08/17/2026
পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়, করা হয় গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান, বিয়ের গেইটও ধুমধামে করা হয়, আয়োজন করা বিবাহের অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানে বর ও কনে পক্ষের লোকেরা আনন্দ করে খেয়েছেন।
কিন্তু বিয়ের কয়েকদিন পর জামাই যখন বউকে নিয়ে বউয়ের বাড়িতে আসে। সে রাতেই জামাইয়ের বিরুদ্ধে অ/পহরণ ও ধ/র্ষণের মা/মলা দিয়ে জামাইকে পু/লিশে দিয়ে দেয় কনে পক্ষ।
ছেলেটি কিছুই বুঝতে পারলোনা। কি হচ্ছে তার সাথে। পরে জানা গেলো মেয়েটি তার এক বোনের দেবরের সাথে প্রেমে মশগুল ছিলো। এটা মেয়ে পক্ষের একজনই বললো।
কিন্তু আমাদের দেশের পুলিশ ভাইদের একটু যাচাই করার সময় হয়নি। তারা মেয়েদের কথা শুনেই স্বামীকে জেলে পাঠায়। অথচ পুরো গ্রামবাসী স্বাক্ষী দিচ্ছে তাদের সামনেই বিয়ে হয়েছে।
এই দেশে বিয়ে করেও আপনি নিরাপদ না। বিয়ের আগে জানতে চাইলে বলবে তার প্রেমিকা নাই, কখনো প্রেম করেনি। কিন্তু বিয়ের পর প্রেমিকার পরামর্শে অপহ/রণ ও ধ/র্ষণের মামলা দিবে স্বামীর বিরুদ্ধে।
এই মেয়ের পরিবারকে আগে শাস্তি দিতে হবে। তারা কেন মেয়ের অমতে বিয়ে দিলো। মাঝখান থেকে একটি ছেলের জীবন শেষ। দেড় মাস ধরে নিরপরাধ ছেলেটি জেল খাটছে।
যার পাওয়া উচিত ছিলো জামাই আদর। সেই ছেলে শ্বশুর বাড়ি গিয়ে হয়ে গেলো অপহ/রণকারী ও ধ/র্ষক!
সত্যিই সেলুকাস, কি বিচিত্র এই দেশে, কি বিচিত্র এই দেশের আইন।
আহা দেশের আইন, আহা না/রীর অধিকার! নারীরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারে পুরুষদের বিরুদ্ধে।
ছেলেটির দোষ মেয়ে ১৮ বছর না হলেও বিয়ে করেছে। তাই রেজিষ্ট্রেশন করা হয়নি। আর যেহেতু সামাজিক বিয়ের আইনত বৈধতা নেই বাংলাদেশের আইনে। সেই জন্যই ছেলেটি ফেসে গেছে।
সবাই বললেও কাগজ যেহেতু নেই তাই আইন এটাকে বিয়ে বলে মানবেনা। আহারে জীবন। ত্বি সাবধান, অন্তত ১৮ হওয়ার আগেও কাউকে বিয়ে নয়।
ঘটনাটি ফরিদপুরের।
তথ্যসূত্র: bdnews24, বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল
#বিয়ে #স্বামী #স্ত্রী