Tech - Studio

  • Home
  • Tech - Studio

Tech - Studio Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tech - Studio, Media/News Company, .

10/01/2019

তোমার আর আমার ভালোবাসার
মাঝে পার্থক্য কি জানো...??
তুমি দিন দিন ‌আমার প্রতি বিরক্ত
হচ্ছো আর আমি তোমার প্রতি
আসক্ত হচ্ছি.......!!

26/11/2018

অকালে পুরুষত্ব নষ্ট হতে পারে যে ৮টি অভ্যাসে (স্বাস্থ্য তথ্য)
সুস্থ থাকার জন্য চাই স্বাস্থ্যকর জীবনপদ্ধতি। লিঙ্গ সুস্থ রাখতেও তাই ত্যাগ করতে হবে বদভ্যাস। সঠিক না জেনে, উড়ো কথায় কান দিয়ে অনেকেই মনে করেন, ‘আমার হয়ত সমস্যা আছে’।

সমস্যা কী, আদৌ সমস্যা আছে কিনা সে বিষয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলতেও বিব্রত বোধ করেন।সমস্যা যদি মনেই হয় তাহলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। তবে বাজে অভ্যাসের কারণেও পুরুষের জননেন্দ্রিয়ের কর্মক্ষমতার ক্ষতি হতে পারে। এসব বদভ্যাস প্রতিনিয়ত করতে থাকলে পৌরষত্বের ধার কমতেই থাকবে।

চিকিৎসাশাস্ত্র ও বিভিন্ন গবেষণা অনুসারে স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে বদভ্যাসগুলোর একটা তালিকা নিচে দেয়া হল।

১.বসে বসে সময় কাটানো: গবেষণা বলে, যারা নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করেন তাদের যৌনস্বাস্থ্য ভালো থাকে। আর যারা আজীবনই কুঁড়েমি করেছেন কিংবা আগে পরিশ্রমি ছিলেন এখন অলস সময় পার করছেন তাদের মধ্যে যৌন অক্ষমতা দেখা দেয়ার আশঙ্কা বেশি।

২. ধূমপান: বিটিশ জার্নাল অফ ইউরোলজি’তে প্রকাশিত ৮ সপ্তাহে ধূমপান ছাড়ার এক গবেষণায় বলা হয়, অংশগ্রহণকারীদের ২০ শতাংশ স্বীকার করেছেন যে তারা পুরুষাঙ্গ দৃঢ় হওয়ার সমস্যায় ভুগছেন। ধূমপান ছাড়ার পর এদের মধ্যে ৭৫ শতাংশেরই যৌনক্ষমতা বেড়েছে, পুরুষাঙ্গ হয়েছে দৃঢ়।

৩.দাঁতের অপরিচ্ছন্নতা: শুনতে আজব মনে হলেও গবেষণা মতে, যার পুরুষাঙ্গ ভালোভাবে দৃঢ় না হওয়ার সমস্যা আছে, তার মাড়ির সমস্যা থাকার আশঙ্কা সাধারণের তুলনায় সাতগুন বেশি। এর কারণ হল মুখের ব্যাকটেরিয়া সারা শরীরে প্রবাহিত হয় এবং তা পুরুষাঙ্গের ধমনির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।

৪.অপর্যাপ্ত ঘুম: শরীরের ঘুমের চাহিদা পূরণ না হলে ‘টেস্টোস্টেরন’য়ের মাত্রা কমে যায়। ফলে অবসাদ হয়। যা থেকে পেশি ও হাড়ের ঘনত্বও কমে যেতে পারে। দুইটি প্রভাবই পুরুষাঙ্গের জন্য ক্ষতিকর।

৫.অপর্যাপ্ত সঙ্গম: সঙ্গমের পরিমাণ দম্পতিভেদে বিভিন্ন। তবে ‘আমেরিকান জার্নাল অফ মেডিসিন’য়ের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে একবার সঙ্গমে লিপ্ত না হলে পুরুষাঙ্গ ভালোভাবে দৃঢ় না হওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে তিনবার সঙ্গম হল আদর্শ।

৬.তরমুজ: ‘সিট্রুলাইন-আর্জিনাইন’ নামক উপাদানের ভালো উৎস তরমুজ। এর কাজই হল শরীরের যৌনক্ষমতার উন্নতিসাধন। উপাদানটি শরীরে নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা বাড়ায় এবং পুরুষাঙ্গ দৃঢ় না হওয়ার সমস্যা সারাতে সক্ষম। তাই প্রতিদিন তরমুজ খাওয়ার পরিমাণ বাড়াতে পারলে ভালো।

৭.ট্রান্স ফ্যাট: শরীর প্রচুর ট্রান্স ফ্যাট গ্রহণ করলে শুক্রাণুর মান খারাপ হতে থাকে। তাই শুক্রাণুর সুস্বাস্থ্য ধর রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে এবং ট্রান্স ফ্যাট খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে।

৮.অতিরিক্ত টেলিভিশন দেখা: ব্রিটিশ জার্নাল অফ স্পোর্টস মেডিসিন’য়ে প্রকাশিত হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথ’য়ের করা একটি গবেষণায় দেখা দেখা গেছে সপ্তাহে ২০ ঘণ্টার বেশি সময় টেলিভিশন দেখা পুরুষের শুক্রাণুর মাত্রা ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে।

