষণিক অভিযোগ করে সন্তোষজনক কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। উল্টো রিটার্নিং কর্মকর্তা নৌকা প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণায় দৃঢ়তা দেখিয়ে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। ভুক্তভোগী প্রার্থী রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত ফলাফল বাতিলের দাবি জানান।

এ ব্যাপারে সাইয়্যেদ আহম্মদ চলতি বছরের ৮ জানুয়ারি হাইকোর্টে একটি রিট দাখিল করেন। ১৮ জানুয়ারি আদালত শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনারসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ১০ জনের রুল জারি করেন। বাদিপক্ষের মামলা পরিচালনা করেন ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন।

১ বার ট্রাই করে দেখতে পারেন।১০০ ভাগ ন্যাচারাল ও হালাল।সম্পূর্ণ পাশ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্তসারাদেশে ডেলিভারি দেয়া হয়।এক সাথে ৫...
01/11/2022

১ বার ট্রাই করে দেখতে পারেন।
১০০ ভাগ ন্যাচারাল ও হালাল।
সম্পূর্ণ পাশ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত

সারাদেশে ডেলিভারি দেয়া হয়।
এক সাথে ৫ টি নিলে ডেলিভারি চার্জ ফ্রি।

যোগাযোগঃ
01917904451
01842904451

12/22/2021

চলে গেলেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ- এর পরম শ্রদ্ধেয় পিতা জনাব অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন খাঁন….
=========================

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি Dr. Md. Shafiqul Islam Masud -এর পরম শ্রদ্ধেয় পিতা জনাব অধ্যাপক সিরাজ উদ্দিন খাঁন কিছুক্ষণ আগে মহান মাওলার ডাকে সাড়া দিয়ে ইন্তিকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন…। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।

আলহামদুলিল্লাহ! তিনি একজন সফল পিতা ছিলেন। তাঁর সব কয়জন ছেলে-মেয়ে মহান আল্লাহর দ্বীনের পথে অবিচল এবং তাদের প্রত্যেককে তিনি দ্বীনের জন্য ওয়াকফ করে গেছেন। আল্লাহ তা’য়ালা সন্তান-সন্ততিদেরকে মরহুমের জন্য উত্তম সাদাকাহ হিসেবে কবুল করুন।

কবর থেকে শুরু করে পরবর্তী প্রত্যেকটি মঞ্জিলে আল্লাহ তা’য়ালা তাঁর বান্দার জন্য একান্ত সাহায্যকারী হোন এবং মহান রাব্বুল আলামীন তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর ওপর রহম করুন, তামাম জিন্দেগীর সকল নেক খেদমত ও ত্যাগ-কুরবানীকে কবুল করে জান্নাতুল ফিরদাউসের আ’লা মাকাম দান করুন।

তাঁর পরিবার-পরিজন, আত্নীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা সবরে জামিল দান করুন। আমীন।।

- Dr. Shafiqur Rahman
আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

আরেকটি রেকর্ড লিজেন্ড বাবরের।
10/30/2021

আরেকটি রেকর্ড লিজেন্ড বাবরের।

আজ গাদ্দাফীর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী.মুয়াম্মার মুহাম্মদ আবু মিনিয়ার আল-গাদ্দাফি। তিনি ইতালির ঔপনিবেশিক লিবিয়ার সির্ত-এ দরি...
10/20/2021

