22/06/2025
একটি ছেলের আত্মনাট্য: বাস্তব জীবনের এক ছোট্ট করুণ চিত্র
একটি ছেলেকে জ্যান্ত লাশে পরিণত করে দিয়ে যায় তারই শখের নারী।
শেষবারের মতো ছেলেটি তার প্রিয়তমাকে বলতে থাকে —
"সব দোষ আমার।
তোমার সাথে যা করেছি, তা শুধু তোমাকে পাওয়ার জন্যই করেছি,
যাতে তোমাকে কখনও হারাতে না হয়।
তবুও শেষবারের মতো বলছি — ক্ষমা করে দাও আমাকে।
আমি তোমাকে সারাজীবনের জন্য আমার করে নিতে চাই।
মনে হচ্ছে নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাচ্ছে... খুব কষ্ট হচ্ছে।"
প্রিয়তমা ঠাণ্ডা কণ্ঠে জবাব দেয় —
"তুই মর গিয়ে... বা জাহান্নামে যা! আমার দেখার সময় নেই!"
ছেলেটি বারবার বলতে থাকে —
"আমার দম বন্ধ হয়ে আসছে... ঠিকমতো নিশ্বাস নিতে পারছি না..."
এই বলার মধ্যেই প্রিয়তমা সব ধরনের যোগাযোগ ছিন্ন করে দেয়।
ছেলেটির অবস্থা তখন ভয়াবহ রকম খারাপ হয়ে যায়...
(বাকি গল্পটি দ্বিতীয় পর্বে প্রকাশিত হবে।)
---
ব্যক্তিগত অনুভব
ছলনাময়ীদের কখনোই কিছু দিয়ে আটকে রাখা যায় না,
কারণ তাদের রক্তেই থাকে বেইমানির ছাপ।
তুমি যতই ভালো হও না কেন, তারা বেইমানি করবেই।
যে সত্যিই ভালোবাসে, সে রাগে কষ্ট পেলেও কখনো হুট করে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় না।
কিন্তু এই ছলনাময়ীরা শেষে বলে —
"আমার ফ্যামিলির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত!"
প্রশ্ন হলো —
যখন একটি মেয়ের সাথে একজন ছেলের গভীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে,
ভালোবাসা দেওয়া-নেওয়া হয়, তখন কি ফ্যামিলির কথা মনে থাকে না?
একটি ছেলে যখন মন-প্রাণ দিয়ে একটি মেয়েকে ভালোবাসে,
তখন সে যেকোনো মূল্য চুকিয়ে সেই মেয়েকে কাছে আনতে চায়।
সেই মুহূর্তে তার ভালো-মন্দ, উচিত-অনুচিত বিচার করার অবস্থাও থাকে না।
কিন্তু শেষে সেই ছলনাময়ীরা বলে —
"যে ভালোবাসে, সে কখনো ক্ষতি করে না!"
তাহলে প্রশ্ন করি —
ভালোবাসা কি খেলনা? পুতুল?
নাকি নতুন-নতুন মন ভালো লাগার বাহারি খেলা? 💔