21/10/2018

অতি সাধারন কিছু তথ্য সবার উপকারে আসবেঃ
১. কাঁচা দুধে তুলা ভিজিয়ে ঠোটে ঘষুন,
কালা দাগতো উঠবেই সাথে ঠোটে গোলাপী
ভাব আসবে।
২. কনুইয়ের কালো দাগ দূর করতে
লেবুর খোসায় চিনি দিয়ে ভালো করে ঘষুন ।চলে যাবে।
৩. ব্রনের উপর রসুনের
কোঁয়া ঘষে নিন, তাড়াতাড়ি
মিলিয়ে গ্যারান্টি।
৪. পেডিকিউর মেনিকিউর আপনার
কাছে ঝামেলা লাগে? আরে আমি আছি না ?
আজ থেকে যখনই আপেল খাবেন
তখনই আপেলের খোসাটা হাত
পায়ে ঢলে নিন। ফর্সা হবে
পরিস্কার হবে
৫. পায়ের গোড়ালী ফাটলে, পেয়াজ
বেটে প্রলেপ দিন। ক্রীম কিংবা
স্ক্রাব এর ঝামেলায় যেতে হবেনা।
৬. প্রতিদিন টুথপেষ্ট দিয়ে দাত মাজেন কুলি করেন তবুও মুখে
দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়?
ব্যাপার না, নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ
থেকে মুক্তি পেতে টানা দুইমাস
নিয়মিত দুই কোঁয়া করে
কমলালেবু খান।
অনেক কষ্ট করে তথ্যগুলো জোগাড়
করেছি আপনাদের জন্য। আপনারা
লাইক শেয়ার না করলে তথ্য দেয়ার
আগ্রহ মরে যায়।
পোষ্ট টা কেমন লেগেছে কমেন্টে জানাবেন ।
আপনার যদি
কমেন্ট করতে কষ্ট হয়,
তাহলে সংক্ষেপে কমেন্ট করুন..
T= (Thanks)
N= (Nice)
E= (Excellent)
V= (very fine)
B= (Bad)
O= (Osthir).....................
[৭.আর একটা কথা বলতে ভুলে গেছি, হয়তোবা অনেকেই জানেন।কালজিরা খেলে কি লাভ হয়?রাসুল (সা)বলেছেন, মৃত্যু ব্যতীত সকল রোগের ঔষধ।]..........
🍎কিছু ভালো বন্ধু লাগে তাই কেউ বন্ধু হতে চাইলে এড দিন🍎

16/10/2018

প্রেম-ভালবাসা💜💜

প্রেম নামক মাদকে আসক্ত তোমার মনের প্রতিটি অলিগলি,
ললনার গা ঘেষে বসে অস্থির হাওয়ায় দোল খেয়ে নিত্য পথচলা,
তার শরীরের গন্ধ তোমার ভালোলাগা ভালোবাসা,
অনুভূতিশূন্য সেই তুমিও ভালবাসার সাতরঙ আঁকো,
কালচে হৃদয় ইগোর অন্তরালে ঢাকো।
ভালবাসা কি জানো প্রিয়?
তোমার মস্তিষ্কের অন্দরমহলে যার নিবিড় চলা,
যাকে অনুভবে সবটা সময় কাছে রাখো,
যার উপস্থিতি সুখকর অনুপস্থিতি অস্থিরতার সঞ্চার করে।
প্রেম সে তো ড্রাগের ক্রমশ আসক্ততা!
প্রেমিকা বদলে কিন্তু প্রেমের শেষ হয়না।
আর ভালবাসা?
প্রেমিকের হাজারটা প্রিয়সী থাকার সত্ত্বেও
নিভৃতে নির্জনে কারো জন্য কেঁদে হৃদয়ক্ষরণ করা।
সবশেষে, হিসেবকষে যে থাকে মনের বশে
সে ই ভালবাসার প্রিয়সী,
বাকিগুলা প্রেমিকা রূপসী।