আজ গাদ্দাফীর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী
.
মুয়াম্মার মুহাম্মদ আবু মিনিয়ার আল-গাদ্দাফি। তিনি ইতালির ঔপনিবেশিক লিবিয়ার সির্ত-এ দরিদ্র বেদুইন পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্কুল জীবনে জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হন; সামরিক বাহিনীতে যোগ দিয়ে একটি বিপ্লবী গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৬৯ সালে ইতালির পাপেট ইদ্রিসকে হটিয়ে লিবিয়াকে প্রকৃত স্বাধীনতা এনে দেন।
.
তার দাদা আবদে সালাম ১৯১১ সালে ইতালি আর্মির হামলায় নিহত হয়েছিলেন। এরপর থেকে তাঁদের পরিবার দরিদ্র হয়ে পড়ে। তার বাবা তাকে সির্তের একটি স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। দরিদ্র গাদ্দাফি মসজিদে ঘুমাতেন এবং সপ্তাহান্তে ২০ মাইল (৩২ কিমি) হেঁটে তার পিতামাতার সাথে দেখা করতেন।
.
বেদুইন হওয়ার জন্য স্কুলে গাদ্দাফিকে নিয়মিত উপহাস করা হতো। এসময় তিনি মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল আব্দে নাসের এর বিপ্লব দ্বারা প্রভাবিত হন। নাসেরের পশ্চিমা-বিরুদ্ধতা তাকে আকর্ষণ করে। তাঁর শিক্ষক মাহমুদ ইফে জাতীর প্রয়োজনে তাঁকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করেন।
.
১৯৬৩ সালে তিনি রয়েল মিলিটারি একাডেমিতে যোগ দেন। তৎকালীন লিবিয়ার সশস্ত্র বাহিনী ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী অধীনে প্রশিক্ষিত হতো। গাদ্দাফি এটা মেনে নিতে পারেননি। তিনি ইংরেজি শিখতে এবং ব্রিটিশ অফিসারদের কমান্ড অনুসরণ করতে অস্বীকার করেন। ফলে একাডেমিতে তিনি ফলাফল খারাপ করেন।
.
১৯৬৪ সালে তিনি সেনাবাহিনীতে “ফ্রি অফিসার্স মুভমেন্ট” প্রতিষ্ঠা করেন; যা নাসের মিশরে করেছিলেন। গাদ্দাফির নেতৃত্বে তারা গোপনে মিলিত হতেন। সেনাবাহিনীর মাঝে তিনি গোপন গোয়েন্দা বাহিনী গঠন করে ফেলেন। ছোট পদের অফিসার হিসেবে তাঁকে সরকারী গোয়েন্দা সংস্থা সামান্য হুমকি মনে করে উপেক্ষা করত।
.
১৯৬৬ সালে তাঁকে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত করা হয়। সেখানে তিনি ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাদের সাথে সখ্যতা করতে অস্বীকার করেন এবং লন্ডনে তার আরব ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরতেন। এদিকে ১৯৬৭ সালে ইসরাইলের সাথে যুদ্ধে আরবদের পরাজয় হলে ইদ্রিসের সরকার ব্যাপক জনপ্রিয়তা হারায়।
.
পশ্চিমাদের সাথে জোট করার কারণে ইদ্রিসকে ইসরায়েলপন্থী হিসেবে দেখা হতো। এসময় ত্রিপোলি ও বেনগাজিতে পশ্চিমা-বিরোধী দাঙ্গা শুরু হয় এবং লিবিয়ার শ্রমিকরা মিশরের সাথে একাত্মতার জন্য তেল টার্মিনালগুলো বন্ধ করে দেয়। ১৯৬৯ সালে গ্রীষ্ম উপভোগ করার জন্য ইদ্রিস তুরস্ক ও গ্রীসে গমন করেন।
.
এই সুযোগে গাদ্দাফির দলভূক্ত কর্মকর্তারা ১ সেপ্টেম্বর “অপারেশন জেরুজালেম” শুরু করে এবং ক্ষমতা দখল করে নেয়। তিনি দেশে শরিয়া আইন প্রবর্তন এবং মদ্যপান ও নাইট ক্লাব কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেন। সরকারী দপ্তগুলো ও রাষ্ট্রীয় সকল স্থাপনা থেকে বিদেশি ভাষা সরিয়ে সর্বত্র একমাত্র আরবি ভাষার প্রচলন করেন।
.
লিবিয়া থেকে যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির ঘাঁটি উৎখাত করা হয়। তিনি ঘোষণা করেন- “জনগণের বিপ্লবে যেসব বাহিনী প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে জনগণ লিবিয়ায় তাদের ঘাঁটি সহ্য করবে না”। ইতালির মালিকানাধীন সকল সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং ১২,০০০ প্রভাবশালী ইতালিয়ানকে ও ইহুদিদেরকে লিবিয়া থেকে বহিষ্কার করা হয়।
.
তিনি ট্রেড ইউনিয়ন নিষিদ্ধ করেন এবং ১৯৭২ সালে পশ্চিমাপন্থী সংবাদপত্রসমূহ স্থগিত করেন। ইতালিয়ানদের বিতাড়িত করে তাঁদের দখলে থাকা সকল জমি প্রকৃত কৃষকদের মাঝে বিতরন করেন। সরকারী ব্যবস্থায় দেশের সর্বত্র সেচ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাপক বৃদ্ধি পায়।
.
গাদ্দাফি খেয়াল করেন যে, লিবিয়ার উৎপাদিত তেল থেকে দেশের লোকদের চেয়ে বিদেশী কর্পোরেশনগুলো বেশি লাভবান হচ্ছে। তিনি ১৯৭০ এর ডিসেম্বরে তেলের দাম বৃদ্ধি করে দেন। অন্যান্য ওপেক রাষ্ট্রগুলি তাঁকে অনুসরণ করে; ফলে বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধি পায়।
.
তিনি বিদেশি কর্পোরেশনগুলো থেকে আয়কর আদায় শুরু করেন। এই আয়কর এবং তেলের উচ্চ মূল্য থেকে লিবিয়া প্রথম বছরেই ১ বিলিয়ন ডলার অতিরিক্ত শুল্ক অর্জন করে। বিদেশি মালিকানাধীন তেল খনিগুলোর ৫১% জাতীয়করণ করে নেন। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে লিবিয়া দ্রুত দারিদ্রমুক্ত দেশে পরিণত হয়।
.