16/10/2018

♥বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসা♥
""""""""""
!!!!!!!!!!!!!
!!!!!!!!!!!!!
""""""""""""
>> বন্ধু আমি কিছু পারি না।
আমাকে দেখা নইলে আমি নিশ্চিত ফেল হয়ে
যাব।
(সিয়াম)
>> শালা হারামী। রাতে পড়তে বসিস না
কেন? সারা
রাত কি করিস। এখন আমি কেন তোকে দেখাব।
আমি
পারব না তোকে দেখাতে।( রিমি)
>> পরীক্ষার হল থেকে বের হবি না। তখন বুঝাব
কে আমি।
আমাকে না দেখিয়ে তুই পাস হয়ে যাবি। আর
উপরের
ক্লাসে উঠে অন্য একজনের সাথে প্রেম করবি।
দাঁড়া
দেখাব মজা।
>> আমাকে ভয় দেখাস। যা তোরে দেখাব না।
তুই যা
ইচ্ছা তা করিস। কোনো ডিস্টার্ব করবি না।
নইলে কলম
দিয়া চোখ কানা করে ফেলব।
>> প্লিজ প্লিজ। এই দেখ কানে ধরলাম। তবুও
একটু দেখা।
তুই ছাড়া কে আছে আমার। তুই আমার আপনজন।
>> বিপদে পড়লে আপনজন। বুঝি বুঝি।
যা তোরে আমি দেখাব কিন্তু আজ বিকালে
ঘুরতে নিয়ে
যেতে হবে।
>> আরে তোরে আমি সারাশহর নিয়ে ঘুরব।
তুই শুধু আমার বাইকের পিছনে বসে থাকিস।
>> ঠিক আছে এতো কথা বলিস কেন?
দেখ নইলে ভাগ এখান থেকে। স্যার দেখলে
খাতা নিয়ে
যাবে।
>> ধীরে ধীরে লেখ। এতো জোরে লিখছ কেন?
>> দ্যাত দেখতো।
>> আমি পারব না লিখতে। তুই লিখে দে।
>> হায় আমার কপাল। ওই তুই লিখবি কিনা
আগে বল?
>> আমি পারি নাতো এতো জোরে লিখতে।
তোর লিখা
খাতা দিয়ে দে আমাকে।
>> তবুও আমাকে লিখতে দে। নে খাতা।
>> বন্ধু তুই না থাকলে আমার কি যে হতো কে
জানে। যা
আমি পরীক্ষার হল থেকে বের হয়ে যাচ্ছি ।
আমার
পরীক্ষা শেষ।
তুই সুন্দর করে পরীক্ষা দিয়ে আয়।
আমি বাহিরে অপেক্ষা করছি।
>> যা হারামী।
(২)
>> এই রিক্সা ডাক। (রিমি)
>> আরে চল হেঁটে বাসায় যাই। প্রতিদিন তো
রিক্সাই
যাই। তোরে নিয়ে ঘুরতে আর ভালো লাগে না।
>> কুত্তা তুই রিক্সা ডাকবি কিনা বল।
আমার কিন্তু অনেক কষ্ট হচ্ছে। আমাকে দিয়ে
তোর
পরীক্ষার খাতা লেখাইছত। এখন বলছত হেঁটে
হেঁটে
বাসায় যাবি। আমি কিন্তু তোরে খুন করে
ফেলব।
>> আমি তো লিখা খাতা আনলাম। তুই আমার
জন্য
কোথায় লিখছত?
এইটা কিন্তু তুই মিথ্যা কথা বললি।
>> পরে আমার জন্য লিখছি তো। একেই কথা।
দ্যাত
রিক্সা ডাক। ভালো লাগছে না।
>> আমার কিন্তু ভালো লাগছে। তোকে আজ
নিয়ে ঘুরতে
ইচ্ছা করছে। এখন তো এক্সাম শেষ চল ওই দিক
থেকে ঘুরে
আসি।
>> না। মা বকাবকি করবে।
আমাকে বাসায় দিয়ে চলে আয়। কাল বের হব।
>> এখন রিক্সা পাব কোথায় ?
>> কেন তুই তো রিক্সাওয়ালাদের সাথে
পাঠিয়ে প্রেম
করিস। এখন রিক্সা পাবি না কেন?
>> আরে পাগল নাকি। রিক্সাওয়ালারা কি
মেয়ে নাকি
তাদের সাথে প্রেম করব। কি আবুলতাবুল বলস।
>> আমি আবুলতাবুল বলি শালা হারামী। একটা
নাকের
নিচে দিলে বুঝবি। ফাজিল কোথাকার।
>> তুই আমাকে শুধু বকছ কেন?
আমি হারামী না।
>> আমাকে মাফ কর ভাই। আমাকে রিক্সা
এনে দে। আমি
বাসায় যাব।
>> ওই দেখ রিক্সা এসেছে। চল তোকে বাসায়
দিয়ে
আসি।
>> আমি আগে উঠি। তারপর তুই উঠবি।
>> তুই বেশি জায়গা নেওয়ার জন্য উঠছত। তা
আমাকে
বলতে হবে না।
>> আমি মেয়ে আমি বেশি জায়গা নিব। তুই
ছেলে তুই কম
জায়গা নিবি। আমি যদি পড়ে যাই তাইলে
পাশের
রিক্সার করিম চাচাও হাসি দিব। তখন তো
আমার খারাপ
লাগবে। আর তুই খিলখিল করে হাসবি। যা
দেখে আমার
শরীরটা জ্বলবে।
>> আমি তো হাসবো ওই। আমি কি মেয়েদের
মতো
কান্না করব নাকি। কিছু হলেই ভ্যাএএএএ করে
কান্না
করে দেয়।
>> থাপ্পড় দিয়ে দাঁত ফেলে দিব। আরেক টা
কথা বললে।
>> রিক্সা মামা তাড়াতাড়ি চলেন তো।
আমার থাপ্পড়
খাওয়ার শখ নাই।
(৩)
>> এক জায়গায় স্থির হয়ে বসে থাকতে পারিস
না। খালি
একখান থেকে আরেকখান যাস কেন?( রিমি)
>> আরে সব জায়গায় শুধু মাটি। একটা ভালো
জায়গায়