১৯৬৯ সালে দেশটির জিডিপি ছিল $৩.৮ বিলিয়ন ছিল, ১৯৭৪ সালে তা হয় $১৩.৭ বিলিয়ন এবং ১৯৭৯ সালে $২৪.৫ বিলিয়নে উন্নীত হয়। মাথাপিছু আয় $৪০ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে $৮,১৭০ হয়, যা ফ্র্যান্স, ইতালি ও যুক্তরাজ্যের চেয়ে বেশি ছিল। তিনি বিদেশী মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো বন্ধ অথবা যৌথ মালিকানাধীন করার আদেশ দেন।
.
কর্মীদের মজুরি দ্বিগুণ করে ফেলেন এবং পরিবহণ ভাড়া ৩০-৪০% হ্রাস করেন। সরকারি খাত ব্যাপকভাবে প্রসারিত হয় এবং হাজার হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। তিনি বাধ্যতামূলক শিক্ষা আদেশ আরোপ করেন। সরকারী খরচে গৃহনির্মাণ এবং স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার উন্নতি করা হতে থাকে।
.
১৯৭৮ সালের মধ্যে লিবিয়ায় হাসপাতালের সংখ্যা দ্বিগূনে উন্নীত হয় এবং ডাক্তারদের সংখ্যা ৭০০ থেকে বেড়ে ৩০০০ হয়ে যায়। দেশ থেকে ম্যালেরিয়া নির্মূল হয় এবং ট্র্যাকোমা ও যক্ষ্মা ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। গাদ্দাফির লিবিয়া আফ্রিকা মহাদেশে চিকিৎসার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।
.
তিনি ইউরোপীয় উপনিবেশ আমলে নারীদের উপর আরোপিত কঠোর সামাজিক বিধিনিষেধ তুলে নেন। ১৯৭০ সালে আইন প্রণয়ন করে লিঙ্গসমতা নিশ্চিত করেন। তার আমলে নারীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বিস্তৃত হয়। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় নারীদের জন্য Revolutionary Women's Formation গঠিত হয়।
.
গাদ্দাফী লিবিয়ায় অত্যান্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তিনি সর্বদা ইটালি-বিরোধী মুজাহিদ ওমর মুখতার’কে সমরণ করে বক্তব্য দিতেন। এতে তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে নাগরিকদের জাতীয়তাবোধ উন্নত হয়। দেশটি দারিদ্র মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রভাব অর্জনে দ্রুত এগিয়ে যেতে থাকে।
.
গাদ্দাফি উত্তর-আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে একক আরব রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয়তা তথা প্যান-আরব চিন্তাধারা প্রচার করতে থাকেন। এই লক্ষ্যে তিনি ১৯৬৯ সালের ডিসেম্বরে মিশর ও সুদানের সাথে ত্রিপলি সনদে স্বাক্ষর করেন। ১৯৭০ সালে সিরিয়া এতে যোগদানের ইচ্ছা প্রকাশ করে।
.
১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বরে নাসের অপ্রত্যাশিতভাবে মারা যান। নাসেরের স্থলাভিষিক্ত হন আনোয়ার সাদাত। তিনি একীভূত আরব রাষ্ট্র গঠনের পরিবর্তে আরব রাজ্যগুলিকে একটি ফেডারেশন তৈরির ধারণা দেন। ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারিতে গাদ্দাফি ও সাদাত একীভূত হওয়ার সনদে স্বাক্ষর করেন, কিন্তু তা কখনই বাস্তবায়িত হয়নি।
.
১৯৭১ সালে লিবিয়া মাল্টাকে অনুরোধ করে যে, মাল্টা যেন ন্যাটোর সামরিক ঘাঁটি উৎখাত করে। মাল্টা সরকার ন্যাটোকে উৎখাত করতে পারেনি, তবে তাঁর ভূখণ্ড ব্যবহার করে আরবভূমিতে হামলা না চালানোর শর্তারোপ করে। গাদ্দাফির ক্রমাগত চাপে মাল্টা ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যের বিমানঘাঁটি চুক্তি আর নবায়ন করেনি।
.
তিনি ফ্রান্স ও সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে অস্ত্র ক্রয় শুরু করেন। এতে যুক্তরাষ্ট্র ক্ষুব্ধ হয়। ইসরায়েলকে সমর্থন দেয়ার কারণে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের তীব্র সমালোচনা করতেন। তিনি ফিলিস্তিনিদের জন্য সকল সুবিধা উন্মুক্ত রাখেন। ইসরাইলের বিরুদ্ধে "অবিরাম যুদ্ধ" চালানোর জন্য ১৯৭০ সালে তিনি জি/হা/দ তহবিল চালু করেন।
.
১৯৭২ এর জুন মাসে তিনি ইসরায়েল-বিরোধী গেরিলাদের প্রশিক্ষণের জন্য নাসেরী স্বেচ্ছাসেবক কেন্দ্র তৈরি করেন। তিনি ইয়াসির আরাফাত ও ফাতাহ’কে সমর্থন করতেন। পরবর্তীতে আরাফাতের সাথে তাঁর সম্পর্কের অবনতি হয়েছে, তথাপি তিনি তাঁকে অধিকতর সহিংস পদক্ষেপের আহ্বান জানান।
.
তিনি ফিলিস্তিনের মিলিশিয়াদের সমর্থন করতেন। তিনি “ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর”কে অর্থায়ন করেন, যারা ১৯৭২ সালে মিউনিখ অলিম্পিকে ইসরাইলি ক্রীড়াবিদদের হত্যা করেছিল। এই সংগঠনের নিহত সদস্যদের মৃতদেহ লিবিয়ায় পাঠানো হয়েছিল। গাদ্দাফি তাঁদের মৃতদেহগুলোকে বীরোচিত সম্বর্ধনা দিয়েছিলেন।
.
গাদ্দাফি সারাবিশ্বে বর্ণবাদ ও উপনিবেশ বিরোধী সকল গোষ্ঠীকে সমর্থন দিতেন। ফিলিপাইনের মোরো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট তাঁর আর্থিক সহযোগিতে পেতো।
তিনি প্রগতিশীল শক্তি হিসেবে আরব জাতীয়তাবাদকে উপস্থাপন করেন, প্যান-আরব রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে মত দেন যা ইসলামী ও তৃতীয় বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে।