বসি। তুই তো আর ভালো জায়গায় বসতে রাজি
না।
(সিয়াম)
>> আমাকে এতো পরিষ্কার শিখাতে আসিস
না। তোরে
দেখলে তো টুনির মাও রাজি হবে না। তোর
সাথে
থাকতে। আর আমার সম্পর্কে কথা বলিস।
>> টুনির মা কেন রাজি হব। তুই ওই তো রাজি
হইছত। যে
জায়গায় তুই রাজি হয়েছিস সে জায়গায় টুনির
মা আমার
বাসায় চলে আসবো।
আমি নিশ্চিত।
>> বা বা। তুই দেখি এখন ভালো কথা শিখছিস।
তো একটু
পরীক্ষার পড়া পড়লে ভালো হয় না। তাতে
আমি কিছুটা
বাঁচি।
>> আমাকে একটু দেখিয়ে খুটা দিচ্ছিস।
যা তোর খাতা আমি আর দেখব না। আমি এখন
ফারিয়ার
খাতা দেখব।
>> থাপ্পড় দিয়ে সব দাঁত ফেলে দেব। আবার
যদি ওই
ফারিয়ার কথা মুখে আনিস। আমি ফারিয়ার
খাতা দেখব।
শালা হারামী। লজ্জা করে না।
এই কথা বলস।
>> আমার লজ্জা নাই।
>> থাকবে কি করে। তুই তো তোর মা-বাবার
কোলে বসে
বসে খাঁস।
>> কোলে বসে খাই মানে কি? তুই ওত তোর মা-
বাবার
কোলে বসে খাইছত,প্রসব করছত।
>> দেখ তোরে কিন্তু আমি।
>> কি করবি তুই? আমাকে শুধু বকছ তুই।
আমার সাথে তো একটু ভালো করে কথা বলা
যায়। দেখিস
তোর একটা হাদারা স্বামী পাবি।
>> পাইলে পাব আমি। তোর এতো মাথা ব্যথা
কেন?
হিংসা হচ্ছে।
>> আমার হিংসা হবে কেন? আমার কিছু হচ্ছে
না। আমি
কি তোকে ভালোবাসি নাকি।
>> তোর মতলব তো আমি বুঝি। তুই কিছু একটা
মনে মনে
ভাবসিস।
>> নাতো। চল মার্কেট যাই। মা বলছে কিছু
বাজার করে
নিতে।
>> আমি কেন যাব। তুই যা। লিস্ট এনেসিস।
>> আরে চল।
>> না যাব না।
>> চলতো।
(৪)
>> এতো বড় বাজার লিস্ট। তুই নিবে কিভাবে।
সব এই
দোকানে আছে তো?
(রিমি)
>> মাথা মোটা সব কিছু এখানে আছে। তোরা
তো পারিস
শুধু বাসায় বসে বসে স্বামীদের উপর অত্যাচার
করতে।
>> আমরা অত্যাচার করি মানে কি?
তুই কি বলতে চাইছত।
>> আমি বলতে চাইছ। তোরা এক গাধা বাজার
লিস্ট
তোদের স্বামীদের হাতে দিয়ে বলিস। এই
নেও ভালো
করে বাজার আনবে। কোনো কিছু ভুল করে
বাসায় আসবে
না। যদি আসো তাইলে বাজার করতে আবার
বাজারে
যেতে হবে। তাড়াতাড়ি বাসায় আসবে। দেরি
করলে
বাসার দরজা খুলব না।
>> আমি এসব করব না। আমি আমার স্বামীকে
খুব
ভালোবাসবো। তুই আমাকে শিখাতে আসিস
না। এক
গাধা বাজার মানে কি ছাগল। বাজার না
করলে খাব কি।
তোর মাথা খাব নাকি।
>> তুই আমাকে ভালোবাসবি। ভালো যখন
বাসবি তাইলে
মাথা খাবি কেন। মাথা খেলে তো আমি মরে
যাব।
>> ও। আমি আমার স্বামী কে খুব
ভালোবাসবো। কিন্তু
তোকে আমি ভালোবাসবো কেন? তুই কি
আমার স্বামী
নাকি?
>> হিহিহি। বাদ দে তো। একদিন তুই আমার বউ
হলেই হলো।
>> হিহিহি।
আমি তোর মতো হাদারাম এর বউ হব না।
বাজার সব কিছু লইছত তো। নইলে তো আবার
বাসা থেকে
বাজারে আসতে হবে।
>> লইছি বাবা। বাজার করার জন্য কেউ
আমাকে কিছু
বলতে পারবে না। এইটা আমি শিওর।
>> বললেই হলো। একদিন বাজার ভুল করে
বাসায় আসিস
দেখিস আমি কি করি।
>> কিছু বললি।
>> না।( কিছু লজ্জা পেয়ে)
(৫)
>> ভাই আইসক্রিম দেন তো দু'টা। (সিয়াম)
>> তোর দাঁতে তো পোকা আসবে। তুই
আইসক্রিম খাবি ?
>> না। আমি এখন বাচ্চা ছেলে। আমার দাঁতে
পোকা
আসবে। আর তোকে পোকা আদর করে যাবে।
কুত্তি।
>> আমাকে তো পোকা আদর করবে। একটু মায়া
করবে।
আমি সুন্দর একটা মেয়ে। আমার কি আর ক্ষতি
করতে
পারে। তুই বল ?
>> মায়া করবে। আমি পোকা কে মায়া করতে
দিব না।
আমি তোর দাঁতের চিকিৎসা করে পোকা কে
মেরে
ফেলব।
>> আমি তো চিকিৎসা করতে দিব না। আমি
পোকার
ঘরবাড়ি আমার দাঁতের মাঝে করে দিব। যাতে
তোর
হিংসা হয়।
>> হাহাহা।
ব্যথা পেলে বুঝবি। তখন নিজের জ্বালায়
নিজে দাঁত
থেকে পোকা বের করবি।
চল বাসায় যাই।
(৬)
>> এই বাইক টা ধীরে ধীরে চালা। এতো
জোরে
চালাচ্ছিস কেন? আমার কিন্তু অনেক ভয়
করছে।