.
১৯৭৪ সালে বেনগাজী সেনাভবনে বোমা হামলার মাধ্যমে গাদ্দাফি সরকারের ওপর প্রথম আঘাত আসে। ১৯৭৫ সালে একটি ব্যার্থ সেনা অভ্যুত্থান উন্মোচিত হলে গাদ্দাফি প্রায় ২০০ সিনিয়র অফিসারকে গ্রেপ্তার করেন। ১৯৭৬ সালে ত্রিপোলি ও বেনগাজী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। এতে পুলিশি অভিযান পরিচলিত হয়।
.
১৯৭৭ এর জানুয়ারিতে দুজন ভিন্নমতাবলম্বী ছাত্র ও বেশ কয়েকজন সেনা কর্মকর্তাকে প্রকাশ্যে ফাঁসি দেয়া হয়। রক্ষণশীল আলেমগণ ও মুসলিম ব্রাদারহুড গাদ্দাফির বিরুদ্ধে মার্কসবাদের অভিযোগ আনতে শুরু করে। তখন সকল বেসরকারী কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়া হয়।
.
১৯৭৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে লিবিয়ার একটি বিমান বালুঝড়ে দিক হারিয়ে ইসরা/ ইলের আকাশসীমায় প্রবেশ করলে ইসরাইলি বাহিনী তা ভূপাতিত করে। এতে গাদ্দাফি অত্যান্ত ক্ষুব্ধ হন। তিনি আরএমএস কুইন এলিজাবেথ-২-কে ধ্বংস করার জন্য মিশরীয় সাবমেরিনকে নির্দেশ দেন, কিন্তু সাদাত সে আদেশ বাতিল করেন।
.
এতে গাদ্দাফি ক্ষুব্ধ হন। তিনি আরো ক্ষুব্ধ হন- যখন মিশর ও সিরিয়া তার সাথে আলোচনা না করেই ইসরা/ইলের বিরুদ্ধে ইয়োম কিপুর যুদ্ধের পরিকল্পনা করে এবং পরবর্তীতে মিশর যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে শান্তি আলোচনায় রাজি হয়। তিনি সাদাতকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য মিশরীয়দের প্রতি আহ্বান জানান।
.
ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্য ১৯৭৩ সালে গাদ্দাফি “ইসলামিক কল সোসাইটি” প্রতিষ্ঠা করেন, যা আফ্রিকাজুড়ে ১৩২টি কেন্দ্র খুলেছিল। এবছর তিনি গ্যাবোনের প্রেসিডেন্ট ওমর বঙ্গো’কে এবং ১৯৭৬ সালে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্ট জিন-বেডেল বোকাসা’কে ইসলামে ধর্মান্তরিত করেন।
.
গাদ্দাফির প্রচেষ্টায় ১৯৭৪ সালের জানুয়ারিতে তিউনিসিয়া আরব ইসলামী প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করে। তাঁর সরকার প্রধান ইউরোপীয় কর্পোরেশনগুলোর শেয়ার এবং মাল্টা ও ইতালিতে রিয়েল এস্টেট কেনা শুরু করে। এতে আশির দশকে লিবিয়ার উপর আরোপিত তেল অবরোধের সময় দেশটির আয়ের মূল্যবান উৎস হয়ে ওঠে।
.
১৯৭৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে গাদ্দাফি আবিষ্কার করেন যে, তাঁর সামরিক গোয়েন্দা প্রধান তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে। তাঁকে হত্যার জন্য ইসরা/ইল হিট স্কোয়াড নিয়োগ করেছিল। সামরিক বাহিনীর একটি অংশকে বিদেশি তহবিল দিয়ে বিপথগামী করে ফেলা হয়েছিল। তথাপি তিনি নিজ নীতিতে অটল ছিলেন।
.
১৯৮০ সালে ইরানে মার্কিন জিম্মি সংকটের সাথে একাত্মতা রেখে ত্রিপোলিতে মার্কিন দূতাবাসে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। ১৯৮১ সালে লিবিয়ার যোদ্ধারা ভূমধ্যসাগরের উপর দিয়ে উড়ন্ত মার্কিন যুদ্ধবিমানে গুলিবর্ষণ শুরু করে। সে বছর লিবিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ইতালি বিমান বাহিনীর চতুর্মূখী ডগফাইটে লিবিয়া ইটালির বিমান ভূপাতিত করে।
.
শিয়া সম্প্রদায়ের সাথে তাঁর সম্পর্ক খুব খারাপ ছিল। ১৯৭৮ এর আগস্টে লেবানন থেকে লিবিয়া সফরে যাওয়ার সময় শিয়া ইমাম মুসা আল-সদরের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় শিয়ারা গাদ্দাফিকে অভিযুক্ত করে। তিনি তা অস্বীকার করেন। তবে, ইসরা/ইলের সাথে শত্রুতার প্রশ্নে সিরিয়ার সাথে তাঁর সম্পর্ক ভাল ছিল।
.
১৯৮১ সালের আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র সির্ত উপসাগরে সামরিক মহড়া শুরু করে। ঐ এলাকাটি ছিল লিবিয়ার জলসীমায়। লিবিয়ার বিমান বাহিনী বাধা দিতে গেলে যুক্তরাষ্ট্র দুটি লিবিয়ান Su-22 বিমান ভূপাতিত করে। ১৯৮২ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্র লিবিয়ার উপর তেলের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এতে লিবিয়ার অর্থনীতি বিশাল ধাক্কা লাগে।
.
১৯৮৬ সালে মার্কিন নৌবাহিনী আবার সির্ত উপসাগরে মহড়া শুরু করে। লিবিয়া নৌ বাহিনী তাদের উপর হামলা চালায়। কিন্তু কিন্তু আমেরিকা তাদের অনেকগুলো জাহাজ ডুবিয়ে দিলে তারা ব্যর্থ হয়। এপ্রিল মাসে মার্কিন বিমানবাহিনী লিবিয়ার উপর হামলা চালায়। এতে প্রায় ১০০ জন নিহত হয়, যার প্রায় সকলেই বেসামরিক।
.
এসময় গাদ্দাফিপন্থী ও বিরোধী সেনা কর্মকর্তাদের মাঝে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয়। ব্যাথিত গাদ্দাফি ধ্যান করার জন্য মরুভূমিতে চলে যান। ১৯৮৭ সাল নাগাদ লিবিয়া মাস্টার্ড গ্যাস ও কেমিক্যাল অস্ত্র উৎপাদন শুরু করে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ব্যর্থ চেষ্টা চালায়। ১৯৮৯ এর জানুয়ারিতে মার্কিন গুলিতে লিবিয়ান দুটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়।
.
“মুসলিম ব্রাদারহুড” ও “লিবিয়ান ইসলামিক ফাইটিং গ্রুপ” তাঁর তীব্র বিরোধিতা শুরু করে। তারা বেশ কয়েকবার গাদ্দাফিকে গুপ্তহত্যার চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়। ১৯৯৩ এর অক্টোবরে একটি সেনা অভ্যুত্থান ব্যার্থ হয়। ১৯৯৫ এর সেপ্টেম্বরে ইসলামপন্থীরা বেনগাজিতে বিদ্রোহ শুরু করে এবং ১৯৯৬ এর জুলাইয়ে ত্রিপোলিতে দাঙ্গা হয়।
.
দেশে ও বিদেশে প্রবল শত্রুতার মুখে তিনি খ্যাপাটে হয়ে ওঠেন। তিনি পশ্চিমা বিরোধী মিলিশিয়াদের অর্থ সমর্থন বাড়িয়ে দেন। ১৯৮৮ সালে লিবিয়ার অর্থায়নে স্কটল্যান্ডের লকারবিতে প্যানএম ফ্লাইট ১০৮ বিধ্বস্ত করা হয়; এতে ২৪৩ যাত্রী, ১৬ জন ক্রু ও ভূমিতে থাকা ১১ জন (মোট ২৭০) নিহত হয়েছিল।
.
হামলাকারীরা লিবিয়াতে আশ্রয়লাভ করে। ১৯৯১ সালে ব্রিটিশ পুলিশ তাদেরকে হস্তান্তর করার দাবি করলে লিবিয়া তা প্রত্যাখ্যান করে। জাতিসংঘ ১৯৯২ এর মার্চে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে লিবিয়ার অর্থনীতি পুনরায় গভীর ধাক্কা খায় এবং দেশটি ৯০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
.
এদিকে তিন দশকের প্যান-আরব প্রচেষ্টায় ব্যর্থ ও হতাশ হয়ে গাদ্দাফি প্যান-আফ্রিকানিজমে ধাবিত হন। ২০০০ সাল নাগাদ লিবিয়া ১০টি আফ্রিকান রাষ্ট্রের সাথে সমবায় চুক্তি স্বক্ষর করে। ১৯৯৯ এর জুনে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যান্ডেলার সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং জুলাইয়ে আলজিয়ার্সে ওএইউ সম্মেলনে যোগ দেন।
.
সেই সম্মেলনে তিনি “ইউনাইটেড স্টেটস অব আফ্রিকা”র রূপরেখা উপস্থাপন করেন। তাঁর উদ্যোগে আফ্রিকায় একক পাসপোর্ট, সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং একক মুদ্রা ব্যবস্থার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২০০৮ এর মার্চে উগান্ডায় একটি বক্তৃতায় গাদ্দাফি আফ্রিকাকে বিদেশী সাহায্য প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানান।
.
২০০৮ এর আগস্টে আফ্রিকান সকল উপজাতি নেতাদের কমিটি গাদ্দাফিকে “রাজাদের রাজা” হিসেবে ঘোষণা করে। ২০০০ এর ফেব্রুয়ারিতে ইথিওপিয়ার আদ্দিস আবাবায় একটি অনুষ্ঠানে তারা তাঁকে রাজমুকুট পরিয়েছিল। তিনি চীন ও উত্তর কোরিয়ার সাথে যোগাযোগ জোরদার করেন।
.
২০১১ সালে আরব বসন্ত শুরু হলে বিদ্রোহের আশংকায় তিনি খাদ্যের দাম কমিয়ে দেন এবং সম্ভাব্য দলত্যাগীদের সেনা থেকে অপসারণ করেন। কিন্তু সেখানে বিদ্রোহ হয়। সেনাবাহিনী বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালিয়ে শত শত লোককে হত্যা করে। এতে বিদ্রোহ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষই মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।
.
৩০ এপ্রিল ন্যাটো বিমান হামলায় গাদ্দাফির ষষ্ঠ পুত্র ও তিন নাতি নিহত হয়। ন্যাটো এয়ার কভারের সাহায্যে বিদ্রোহী মিলিশিয়ারা সেনাবাহিনীকে পরাজিত করতে থাকে। গাদ্দাফি দেহরক্ষীদের দ্বারা বেষ্টিত হয়ে প্রতিনিয়ত বাসস্থান পরিবর্তন করতেন, সালাত ও কুরআন তেলাওয়াত করে দিনগুলি অতিবাহিত করতেন।
.
২০ অক্টোবর তিনি সির্ত থেকে জাদরেফ উপত্যকার উদ্দেশ্যে রওনা হন। এসময় ন্যাটোর বিমান হামলায় তাঁর কনভয় ধ্বংস হয়ে যায়। গাদ্দাফি একটি ড্রেনেজ পাইপের মধ্যে লুকিয়ে থাকেন। তখন একটি গ্রেনেড বিস্ফোরণে তিনি মাথায় আঘাত পান। মিলিশিয়ারা তাঁকে আটক করে এবং গুলি করে হত্যা করে।
.
নেলসন ম্যান্ডেলা বলেন- “তিনি আমাদের সংগ্রামের সবচেয়ে কঠিন সময়ে আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসকে সমর্থন করেছিলেন”। ফিদেল কাস্ত্রো বলেন- “বিদ্রোহীদের প্রতিহত করতে গাদ্দাফি অন্যতম মহান ব্যক্তি হিসাবে ইতিহাসে প্রবেশ করবেন”। হুগো শাভেজ তাকে “মহান যোদ্ধা, বিপ্লবী ও একজন শহীদ” হিসেবে উল্লেখ করেন।
.
গাদ্দাফি আবেগপ্রবণ ও অস্থির প্রকৃতির লোক ছিলেন। তিনি ঘোড়ায় চড়া উপভোগ করতেন। তিনি জামাল আব্দেল নাসেরের একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন এবং নিজেকে নাসেরের অনুসারী বিবেচনা করতেন। পশ্চিমাদের মনে-প্রাণে ঘৃণা করতেন। ইসরা/ইলকে তিনি “ভাড়াটে গুণ্ডা” বা “মিসকিন” বলে সম্বোধন করতেন।
.
পোস্টের সাথে যুক্ত ছবিটি ২০১০ সালের। ইতালি ভ্রমণকালে গাদ্দাফী ঔপনিবেশিক ইতালির শোষণের প্রতিবাদ হিসেবে ওমর আল-মুখতারের বন্দী অবস্থায় শিকল পরা ছবিটি জামার বুকে সাঁটিয়ে উপস্থিত হন। ইতালির প্রধানমন্ত্রী বার্লুসকোনি অত্যান্ত বিব্রত হন এবং ঐপনিবেশিক ইতালির ভূমিকার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
.
আল্লাহ্‌ তাকে জান্নাতে দাখিল করুন।
✍ Mohammad Salimullah