>> ভয় টা দূর করতে হবে। দুই টা হাত দিয়ে
পাখির মতো
উড়তে থাক। দেখবি তুই আকাশে উড়ার জন্য
লাফাচ্ছিস।
>> শালা হারামী। আমাকে মারার জন্য যুক্তি
দিচ্ছিস।
তারপর অন্য একটা মেয়ে নিয়ে ঘুরবি। বাইক
ধীরে ধীরে
চালা নইলে আমি লাফ দিমু।
>> লাফ দে। দেখি তোর কত সাহস।
>> ভ্যাএএএএএ।
>> কান্না করছিস কেন?
>> ভয় করছে। দেখ কত বড় বড় গাড়ি আমাদের
অতিক্রম
করে যাচ্ছে। যদি কোনো সময় ধাক্কা দিয়ে
আমাদের
পেলে যায়। আমি কিন্তু মরে যাব।
>> আরে ভয় করছিস কেন?
ড্রাইভার টা তো আমি। আমি কত সুন্দর করে
ড্রাইভিং
করছি দেখ।
>> তুই ড্রাইভিং করছিস। এইটা ওই তো ভয়। অন্য
কেউ হলে
এতো ভয় ছিল না। ওই দেখ সিগন্যাল দিচ্ছে।
এবার গাড়ি
থামা।
>> না থামানো না।
>> থামা বলছি।
>> থামাচ্ছি। তোকে আর বাইকে তুলব না।
ভয়ের ডিব্বা কোথাকার।
(৭)
>> এভাবে তাকিয়ে আছত কেন?
(সিয়াম)
>> শালা হারামী। তুই কাল রাতে কোথায়
ছিলি?
>> আমি আবার কোথায় ছিলাম। বাসায়
ছিলাম।
>> সত্যি কথা বল। নইলে তোরে আমি কি
শাস্তি দিব।
আমি নিজেও জানি না।
>> বিশ্বাস কর। আমি বাসায় ছিলাম।
>> তোর মোবাইল টা অভির হাতে ছিল না ?
>> অ অ অ ভির হাতে ছিল মানে। তুই কি ফোন
দিয়েছিলি
নাকি?
>> আমি ফোন দিয়ে প্রায় ৫ মিনিট কথা
বলছি। তুই কি
করছত আমি সব জানি। তুই এসব করছ। দাঁড়া
আমি আজ
তোর বাসায় গিয়ে আন্টিকে তোর নামে সব
বলব।
>> প্লিজ বলিস না। আমি তোকেও এনে খাঁইয়ে
দিব।
>> আমি তোর চুরি করা জিনিস খাব। তুই
ভাবলি কি করে
চুর কোথাকার। তুই আর আমার সাথে মিশবি না।
তুই আর
আমাকে ফোন দিবি না। কোনো কথা বলার
চেষ্টা করবি
না। নারকেল গাছ থেকে নারকেল চুরি করে
নারকেল
খাওয়া।তুই চুর। কোনো কথা বলবি না। কত বড়
সাহস
আরেক জনের গাছ থেকে নারকেল চুরি করে।
>> আচ্ছা আর করব না। এই কান ধরলাম।
>> তুই চুপ থাক।
>> মাফ করে দে না।
>> দিব না। আমাকে বাসায় দিয়ে আয়। আর দুই
কান দিয়ে
শুন আমাকে ভুলেও ফোন দিবি না।
(৮)
২ দিন হয়ে গেল। সিয়াম রিমি কে ফোন দেয়
নি। সিয়াম
কে খুব অসহায় লাগছে। যদি সিয়াম রিমি কে
ফোন দেয়
তাইলে রিমি অনেক বকাবকি করবে। কারণ
রিমি অনেক
রেগে আছে। রিমি চুরি করা একদম পছন্দ করে
না। সব
কিছু মাফ করে দিতে পারে কিন্তু চুরি করা
মাফ করবে
না। সিয়াম অনেক বার নারকেল চুরি করেছে।
আর রিমি
কিভাবে জেনে যায়। তারপর সিয়াম কে
অনেক বকাবকি
করে।
রিমির কথা বারবার সিয়ামের মনে পড়ছে
কিন্তু একটায়
ভয় রিমি না করছে। রিমি কে ফোন না দিতে।
হঠাৎ সিয়াম দেখতে পায় রিমি ফোন করেছে।
>> শালা হারামী। কুত্তা। বিড়াল। তুই এমন
কেন? তুই
আমাকে দু'দিন ফোন দিস নি কেন? ( কান্না
করে)
>> তুই ওই তো না করলি। আমি কে?
আমি কতবার মাফ চাইছি। আমাকে তো মাফ
করিস নি
বরং যেন ফোন না করি তার জন্য আমাকে বলে
গেছত।
>> আমি তো রাগায় মাথায় বলেছিলাম। তার
জন্য তুই
ফোন করবি না। তোর কি কথা বলার ইচ্ছা নাই।
>> আমি কি করব। তোকে আমার ভয় করে। তুই
শুধু আমাকে
বকাবকি করস।
>> আমি ছাড়া কে তোকে বকাবকি করবে।
আমি তোকে আদর করব। বকাবকি করব। তোকে
কানে
ধরিয়ে রোদের মধ্যে রাখব।
>> আমার কষ্ট হবে না বুঝি।
>> হউক তোর কষ্ট। এইটা তোর শাস্তি। কাল
খেলার মাঠে
আসিস। তোকে শাস্তি দিব।
>> আমি আসতে পারব না।
>> তাইলে পরের দিন তোর শাস্তি ডাবল হবে।
>> দরকায় নায়। কাল আসব নে।
তবুও শাস্তি টা কম হবে।
>> রাখি।
>> না রাখবি না। দু'দিনের কথা জমা হয়ে
আছে। আয়না
এখন দু'জন কুয়াশা মাঝে হারিয়ে যাই।
>> হারালে বাসায় আসব কি করে?
>> বাসায় আসতে হবে না। সেখানে আমরা
দু'জন বাসা
বেধে সেখানে বসবাস করব।
>> তুই কি আমাকে রুজি করে খাওয়াবে?
>> খাওয়াব। তবুও চল হারিয়ে যাই। তোকে
নিয়ে হারাতে
মন চাইতাছে।