Address

White House Road
New York, NY
38021

Telephone

1824728121

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দিগন্ত নিউজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Videos

Nearby media companies


Other Media/News Companies in New York

Show All

Comments

নির্ভিক নির্লজ্জ এস আকরাম হোসেন নাট্যমঞ্চেও অপরাধী হয় নিচু বাস্তবে দেখি আসামী হাসে উঁচু! মরননেশা ফেন্সীডিলের কারবার কোন অপরাধ নয়- হাসিটা যেন এক হুংকার! 'কিছুই হবেনা আমার।' দেখুন চেয়ে পুলিশ ভাইদের মুখে, তারাই যেন অপরাধী দুরুদুরু বুকে হাসিমুখে আসামী পুলিশ গোমরামুখে সেলুকাস বাংলাদেশ! কত বড় সুখে আমরা সবাই বসত করি কোন জগতে কুয়াশার চাদর নয়তো বালুর চরে।
জাহেলিয়াতের নির্মম নির্যাতন: এস আকরাম হোসেন ইসলাম প্রতিষ্ঠার আগে অর্থাৎ রাসুল (সা:) এর আবির্ভাবের আগে জাহেলিয়াত যুগ ছিল। জাহেলিয়াত হল অন্ধকারাচ্ছন্ন বর্বরোচিত, বিচার-বিবেক বর্জিত, অনাচার আর ব্যভিচারের যুগ। কোন আদর্শ বা ন্যায়নীতির বালাই'ই ছিল না সেযুগে। বিশ্বনবীর আবির্ভাবের পর সব অন্ধকার কেঁটে গেল। ন্যায়নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠিত হল। সুবিচার ও সুশাসন কায়েম হল। এক কথায় বিশ্বময় শান্তির শীতল বায়ু প্রবাহিত হয়ে গেল এবং আদর্শের অালোকদ্যূতি ছড়িয়ে পড়ে। আজ একবিংশশতাব্দীর আধুনিক ও সুসভ্য সমাজের ডিজিটাল যুগ। বিজ্ঞানের বিকাশসাধনে সারাবিশ্ব এগিয়ে চলেছে দুর্বারগতিতে। কিন্তু আমরা পিছিয়ে যাচ্ছি অধোগতিতে, দুর্নীতি আর দুর্বিচারে। আজ একটি ঘগটনা পড়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলাম! বেদনাহত ও নির্বাক হয়ে গেলাম! ঘটনাটি কক্সবাজার জেলার, চকরিয়া থানার, বরইতলী গ্রামের। ঐ গ্রামের গৃহবধূ আয়শা তার অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসার জন্য একই গাঁয়ের সুদখোর শওকত ওসমানের কাছ থেকে ৪০০ হাজার টাকা সুদে নেয়। পরবর্তীতে আয়শা ঐ সুদখোরকে ৮০০০/টাকা সুদাসলসহ পরিশোধ করে। কিন্তু সুদখোর ওসমান পরে আরও ২০০০/টাকা দাবি করে। আয়শা ঐ টাকা দিতে অপারগ হওয়ায় তাকে তারই পরনের শাড়ীর আঁচল দিয়ে গাছের সাথে বেঁধে মধ্যযুগীয় পন্থায় নির্মম নির্যাতন চালায়। সভ্যসমাজের কি অধোগতি জাতি আজ মর্মে মর্মে তা উপলব্ধি করছে! হায়রে জীবন ব্যবস্থা-হায়রে সমাজ! ছবিটি সংগ্রহ: Imran Khan'র টাইমলাইন থেকে।
সেলুকাস বাংলাদেশ! এস আকরাম হোসেন আশি দশকের জন্মনিয়ন্ত্রণের বিজ্ঞাপন ছিল বেলুনের। সেই বেলুনের বিজ্ঞাপন প্রচার হত 'বাংলাদেশ বেতার কেন্দ্র' থেকে। তো এই জন্মনিয়ন্ত্রণের উপর একটি 'জানা অজানা' নামের একটি ডাকবাক্স বিভাগ ছিল। শ্রোতারা বিভিন্ন প্রশ্ন লিখে পাঠাতেন আর ঐ বিভাগ থেকে শ্রোতাদের প্রশ্নের উত্তর দেয়া হত। প্রায়ই শ্রোতারা একটি প্রশ্ন লিখে পাঠাতেন। প্রশ্নটি এমন: "শ্রদ্ধেয় পরিচালক, আমি নিয়মিত কনডম ব্যবহার করি। কিন্তু দু:খের বিষয় কনডম ব্যবহার করার পরও আমার স্ত্রী গর্ভবতী হয়েছেন। এর সমাধানসহ উত্তর দিলে বাধিত হব।" "কুষ্টিয়া থেকে জনৈক ব্যক্তি, পানসিঘাট, বাদুর তলা-কুমারখালী থেকে।" উত্তরদাতার উত্তর: "ভাই জনৈক, আপনার কনডমটি বোধহয় ঐ সময় ফেটে গিয়েছিল। হয়তো একটু জোরে---------তাই কনডমের তলা ফেটে---------।" একবিংশশতাব্দীর বহুল আলোচিত 'কোভিড-১৯'সে সারাবিশ্ব তোলপাড়! মহামারি করোনাভাইরাস ধমকে দিয়েছে সারাদুনিয়া। বিশ্বের কত মানুষ করোনাক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তার সঠিক হিসাব জানা না থাকলেও নীতিনির্ধারকরা প্রতিদিন একটা পরিসংখ্যান প্রচার করেন, 'আজ এত লাখ করোনাক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন এত হাজার শুন্য শুন্য।' অনেক জলপনা কল্পনার পর ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আমাদের পরমহিতৈষী, বন্ধুদেশ ভারত 'কোভিড-১৯' ভ্যাকসিন (টিকা) উপহার দিল যা করোনা প্রতিরোধক টিকা নামে মহা ঔষধ! প্রচার প্রসারে সারাদেশ মুখরিত। এই মুখরিত প্রচার মুখরোচকে পরিণত হয়। কিন্তু আশ্চর্য বিষয়! কোভিড-১৯, ভ্যাকসিন (টিকা) নেয়ার পর বহু মানুষ করোনাক্রান্ত হয়েছেন। জাতির বিবেক, জ্ঞানের দিশারী, শিক্ষার আলোকবর্তিকা; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ডক্টর এ এস এম মাকসুদ কামাল কোভিড-১৯, ভ্যাকসিন (টিকা) নেয়ার পর তিনি করোনাক্রান্ত হয়েছেন। তিনি এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার নিজ বাসায় কোয়ারেন্টিনে আছেন। এর আগেও ভ্যাকসিন নেয়ার পর একজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ বেশ কয়েকজন করোনাক্রান্ত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এখন এ ব্যাপারে নীতিনির্ধারকেরা কি উত্তর দেবেন তারই অপেক্ষায় পুরো জাতি। তথ্যসূত্র: Dianik Shiksha (দৈনিক শিক্ষা)।