04/10/2018

সচেতনতা মূলক পোস্ট
-
১. ঢাকায় এলে কখনো বাসে জানালার পাশে বসে
মোবাইল টিপবেন না। কখন নিয়ে যাবে, টের
পাবেন না।
-
২. রিকশাতে বসে কোলের ব্যাগ রাখবেন না। পাশ
থেকে মটরসাইকেল কিংবা গাড়িতে করে এসে
হ্যাচকা টান দেবে।
-
৩. রাস্তায় কিছু খাবেন না। কিছুই না। দূরপাল্লার যাত্রা
হলে বাড়ি থেকে খাবার নিয়ে আসুন অথবা
প্যাকেটজাত কিছু খান। পাশের যাত্রী কিছু দিলে খান
না, তাতে কি? হয়তো যে পানি বা ডাব কিনলেন, বা
অন্যকিছু তাতেই থাকতে পারে ঔষধ।
-
৪. ট্রেন জার্নিতে দরজার পাশে, দুই বগির পাশে
দাড়াবেন না। কিংবা যতোই ভালো লাগুক দরজায়
দাঁড়িয়ে সিগারেট খাবেন না। ট্রেনের ছাদে চলাচল
যতোই রোমান্টিক লাগুক, যে গ্যাং গুলো ছিনতাই
করে, তারা খুবই নির্দয় এবং বেপরোয়া। অনেক
যাত্রীর লাশ পাওয়া যায় সারাদেশের ট্রেন লাইনের
আশেপাশে। বেশিরভাগই বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন
করে ফেলা হয়।
-
৫. কপাল খারাপ হলে ছিনত্যাইয়ের শিকার হবেন। ধরা
যাক হলেন। কি করবেন ? ছিনতাইকারী বেশ
কয়েকজন। আপনি একা, চারপাশে কেউ নেই।
আপনাকে ঘেরাও করে রেখেছে। আপনার
পকেটে দামী ফোন। এসবক্ষেত্রে ভালো
হয় ফোনের মায়া ত্যাগ করা। কারণ যারা ছিনতাইকারী
তাদের বেশিরভাগই নেশাগ্রস্থ। আপনার
জীবনের দাম পৃথিবীর যেকোনো দামী
ফোনের চেয়েও অনেক বেশি।
-
৬. বান্ধবী বা মেয়ে বন্ধুর সাথে রেস্টুরেন্ট বা
পার্কে যাচ্ছেন। হঠাৎ দেখবেন আপনার চারপাশে
একদল ছেলের আবির্ভাব। এরা কিন্তু একটা গ্যাং।
দেখবেন আপনাদের নিয়ে নানান রকম আজে
বাজে কথা বলছে, বাজে ইঙ্গিত দিচ্ছে। আসলে
ওরা চাইছেই আপনাকে উত্তেজিত করে একটা
ঝামেলায় বাধাতে। এতে ওদের লাভ। সেটা
কিরকম ? ধরাযাক আপনি মাথা গরম করে ঝামেলায়
জড়ালেন। ওরা আপনাকে অপমান করেছে বলে
আপনি পাল্টা কিছু বললেন বা করলেন। এই পেয়ে
গেলো সুযোগ। ওরা তখন বাইরে থেকে নেতা
গোছের কাউকে ধরে আনবে। যিনি এসেই
আপনাকে আপনার বান্ধবীর সামনেই নানান
রকমভাবে জেরা করবে। তারপর বিচারে
আপনাকেই দোষী বানিয়ে দেবে। অত:পর
মিটমাট করার নাম করে আপনার কাছ থেকে জরিমানা
বাবদ টাকা পয়সা কিংবা দামী ঘড়ি, ফোন অথবা ল্যাপটপটা
রেখে দেবে। তাই এসব জায়গায় কথা বাড়ানো
মানেই ঝামেলা ডেকে আনা। আর নির্জন জায়গা
হলে এদের দেখা মাত্রই সরে পড়ুন।
-
৭. ভোররাতে ঢাকা এসে পৌঁছেছেন। সাহস
দেখিয়ে রাস্তায় নেমে পড়তে যাবেন না।
বাসস্টপে বা ট্রেন স্টেশনেই অপেক্ষা করুন।
সকালে যখন রাস্তায় যথেস্ট মানুষ থাকবে তখন
বের হন।
-
৮. ট্রেন স্টেশনে বা সদরঘাটে নিজে নিজে
বয়ে নিয়ে যেতে পারেন না এমন বোঝা নিয়ে
এসেছেন তো মরেছেন। মাথায় করে পৌঁছে
দেয়ার নামে আপনার কাছ থেকে চাদার মতো
৪০০-৫০০ টাকা খসিয়ে ছাড়বে কুলিরা। তাই সাবধানে
থাকুন, দরদাম করে তারপর কুলি ঠিক করুন।
-
৯. নিউমার্কেট বা নীলক্ষেতের মত জায়গায়
কেনা কাটা করতে গেলে খুবই সাবধান। কৌতুহলের
বশে কোনো কিছুর দাম জিজ্ঞেস করলেও
এখানে আপনাকে পাল্টা দাম বলার জন্য জোরাজুরি
করবে। মনে রাখবেন এখানে মেজাজ দেখিয়ে
লাভ নাই, এখানকার দোকানীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ
করে।
-
১০. বাসে উঠলে প্যান্টের পিছনের পকেটে
মোবাইল, মানিব্যাগ এসব কিছু রাখা নিরাপদ না।
দেখবেন ভিড়ের মাঝে বাসে ওঠতেছেন যে
কেউ টান মেরে নিয়ে যেতে পারে টের ও
পাবেন না। তাই সামনের পকেটে এসব জিনিস রাখুন।
-
১১. বাণিজ্যমেলা, চিড়িয়াখানা, চন্দ্রিমা উদ্যান কিংবা
শিশুপার্কে গিয়ে দাম খুব ভালো করে না জেনে
কিচ্ছু খাবেন না। দেখা যাবে একটা সিংগাড়া কিংবা আধা
প্লেট বিরিয়ানি খাইয়ে ৪০০-৫০০টাকার বিল ধরিয়ে
দেবে আপনাকে।
-
১২. রাতে ঘোরাঘুরি না করাই ভালো। ছিনত্যাইকারী
ধরলেতো কথাই নেই। এমনকি পুলিশ ধরলেও
বিপদ। যতই নির্দোষ হন, পুলিশ যদি বুঝতে না চায়
আর আপনাকে আটকে রাখার নিয়ত যদি থাকে,
তাহলে আপনার কিছুই করার থাকবে না।
-
১৩. বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছেন, হঠাৎ একটা
মাইক্রোবাস এসে থামলো আপনার সামনে। সেটা
প্রাইভেট গাড়িও হতে পারে। আপনাকে চালক
বলবে সে গ্যারেজে ফেরার পথে বাড়তি কিছু
‘ট্রিপ’ নিচ্ছে। খুব অল্প ভাড়ায় আপনাকে পৌছে
দেবার কথা বলবে। আপনি উঠবেন না। মেয়ে
হলেতো আরো আগে না।
-
১৪. রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছেন। হঠাৎ ভদ্রবেশি কেউ
এসে, সে হতে পারে ছেলে বা মেয়ে বা
বয়ষ্ক পুরুষ কিংবা মহিলা, আপনার ফোন চাইলো।
বললো, উনার কোন একটা সমস্যার কথা, এক্ষুনি
একটা ফোন দিতে হবে কাউকে। আপনি বিশ্বাস
করে ফোনটা দিলেন, দেখবেন পরক্ষণেই হুট
করে বাইকে উঠে হাওয়া।
-
১৫. সাথে সবসময় আইডি কার্ড রাখুন। বিপদে পড়লে
খুব কাজে দেয়। হয়তো কোনো দূর্ঘটনা
ঘটেছে, অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন, তখন যারা
উদ্ধার কাজে আসবে তারা আপনার পরিবার পরিজনকে
জানাতে পারবে।
-
১৬. যারা secirity/security
force / er post যেমন: রিক্রুটিং অফিসার /রিক্রুটিং
ম্যনাজার এই সব পদে আপ্নি জব করতে জাবেন না।
আপ্নাকে ভাল বেতন বলবে ভাল সুযোগ সুবিধা
বলবে এই সবে আপ্নি জাবেন না।আপ্নাকে ঢাকা
নেয়ার পর আপ্নাকে টাকা বলবে account খুলার
জন্ন।আর অনেক কিচু বলে টাকা নিবে আপ্নি জব
এর জন্ন দিবেন পরে আপ্নাকে প্রতারনা
করেবে।
ঢাকা, গাজিপুর, এই সব প্রতারনা বেসি হয়।
১৭. নতুন বিবাহিত হলে এবং স্ত্রীকে সাথে নিয়ে
ঘুরতে এলে কাবিননামার ছবি মোবাইলে তুলে
রাখুন। কখন কোন কাজে লেগে যাবে বুঝতেও
পারবেন না।
সবচেয়ে বড় কথা, সবসময় সতর্ক
থাকুন, চোখ কান খোলা রাখুন। মনে রাখবেন
আপনার নিরাপত্তা আপনারই হাতে।
এই বিষয়ে আপ্নারা সতর্ক থাকবেন।
ধন্যবাদ।