জোকারদের কান্ড: এস আকরাম হোসেন সার্কাসের জোকারদের জোকারি দেখে কত হেসেছি। বিশ্বখ্যাত জোকার চার্লি চ্যাপলিনের জোকারি দেখে তো মরা মানুষও হেসে লুটোপুটি খায়। ঢাকার ভানু, ঢাকাইয়া চলচ্চিত্রের দিলদার ও নব্বই দশকের জনপ্রিয় জোকার কাজলের জোকারি দেখে তো হাসতে হাসতে পেটে খিল লেগে যেতো। যাঁদের কথা উল্লেখ করলাম তাঁরা তো পেশাদার জোকার, জীবিকার তাগিদে জোকারি করতে করতে এক সময় তারা পেশা ও নেশা হিসাবে বেছে নিয়েছেন; কিন্তু ছবিতে ঝাটা হাতে যাদের দেখতে পাচ্ছেন তারা কোন ধরনের জোকার? এই জোকারদের জোকারিপনা দেখে হাসবো না কাঁদবো কিছুই ভেবে পাচ্ছিনা। দেশে কাজের কি সত্যিই অভাব পড়েছে? পরিস্কার রোডে কয়েক টুকরা টিসু ফেলে কামধেনুরা ঝাটা হাতে নিয়ে কি সুন্দর ভঙ্গিমায় ঝাড়ু দেয়ার অভিনয় করছে। তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি এটা সিনেমার শুটিং। তাহলে ছবির নাম কি দেয়া যায়? আমি ছবির নাম দিলাম " বউয়ের খানসামা"। এখন আপনাদের কোন পছন্দের নাম থাকলে দিতে পারেন। বি:দ্র: যিনি যুৎসই নাম দিতে পারবেন তাকে মূল্যবান বই উপহার দেয়া হবে।
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বরাবর আমার আবেদন: ০২ জানুয়ারী ২০২০ খ্রিঃ বরাবর মাননীয় মন্ত্রী শিক্ষা মন্ত্রণালয় গগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। বিষয়: ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন, চকরিয়া এর আদেশ অমান্য করে আমাকে চাকুরীতে স্বপদে পুনর্বহাল না করায় এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রসঙ্গে। সূত্রঃ (ক) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম এর স্মারক নং- চশিবো/প্রশা-২/ আপীল-১৭/৯৫ (২০১৪/২৪ তারিখঃ ৩১/১০/২০১৯ (খ) প্রধান শিক্ষক, চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয় বরাবর আমাকে বেতন-ভাতাসহ স্বপদে পুনর্বহালের জন্য আমার আবেদন, তারিখঃ ০৬/০৯/২০২০ (গ) উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চকরিয়া এর স্মারক নং- ০৫.২০.২২১৬.০০৩.০৫.০৫.২০১৯, তারিখঃ ১৮/১১/২০১৯ মহোদয়, বিনীত আরজ এই যে, আমি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলাধীন চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়ে বিগত ৩০/০৬/১৯৯০ তারিখ হতে ১৮/০৬/২০১৯ তারিখ পর্যন্ত প্রায় ৩০ বছর অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে শিক্ষকতায় রত ছিলাম। অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রোক্ত পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে আপনার সদয় দৃষ্ঠি আকর্ষণ করছি যে, বিদ্যালয়ের বর্তমান ম্যানেজিং কমিটি বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে নিজেদের পছন্দনীয়, অনুগত, প্রশ্নবিদ্ধ ও পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের প্রেক্ষিতে বিগত ১8/০৬/২০১৯ তারিখ আমাকে অর্ধ-বেতনে সাময়িক বহিষ্কার করেন এবং পরবর্তীতে চূড়ান্ত বহিষ্কারের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম বরাবর আবেদন করেন। কিন্তু ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত বিধি মোতাবেক না হওয়ায় বিগত ১৫/১০/২০১৯ তারিখ উক্ত বোর্ডের ৪২ তম আপীল এন্ড আরবিট্রেশন কমিটি তা অনুমোদন না করে আমাকে সমুদয় বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানসহ স্বপদে বহাল রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম কর্তৃক বিগত ৩১/১০/২০১৯ তারিখ ‘চশিবো/প্রশা-২/আপীল-১৭/৯৫ (অংশ-২) /২০১৪/২৪৭৩ (৬)’ সংখ্যক স্মারকে সভাপতি, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি বরাবর আমাকে সমুদয় বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানসহ স্বপদে পুনর্বহালের নির্দেশনা সংক্রান্ত সূত্রোক্ত (ক) পত্র প্রেরণ করা হয়। বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে আমি ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে ১০-১৫ বার দেখা করে আমাকে স্বপদে পুনর্বহালের অনুরোধ করি। তাছাড়া এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক জনাব মোহাম্মদুল হক, চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয়, ডাকঃ চিরিঙ্গা সি,সি-৪৭৪০, উপজেলাঃ চকরিয়া, জেলাঃ কক্সবাজার, মোবাইল নং- ০১৭৪৯৯৭৮০৮১ ও বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বরাবর পাঁচ দফা আবেদন করলে তারা আমাকে সমুদয় বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানসহ স্বপদে পুনর্বহাল করবেন বলে আশ্বাস প্রদান করেন। উপরন্তু, সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক বরাবব আবেদন করে কোন প্রতিকার না পাওয়ায় আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চকরিয়া বরাবর আবেদন করলে তিনি বিগত ১৮/১১/২০১৯ তারিখ সমুদয় বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানসহ স্বপদে পুনর্বহালের জন্য সূত্রোক্ত (গ) পত্র সভাপতি, বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি বরাবর প্রেরণ করেন। কিন্তু সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে আমার ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করে আমার জীবনকে দূর্বিষহ করে তুলেছেন। যার ফলে আমি দীর্ঘ ১ বছর ধরে একমাত্র অবলম্বন বেতন-ভাতা ছাড়া পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। অতএব, আমাকে সমুদয় বকেয়া বেতন-ভাতা প্রদানসহ স্বপদে পুনর্বহালে মহোদয়ের সদয় পদক্ষেপ কামনা করছি। নিবেদক এবিএম দিদারুল ইসলাম সহকারী প্রধান শিক্ষক চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয় চকরিয়া, কক্সবাজার মোবাইল নং- ০১৮৫৯৪০৯৯২১। সংযুক্তিঃ ১। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, চট্টগ্রাম এর ৩১/১০/২০১৯ তারিখের আদেশ। ২। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চকরিয়া এর ১৮/১১/ ২০১৯ তারিখের আদেশ। ৩। প্রধান শিক্ষক, চকরিয়া কেন্দ্রীয় উচ্চ বিদ্যালয় বরাবর আমার আবেদন। সদয় অবগতি ও কার্যার্থে অনুলিপি প্রেরণঃ (জ্যেষ্ঠতার ক্রমানুসারে নয়) ১। মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা। ২। পরিচালক(মাধ্যমিক), মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা। ৩। উপ-পরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, চট্টগ্রাম অঞ্চল, চট্টগ্রাম। ৪। জেলা শিক্ষা অফিসার, কক্সবাজার।
সবাই দেখুন সত্য ইতিহাস কিং বাহাদুর শা তাদের
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে দোহাজারী পৌরসভার তাওহিদি জনতার উদ্দেগে নবী (সঃ) কে কটুক্তি করার প্রতিবাদে জুমার নামাজের পর শান্তিপোর্ন বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধাঁ প্রদান শিকার হয়েছিলেন আমাদের তাওহিদি জনতা। এবং আমাদের কয়েকজন মুসল্লী কে গ্রেফতার করেছেন দোহাজারি তদন্ত পুলিশ। আমরা তো শুধু প্রতিবাদ করতে গিয়েছিলাম। আমরা সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলিনাই। তারপরেও আমাদের উপর অত্যাচার কেন??? প্রতিবাদ করাটা আমাদের ইমানি দায়িত্ব। কারণ আমরা মুসলমান। এবং এটা মুসলমানদের দেশ। আমি এটার প্রতিবাদ জানাই।এবং এটার কারণ কি?????????
⚠ সাবধান আসসালাম আলাইকুম আপনারা যে লোকটির ছবি দেখতে পারছেন সে একজন বাটপার! চিটিং ইউ এ ই , দুবাই যারা আছেন সবাই চিনে রাখুন সাবধান থাকুন | তার বাড়ি কক্সবাজার হরিল্লা চট্টগ্রাম। সে হচ্ছে একজন বাটপার।তার নাম হচ্ছে সামশুল আলম।এই শামসু অনেক বড় বাটপার। তার গ্রামের বাড়ি কক্সবাজার, হরিল্লা । ইউ,এ,ই আজমানে থাকে।তার ফ্যামিলি ছিল আজমানে এখন আছে কিনা জানি না। সে আজমানের একটা এল.এল.সি লাইসেন্স এবং দোকান দেখিয়ে সবার থেকে টাকা খেয়ে যাচ্ছে। আমার থেকে একটা পার্টনার ভিসা দিবে বলে ৫,০০০ দিরহাম নিয়ে গেছে। আমার একটা আংকেলের কাছ থেকে মহিলার ভিসা দিবে বলে নিছে ৪,০০০।সে আজমান, নাঈমিয়া,রাশিদিয়া,কারামা, এ জায়গাগুলো থেকে ৫-৬ জন থেকে ৩০,০০০-৪০,০০০ দিরহাম হাতিয়ে নিয়া সে উধাও। কল দিলে রিসিভ করে না ফোন বন্ধ করে দেয়। সামশুর পরিচয়- তার নাম - সামশুল আলম তার গ্রাম - কক্সবাজার, হরিল্লা, চট্টগ্রাম। তার দুই মেয়ে ও বৌ আজমানে ছিল বর্তমানে তাদের দেশে পাঠিয়ে দিছে। মা বাবা দুজনই আছে তার৷ তার দুই বোনের জামাইকে ভিজিট এ আনছিল। প্রবাসীদের এত কষ্টের টাকা সে ভন্ডামি করে বাটপারি করে হাতিয়ে নিচ্ছে। এগুলো প্রবাসীদের অনেক কষ্টের টাকা ঘাম ঝড়ানো টাকা। দয়া করে সবাই শেয়ার দিন 👏👏
RFL স্রমিক দের কাছথেকে অতিরক্ত টাকা কর্তন করছে কতৃপক্ষ। RFL স্রমিক দের অতিরিক্ত টাকা কর্তন করছে কতৃপক্ষ। অফিস টাইম ১২ ঘন্টা, এর মাযে এক ঘন্টা বিস্রাম সময় বাধা থাকলেও কোন স্রমিক ১ঘন্টা বিস্রাম নিতে পারেনা। ১বেলা খাওয়ার জন্য কাটা হয় ১০-২০টাকা। বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুজায়ি কোন কর্মি কে ৮ ঘন্টার বেসি কজ করালে কর্মের মুজুরি দ্বিগুন দিতে হবে। RFL দিচ্ছে ১.৫ গুন। কোন শ্রমিক তার ন্যাজ্য বেতন পাচ্ছেনা। কর্ম অনুজায়ি প্রতেক শ্রমিকের বেতন থাকা প্রয়জন।নম্নতম ৮০০০ টাকা। আরএফএল দিচ্ছে ৬০০০টাকা। কোন শ্রমিক বাড়িভারা, চিকিৎসা ভাতা যাতায়াত ভাতা পায়না। যারা ফ্যাক্টরির গারিতে যাওয়া আসা করে তাদের কাছথেকে ৬০০টাকা কর্তন করা হয়। কোন শ্রমিক কোন শুবিদা পায় না। এলাকার নেতাদের ভয়ে কোন শ্রমিক কোন কথা বলতে পারেনা।