03/10/2018

সমাস চেনার সহজ উপায়★
স্কুলে যখন ‘সমাস' পড়ানো হত, তখন স্যারেরা একটু
দুষ্টুমী করেই বলতেন ‘সমাস‘ শিখতে নাকি ছয় মাস
লাগে।
যদিও কথাটি দুষ্টামীর ছলে বলা কিন্তু কথাটি
একটু বেশিই সত্যিই। ৬ মাস তো দূরে থাক ৬
বছরেও শিখা হলো না কোনটা কোন সমাস।
দ্বিগু সমাস কিভাবে চিনবেন জানেন? আচ্ছা,
দ্বিগু শব্দের “দ্বি ” মানে কী? দ্বিতীয় শব্দে
“দ্বি ” আছে না? আমরা ২ বুঝাতে “দ্বি ” শব্দটি
ব্যবহার করি। ২ মানে কী? একটি সংখ্যা। তাহলে
যে শব্দে সংখ্যা প্রকাশ পাবে এখন থেকে
সেটাকেই “দ্বিগু ” সমাস বলে ধরে নিবেন। যেমন
পরীক্ষায় আসলো শতাব্দী কোন সমাস? আচ্ছা
শতাব্দী মানে হল শত অব্দের সমাহার। অর্থাৎ
প্রথমেই আছে “শত ” মানে একশ, যা একটি
সংখ্যা। সুতরাং এটি দ্বিগু সমাস। একইভাবে
ত্রিপদী ( তিন পদের সমাহার)এটি ও দ্বিগু সমাস।
কারণ এখানে ও একটি সংখ্যা (৩) আছে। এবার
যেকোন ব্যাকরণ বই নিয়ে দ্বিগু সমাসের যত
উদাহরন আছে সব এই সুত্রের সাহায্যে মিলিয়ে
নিন।
এবার আসুন কর্মধারয় সমাসে। খুব বেশি আসে
পরীক্ষায় এখান থেকে। কর্মধারয় সমাসে “যে /
যিনি/যারা ” এই শব্দগুলো থাকবেই। যেমন:
চালাকচতুর – এটি কোন সমাস? চালাকচতুর মানে
‘যে চালাক সে চতুর ‘ তাহলে এখানে ‘যে ‘ কথাটি
আছে,অতএব এটি কর্মধারয় সমাস। তবে কর্মধারয়
সমাস ৪ প্রকার আছে। মুলত এই ৪ প্রকার থেকেই
প্রশ্ন বেশি হয়। প্রথমেই আসুম মধ্যপদলোপী
কর্মধারয় সমাস চিনি। নামটা খেয়াল করুন,
মধ্যপদলোপী। মানে মধ্যপদ অর্থাৎ মাঝখানের
পদটা লোপ পাবে মানে চলে যাবে। সহজ করে
বললে হয়, যেখানে মাঝখানের পদটা চলে যায়
সেটিই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ
সিংহাসন - কোন সমাস? সিংহাসন মানে ‘সিংহ
চিহ্নিত যে আসন ‘। তাহলে দেখুন এখানে ‘সিংহ
চিহ্নিত যে আসন ‘ বাক্যটি থেকে মাঝখানের
“চিহ্নিত ” শব্দটি বাদ দিলে অর্থাৎ মধ্যপদ
“চিহ্নিত ” শব্দটি লোপ পেলে হয় “সিংহাসন “।
যেহেতু মধ্যপদলোপ পেয়েছে, অতএব এটি
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
উপমান কর্মধারয় সমাস কিভাবে চিনবেন
জানেন? যদি ২টি শব্দ তুলনা করা যায় তবে সেটি
হবে উপমান কর্মধারয় সমাস। যেমনঃ তুষারশুভ্র –
কোন সমাসের উদাহরন? এটি পরীক্ষায়
অনেকবার এসেছে। শব্দটি খেয়াল করুন
“তুষারশুভ্র “। তুষার মানে বরফ, আর শুভ্র মানে
সাদা। বরফ তো দেখতে সাদা। তাহলে তো এটি
তুলনা করা যায়। অতএব এটি উপমান কর্মধারয়।
একইভাবে “কাজলকালো “এটিও উপমান
কর্মধারয় সমাস। কারণ কাজল দেখতে তো কালো
রঙেরই হয়। তার মানে তুলনা করা যাচ্ছে। অতএব
এটি উপমান কর্মধারয়। এটি অন্যভাবে ও মনে
রাখা যায়। উপমান মানে Noun + Adjective. যেমন
তুষারশুভ্র শব্দটির তুষার মানে বরফ হল Noun, আর
শুভ্র মানে সাদা হল Adjective। কাজলকালো
শব্দটির কাজল হল Noun, এবং কালো হল Adjective।
অতএব Noun + Adjective = উপমান কর্মধারয় সমাস।
উপমিত কর্মধারয় মানে যেটা তুলনা করা যাবে
না। বিগত বছরের একটি প্রশ্ন ছিল :সিংহপুরুষ –
কোন সমাসের উদাহরণ? খেয়াল করুন শব্দটি।
সিংহপুরুষ মানে সিংহ আর পুরুষ। আচ্ছা সিংহ কি
কখনো পুরুষ হতে পারে নাকি পুরুষ কখনো সিংহ
হতে পারে? একটা মানুষ আর অন্যটা জন্তু, কেউ
কারো মত হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা
যাচ্ছে না। তার মানে যেহেতু তুলনা করা
যাচ্ছেনা, অতএব এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।
চন্দ্রমুখ শব্দটি কোন সমাস? খেয়াল করুন মুখ কি
কখনো চাঁদের মত হতে পারে, নাকি চাঁদ কখনো
মুখের মত হতে পারে? কোনোটাই কোনটার মত
হতে পারেনা। অর্থাৎ তুলনা করা যাচ্ছে না। তার
মানে যেহেতু তুলনা করা যাচ্ছেনা, অতএব এটি
উপমিত কর্মধারয় সমাস।
এটিও অন্যভাবে মনে রাখা যায়। উপমিত মানে
Noun+ Noun. যেমন - পুরুষসিংহ শব্দটির পুরুষ ও
সিংহ দুটোই Noun। অর্থাৎ Noun+ Noun।
একইভাবে চন্দ্রমুখ শব্দটির চন্দ্র ও মুখ দুটিই Noun
। অর্থাৎ Noun+ Noun। অতএব । অর্থাৎ Noun+
Noun= উপমিত কর্মধারয় সমাস সমাসের এই পর্বের
সাথে আমার “বাংলা ব্যাকরণ – ধ্বনি ও বর্ণঃ
সত্যজিৎ চক্রবর্ত্তী ” নাম ও শিরোনামে
লেখাটি দেখে রাখবেন। ঐ পর্বটি
চ্যালেঞ্জিং পর্ব ছিল।অর্থাৎ ঐ নোটের
বাইরে একটি প্রশ্ন ও হবেনা।
বাকি থাকল রুপক কর্মধারয় সমাস। এটিও খুব
সোজা। রুপ- কথাটি থাকলেই রুপক কর্মধারয়।
যেমনঃ বিষাদসিন্ধু -এটি কোন সমাস?
বিষাদসিন্ধু কে বিশ্লেষণ করলে হয় “বিষাদ রুপ
সিন্ধু “। যেহেতু এখানে রুপ কথাটি আছে, অতএব
এটি রুপক কর্মধারয় সমাস। একইভাবে মনমাঝি -
মনরুপ মাঝি, ক্রোধানল -ক্রোধ রুপ অনল, এগুলো ও
রুপক কর্মধারয় সমাস, যেহেতু রুপ কথাটা আছে।
বাংলা ব্যাকরণ এর নিয়মানুসারে ব্যাকরণ বুঝতে
গেলে বিসিএস বা অন্য কোন চাকরির জন্য আর
প্রস্তুতি নেয়াটা অনেক কঠিন হয়ে যাবে। কারণ
বইতে যে ভাষায় ব্যাখ্যা করা আছে তা বুঝা আর
এভারেস্ট জয় করা সমান কথা। তাই চেষ্টা
করলাম সহজ ভাষায় উপস্থাপন করতে।
(Collected)

আপনি কিভাবে নিজে নিজেই একটি বিজনেস পেজ বানাবেন .সম্পূর্ণ বাংলায় 💘💘
28/09/2018

আপনি কিভাবে নিজে নিজেই একটি বিজনেস পেজ বানাবেন .
সম্পূর্ণ বাংলায় 💘💘

আমার ভিডিও গুলো ভালোলাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার করবেন . ধন্যবাদ .... আর সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না.....

25/09/2018

**মহামারী অফার**
“Scratch & Win” ফিচারে, Debit ও Credit Card ইউজারদের জন্য।
এখন থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতি রিচার্জেই সর্বোচ্চ ১০% পর্যন্ত বোনাস। তাই যত বেশি রিচার্জ তত বেশি বোনাস।
VISA, MasterCard, Nexus, Amex etc ইউজাররা Download করুন এখনি।

*কোন শর্ত প্রযোজ্য নয়
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.mobiletopup.bd

Address

Rising Sun, DE
47040

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tech - Studio posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share